মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৪৫ পি.এম
গত কয়েক বছরে নারী ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা বিশ্বব্যাপী বৃদ্ধি পেয়েছে, সেইসাথে ক্রিকেটারদের আয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। জাতীয় দলের সঙ্গে চুক্তি এবং ম্যাচ ফি ছাড়াও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট, বিজ্ঞাপন, ধারাভাষ্য এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নারী ক্রিকেটাররা এখন বিশাল অঙ্কের অর্থ উপার্জন করছেন। এর ফলে আর্থিক দিক থেকে নতুন এক প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হয়েছে।
, বিশ্বের ধনী নারী ক্রিকেটারদের তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছেন অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি অলরাউন্ডার এলিস পেরি। তার মোট সম্পদের আনুমানিক পরিমাণ প্রায় ১২০ কোটি টাকা। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার কেন্দ্রীয় চুক্তির পাশাপাশি তিনি নারী বিগ ব্যাশে সিডনি সিক্সার্সের হয়ে খেলে এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিজ্ঞাপনী চুক্তি করে উল্লেখযোগ্য আয় করছেন।
তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার আরেক কিংবদন্তি মেগ ল্যানিং। যদিও সাবেক এই অধিনায়ক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন, তবে তিনি ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট, ধারাভাষ্য এবং ক্রিকেট-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তার আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৭৫ কোটি টাকা।
বিশ্বের ধনী নারী ক্রিকেটারদের তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক মিতালি রাজ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পরও তিনি বিজ্ঞাপন, ধারাভাষ্য, গণমাধ্যমে উপস্থিতি এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক কার্যক্রমের মাধ্যমে আয় করে চলেছেন। বর্তমানে তার আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৪৩ কোটি টাকা।
মিতালি রাজের পর চতুর্থ স্থানে রয়েছেন স্মৃতি মন্ধানা। এই তারকার আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৩৫ কোটি টাকা। জাতীয় দলের চুক্তি, নারী প্রিমিয়ার লিগের পারিশ্রমিক এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন থেকে তার আয়ের একটি বড় অংশ আসে।
তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছেন ভারতের অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর। তার আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২৬ কোটি টাকা। ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট, জাতীয় দলের পারিশ্রমিক এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক চুক্তির মাধ্যমে তিনি নিজের আর্থিক অবস্থান শক্তিশালী করেছেন।
শীর্ষ পাঁচে অস্ট্রেলিয়ার দুই তারকার পাশাপাশি ভারতের তিন ক্রিকেটারের উপস্থিতি নারী ক্রিকেটের বাণিজ্যিক উত্থানের চিত্র তুলে ধরছে। বিশেষ করে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের বিস্তার, নারী ক্রিকেটে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং বিজ্ঞাপনী বাজারে নারী ক্রিকেটারদের চাহিদা বাড়ানোর কারণে ভবিষ্যতে এই তালিকায় আরও বড় পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
এক সময় নারী ক্রিকেটে অর্থের পরিমাণ পুরুষ ক্রিকেটের তুলনায় অনেকটাই কম ছিল। তবে এখন সেই ব্যবধান ধীরে ধীরে কমছে। মাঠের সাফল্যের পাশাপাশি নারী ক্রিকেটারদের তারকাখ্যাতি বড় বাণিজ্যিক শক্তিতে পরিণত হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ ২৩৭৭টি মামলা দায়ের করেছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এই মামলাগুলি করে।
মঙ্গলবার (০১ সেপ্টেম্বর) সকালে ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মো. আকতার হোসেন গণমাধ্যমের কাছে এই তথ্য প্রকাশ করেন।
ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ৪টি বাস, ১টি ট্রাক, ৫টি কাভার্ডভ্যান, ৬টি সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং ২০টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৮১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ১১টি বাস, ৮টি ট্রাক, ২৫টি অটোরিকশা এবং ১২৬টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২০৫টি মামলা দায়ের হয়েছে।
ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ২৮টি বাস, ১৯টি কাভার্ডভ্যান, ৭২টি অটোরিকশা এবং ১৯৭টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩৮২টি মামলা দায়ের হয়েছে।
ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ৫৭টি বাস, ৪৫টি ট্রাক, ৩৭টি কাভার্ডভ্যান, ৪০টি অটোরিকশা এবং ১৩৯টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪৩৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ৯টি বাস, ৩টি ট্রাক, ৯টি কাভার্ডভ্যান, ১৫টি অটোরিকশা এবং ৬৫টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৫২টি মামলা দায়ের হয়েছে।
ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ১৯টি বাস, ৬টি ট্রাক, ১১টি কাভার্ডভ্যান, ৩১টি অটোরিকশা এবং ১৩৯টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৯৭টি মামলা দায়ের হয়েছে।
ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ৫৫টি বাস, ১টি ট্রাক, ২৭টি কাভার্ডভ্যান, ৮১টি অটোরিকশা এবং ১৭০টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৫০৬টি মামলা দায়ের হয়েছে।
ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ৪৮টি বাস, ৩টি ট্রাক, ১৫টি কাভার্ডভ্যান, ২৪টি অটোরিকশা এবং ৯৯টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩২১টি মামলা দায়ের হয়েছে।
এছাড়াও, অভিযানের সময় মোট ৫৫৭টি গাড়ি ডাম্পিং এবং ২১১টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের উন্নয়নে ১৮ ঘন্টা পরিশ্রম করছেন আর অন্য একটি দল নির্বাচনে হেরে গিয়ে পাগল হয়ে তারেক রহমানের কাজে ঈর্ষান্বিত হয়ে রাজপথে পাগলের প্রবল করছে বলে মন্তব্য করেছেন মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার। মঙ্গলবার সকালে মাদারীপুর জেলা বিএনপির আয়োজনে শহরের শকুনি লেকেরপাড় মুক্তমঞ্চে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও র্যালি শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
খোকন তালুকদার আরো বলেন,আমরা বলে দিতে চাই তারেক রহমান বাংলাদেশের মানুষের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন দেশের মানুষের ভালবাসায় প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন।মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তারেক রহমানকে ছোট করা যাবে না। আমরা বিরোধী দল মতের বন্ধুদের সাবধান করে দিতে চাই,আপনারা ভালো কাজের সাথে থাকেন তারেক রহমানের উন্নয়নের সাথে থাকেন, তাহলে বাংলাদেশের উন্নতি হবে ভবিষ্যতে মানুষের কাছে যেতে পারবেন। আর যদি সরকারের বিরোধিতা করেন তাহলে জনগণের প্রতিরোধের মুখে পড়বেন আপনারা। ফ্যাসিস্টদের বিদায় হয়েছে বাংলাদেশের লক্ষ জনতা নির্যাতিত হয়েছে গুমের শিকার হয়েছে খুনের শিকার হয়েছে তাদের রক্তের প্রতি সম্মান রাখতে হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন-মাদারীপুর জেলা বিএনপির আহবায়ক এ্যাড,জাফর আলী মিয়া,যুগ্ম আহবায়ক মিজানুর রহমান মুরাদ,জেলা যুবদলের আহবায়ক ফারুক বেপারী,জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শাহাদাত হোসেন হাওলাদার,সাধারণ সম্পাদক এ্যাড,মাসুদ পারভেজ,জেলা কৃষকদলের আহবায়ক ওলিউর রহমান দর্জি,সদস্য সচিব এ্যাড,অহিদুজ্জামান খানসহ জেলা বিএনপির অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে কৃষকদের কাছে চড়া দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ম বহির্ভূতভাবে মজুত করে রাখা এক ব্যবসায়ীর গুদাম থেকে ২০৯ বস্তা সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। জব্দকৃত এসব সারের সরকারি মূল্য ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭০০ টাকা। এ ঘটনায় ওই ব্যবসায়ীকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কাইয়ুম চৌধুরী। এর আগে সোমবার রাতে উপজেলার ছাপড়হাটী ইউনিয়নের শোভাগঞ্জ বাজারে ‘মেসার্স আজাহার আলী’ নামের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে এসব সার জব্দ করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঈফফাত জাহান তুলি। এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কৃষকদের কাছে চড়া দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়মবহির্ভূতভাবে সার মজুত করে রাখার অভিযোগে ওই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় মজুত করা ১০২ বস্তা ইউরিয়া ও ১০৭ বস্তা এমওপি সার পাওয়া যায়। পরে প্রতিষ্ঠানের মালিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা ও জব্দকৃত সার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার জিম্মায় রাখা হয়।
এর মধ্যে ১০২ বস্তা ইউরিয়া সারের সরকারি মূল্য ১ লাখ ৩৭ হাজার ৭০০ টাকা এবং ১০৭ বস্তা এমওপি সারের সরকারি মূল্য ১ লাখ ৭ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে জব্দ করা ২০৯ বস্তা সারের সরকারি মূল্য ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭০০ টাকা।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, পরবর্তীতে এসব সার সরকারি মূল্যে কৃষকদের মধ্যে বিক্রি করা হবে। বিক্রির সম্পূর্ণ অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করা হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, নিয়মবহির্ভূতভাবে সার মজুত করে চড়া দামে বিক্রি ও কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ পেয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। সত্যতা পাওয়ায় ২০৯ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তিনি বলেন, কৃষকদের স্বার্থে নিয়মিতভাবে বাজার ও সার বিক্রয় কেন্দ্রে অভিযান পরিচালনা করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ