বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:২৮ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বন্ডের সুদের হার কমে আসার কারণে বৃহস্পতিবার লেনদেনের শুরুতে ভারতীয় রুপির মূল্য বাড়তে পারে। এর আগে, দেশটিতে মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হওয়ায় বন্ডের সুদের হার বৃদ্ধি পেয়েছিল। তবে, চলতি মাসে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা এখন কম বলে মনে করছেন মুদ্রাবাজারের লেনদেনকারীরা।
রয়টার্সের রিপোর্ট অনুযায়ী, তাদের ধারণা, বৃহস্পতিবার প্রতি ডলারের বিপরীতে রুপির দাম ৯৫ দশমিক ০২ থেকে ৯৫ দশমিক ০৬-এর মধ্যে থাকতে পারে। বুধবার লেনদেনের শেষে প্রতি ডলারের দাম ছিল ৯৫ দশমিক ১৫ রুপি।
বর্তমানে বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার (আরবিআই) দিকে। রুপির দরপতন রোধে ব্যাংকটি কতদূর পর্যন্ত পদক্ষেপ নিতে পারে, সে বিষয়ে আলোচনা চলছে। ডলারের চাহিদা কমাতে আরবিআই ইতোমধ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি, সরাসরি ডলার বিক্রির কাজও করেছে।
একটি ব্যাংকের মুদ্রাবাজার বিভাগের লেনদেনকারী জানান, রুপির দরপতন ঠেকাতে আরবিআইয়ের অবস্থান ‘একেবারেই স্পষ্ট’। তিনি বলেন, ‘এখন প্রশ্ন হলো, আরবিআই কত দূর পর্যন্ত যেতে প্রস্তুত এবং বাজার আর কতটা চাপ নেওয়ার সুযোগ দেবে।’
ওই লেনদেনকারী আরও জানান, আগের দিনই রুপির দরপতন ঠেকানোর লক্ষণ স্পষ্ট হয়েছিল। তবে, রুপির দাম বাড়তে শুরু করলেও প্রতি ডলারের বিপরীতে ৯৫ রুপির সীমা পার হওয়ার পর সেই ঊর্ধ্বগতিতে বাধা আসে।
সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি বাড়ার পর দেশটির ট্রেজারি বন্ডের সুদের হার দ্রুত বেড়ে যায়। একই সময়ে চলতি মাসে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে বাজি ধরার পরিমাণও বেড়ে যায়।
তবে পরে পরিস্থিতি বদলে যায়। বিশ্লেষকদের মতে, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ঝুঁকি এড়িয়ে চলার প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্ডের সুদের হার কমেছে। বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান মর্গান স্ট্যানলির তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারী ও স্বল্পমেয়াদি লেনদেনকারীদের চাহিদা বৃদ্ধির ফলে বন্ডের সুদের হার কমেছে।
ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়েও বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা গেছে। একপর্যায়ে এই সম্ভাবনা প্রায় ৬০ শতাংশে পৌঁছেছিল। পরে তা কমে ২৫ শতাংশের নিচে নেমে আসে। মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশের আগের অবস্থার কাছাকাছি রয়েছে এই হার।
অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নভিত্তিক প্রতিষ্ঠান পেপারস্টোনের গবেষণা বিভাগের প্রধান ক্রিস ওয়েস্টন বলেন, ‘এই পরিবর্তনটি গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার। মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি বাড়ার পরও যদি ট্রেজারি বন্ডের সুদ কমে যায়, তাহলে বোঝা যায়, বিনিয়োগকারীরা ক্রমেই উদ্বিগ্ন হয়ে উঠছেন।’
তিনি আরও বলেন, মূল্যস্ফীতি দীর্ঘদিন বেশি থাকা, জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়তে থাকা এবং দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ সুদের হার বজায় থাকার প্রভাব নিয়ে বিনিয়োগকারীরা চিন্তিত। বিশেষ করে এমন অর্থনীতিতে এর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে, যেখানে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের আয় ও আর্থিক অবস্থার মধ্যে আগে থেকেই বড় ব্যবধান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের পেশোয়ারে একটি বেসরকারি স্কুলের ছাদ ধসে অন্তত ১৭ শিক্ষার্থীর মৃত্যু ঘটেছে। নিহত শিক্ষার্থীদের সকলের বয়স ১৩ বছরের নিচে ছিল।
শহরের দির কলোনি এলাকায় বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। পেশোয়ারের লেডি রিডিং হাসপাতালের মুখপাত্র মুহাম্মদ আসিম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খবরটি প্রকাশ করেছে দ্য ডন।
মুহাম্মদ আসিম একটি বিবৃতিতে জানান, এই দুর্ঘটনায় ১৭ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।
উদ্ধারকারী সংস্থা রেসকিউ ১১২২-এর মুখপাত্র বিলাল আহমেদ ফাইজি জানান, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকসহ প্রায় ২০ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেই সময় হাসপাতালের বরাত দিয়ে তিনি চারজনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছিলেন।
দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। সংস্থাটি জানায়, ১০ জনের বেশি শিশুকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও কয়েকজন শিশু আটকা পড়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছিল।
পাকিস্তানে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের কারণে এবং নিরাপত্তাব্যবস্থার ঘাটতির কারণে ছাদ ও ভবনধসের ঘটনা প্রায়ই ঘটে।
গত জুলাইয়ে উমরকোটের কাছে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাইরের দেয়ালের একাংশ ধসে তিন শিশু নিহত হয়েছিল। তাদের বয়স ছিল ৩ থেকে ১৩ বছরের মধ্যে। একই মাসে লাহোরের বাগবানপুরা এলাকায় নির্মাণাধীন একটি বেসরকারি স্কুল ভবনের ছাদ ধসে এক শিশু নিহত এবং অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছিল।
এর আগে জুনে লাহোরের কাহনা এলাকায় একটি বেসরকারি কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশু প্রাণ হারায়। ডেরা গাজি খানের একটি বেসরকারি স্কুলের শ্রেণিকক্ষের ছাদ ধসে চার শিশু নিহত এবং ২০ জন আহত হয়েছিল।
ডেরা গাজি খানের ওই দুর্ঘটনার তদন্তে দেখা যায়, কোচিং সেন্টারের ভবন সম্প্রসারণের কাজ চলার সময় শ্রেণিকক্ষের ছাদ ধসে পড়ে।
এছাড়া, গত সপ্তাহে ভারি বৃষ্টি ও ঝড়ের সময় পাকপাত্তানে একটি বাড়ির ছাদ ধসে দুজন নিহত হন।
জুনে গুজরাটের লালামুসার খাওয়াসপুর এলাকায় নির্মাণাধীন একটি ভবনের ছাদ ধসে এক শ্রমিক নিহত এবং তিনজন আহত হন। একই মাসে লাহোরের নিশতার এলাকায় একটি বাড়ির ছাদ ধসে দুজন আহত হন।
গত আগস্টে টানা তিন দিনের ভারি বৃষ্টির পর ইসলামাবাদের শাহজাদ টাউনে একটি বাড়ির ছাদ ধসে এক দম্পতি নিহত হন। এ ঘটনায় তাদের মেয়েরা আহত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায়, সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) প্রশ্নপত্র ফাঁসকাণ্ডের সাথে জড়িত গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলীর পুত্র সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়ামকে ৪ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার, ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বি এম তারিকুল কবীরের আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের পাবলিক প্রসিবিউটর (পিপি) দেলোয়ার জাহান রুমী জানিয়েছেন, কারাদণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে, তাকে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। আদালত অবৈধভাবে অর্জিত সিয়ামের ৩১ লাখ ৮১ হাজার টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশও দিয়েছেন।
সিয়াম পিএসসির প্রশ্ন ফাঁসকাণ্ডে আলোচিত সাবেক চেয়ারম্যানের গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলীর পুত্র। তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের ত্রাণ ও দুর্যোগবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। তবে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠার পর তাঁকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
দুদকের উপসহকারী পরিচালক জাকির হোসেন গত বছরের ৫ জানুয়ারি সিয়ামের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ২০২১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ৩৭ লাখ ৩০ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছিল।
মামলার তদন্ত শেষে, একই বছরের ৩০ ডিসেম্বর সিয়ামকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা জাকির হোসেন। তদন্তে সিয়ামের জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ৩১ লাখ ৮১ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
এর আগে গত ১৭ জুন, এই মামলায় সিয়ামের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন একই আদালত। বিচারকাজ চলাকালে দুদকের পক্ষে মোট ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবকে আবারও হুঁশিয়ারি দিয়েছে। নতুন করে দেওয়া সতর্ক বার্তায় তারা উল্লেখ করেছে যে, সৌদির বিমানবন্দর এবং তেল স্থাপনাগুলোতে হামলা অব্যাহত থাকবে।
গত মঙ্গলবার রাতে সৌদি আরামকোর ধাহরান কমপ্লেক্সে হামলার ঘটনার পর বুধবার (১৪ অক্টোবর) এই হুমকি দেয় হুথিরা। হামলায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, স্থাপনাটির কয়েকটি তলায় আগুন ছড়িয়ে পড়েছে।
হুথিদের দাবি, সৌদির বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনাগুলো তাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু। তারা জানায়, ইয়েমেনে সৌদি বাহিনীর হামলার প্রতিশোধ হিসেবে এই আক্রমণগুলি চালানো হচ্ছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক সপ্তাহে সৌদি আরবে হুথিদের হামলা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে শনিবার রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় ১৩ জন নিহত হন।
রয়টার্সকে তিনটি সূত্র জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে পূর্বাঞ্চলীয় শহর ধাহরানে সৌদি আরামকোর স্থাপনায় হামলার পর আগুন কয়েকটি তলায় ছড়িয়ে পড়ে। তবে সৌদি আরবের জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানায়, হামলায় সীমিত পরিসরে আগুনের ঘটনা ঘটেছে।
সূত্রগুলোর মধ্যে দুজনের তথ্য অনুযায়ী, আরামকোর কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলছে। কর্মীরা বাড়ি থেকে কাজ করছেন। রয়টার্স কোম্পানিটির মন্তব্য জানতে যোগাযোগ করলেও তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া পাওয়া যায়নি।
এদিকে, বুধবার সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট জানিয়েছে, রিয়াদের দিকে হুথিদের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে। একই দিন সৌদি রাজধানীতে কয়েকটি বিকট শব্দ শোনা যায়। সম্ভাব্য আকাশপথের হুমকি নিয়ে সতর্কতা জারি করা হলেও পরে তা তুলে নেওয়া হয়। তবে শব্দগুলোর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
হুথিরা জানিয়েছে, তারা ধাহরানে আরামকোর স্থাপনা, রিয়াদের বিমানবন্দর এবং রাজধানীতে আরামকোর একটি তেল শোধনাগার লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়েছে। তারা আন্তর্জাতিক নৌপরিবহন কোম্পানি, বেসামরিক নাগরিক ও কর্মীদের সৌদি আরবের বিমানবন্দর এবং তেল স্থাপনা থেকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে। সৌদি আরবগামী বেশ কয়েকটি ফ্লাইটও বাতিল করেছে বিমান সংস্থাগুলো। তবে নতুন করে আসা হুথিদের হুঁশিয়ারি ইস্যুতে নিজেদের অবস্থান জানায়নি সৌদি আরব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীর একটি মসজিদে ‘অনৈতিক কর্মকাণ্ডে’ লিপ্ত হওয়ার অভিযোগে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। রাজকীয় আদেশের মাধ্যমে মক্কা অঞ্চলে এই সাজা বাস্তবায়ন করা হয়, যা স্থানীয় বিচারিক আদালতে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার পর কার্যকর করা হয়।
সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বুধবার এই দণ্ড কার্যকর হওয়ার তথ্য জানিয়েছে। সৌদিভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘আজেল’ মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ খবর প্রকাশ করেছে।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই ব্যক্তির নাম হল নজরুল ইসলাম আবদুল বসির এবং সিথি আক্তার।
প্রতিবেদনে সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতির উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে, মক্কার একটি মসজিদে পবিত্রতা ও স্থান-কালের মর্যাদা লঙ্ঘন করে অনৈতিক কাজ করার অভিযোগে নিরাপত্তা বাহিনী তাদের গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর মামলাটি আদালতে স্থানান্তরিত হয়।
বিচারপ্রক্রিয়া শেষে আদালত জানায়, পবিত্র উপাসনালয়ের ভেতরে এ ধরনের অপরাধ অত্যন্ত গুরুতর এবং স্থান ও সময়ের পবিত্রতার চরম লঙ্ঘন। অপরাধের ভয়াবহতা বিবেচনা করে আদালত আসামিদের দোষী সাব্যস্ত করে এবং আইনি এখতিয়ার অনুযায়ী তাদের মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রদান করে।
উচ্চতর আদালত পরবর্তীতে এই রায়কে বহাল রাখে। রাজকীয় অনুমোদনের পর বুধবার মক্কা অঞ্চলে আনুষ্ঠানিকভাবে দুজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ