০৫:৪৯ পি.এম
মাদারীপুরের রাজৈরের জমি নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা দ্বন্দ্ব নিয়ে অভিযোগ রয়েছে। দুইভাই, ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা এবং অভিযোগ দিয়ে হয়রানীর বিষয়টি তুলে ধরেছেন। এ বিষয়টি প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানান দিয়েছেন তারা।শনিবার দুপুরে রাজৈরের টেকেরহাট আবাসিক এলাকার একটি ভবনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
রাজৈর উপজেলা খালিয়া গ্রামের মৃত সমশের খানের ছেলে কাজেল খান ওয়রিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমি থেকে ভাই-বোন ও মায়ের কাছ থেকে ১৯৮৯ সাল থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত ৮টি সাব-কবলা মূলে মোট ৬৬.৮৪ শতাংশ জমির মালিক। কিন্তু বর্তমানে কাজেল জোরপূর্বক এই জমির বাইরে অতিরিক্ত জমি দাবি করছেন। ২০১৯ সালে কাজেল তার দুইভাই তাজেল ও ফজেলের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। এরপর থেকে তাজেল ও ফজেলকে বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ দিয়ে হয়রানী করার অভিযোগ ওঠে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকালে তাজেল ও ফজেল যখন তাদের নিজস্ব জায়গায় একটি নিটশেট ঘর নির্মাণ শুরু করেন, তখন কাজেল পুলিশ দিয়ে তাদের বাধা দেন। ফলে ভুক্তভোগীরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। তারা সরকারের সহযোগিতা কামনা করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
ভুক্তভোগী ফজেল খান বলেন, ‘কাজেল যতটুকু জমি পাবে, তার থেকে বেশি ভোগ করতে চায়। আমি এটা কোনভাবেই মেনে নেব না। আমরা আইনী সহায়তা চাই।’
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে অপহরণ ও ডাকাতির মামলায় পুলিশ কনস্টেবলসহ গ্রেপ্তার ৪, উদ্ধার ৩ মোটরসাইকেল
আরেক ভুক্তভোগী তাজেল খান বলেন, ‘স্থানীয়ভাবে এই বিষয়টি নিয়ে কয়েকবার বসা হয়েছিল। মীমাংসার কথা বলা হলে মামলা তুলে নেয়ার কথা হয়েছিল, কিন্তু আবার শুনি মামলা চলমান। আমরা কয়েক বছর ধরে হয়রানীর শিকার হচ্ছি। আমরা এর বিচার চাই।’
অভিযুক্ত কাজেল খান বলেন, ‘আমি ৬৬.৮৪ শতাংশ জমির মালিক, কিন্তু আমার আপন দুইভাই জোরপূর্বক আমাকে জমির মালিকানা বুঝিয়ে দিচ্ছে না। তারা বাধাগ্রস্থ করছে। আমি ন্যায় বিচারের স্বার্থে আদালতে দ্বারস্থ হয়েছি। মামলা চলমান। নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার পরও তারা জোরপূর্বক আমার জায়গায় ঘর তুলছে। আমি ন্যায় বিচার দাবি করছি।’
মাদারীপুরের রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে দুইপক্ষকে থানায় আসতে বলা হয়েছে। থানায় আসলে কাগজপত্র দেখে দ্রুত একটি সমাধানের চেষ্টা করা হবে।’
আরও পড়ুন: টেকনাফে বিজিবির পৃথক অভিযানে সাড়ে ৪ লাখ ইয়াবা উদ্ধার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন