বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:৪১ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের টেনিসি রাজ্যে বিষাক্ত ইনজেকশন প্রয়োগের পর অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়া মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দি ক্রিস্টা পাইক (৫০) বর্তমানে হাসপাতালের কক্ষে হাঁটাহাঁটি করছেন। তবে, তাঁর আইনি দলের সদস্য স্টিফেন ফেরেল জানিয়েছেন যে, তিনি মানসিক দ্বিধা ও মানসিক অস্পষ্টতার (মেটাল ফগ) মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।
স্টিফেন ফেরেল বিবিসি রেডিও ৪-এর ‘টুডে’ অনুষ্ঠানে সাক্ষাৎকারে জানান, যদিও তিনি সরাসরি ক্রিস্টা পাইকের সঙ্গে কথা বলেননি, তথাপি তিনি জানতে পেরেছেন যে, পাইক হাসপাতালের কক্ষে প্রথমবারের মতো চলাফেরা করছেন। ৩০ সেপ্টেম্বর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সময় তাঁর শরীরে দুইবার শক্তিশালী বিষাক্ত রাসায়নিক 'পেন্টোবার্বিটাল' প্রয়োগ করা হয়েছিল, তবুও তিনি বেঁচে যান। বিশেষজ্ঞরা এই ধরনের ঘটনা, যেখানে বিষাক্ত ইনজেকশন প্রয়োগের পর কোনো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দি বেঁচে যান, সেটিকে বিরল ও অভূতপূর্ব বলে অভিহিত করেছেন।
আইনজীবী ফেরেল বলেন, ক্রিস্টার ওপর শারীরিক ও মানসিকভাবে মারাত্মক ধকল গেছে। তাঁর হাত দুটিতে গুরুতর আঘাত হয়েছে এবং তিনি সেগুলো সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারছেন না। মানসিকভাবে তিনি স্পষ্ট চিন্তা করতে পারছেন না, সহজেই মনোযোগ হারাচ্ছেন এবং কথার পথ ভুলে যাচ্ছেন। এই দীর্ঘমেয়াদী শারীরিক ও মানসিক ক্ষতির স্থায়িত্ব সম্পর্কে এখনই কিছু বলা সম্ভব নয়। তাঁর আইনি দল এখন জরুরি মনস্তাত্ত্বিক চিকিৎসা ও সহায়তার দাবি জানিয়েছে।
এদিকে, এই ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনার পর আদালত টেনিসি রাজ্য প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে যে, সেই রাতের সমস্ত প্রমাণাদি সুরক্ষিত ও সংরক্ষণ করতে হবে, যার মধ্যে সিরিঞ্জ, ইনজেকশন নল এবং বর্জ্য প্যাকেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই নির্দেশ ভবিষ্যতে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে মামলার ভিত্তি তৈরি করতে পারে।
ক্রিস্টা পাইক ১৯৯৫ সালে ১৯ বছর বয়সী কলিন স্লেমায়ারকে নৃশংসভাবে নির্যাতন ও হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথমবার বিষাক্ত ইনজেকশন প্রয়োগের পর কোনো বন্দির বেঁচে যাওয়ার ঘটনায় তীব্র বিতর্ক ও চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। টেনিসির গভর্নর বিল লি চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত রাজ্যের সমস্ত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত ঘোষণা করেছেন এবং ঘটনাটির তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। সূত্র: বিবিসি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনের সংসদ সদস্য নুরুল আমিন মন্তব্য করেছেন যে, জামায়াতে ইসলামী আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করে সরকার পতনের ডাক দিচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘আওয়ামী লীগ রাতারাতি দল পাল্টে জামায়াতে ইসলামীর পরিচয় ধারণ করেছে। আমরা এ ধরনের জামায়াতকে অতীতেও পছন্দ করিনি, এখনো করি না, ভবিষ্যতেও করব না।’
বুধবার (৭ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ধুম ইউনিয়নের দক্ষিণ মোবারকঘোনা আবাসন প্রকল্প সড়ক উদ্বোধন উপলক্ষে এম এ হায়দার স্কুল মাঠে আয়োজিত জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নুরুল আমিন বলেন, ‘বিএনপিকে জনগণ পাঁচ বছরের জন্য রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। বিএনপি কোনো ভুল বা খারাপ কাজ করলে তা জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। পাঁচ বছর পর জনগণ ভোট না দিলে বিএনপি ক্ষমতা ছেড়ে চলে যাবে। তবে মারামারি-কাটাকাটি করে ক্ষমতায় আসার রাজনীতি দেশের মানুষ আর চায় না।’
তিনি আরো বলেন, ‘জামায়াত আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করে ভারতের সঙ্গে কোটি কোটি টাকা ডিল করে আওয়ামী লীগকে আবার ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনতে চায়। তাদের নেতারাই বলছেন, আওয়ামী লীগ ফিরে এলে তাদের কোনো আপত্তি নেই। ২০২৪ সালে যে বিপ্লব হয়েছে, আওয়ামী লীগ রাজনীতি করলে কোনো দোষ নেই—এমন বক্তব্যও তারা দিয়েছে। ইতিমধ্যে গ্রামগঞ্জে দেখা যাচ্ছে, জামায়াত-আওয়ামী লীগ বন্ধু হয়ে গেছে।’
এছাড়া, সংসদ সদস্য অভিযোগ করেন যে, বিএনপির সরকার ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ক্ষমতা থেকে সরানোর চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ডিসেম্বর মাসে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে, শেখ হাসিনা ফিরে আসার ঘোষণা দিয়েছে। অন্যদিকে জামায়াতও আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করে বিএনপির সরকার ও তারেক রহমানকে ক্ষমতা থেকে সরানোর ডাক দিয়েছে। ১৯৯৬ সালেও তারা আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করে আওয়ামী লীগকে রাষ্ট্রক্ষমতায় বসিয়েছিল। আবারও তারা আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় বসানোর চেষ্টা করছে।’
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ধুম ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মেজবাউল হক মানিক। সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাঈনুল হোসেন ও হারুনুর রশীদ। বক্তব্য দেন বারইয়ারহাট পৌরসভা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক দিদারুল আলম মিয়াজি, মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব গাজী নিজাম উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আজিজুর রহমান চৌধুরী ও এম এ হায়দার স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আলী হায়দার টিপু।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ওলামা দলের সভাপতি মাওলানা জমির উদ্দিন, জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম জাকারিয়া, মিরসরাই উপজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফারুক, সাবেক কাস্টমস কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম চৌধুরী, ব্যবসায়ী আজিম উদ্দিনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চীনের বিজ্ঞানীরা পারমাণবিক নিউক্লিয়াসভিত্তিক ঘড়ি (Nuclear Clock) তৈরির ক্ষেত্রে বিশাল সফলতা অর্জন করেছেন। বিখ্যাত গবেষণা সাময়িকী Nature-এ প্রকাশিত সাম্প্রতিক গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বেইজিংয়ের সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের তৈরি থোরিয়াম-২২৯ (Thorium-229) নিউক্লিয়ার ক্লকটি ইউরোপের ভিয়েনায় তৈরি প্রতিযোগী ঘড়ির তুলনায় প্রায় ছয় গুণ বেশি স্থিতিশীল।
বিজ্ঞান ইতিহাসে গত ৭০ বছর ধরে সময় পরিমাপের সর্বোচ্চ নিখুঁত মানদণ্ড হিসেবে "পারমাণবিক ঘড়ি" (Atomic Clock) ব্যবহৃত হয়ে আসছে, যা পরমাণুর ইলেকট্রন স্তরের স্পন্দনের ওপর ভিত্তি করে চলে। তবে নতুন নির্মিত নিউক্লিয়ার ক্লকটি পরমাণুর ইলেকট্রনের পরিবর্তে তার কেন্দ্র বা নিউক্লিয়াসের ভেতরে থাকা থোরিয়াম-২২৯ আইসোটোপের শক্তিস্তর পরিবর্তনকে কাজে লাগায়।
পরমাণুর নিউক্লিয়াস আকারে পরমাণুর চেয়ে প্রায় ১ লাখ গুণ ছোট হওয়ায় এই ঘড়িগুলো বাহ্যিক তড়িৎ-চৌম্বকীয় পরিবেশগত প্রভাব বা বিঘ্ন দ্বারা সহজেই প্রভাবিত হয় না। এর ফলে ভবিষ্যতের স্যাটেলাইট নেভিগেশন (GPS), যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং পদার্থবিজ্ঞানের জটিল গবেষণায় এটি বর্তমান অ্যাটমিক ক্লকের চেয়ে অনেক গুণ বেশি সূক্ষ্ম ও সঠিক সময় বজায় রাখতে সক্ষম হবে।
বেইজিংয়ের সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা আলাদাভাবে প্রস্তুতকৃত একাধিক থোরিয়াম কেলাস (Crystals) ব্যবহার করে প্রমাণ করেছেন যে ঘড়ি দুটি একযোগে একই সময় বজায় রাখতে সক্ষম। বিজ্ঞানের ভাষায় একে 'পুনরুৎপাদনযোগ্যতা' (Reproducibility) বলা হয়, যা যেকোনো প্রযুক্তির বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারিক হওয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।
অন্যদিকে, ভিয়েনার অস্ট্রিয়ান গবেষক দল তাদের ঘড়িটির সাহায্যে মহাবিশ্বের রহস্যময় বস্তু 'ডার্ক ম্যাটার' (Dark Matter) অনুসন্ধানের চেষ্টা চালিয়েছে। গবেষকদের মতে, উভয় দেশ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় থাকলেও এটি বিজ্ঞান অঙ্গনে একটি সুদূরপ্রসারী ও বন্ধুত্বপূর্ণ মাইলফলক প্রতিষ্ঠা করেছে।
বিজ্ঞানীদের প্রত্যাশা, আরও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন লেজার প্রযুক্তি যুক্ত হলে এই নিউক্লিয়ার ক্লক মহাবিশ্বের মৌলিক নিয়মসমূহ উদ্ঘাটনসহ যোগাযোগ প্রযুক্তির চিত্র বদলে দেবে। সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি চীনের হাতে পৌঁছানোর ঘটনা ঘটেছে, যা একটি সতর্কতামূলক ই-মেইল নজরে না আসার কারণে হয়েছে। এই ঘটনার ফলে যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে এবং তদন্ত কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে ব্লুমবার্গের উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, একটি চালানের মধ্যে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের ককপিটের ক্যানোপি এবং অস্ত্র রাখার বগির দরজা অন্তর্ভুক্ত ছিল। এসব যন্ত্রাংশে রাডার তরঙ্গ শোষণকারী বিশেষ উপাদান ব্যবহার করা হয়েছিল। চালানটির সঙ্গে একটি সতর্কতা ছিল যে, যন্ত্রাংশগুলো হংকং হয়ে পরিবহন করা যাবে না।
ডিএসভি এ/এস নামক ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড পার্সেল সার্ভিস (ইউপিএস)-কে ই-মেইলের মাধ্যমে এই বিষয়ে সতর্ক করেছিল। তবে জানা গেছে, ইউপিএসের সংশ্লিষ্ট কর্মী সেই বার্তাটি দেখতে পাননি।
একটি সূত্র জানায়, ডিএসভির পাঠানো ই-মেইলটি ইউপিএসের কর্মীর ব্যবহৃত সিস্টেমের ভিন্ন একটি তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রেরিত হয়েছিল। এই কারণে সতর্কতাটি নজর এড়িয়ে যায়।
চালানটি মূলত দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোতে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া থেকে চালানটি ছাড়তে দেরি হওয়ায় ভুলক্রমে দ্রুত সরবরাহের জন্য হংকংয়ের পথে পাঠানো হয়।
এদিকে, সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এফ-৩৫ বিমানের যন্ত্রাংশগুলো গত মে মাসের শেষ দিকে সম্ভাব্য মেরামত বা ধ্বংসের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হচ্ছিল। তবে হংকংয়ে পৌঁছানো দুই যন্ত্রাংশের গায়ে রাডার-শোষণকারী উপাদান ছিল, যা এফ-৩৫-এর স্টেলথ সক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এই ঘটনার তদন্ত করছে পেন্টাগন ও মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। মার্কিন আইনপ্রণেতারাও অস্ত্র সরবরাহের বৈশ্বিক ব্যবস্থাপনা পর্যালোচনা করার দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এমন ভুল পুনরাবৃত্তি না ঘটে।
এফ-৩৫ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লকহিড মার্টিন জানিয়েছে, তারা সংশ্লিষ্ট পরিবহন অংশীদারের সঙ্গে কাজ করে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধের জন্য ব্যবস্থা জোরদার করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুবাইয়ে আটকে থাকা নিজেদের নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে আনতে ইসরায়েলি বিমান সংস্থাগুলো বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা স্থগিত করেছে। এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে যখন সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইসরায়েলি এয়ারলাইন্সগুলোর ল্যান্ডিং পারমিট বা অবতরণের অনুমতি বাতিল করে।
ইসরায়েলি এয়ারলাইন্স 'আরকিয়া' (Arkia) তাদের এক বিবৃতিতে জানায়, ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি পুনর্বহাল করার জন্য তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখেছিল। তবে সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় তারা উদ্ধারকারী বিশেষ ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে। একইসঙ্গে, টিকিট কেনা যাত্রীদের পূর্ণ অর্থ রিফান্ড বা ফেরত দেওয়ার ঘোষণা তারা দিয়েছে।
শুধু আরকিয়া নয়, ইসরায়েলের শীর্ষ বিমান সংস্থা এল অল (El Al) এবং ইসরাইয়ার (Israir)-ও দুবাই থেকে তেল আবিবগামী সব পূর্বনির্ধারিত ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে। ইসরায়েল সরকারের পরিকল্পনা ছিল বৃহস্পতিবারের মধ্যে দুবাইয়ে আটকে পড়া নাগরিকদের বিশেষ বিমানে ফিরিয়ে আনার কাজ সম্পন্ন করা। কিন্তু আমিরাতের এ সিদ্ধান্তের পর উদ্ধার অভিযান থমকে গেছে।
ঘটনার সূত্রপাত ঘটে গত সপ্তাহে দুবাইভিত্তিক বিমান সংস্থা 'ফ্লাইদুবাই'-এর একটি ফ্লাইটে উমানি কো-পাইলট কর্তৃক আত্মঘাতী বা সন্ত্রাসী হামলার চেষ্টার পর। এই ঘটনার পর নিরাপত্তা তদন্তের স্বার্থে দুবাই-তেল আবিব রুটে ফ্লাইট চলাচল স্থগিত রাখা হয়, যা আগামী ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
নিয়মিত ফ্লাইট বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে দুবাইসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে প্রায় ১০,০০০ ইসরায়েলি নাগরিক আটকা পড়েছেন। পরবর্তীতে তাদের উদ্ধার করতে ইসরায়েলি বিমান সংস্থাগুলো বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করে এবং ইতিপূর্বে প্রায় ৭,৪১৫ জন ইসরায়েলি নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তবে এখন আমিরাত অবতরণ অনুমতি বাতিল করায় বাকি নাগরিকদের ফেরা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে ইসরায়েলের নিরাপত্তা জোরদার এবং নতুন বিধি-নিষেধ আরোপের কারণে এই অবতরণ সুবিধা বাতিল করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সূত্র: দ্য টাইমস অব ইসরায়েল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ