আবুল কাশেম রুমন, সিলেট প্রতিনিধি
০২:৩৫ পি.এম
অবশেষে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা আনতে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি একমাসের মধ্যে মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনার একটি ‘যৌক্তিক পদ্ধতি’ নির্ধারণ করবে।
শুক্রবার (২৬ জুন ২০২৬ইং) সকালে সিলেটের সার্কিট হাউজে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন নিয়ে বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে তালা প্রদান নিয়ে আলোচনা সমালোচনার মধ্যে শুক্রবারের এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে হযরত শাহজালাল (রহ.) দরগাহর উন্নয়ন ও দানের টাকা ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় ১২ সদস্যের কমিটি গঠনের কথা জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে প্রধান করে গঠিত কমিটির সদস্যরা হলেন- সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রশাসক রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মশিউর রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের শামীম, সিলেটের ডিআইজি, মহানগর পুলিশ কমিশনার, মাজারের মতোয়াল্লি পরিবারের দু’জন সদস্য, মাজার মাদ্রাসা ও মসজিদের দুজন প্রতিনিধি এই কমিটির সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন জেলা প্রশাসক।
এসময় বাণিজ্য মন্ত্রী জানান, দরগাহর উন্নয়ন, দানের অর্থ ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক কার্যক্রমে যৌক্তিক সমাধানে পৌঁছাতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আর্থিক হিসাবে স্বচ্ছতা আনতে ঐক্যমত্যে পৌঁছেছেন সকলে মাজার কর্তৃপক্ষও এ ব্যাপারে একমত। সবার মতামতের ভিত্তিতে সবপক্ষের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি আগামী এক মাসের মধ্যে ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণ করবে।
প্রসঙ্গত, গত ১২ জুন হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার পরিদর্শনে যান সাবেক ডিসি সারওয়ার আলম। এ সময় তিনি মাজারের আয়-ব্যয়ের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এরই অংশ হিসেবে গত ১৮ জুন বিকেলে মাজারে নতুন চারটি দানবাক্স স্থাপন করা হয়। পাশাপাশি মাজারে মানুষের দানের অর্থ রাখার জন্য থাকা ঐতিহাসিক তিনটি দানের ডেগ ও একটি দানবাক্স সিলগালা করা হয়। এ ঘটনার পর জেলা প্রশাসকের পক্ষে-বিপক্ষে বিস্তর আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়। দান বাক্স বসানোর ডিসির প্রত্যাহার হওয়ার প্রজ্ঞাপন জারির পরদিন সোমবার সারওয়ার আলম মাজারে যান। বেলা দুইটার দিকে তাঁর নির্দেশনায় দানবাক্স ও সিলগালা করা ডেগগুলো খোলা হয়। টাকা গণনা শেষে সন্ধ্যায় জানানো হয়, আটটি ডেগ ও দানবাক্সে মোট ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা নগদ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ৭ আনা স্বর্ণালংকার ও ১০ সৌদি রিয়াল মিলেছে। এসব টাকা হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের নামে ব্যাংক হিসাবে রাখা হয়। এরপর থেকে মাজারের আয়ের স্বচ্ছতার বিষয়টি আলোচনায় আসে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, জব্দ ইরানি অর্থের একটি অংশ মার্কিন কৃষকদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ খাদ্যশস্য কেনার কাজে ব্যবহার করা হবে। এই পণ্য বিশেষভাবে ইরানে সরবরাহ করা হবে। তবে ট্রাম্পের এই দাবি ও বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান।
গত বুধবার (১৭ জুন) যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি ১৪ দফা সমঝোতায় পৌঁছায়। এই সমঝোতার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা, সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ করা, উত্তেজনা কমানো, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর সীমাবদ্ধতা এবং নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার মতো বিষয়।
ইরানের প্রতিনিধিদলের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ জানান, জব্দ হওয়া সম্পদ অবমুক্ত করার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সমঝোতা হয়েছে। এই সমঝোতার ফলে ইরানের ১২ বিলিয়ন ডলার বা ১ হাজার ২০০ কোটি ডলারের তহবিল ছাড়ানোর পথ তৈরি হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অবসানে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তারা ইরানের জব্দকৃত সম্পদের জন্য একটি ব্যয় পরিকল্পনা তৈরি করেছে। ট্রাম্প প্রশাসন বলছে যে, অবমুক্ত করা অর্থ মার্কিন কৃষিপণ্য কিনতে ব্যবহার করা হবে, যা পরবর্তীতে ইরানকে সরবরাহ করা হবে।
স্থানীয় সময় গত বুধবার (২৫ জুন) রাতে মার্কিন কৃষকদের সম্মানে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে ট্রাম্প আবারো একই কথা বলেন। তার কথায়, ‘আমরা তাদের (ইরানের) কিছু টাকা নিতে যাচ্ছি।’
অবমুক্ত করা ইরানি সম্পদের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা সেই অর্থ খরচ করব এবং বিপুল পরিমাণে গম, সয়াবিন ও ভুট্টা কিনব। শিগগিরই এই প্রক্রিয়াটি শুরু হতে যাচ্ছে এবং এটি বেশ বড়সড় একটা উদ্যোগ হবে।’
ট্রাম্পের প্রশাসনের এই দাবি নাকচ করে দিয়েছেন ইরানি আলোচনাকারী দলের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব এবং দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গালিবাফ মার্কিন দাবি প্রত্যাখ্যান করে লেখেন, ‘আমেরিকা মিথ্যা দাবি করছে যে আমাদের অবরুদ্ধ মুক্ত সম্পদ দিয়ে তাদের কৃষিপণ্য কেনা হবে। বেশ মজার বিষয়। আমরা এখন কেবল সেই ফসলই ঘরে তুলছি, যা আপনারা বপন করেছিলেন; আর তা হলো কয়েক দশকের গভীর অবিশ্বাস।।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হিজাব-নেকাবের নিষেধাজ্ঞার পর এবার দেশজুড়ে আজান নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা করছে ইউরোপের দেশ ডেনমার্ক। দেশটির সরকার উদ্বেগে ভুগছে কারণ দিন দিন মুসলিমদের সংখ্যা বাড়ছে। এই উদ্বেগের প্রেক্ষিতে আজান নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান এই রাষ্ট্রটি।
সাম্প্রতিক একটি সাক্ষাৎকারে ডেনমার্কের অভিবাসনমন্ত্রী মর্তেন বোদস্কভ এই তথ্য জানিয়েছেন। ড্যানিশ সংবাদ সংস্থা রিৎজাউকে দেওয়া সাক্ষাৎকারের ইংরেজি সংস্করণ প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ দৈনিক ডেইলি মেইল ও ডেইলি টেলিগ্রাফ।
মন্ত্রী বোদস্কভ বলেন, ক্রমবর্ধমান ‘ইসলামীকরণ’ ডেনমার্কের জনপরিসরের উল্লেখযোগ্য অংশ দখল করে নিচ্ছে। বর্তমানে দেশে মোট জনসংখ্যার ৫ শতাংশ ইসলাম ধর্মাবলম্বী এবং মুসলিমরা ডেনমার্কের বৃহত্তম সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ে পরিণত হয়েছে।
ডেনমার্কের এই মন্ত্রী সাক্ষাৎকারে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, ডেনমার্কের বাড়িঘরের ছাদ থেকে আজানের আহ্বান শোনা যাওয়া উচিত নয়।
একটি সময় তিনি এই মন্তব্য করেন, যখন প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেনের নির্দেশে ডেনমার্কের অভিবাসননীতি ব্যাপকভাবে কঠোর হচ্ছে। বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ডেনমার্কের অভিবাসন নীতি সবচেয়ে কঠোর।
এদিকে, আজান নিষিদ্ধের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ডেনমার্কের সরকারের সামনে কিছু আইনগত চ্যালেঞ্জ রয়েছে। কারণ, দেশের সংবিধানে জনগণের মুক্তভাবে ধর্মচর্চার অধিকারকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। সমালোচকদের যুক্তি, এ পরিকল্পনা একটি বিশেষ ধর্মকে অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে লক্ষ্যবস্তু করেছে এবং এটি ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করার সম্ভাবনা তৈরি করছে।
তবে, সেই চ্যালেঞ্জগুলি খুব শক্তিশালী হবে বলে মনে হচ্ছে না। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ইউরোপজুড়ে অভিবাসী-বিরোধী মনোভাব উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। আজান ও হিজাব পরিধানের মতো ইসলামিক প্রথাগুলোকে কঠোর নজরে দেখা হচ্ছে।
এর আগে, চলতি ২০২৬ সালের শুরুর দিকে আইন পাস করে দেশজুড়ে মুখঢাকা হিজাব-নেকাব নিষিদ্ধ করেছে ডেনমার্কের সরকার।
রিৎজাউকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ডেনমার্কের অভিবাসনমন্ত্রী মন্তব্য করেন, ডেনমার্কে ইসলামীকরণের কোনও সুযোগ নেই। ডেনমার্কে ঘুরে বেড়ানোর সময় যদি আপনার মনে হয় যে আপনি ইসলামাবাদের কোনো উপশহরে এসে পড়েছেন, তাহলে এটি একটি বড় সমস্যা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল জাপান। দেশটির চিবা প্রদেশে ৫ দশমিক ৮ মাত্রার এ ভূমিকম্প অনুভূত হয় বলে জানিয়েছে জাপানি কর্তৃপক্ষ এবং মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)। এ ভূমিকম্পের কারণে রাজধানী টোকিওর আশপাশের এলাকা কেঁপে ওঠে।
বার্তা সংস্থা আনাদোলুরের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, জাপান আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) জানিয়েছে, শুক্রবার (২৬ জুন) স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ৪৬ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল চিবা প্রদেশে, বায়ুমণ্ডলের প্রায় ৫০ কিলোমিটার গভীরে। তবে এতে কোনো সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি।
সংস্থাটি আরও জানায়, জাপানের ৭ স্তরের ভূমিকম্প স্কেলে সর্বোচ্চ কম্পনের মাত্রা ছিল ৪, যা তুলনামূলকভাবে মাঝারি ধরনের ঝাঁকুনি হিসেবে বিবেচিত হয়। কিন্তু, এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভেও ভূমিকম্পটির মাত্রা ৫ দশমিক ৮ বলে জানিয়েছে। এছাড়া এর কেন্দ্রস্থল ইয়োকোশিবার প্রায় ৪ কিলোমিটার (২ দশমিক ৪৮ মাইল) দক্ষিণ-দক্ষিণ-পূর্বে ভূপৃষ্ঠ থেকে ৫৬ কিলোমিটার (৩৪ দশমিক ৭ মাইল) গভীরে অবস্থিত বলে শনাক্ত করেছে সংস্থাটি।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে দেশটিতে। প্রাথমিকভাবে এর মাত্রা ৬ দশমিক ৯ নির্ধারণ করা হলেও পরে তা সংশোধন করে ৭ দশমিক ২ করা হয়। জাপানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৫০ কিলোমিটার গভীরে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, শহীদ ওসমান হাদি হত্যা মামলার আসামিদের ভারত থেকে শিগগিরই দেশের মাটিতে ফেরানো সম্ভব হবে।
আজ রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে একটি আলোচনা সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ‘শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের মধ্যে তিনজনকে ভারত সরকার গ্রেফতার করেছে। তারা সম্ভবত কলকাতায় রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এক্সট্রাডিশন চুক্তির অধীনে মামলার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সেই সময়ে পাঠিয়ে দিয়েছিলাম।’
তিনি আরও বলেন, “আমরা এখন অপেক্ষা করছি, আশা করি খুব শিগগিরই তাদের ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হব। তার পাশাপাশি, এই মামলার অসম্পূর্ণ তদন্ত শেষ করে চার্জশিট দাখিলও করার সক্ষমতা থাকবে আমাদের।”
যখন সাংবাদিকরা এক প্রশ্ন করেন, তখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বেনজীর আহমেদ গ্রেফতার হওয়ার পর আবুধাবি (ইউএই) থেকে ফেডারেল পুলিশ ই-মেইলে যোগাযোগ করে তাদের গ্রেফতারের খবর দিয়েছে। বিগত ৩০ দিনের মধ্যে বেনজীরকে দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য নথিপত্র চাওয়া হয়েছিল। প্রতিক্রিয়া হিসেবে, তারা উল্লেখ করেন যে, আমরা সেই নথিপত্র মাত্র তিন দিনের মধ্যে প্রস্তুত করেছি এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ইউএই সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, বেনজীরের বিষয়ে আরব আমিরাত সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোন তথ্য আমাদের জানানো হয়নি। তবে আমরা অপেক্ষা করছি এবং আশা করছি খুব শিগগিরই আমাদেরকে জানানো হবে।
অন্য একটি প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সীমান্তে আমরা একজনকেও পুশইন হতে দেইনি। বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। আমরা কূটনৈতিকভাবে আহ্বান জানিয়েছি, যদি কোনো বাংলাদেশি সেখানে থেকে থাকে, সেক্ষেত্রে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমেই তালিকা Indiaতে দিতে পারে। নাগরিকত্ব যাচাই-বাছাই করে এই বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ