বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:৪৫ পি.এম
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সারা দেশে সারের তীব্র সংকট এবং সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তদন্তের দাবি করেছে।
আজ বৃহস্পতিবার, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এই দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে দলের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন।
অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার মন্তব্য করেন, ‘দেশে সংকটের অভাব নেই; যেখানেই হাত দেবেন, সেখানেই সংকট। সার ডিলার নিয়োগে চরম দলীয়করণ করা হয়েছে, যার প্রত্যক্ষ নেতিবাচক প্রভাব কৃষি খাত ও সাধারণ নাগরিকদের ওপর পড়ছে। বিদ্যমান সরকারি নীতিমালার তোয়াক্কা না করে সার বিতরণ ও ডিলার নিয়োগে চরম দুর্নীতি, অনিয়ম ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করা হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনক হলো, একজনের দায়িত্ব হলেও কথা বলছেন অন্যজন। কৃষি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব কৃষিমন্ত্রীর, কিন্তু কথা বলছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তাদের মধ্যে রাজনৈতিক কর্তৃত্ববাদী মানসিকতা চেপে বসেছে। জেলা পর্যায়ে গঠিত কমিটিতে রাজনৈতিক বিবেচনায় তিনজনকে মনোনীত করা হয়েছে। ফলে যোগ্য ব্যক্তিদের ডিলার হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার কোনো সুযোগ থাকছে না। টাকার বিনিময়ে ডিলার নিয়োগ দেওয়ায় সার বিতরণে সরকার শতভাগ ব্যর্থ হয়েছে।’
মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, ‘সরকারের অব্যবস্থাপনা, ডিলার নিয়োগে স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতি, কালোবাজারে সার বিক্রি এবং চোরাচালানের কারণেই দেশে এই কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে। ডিলার নিয়োগের ন্যূনতম শর্ত মানা হয়নি। দিনাজপুর ও রংপুরের বদরগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় দলীয় প্যাডে দেওয়া তালিকার ভিত্তিতে এবং অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।’
তিনি উল্লেখ করেন, ‘গবেষণামূলক প্রতিবেদন ‘দ্য ডিসেন্ট’-এর অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ১৪ জন সংসদ সদস্যের নির্বাচনি এলাকায় তীব্র সারের সংকট তৈরি হয়েছে এবং কৃষকেরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। এক এলাকার বাসিন্দাকে অন্য এলাকায় সারের ডিলারশিপ দেওয়া হয়েছে। এমনকি কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও অনেকে ডিলারশিপ পেয়েছেন। এ ছাড়া একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তি, এমনকি ভুয়া গুদাম ও ভুয়া চুক্তিনামা দেখিয়েও ডিলারশিপ বাগিয়ে নিয়েছেন। রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় ডিলার নিয়োগের তালিকায় আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির নেতাদের যৌথ নাম পাওয়া গেছে।
গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘সরকারের কোনো মন্ত্রীই নীতিমালার তোয়াক্কা করছেন না। ফলে এখন ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নয়, বরং ‘সবার আগে দল’ নীতি চলছে। আদালতের নির্দেশনা লঙ্ঘন করে এসব ডিলারশিপ বণ্টন করা হয়েছে।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, অ্যাডভোকেট মুয়ায্জম হোসাইন হেলাল, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের; কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো. আব্দুর রব, অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ এমপি, অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, মোবারক হোসাইন, নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন ও ড. রেজাউল করিম এবং ঢাকা মহানগরী উত্তরের প্রচার সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার।
জামায়াতের ৬ দফা দাবি হলো—
১. সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, রাজনৈতিক প্রভাব ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ অবিলম্বে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
২. ডিলার নিয়োগের যোগ্যতার মানদণ্ড, তালিকা প্রণয়নের প্রক্রিয়া এবং লাইসেন্স প্রদানের ভিত্তি জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে।
৩. ডিলারশিপ পাইয়ে দেওয়ার নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগগুলো তদন্ত করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।
৪. সারের সংকট নিয়ে দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের বক্তব্য ও মাঠপর্যায়ের প্রকৃত পরিস্থিতির অসংগতি যাচাই করে সঠিক তথ্য প্রকাশ করতে হবে।
৫. ডিলার নিয়োগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষকে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে হবে এবং তদন্তের অগ্রগতি জনগণকে জানাতে হবে।
৬. প্রমাণ ছাড়া রাজনৈতিক বক্তব্য বা ভিত্তিহীন অভিযোগের মাধ্যমে কাউকে দায়ী করা যাবে না; যেকোনো অভিযোগ প্রমাণের ভিত্তিতে যাচাই করতে হবে।
সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, সারের সংকট সম্পর্কে সরকার জাতিকে অসত্য তথ্য দিয়েছে। বিগত ছয়-সাত মাসে সরকারের সর্বস্তরে দলীয়করণ ও দুর্নীতি এবং মন্ত্রীদের বিভ্রান্তিকর বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামী গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। নিজেদের ব্যর্থতা অন্যের ওপর চাপানোর যে অপচেষ্টা চলছে, তার বিরুদ্ধে দেশবাসীকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও দমন-পীড়নমুক্ত একটি মানবিক ও ইনসাফভিত্তিক নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলাম। কিন্তু বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ড সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের পরিপন্থি। বিরোধী দলকে বাদ দিয়ে নিজেদের সুবিধামতো সংবিধান সংস্কার করে ফ্যাসিবাদের মতো ক্ষমতায় থাকার অপচেষ্টা চলছে।’
পরশেষে তিনি বলেন, গণভোটে নির্ধারিত আইনি কাঠামোর আলোকেই সংবিধান সংশোধন করা উচিত। রাজপথে সংকট না বাড়িয়ে আগামী সংসদ অধিবেশনেই বিরোধী দলকে সঙ্গে নিয়ে সংবিধান সংস্কারসহ সার, তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির মতো জনভোগান্তি নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদের উদ্যোগে দীর্ঘদিন আগে চুরি হওয়া মুঠোফোন তিন শিক্ষার্থী ফিরে পেয়েছেন। ১৮ এপিবিএন রাঙামাটির সাইবার ক্রাইম ইউনিটের সহায়তায় ফোনগুলো উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে যাচাই-বাছাই শেষে ফোনগুলো প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
ফোন ফিরে পাওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন—মার্কেটিং বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের সাইদুল ইসলাম ইফাস, ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের মো. রাকিব হোসেন এবং ইতিহাস বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের জয়নাল আবেদীন। তাদের ফোনগুলো যথাক্রমে ২০২৬ সালের ১৬ জুলাই, ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর ও ২০২৬ সালের ২ আগস্ট চুরি হয়েছিল।
ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদককে বিষয়টি জানানোর পর তিনি ১৮ এপিবিএন রাঙামাটির সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় করে ফোন উদ্ধারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেন। দীর্ঘ সময় পর হারানো ফোন ফিরে পেয়ে ডাকসুর এই উদ্যোগের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন শিক্ষার্থীরা।
ফোন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ডাকসুর সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সব জায়গা থেকে চেষ্টা করেছে আমাদেরকে ব্যর্থ প্রমাণ করার জন্য। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে তারা সব জায়গায় আমাদেরকে বাধা দিয়েছে। তারপরও আমরা সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করেছি শিক্ষার্থীদের কাজ করার জন্য। শিক্ষার্থীরাই বলছে, আমরা যে কমিটমেন্ট দিয়েছিলাম, তার থেকেও শতগুণ বেশি কাজ আমরা করেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজকে তিনটি ফোন শিক্ষার্থীরা ফিরে পেলেন ১৮ এপিবিএন রাঙামাটির মাধ্যমে এবং ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদকের সমন্বয়ে। শিক্ষার্থীদের চোখে-মুখে আমি যে আনন্দ লক্ষ্য করছি, উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করছি, এটা আমাকে অত্যন্ত আনন্দিত করছে। কিন্তু আমাদের কিছু ভাই শুধু সমালোচনা করতে চান। বলতে চান, এটা কি ডাকসুর কাজ? ডাকসুর কাজ শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা পূরণ করা। শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা পূরণ করার জন্য যা দরকার, আমরা তাই করার চেষ্টা করেছি।’
ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেন, ‘একজন শিক্ষার্থী অনেক কষ্ট করে টিউশনের টাকা জমিয়ে একটি মোবাইলফোন কেনেন। কিন্তু দুঃখজনকভাবে অনেক সময় সেই ফোন ছিনতাইয়ের শিকার হয়, চুরি হয়ে যায় কিংবা অসাবধানতাবশত হারিয়ে যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অসংখ্য শিক্ষার্থী এ ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হন। আমরা দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখেছি।’
তিনি বলেন, ‘সাধারণত এ ধরনের ঘটনায় শিক্ষার্থীরা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, অনেক ক্ষেত্রে সেই জিডির কার্যকর অগ্রগতি হয় না। তাই আমরা ডাকসুর পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য সরাসরি সমন্বয় ও যোগাযোগের একটি কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছি, যাতে তাদের সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা যায়।’
মুসাদ্দিক আলী আরও বলেন, ‘ভুক্তভোগীরা বিষয়টি আমাদের জানালে আমরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ শুরু করি। ধারাবাহিক প্রচেষ্টার ফলে আজ আমরা তাদের হারানো ফোনগুলো উদ্ধার করে তাদের হাতে তুলে দিতে সক্ষম হয়েছি। ১৮ এপিবিএন রাঙামাটি সাইবার ক্রাইমের অধিনায়ক রেজাউল করিম ভাইয়ের আন্তরিক প্রচেষ্টায় হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন তিনটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘১৮ এপিবিএন রাঙামাটি সাইবার ক্রাইম পুলিশকে বিশেষ ধন্যবাদ জানাতে চাই। বিশেষ করে রেজাউল করিম মল্লিক ভাইকে। তিনি সব সময় বিভিন্ন বিষয়ে আমাদের সহযোগিতা করে আসছেন। তার প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। ব্যক্তিগতভাবে আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে, তিনজন শিক্ষার্থীর অনেক কষ্টে জমানো টাকায় কেনা ফোন তিনটি দীর্ঘ সময় পর হলেও উদ্ধার করে তাদের হাতে ফিরিয়ে দিতে পেরেছি। ফোনটি ফিরে পাওয়ার পর শিক্ষার্থীদের মুখে যে হাসি দেখেছি, সেটিই আমাদের কাজের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।’
হস্তান্তর অনুষ্ঠানে রিজওয়ান মানসুরীর সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন আহমেদ শাকিলসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে সর্বজনীন শিশু পরিচর্যা কর্মসূচি চালু করার লক্ষ্যে কর বাড়ানোর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন সিটি কাউন্সিলের স্পিকার জুলি মেনিন। এই উদ্যোগের ফলে মেয়র জোহরান মামদানি একটি গুরুত্বপূর্ণ সমর্থন লাভ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, আগামী বছর অঙ্গরাজ্যের বাজেট প্রণয়নের সময় শিশু পরিচর্যায় অর্থায়নের জন্য কর বাড়ানোর প্রস্তাবকে সমর্থন করবেন।
বুধবার পলিটিকোর আয়োজিত ‘নিউইয়র্ক আউটলুক: অ্যাফোর্ডেবিলিটি, ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড দ্য ইকোনমি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে মেনিন উল্লেখ করেন, শিশু পরিচর্যায় ব্যয় বৃদ্ধির জন্য কর বাড়ানো শহরের জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনতে পারে। এতে আরও কর্মী নিউইয়র্কে আসতে উৎসাহিত হবেন এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিযোগিতার সক্ষমতাও বৃদ্ধি পাবে।
তিনি বলেন, “শিশু পরিচর্যার জন্য কর বাড়ানো হলে তা শহরের জন্য উপকারী হবে বলে আমি মনে করি। এতে এখানে আরও কর্মী আকৃষ্ট করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি কোম্পানিগুলোকে প্রতিযোগিতামূলক থাকতে সহায়তা করবে। এটি শহরের জন্য ইতিবাচক হতে পারে।”
মেনিনের এই অবস্থান নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোকুলের ওপর চাপ বাড়াতে পারে। আগামী বছর পুনর্নির্বাচনে লড়তে যাওয়া হোকুল এত দিন ধনী ব্যক্তি ও বড় করপোরেশনের ওপর কর বাড়ানোর দাবিতে সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। মামদানি এবং অঙ্গরাজ্যের আইনসভায় তার প্রগতিশীল মিত্ররা দীর্ঘদিন ধরে এ দাবি জানিয়ে আসছেন। তবে চলতি বছরের শুরুর দিকে নিউইয়র্ক শহরের দামি দ্বিতীয় বাড়ির ওপর নতুন কর আরোপের প্রস্তাবে গভর্নর সমর্থন দিয়েছিলেন।
কর বাড়ানোর বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। কোন ধরনের কর কতটা বাড়ানো উচিত, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো প্রস্তাব দেননি মেনিন। তিনি মনে করেন, এ বিষয়ে মেয়র মামদানি ও গভর্নর হোকুলের আলোচনা প্রয়োজন।
এদিকে, আগামী অর্থবছরে নিউইয়র্ক শহরের বাজেটে ৬০০ কোটি ডলারের বেশি ঘাটতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে নতুন শিশু পরিচর্যা কর্মসূচির পাশাপাশি শহরের অন্যান্য ব্যয় কীভাবে সামাল দেওয়া হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
মেনিন বলেন, চলতি বছরের বাজেট পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। ওয়াল স্ট্রিট থেকে সম্প্রতি কিছু ইতিবাচক খবর এসেছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে শহরের অর্থনীতির জন্য ভালো হবে। একই সঙ্গে বিদ্যমান ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ধরে রাখা এবং নতুন ব্যবসা আকৃষ্ট করাও জরুরি।
দুই বছর বয়সীদের জন্য বিনা মূল্যে পরিচর্যা কর্মসূচি মামদানির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিনি চান, এ কর্মসূচির আওতায় শিশুদের জন্য বিনা মূল্যে পরিচর্যার সুযোগ সম্প্রসারণ করা হোক।
চলতি বছরের শুরুতে গভর্নর হোকুল ও মামদানি যৌথভাবে দুই বছর বয়সী শিশুদের জন্য নতুন কর্মসূচির প্রথম দুই বছরের অর্থায়নের পরিকল্পনা ঘোষণা করেন। এর ফলে মেয়র দায়িত্ব নেওয়ার শুরুতেই তার অন্যতম প্রধান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে অগ্রগতি হয়। তবে পরবর্তী বছরগুলোর অর্থ কোথা থেকে আসবে, তা এখনো স্পষ্ট করা হয়নি।
মামদানির লক্ষ্য, তার প্রথম মেয়াদের শেষ নাগাদ শহরের সব দুই বছর বয়সী শিশুর জন্য এ কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা। চলতি শরতে ইতিমধ্যে দুই বছর বয়সীদের জন্য ২ হাজার আসন চালু হয়েছে। ২০২৭ সালের শরৎ নাগাদ আরও ১০ হাজার আসন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
মামদানি এর আগে ছয় সপ্তাহ থেকে পাঁচ বছর বয়সী সব শিশুর জন্য সর্বজনীন পরিচর্যা নিশ্চিত করতে বছরে ৬০০ কোটি ডলার ব্যয় হতে পারে বলে হিসাব দিয়েছিলেন। তবে নিউ স্কুলের সেন্টার ফর নিউইয়র্ক সিটি অ্যাফেয়ার্সের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ ব্যয় বছরে ৯০০ কোটি ডলার হতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে।
মেনিন বলেন, ২০২৯ সালের মধ্যে সর্বজনীন শিশু পরিচর্যা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা করছেন। এ ক্ষেত্রে পরিচর্যা সেবাদাতাদের মধ্যে বেতন বৈষম্য কমানো এবং পর্যাপ্ত অর্থায়ন নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, “সর্বজনীন শিশু পরিচর্যাকে বাস্তবে রূপ দিতে আমাদের অতিরিক্ত অর্থায়ন প্রয়োজন হবে। এ বিষয়ে গভর্নর হোকুল ও অঙ্গরাজ্যের আইনসভার সঙ্গে কাজ করতে আমরা আগ্রহী।”
মামদানির সঙ্গে মতপার্থক্য থাকলেও একই অবস্থানে মেনিন। বিভিন্ন নীতিগত বিষয়ে মামদানির সঙ্গে মেনিনের মতপার্থক্য রয়েছে। স্বল্প বেতনের শিক্ষা সহায়ক কর্মীদের ১০ হাজার ডলার বোনাস দেওয়া, নিম্ন আয়ের বাসিন্দাদের জন্য আবাসন ভাউচার সম্প্রসারণ এবং গৃহস্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের টানা ২৪ ঘণ্টার শিফট নিষিদ্ধ করার মতো বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা গেছে। তবে শিশু পরিচর্যার প্রশ্নে দুই নেতার অবস্থান কাছাকাছি এসেছে। মেনিনের সমর্থন মামদানির জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর কর্মসূচির প্রতি তার সমর্থনেরও ইঙ্গিত দিচ্ছে।
নিউইয়র্ক শহরের নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মার্ক লেভিনও বুধবারের একই অনুষ্ঠানে আগামী বছর অঙ্গরাজ্য সরকারকে কর বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তার মতে, শহরের সামনে থাকা বড় বাজেট ঘাটতি মোকাবিলায় কর বাড়ানোর প্রস্তাব আলোচনার টেবিলে থাকা উচিত। মেনিন ও লেভিনের পাশাপাশি নিউইয়র্কের পাবলিক অ্যাডভোকেট জুমানে উইলিয়ামসও আগামী বছর কর বাড়ানোর পক্ষে রয়েছেন। তারা চারজনই শহরজুড়ে নির্বাচিত গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছেন।
ধনীদের ওপর কর বাড়ানো নিয়ে ব্যবসায়ীদের আপত্তি নিউইয়র্ক সিটির ব্যবসায়ী সংগঠন পার্টনারশিপ ফর নিউইয়র্ক সিটির প্রধান স্টিভেন ফুলপ বলেছেন, ধনীদের ওপর কর বাড়ানোর দাবি রাজনৈতিকভাবে জনপ্রিয়। তবে তিনি মামদানির ‘ধনীদের ওপর কর বাড়ানো’ নীতির সমালোচনা করেছেন।
ফুলপের মতে, প্রশাসনের বক্তব্য ও আচরণ ব্যবসায়ীদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ধনী ব্যক্তি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে খারাপ হিসেবে উপস্থাপন করা হলে নিউইয়র্ক থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার প্রবণতা তৈরি হতে পারে, যা কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য ক্ষতিকর হবে।
অন্যদিকে, সিটিজেনস বাজেট কমিশনের প্রধান অ্যান্ড্রু রেইন মনে করেন, সরকারি অর্থে শিশু পরিচর্যার সুবিধা সবার জন্য না রেখে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন রয়েছে—এমন নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর দিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। তার মতে, অর্থের পরিধি অতিরিক্ত বাড়ালে কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়ন করা কঠিন হতে পারে।
তবে মামদানির রাজনৈতিক ভিত্তি ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্টস অব আমেরিকার নিউইয়র্ক শাখার সহসভাপতি গ্রেস মাউসার সর্বজনীন কর্মসূচির পক্ষে যুক্তি দিয়েছেন। তার মতে, বেশি মানুষ কোনো কর্মসূচির সুবিধা পেলে সেটির প্রতি জনসমর্থনও বিস্তৃত হয়, ফলে দীর্ঘ মেয়াদে কর্মসূচিটি টিকিয়ে রাখা সহজ হয়। উদাহরণ হিসেবে তিনি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির কথা উল্লেখ করেন।
শিশু পরিচর্যার অর্থায়ন নিয়ে এই মতপার্থক্যের মধ্যেই আগামী বছরের অঙ্গরাজ্য বাজেট প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। কর বাড়ানোর প্রস্তাব কতটা এগোবে, তা নির্ভর করবে মেয়র মামদানি, গভর্নর হোকুল এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের আলোচনার ওপর।
সূত্র: পলিটিকো
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থাপনায় ইয়েমেনের হুথিদের হামলার কারণে নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের ফলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গত ৫ দিনের মধ্যে ১০৩টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। বাতিল হওয়া ফ্লাইটের কারণে বর্তমানে ১৫ হাজার ৭৭৯ জন যাত্রী আটকা পড়ে আছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক কাওছার মাহমুদ এই তথ্য প্রকাশ করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে ৪২টি সরাসরি ফ্লাইট রয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশের ১৭টি, ইউএস-বাংলার ১০টি, সৌদিয়া এয়ারের আটটি এবং রিয়াদ এয়ারের সাতটি ফ্লাইট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এছাড়া, ট্রানজিট ফ্লাইটের সংখ্যা ৬১টি বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে ইন্ডিগোর ২২টি, সালাম এয়ারের সাতটি, ইজিপ্ট এয়ারের একটি, এমিরেটস এয়ারের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের আটটি, ফ্লাই দুবাইয়ের ছয়টি এবং এয়ার ইন্ডিয়ার তিনটি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
বেবিচক জানায়, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই অবস্থা অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ : ডাক বিভাগের আধুনিক, জনবান্ধব ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে, বলেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।
আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ডাক ভবনে বিশ্ব ডাক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্তকরণ ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী জানান, ডাকসেবার প্রতি মানুষের আস্থা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং পার্সেল সেবায় ইতিবাচক অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ ধারা অব্যাহত রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে। ডাক বিভাগকে আধুনিক ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি উল্লেখ করেন, ডাক বিভাগে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। আগামী দিনে ডাক বিভাগের সেবার মান, আয় ও সক্ষমতা আরও বাড়বে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’ সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, সরকারের এই মুহূর্তে নগদ বিক্রির কোনো পরিকল্পনা নেই। বরং প্রতিষ্ঠানটিকে আরও আধুনিক ও লাভজনক করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, প্রকল্পটি চালুর লক্ষ্যে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা কাজ করছেন। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য সরকার কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে কারিগরি প্রক্রিয়া ও পরীক্ষার বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখতে হবে।
ডাক বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, কাজের স্বীকৃতি ও মূল্যায়ন কর্মীদের উৎসাহিত করে। তাই যোগ্যতা ও কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে পুরস্কার প্রদানের এ ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। একই সঙ্গে তৃণমূল পর্যায়ের ডাকঘর ও কর্মীদের কাজের মূল্যায়নে গুরুত্ব দিতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমি বলেন, ডাক বিভাগের বিদ্যমান অবকাঠামো ও দেশব্যাপী বিস্তৃত পোস্ট অফিস নেটওয়ার্ককে কাজে লাগিয়ে আধুনিক, জনবান্ধব ও প্রযুক্তিনির্ভর ডাকসেবা নিশ্চিত করতে হবে। এ লক্ষ্যে ডাকসেবার সংস্কার ও রূপান্তরের পাশাপাশি ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বয় এবং ডাক বিভাগের ফ্র্যাঞ্চাইজি কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
সচিব আরও বলেন, ডাকসেবার প্রচার-প্রচারণায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কার্যকর ব্যবহার বাড়াতে হবে। ভবিষ্যতে পুরস্কার কার্যক্রমে নতুন প্রতিভার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
এ বছর বিশ্ব ডাক দিবসের প্রতিপাদ্য- ‘সমন্বিত ডাক নেটওয়ার্ক, সীমাহীন সম্ভাবনা’। গত ৯ অক্টোবর বিশ্ব ডাক দিবস উদযাপনের ধারাবাহিকতায় ৯ থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত দেশব্যাপী ডাকসেবা সপ্তাহ পালিত হচ্ছে। বিশ্ব ডাক দিবস উপলক্ষে এ বছরের প্রতিপাদ্যের ওপর আজ একটি স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করা হয়।
ডাকসেবা সপ্তাহ উপলক্ষে ঢাকায় কেন্দ্রীয়ভাবে এবং দেশব্যাপী চিঠি উৎসব, ফিলাটেলিক প্রদর্শনী, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এর অংশ হিসেবে দেশের ২৫টি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতসহ মোট ২৬টি স্থানে চিঠি উৎসব, ডাকটিকিট প্রদর্শনী ও ডাকসেবা মেলার আয়োজন করা হয়। এসব চিঠি উৎসবে প্রায় ৪ হাজার ৬৪৩টি চিঠি ইস্যু করা হয়, যা তরুণ প্রজন্মের মধ্যে হাতে চিঠি লেখার আগ্রহ ও চর্চা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।
অনুষ্ঠানে বিশ্ব ডাক দিবস উপলক্ষে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী পাঁচ জন শিক্ষার্থী, ৫৫ তম আন্তর্জাতিক পত্রলিখন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী তিন জন, পোস্টাল ব্যালট কার্যক্রমে অসাধারণ অবদানের জন্য চার জন কর্মচারী, লেটার পোস্ট সেবায় অসাধারণ অবদানের জন্য ছয় জন কর্মচারী, ডাকসেবায় অসাধারণ অবদানের জন্য পাঁচ জন কর্মকর্তা এবং মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’-এর ডিস্ট্রিবিউটর, এজেন্ট ও নগদ সেবা ক্যাটাগরিতে অসাধারণ অবদানের জন্য ছয় জন প্রতিনিধিসহ মোট ২৯ জনকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
ডাক বিভাগের সেবার পরিধি সম্প্রসারণ, সেবার মানোন্নয়ন ও জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধিতে বিশ্ব ডাক দিবস ও ডাকসেবা সপ্তাহের এসব আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ডাক অধিদপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ