০৯:৩৮ এম
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর মন্তব্য করেছেন যে, যেকোনো সম্পর্ক কার্যকর রাখতে হলে তা অবশ্যই পারস্পরিক স্বার্থের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। এ সময় তিনি বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুতে সরাসরি মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।
শনিবার (২২ আগস্ট) ইকোনমিক টাইমস ওয়ার্ল্ড লিডার্স ফোরামে বক্তব্য দেয়ার সময় জয়শঙ্কর এই মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে যখন তাকে বাংলাদেশ থেকে শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের দাবির বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়, তিনি উত্তর না দিয়ে দুই দেশের সম্পর্কের মূলনীতি হিসেবে পারস্পরিক স্বার্থের কথা তুলে ধরেন।
জয়শঙ্কর বলেন, ‘যেকোনো সম্পর্ক কার্যকর হতে হলে তা পারস্পরিক স্বার্থের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। এটি দুই দেশের জন্যই সমানভাবে কাজ করতে হবে।’
আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকার দীর্ঘদিন ধরে শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানিয়ে আসছে। তিনি মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় দণ্ডিত হওয়ার পর ভারতে অবস্থান করছেন। তবে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট প্রশ্নের জবাবে জয়শঙ্কর কোনো মন্তব্য করেননি। তাঁর পরিবর্তে তিনি বলেছেন, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক একতরফা স্বার্থের ভিত্তিতে এগোতে পারে না।
তিনি আরো বলেন, আমি আশা করি না যে আমার প্রতিবেশীরা শুধু আমার স্বার্থেই কাজ করবে। যেমন আমি তাদের স্বার্থকে স্বীকৃতি ও সম্মান জানাতে চাই, তেমনি আমিও আশা করি, তারা ভারতের স্বার্থকে সম্মান করবে।
জয়শঙ্কর আরো বলেন, যখন একটি সমঝোতার জায়গা বা ঐকমত্যের ভিত্তি তৈরি হয়, তখনই সম্পর্কগুলো সুন্দরভাবে এগিয়ে যায়। তিনি বলেন, যেকোনো দ্বিপক্ষীয় গভীর সম্পর্কের মূলে থাকে পারস্পরিক স্বার্থ।
আরও পড়ুন: ইসরাইলের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ৭৭.৭ শতাংশ, ১৯৯৯ সালের পর সর্বোচ্চ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন