বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৪৭ পি.এম
ঢাকা, ৮ অক্টোবর, ২০২৬ : দেশের কার্যকর ও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য তৃণমূল পর্যায়ে ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব বিকেন্দ্রীকরণ অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
মন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকরভাবে এবং স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। যখন মানুষকে রাজধানীতে এসে ছোটখাটো সেবা নিতে হয়, তখন স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। জনগণের জন্য প্রয়োজনীয় সেবা তাদের নিজ নিজ এলাকায় বসেই পাওয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
আজ রাজধানীর হোটেল লা মেরিডিয়ানের গ্র্যান্ড বলরুমে অনুষ্ঠিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে বলেন, ঢাকামুখী মানুষের চাপ কমাতে হলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও ক্ষমতাবান করতে হবে। রাজধানীতে কেন মানুষ আসে, সেই প্রশ্নের গভীরে গিয়ে সমস্যার সমাধান করতে হবে। যদি প্রত্যন্ত এলাকার মানুষকে জন্মনিবন্ধনের মতো সাধারণ সেবা পেতে মন্ত্রণালয়ে আসতে হয়, তাহলে তা দেশের শাসনব্যবস্থার কাঠামোগত সমস্যারই বহিঃপ্রকাশ।
তিনি উল্লেখ করেন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব না দেওয়া হলে, মানুষকে সব কাজের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের দ্বারস্থ হতে হবে। প্রকৃত বিকেন্দ্রীকরণ নিশ্চিত হলে, মানুষকে প্রয়োজনীয় কাজের জন্য ঢাকায় আসতে হবে না।
মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশে যেকোনো উদ্যোগের বাস্তবায়ন সবচেয়ে কঠিন ধাপ। প্রকল্পগুলো সফলভাবে বাস্তবায়নে যারা কাজ করেছেন, তাদের ধন্যবাদ জানাতে হবে, বিশেষ করে বিশ্বব্যাংক ও অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগীদের। এই প্রকল্পের সাফল্য ভবিষ্যতে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে নতুন কার্যকর প্রকল্প গ্রহণের পথ তৈরি করবে।
তিনি বলেন, কোনো প্রকল্প গ্রহণ ও শেষ করাই যথেষ্ট নয়; প্রকল্প বাস্তবায়ন থেকে শিক্ষা নিতে হবে এবং সেই শিক্ষা ভবিষ্যৎ উদ্যোগে কাজে লাগাতে হবে। প্রকল্প যাদের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে, তাদের মধ্যে প্রকল্পটির মালিকানা তৈরি করাও গুরুত্বপূর্ণ।
মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি অঞ্চলে মানুষকে পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর পরিবেশে বসবাসের সুযোগ দিতে হবে এবং স্থানীয় পর্যায়েই তাদের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে হবে। স্বাস্থ্যসেবা থেকে শুরু করে নাগরিক সেবা— সব ক্ষেত্রেই স্থানীয় পর্যায়ে সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।
ড. আবদুল মঈন খান বলেন, স্থানীয় সরকার হচ্ছে গণতন্ত্রের মৌলিক ভিত্তি। গণতন্ত্র শুধু কেন্দ্রীয় পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত হলে হবে না; এর ভিত্তি গড়ে তুলতে হবে তৃণমূল পর্যায় থেকে। স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করার মধ্য দিয়েই একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের ভিত্তি আরো মজবুত করা সম্ভব।
নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে নারীদের আরো বেশি সুযোগ দিতে হবে। সংরক্ষিত আসনের পাশাপাশি ভবিষ্যতে নারীদের সাধারণ আসনেও পুরুষদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জনপ্রতিনিধি হিসেবে উঠে আসার সুযোগ তৈরি করতে হবে। এর মাধ্যমে স্থানীয় সরকার, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা এবং নারীর ক্ষমতায়ন— তিনটিই শক্তিশালী হবে।
তিনি আরো বলেন, স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এ উদ্যোগ আরো গতিশীল হবে এবং তৃণমূল থেকে গণতন্ত্রের ভিত্তি শক্তিশালী করার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেন সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান বিভাগের প্রধান জ্যঁ পেসমে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেখ হাসিনা আর কখনো বাংলাদেশে ফিরে আসবেন না, ফাঁসির দড়ির ভয়ে এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর গণহত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে শেখ হাসিনার অপরাধ চিরতরে ‘ক্ষমার অযোগ্য’। একইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেছেন, আওয়ামী লীগের আনুষ্ঠানিক বিচার সম্পন্ন হওয়ার আগে দলটির পুনর্বাসন বা তথাকথিত ‘রিকনসিলেশন’-এর কোনো সুযোগ নেই।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে ঝিনাইদহ শহরের ঐতিহ্যবাহী উজির আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
রাশেদ খান বলেন, ডিসেম্বর মাসে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে তিনি জানান, আওয়ামী লীগ যে গণহত্যা করেছে, তার মূল নির্দেশদাতা শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, "একটা মানুষ এত বোকা হতে পারে না যে, যার জন্য আদালতে ফাঁসির দড়ি প্রস্তুত রাখা আছে, সে দেশে ফিরে নিজে সেই দড়িতে ঝুলবে!" তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়েছেন আত্মরক্ষার জন্য, বাংলাদেশে ফেরার জন্য নয়। তিনি যদি সত্যিই দল বা রাজনীতিকে ভালোবাসতেন, তবে বলতেন ‘আমি জেলে যেতে রাজি, তাও দেশ ছাড়ব না’।
আওয়ামী লীগের ক্ষমা চাওয়া ও রাজনৈতিক সমঝোতা প্রসঙ্গে রাশেদ খান মন্তব্য করেন, "আওয়ামী লীগ ক্ষমা চাইল কী চাইল না, তাতে এ দেশের ভুক্তভোগী জনগণের কিছু যায় আসে না।" তিনি বলেন, "তাদের অপরাধ ক্ষমার অযোগ্য।" বর্তমানে যারা রিকনসিলেশন বা সমঝোতার বয়ান তৈরি করছেন, তারা মূলত ফ্যাসিবাদের দোসর এবং গণহত্যাকারীদের ফিরিয়ে আনার চক্রান্ত করছেন। জনগণ এই চালাকি বুঝে ফেলেছে। তিনি বলেন, "দল হিসেবে আওয়ামী লীগের আগে বিচার হতে হবে, এর আগে কোনো আলোচনার সুযোগ নেই।"
রাশেদ খান জামায়াতে ইসলামী এবং জুলাই আন্দোলনের ছাত্রনেতাদের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, জামায়াতের আমীর অভ্যুত্থানের এক মাসের মধ্যে আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করতে চেয়েছিলেন। তিনি বলেন, "ক্ষমতার জন্য জামায়াত আওয়ামী লীগের সঙ্গে হাত মেলাতেও দ্বিধা করবে না।" তিনি আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় জামায়াত নেতা শিশির মনীরের ভূমিকা উল্লেখ করে বলেন, "জুলাইয়ের উত্তাল দিনে এরা প্রোফাইল লাল পর্যন্ত করেনি। এই লজ্জা শিবির কীভাবে ঢাকবে?"
সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহর কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, "জুলাই শহীদদের তাজা রক্ত মাড়িয়ে সারজিস ও হাসনাত আবদুল্লাহরা কীভাবে আওয়ামী লীগের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন?" তিনি বলেন, "তারা পারলেও আমরা শহীদদের রক্তের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে কোনো আপস করতে পারি না।"
গণঅভ্যুত্থানে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, হাসিনা খেদাও আন্দোলনে বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাই সবচেয়ে বেশি জীবন দিয়েছেন। তিনি জানান, রাজপথে অকাতরে জীবন বিলিয়ে দেওয়া এই নেতাকর্মীদের অবদান জনগণের কাছে পৌঁছে দিতেই তিনি দেশব্যাপী জুলাই শহীদদের মাজার জিয়ারত ও পরিবারগুলোর সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন।
এর আগে উজির আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি কামরুজ্জামান লিটনের সভাপতিত্বে আয়োজিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের প্রশাসক এমএ মজিদ এবং কলেজের অধ্যক্ষ নাহিদা আক্তার। অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নিজের নামের আগে শায়খ কেন ব্যবহার করা হয়, সে বিষয়ে খোলামেলা ব্যাখ্যা দিয়েছেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আহমাদুল্লাহ। সম্প্রতি তিনি এই বহুল আলোচিত সম্মানসূচক শব্দের প্রকৃত তাৎপর্য ও প্রেক্ষাপট বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।
আলাপচারিতার একপর্যায়ে সাংবাদিক জানতে চান যে সাধারণত দেশে ইসলামী স্কলারদের নামের পূর্বে মুফতি বা মাওলানা জাতীয় পরিচিতি দেখা গেলেও তার নামের শুরুতে ‘শায়খ’ যুক্ত হওয়ার কারণ কী।
জবাবে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, শায়খ আসলে সম্মানসূচক একটি ভূষণ। আমরা যেরকম ‘জনাব’, ‘শ্রদ্ধেয়’—এ ধরনের শব্দ দিয়ে মানুষকে সম্মানিত করার চেষ্টা করি, শায়খও অনেকটা তেমন। শায়খ শব্দটি মূলত সিনিয়রিটি বোঝায়।
আরব বিশ্বে এটি খুব পরিচিত একটি সম্বোধন বা টাইটেল বলা যেতে পারে। সেখানে আলেম-ওলামাসহ সর্বস্তরের মানুষ পরস্পরকে সম্মান করে শায়খ বলে সম্বোধন করেন। আলেমদের ক্ষেত্রে এটি একটু বেশি ব্যবহৃত হয়।
তিনি নিজের প্রবাস জীবনের স্মৃতিচারণ করে বলেন, সৌদি আরবে তিনি প্রায় ১০ বছর অবস্থান করেছিলেন। সেখানে দেশটির ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাভাষী প্রবাসীদের ধর্মীয় নানা বিষয়ে সহায়তা দেওয়ার কাজে যুক্ত ছিলেন তিনি। কোনো প্রবাসী আইনি জটিলতা বা মামলায় জড়িয়ে পড়লে কখনো কখনো স্থানীয় আদালতের বিচারকদের সাথে দোভাষীর দায়িত্বও পালন করতে হতো তাকে। সেখানে বাংলা ভাষাভাষীরাও ‘শায়খ’ শব্দটি বলতে অভ্যস্ত। মূলত সেখান থেকেই ‘শায়খ’ শব্দটি আমার নামের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়।
বিষয়টি এমন নয় যে এটি কোনো অর্জনের টাইটেল, তিনি স্পষ্ট করেন যে এটি বিশেষ কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি বা আনুষ্ঠানিক অর্জনের মাধ্যমে পাওয়া কোনো উপাধি নয়। মুফতিদের ক্ষেত্রে যেমন নির্দিষ্ট যোগ্যতা বা দায়িত্বের বিষয় আছে, এটি তেমন নয়। আমাদের দেশে যেমন মাওলানা বা হুজুর বলে সম্বোধন করা হয়, সেখানে শায়খ বলে সম্বোধন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৮ অক্টোবর, ২০২৬ : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জানিয়েছেন, সরকার প্রান্তিক পর্যায়ের খামারিদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী ও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। যদি প্রান্তিক পর্যায়ে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা যায়, তাহলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনার দৌলতপুরে আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামার পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতোমধ্যেই সকল খামারিকে কৃষক কার্ডের আওতায় নিয়ে এসেছেন। তাদের কীভাবে প্রান্তিক পর্যায়ে উন্নত ও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করা যায়, সে লক্ষ্যেই ধারাবাহিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যেই ফুটানো বা হ্যাচিং ডিম নাইজেরিয়ায় রপ্তানি করেছি। আমরা এর উৎপাদন আরও বাড়াতে চাই। এই খাতটিকে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি এবং প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে সার্বিক নজরদারি রাখছেন। আশা করছি, প্রান্তিক পর্যায়ে খামারির সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি কর্মসংস্থান বাড়বে এবং নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হবে।’
তরুণদের এই খাতে আসার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যুবসমাজ যাতে এ খাতে এগিয়ে আসে, সে জন্য তাদের অনুপ্রাণিত করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে অনেক তরুণ খামার তৈরি করে সফলতা পেয়েছেন। সরকার তাদের ঋণ সুবিধাসহ সার্বিক সহায়তা প্রদান করছে। এই খাতের সার্বিক অগ্রযাত্রায় তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
খুলনার দৌলতপুর আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামারের উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের এই খামারের আধুনিকায়ন ও উন্নয়নের জন্য ইতোমধ্যে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের বাস্তবায়ন হলে খুলনার মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা পাবেন।’
এ সময় খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ, খুলনার জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. বয়জার রহমানসহ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা এবং কারিগরি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের কার্যক্রম প্রায় তিন বছর ধরে থমকে রয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জাতীয় সংসদে জানিয়েছিলেন যে, চলতি অক্টোবর মাসের মধ্যে ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হবে। তবে অক্টোবর মাসেও এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সম্ভাবনা নেই বলে জানা গেছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের একটি সূত্র বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) জানিয়েছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠান প্রধান এবং সহকারী প্রধান নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা আগামী ২১ অক্টোবর থেকে শুরু হবে। এনটিআরসিএ (বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ) প্রথমবারের মতো এই নিয়োগ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে। এই কারণে বর্তমানে নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সম্ভাবনা নেই।
সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর নতুন শিক্ষক নিয়োগের কার্যক্রম শুরু করার বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের পরামর্শ রয়েছে। তাই প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা শেষ হলে ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন বা ৯ম শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সম্ভাবনা বেশি। এ ছাড়া এই নিবন্ধনে কিছু পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে, যা সম্পন্ন করতে সময় লাগবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, ‘১৯তম বা ৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ভাইভার নম্বর বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। ভাইভার নম্বর বাড়াতে হলে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। তাই নতুন শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে কিছুটা সময় লাগবে।’
চলতি মাসে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘সম্ভাবনা নেই। তবে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে নির্দেশনা আসলে পরিস্থিতি পরিবর্তিত হতে পারে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ