ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের প্রস্তাব ঘিরে সুইজারল্যান্ডে চলছে ভোটগ্রহণ


অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের প্রস্তাব ঘিরে সুইজারল্যান্ডে চলছে ভোটগ্রহণ

আজ রোববার সুইজারল্যান্ডের ভোটাররা দুটি গুরুত্বপূর্ণ ও বিতর্কিত বিষয়ে গণভোটে অংশ নিচ্ছেন। এই দুটি বিষয়ের মধ্যে একটি হলো অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের প্রস্তাব, যা দেশটির জনসংখ্যা সীমিত রাখতে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে এবং অন্যটি হল সামরিক সেবার বিকল্প হিসেবে বেসামরিক সেবায় যোগদানের সুযোগ কঠোর করার উদ্যোগ।

সুইজারল্যান্ডের প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র ব্যবস্থার আওতায় এই দুটি ভোটের ক্ষেত্রে জনমত জরিপে দেখা গেছে, সেগুলোতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে পারে।

সংবাদটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

আরও পড়ুন: ২ বছরের বেতনবৃদ্ধি স্থগিত, ২৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ১৭টি প্রমাণিত

রোববার সকালে ভোটকেন্দ্র কয়েক ঘণ্টার জন্য খোলা থাকবে এবং দুপুর ১২টায় (গ্রিনিচ মান সময় ১০০০) ভোটগ্রহণ শেষ হবে। কিন্তু বেশিরভাগ ভোটার আগে থেকেই ডাকযোগে তাদের ভোট প্রদান করেছেন। প্রথম ফলাফল বিকেলের মধ্যেই জানা যেতে পারে।

সুইস পিপলস পার্টি (এসভিপি) এর প্রস্তাবিত ‘এক কোটি জনসংখ্যার সুইজারল্যান্ড নয়’ উদ্যোগকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে তীব্র বিতর্ক ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

এই প্রস্তাব অনুযায়ী, বর্তমানে প্রায় ৯১ লাখ জনসংখ্যার সুইজারল্যান্ডে ২০৫০ সালের আগে জনসংখ্যা ১ কোটির বেশি হতে দেওয়া যাবে না। এই লক্ষ্য অর্জন করতে হলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

সুইজারল্যান্ডের মোট জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশেরও বেশি বিদেশি নাগরিক রয়েছে। ফলে প্রস্তাবটি পাস হলে অভিবাসনের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হবে।

আরও পড়ুন: রিজভী: গ্যারান্টি ক্লজের অভাবে তিস্তার পানি পায়নি বাংলাদেশ

দেশটির সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল এসভিপির দাবী, অতিরিক্ত অভিবাসনের ফলে আবাসন সংকট, বাড়িভাড়া বৃদ্ধি, ট্রেনে অতিরিক্ত ভিড় এবং যানজটসহ নানা সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।

এসভিপির সংসদ সদস্য ইভান পাহুদ এএফপিকে বলেছেন, ‘সুইজারল্যান্ড একটি ছোট দেশ, যার আয়তন বাড়ানো সম্ভব নয়। আমরা পুরো ইউরোপকে এখানে স্বাগত জানাতে চাই না।’

তবে সমালোচকদের মতে, প্রস্তাবটি অনুমোদিত হলে তা অর্থনীতি ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

সুইজারল্যান্ডের বিচারমন্ত্রী বিট ইয়ান্স ট্রিবিউন দ্য জেনেভ পত্রিকাকে বলেন, ‘এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ভোট, এখানে ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি।’ তিনি সতর্ক করে জানান, গণভোটের ফলাফল সুইজারল্যান্ডের জন্য ‘ব্রেক্সিট’-সদৃশ পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে।

আরও পড়ুন: ঝালকাঠিতে মা ইলিশ সংরক্ষণে ৭৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ

সরকার, পার্লামেন্ট ও বিভিন্ন অর্থনৈতিক খাত ইতোমধ্যেই এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে।

সাম্প্রতিক জরিপগুলোতে দেখা গেছে, ভোটে প্রস্তাবটির বিরোধীরা সামান্য এগিয়ে রয়েছে। তবে এটি পাস হতে হলে শুধুমাত্র সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটই নয়, দেশের ২৬টি ক্যান্টনের মধ্যে অন্তত অর্ধেকের বেশি ক্যান্টনের সমর্থন প্রয়োজন হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেক্সিকোয় গুলিবর্ষণে প্রাণ গেল মেয়রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:০৮ এম


মেক্সিকোয় গুলিবর্ষণে প্রাণ গেল মেয়রের

  মেক্সিকোর দক্ষিণাঞ্চলের একটি বিশেষ এলাকায় এক মেয়রকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ওই এলাকায় মাদক চক্রগুলো মাদক পাচারপথ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষে জড়িত হয়ে পড়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এই তথ্য জানিয়েছে।

ওয়াহাকা রাজ্যের প্রসিকিউটরদের দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শহর সান মিগেল আমাতিতলানের মেয়র জোয়েল ব্রাভো সশস্ত্র হামলায় নিহত হয়েছেন। এই শহরের জনসংখ্যা প্রায় ৭ হাজার। তবে ঘটনার প্রসঙ্গে বিস্তারিত কিছু তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি।

খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র পক্ষ থেকে এসেছে।

রাজ্যের গভর্নর সালোমোন হারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ একটি পোস্টে এই হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘ওয়াহাকায় আমরা আইন নিজের হাতে তুলে নিতে  এবং সহিংসতাকে প্রশ্রয় দিবো না।’

প্রসিকিউটররা এই বিষয়েও জানিয়েছেন, এলাকায় পুলিশি উপস্থিতি জোরদার করা হয়েছে এবং হামলাকারীদের খুঁজে বের করার জন্য একটি ট্যাকটিক্যাল ইউনিট মোতায়েন করা হয়েছে। আর এতে ফেডারেল বাহিনীর সহযোগিতাও নেওয়া হচ্ছে।

এলাকাটিতে জালিস্কো নুয়েভা জেনারাসিওন এবং সিনালোয়া কার্টেল—এই দুটি মাদক চক্র ওয়াহাকা রাজ্যে সক্রিয় রয়েছে। এই রাজ্যটি প্রশান্ত মহাসাগরের উপকূলে অবস্থিত, যা তাদের কার্যকলাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হিসেবে পরিচিত।

মেক্সিকোতে ২০০৬ সাল থেকে মাদক-সহিংসতা ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ার পর, এখন পর্যন্ত প্রায় ১০০ জন মেয়র হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কম্বোডিয়ার সাইবার প্রতারণা চক্র থেকে উদ্ধার হয়ে ফিরলেন ৫৪ বাংলাদেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:১২ এম


কম্বোডিয়ার সাইবার প্রতারণা চক্র থেকে উদ্ধার হয়ে ফিরলেন ৫৪ বাংলাদেশি

কম্বোডিয়ার বিভিন্ন সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে উদ্ধার হওয়া আরও ৫৪ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। শনিবার দুপুরে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। এর আগে শুক্রবার আরও ৩৭ জন বাংলাদেশি দেশে ফেরেন। দুই দিনে মোট ৯১ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন।

ফেরত আসা ব্যক্তিদের বিমানবন্দরে জরুরি সহায়তা ও বাড়ি ফেরার জন্য আর্থিক সহায়তা দিয়েছে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম।

ভুক্তভোগীরা জানান, ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর ছাড়পত্র নিয়ে তাদের কম্বোডিয়ায় পাঠানো হয়। পরে সেখানে পৌঁছানোর পর বাংলাদেশি দালাল চক্রের মাধ্যমে তাদের চীনা নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ডে বিক্রি করে দেওয়া হয়।

শনিবার ফেরত আসা এক ভুক্তভোগী জানান, ২০২৫ সালের ৫ ডিসেম্বর তার ফ্লাইট হয়। দুই দিন মালয়েশিয়ায় ট্রানজিটে থাকার পর ৭ ডিসেম্বর তিনি কম্বোডিয়া পৌঁছান। বিমানবন্দরের বাইরে এলে রবিন শেখ নামের এক বাংলাদেশি তাকে নিয়ে যান।

তিনি বলেন, কিছুদিন পর কাজের কথা বলে তাকে একটি প্রতিষ্ঠানে নেওয়া হয়। ২৩ ডিসেম্বর কম্পিউটারের কাজের কথা বলে সেখানে কাজ শুরু করলে তিনি বুঝতে পারেন সেটি একটি স্ক্যাম প্ল্যাটফর্ম, যেখানে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আদায় করা হয়।

ওই ভুক্তভোগীর দাবি, কাজ করতে না চাইলে তাকে বলা হয় টাকা দিয়ে পাসপোর্ট নিয়ে যেতে হবে। তাকে জানানো হয়, দালাল রবিন শেখ তাকে ২ হাজার ৮৫ ডলারে বিক্রি করেছে। সেই টাকা না দিলে কাজ করতে হবে।

আরেক ভুক্তভোগী জানান, তাকে সুপারশপে চাকরির কথা বলে নেওয়া হলেও পরে পাঁচ মাস কাজ করিয়ে মাসে ৪০০ ডলার দেওয়া হতো। পরে পরিবারের চাপে অন্য চাকরির কথা বলে তাকে স্ক্যাম সেন্টারে বিক্রি করে দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগীরা আরও জানান, এসব কম্পাউন্ডে ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাদের দিয়ে অনলাইন প্রতারণার কাজ করানো হতো। নির্ধারিত টার্গেট পূরণ না করলে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হতো।

ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে কয়েকটি স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে এসব বাংলাদেশিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। দুই দিনে ৯১ জনের দেশে ফেরা প্রমাণ করে, এ ধরনের প্রতারণা চক্রে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি জড়িয়ে পড়ছেন।

তিনি বলেন, সাইবার স্ক্যাম মানবপাচারের একটি ভয়াবহ রূপ। আকর্ষণীয় বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নিয়োগ বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। পরে ভুক্তভোগীদের ফাঁদে ফেলে স্ক্যাম সেন্টারে আটকে রাখা হয় এবং জোরপূর্বক কাজে বাধ্য করা হয়।

তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, লাওস, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ায় চাকরির বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষকদের অবসরকালীন সুবিধা দিতে নতুন পরিকল্পনা শিক্ষামন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:১৪ এম


শিক্ষকদের অবসরকালীন সুবিধা দিতে নতুন পরিকল্পনা শিক্ষামন্ত্রীর

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, "আমাদের ৬৫ হাজার শিক্ষক অবসর সুবিধার টাকা পাননি। আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি ন্যূনতম থেকে এক লাখ টাকা এই বছরের জুলাইয়ে দেওয়া শুরু করবো। শিক্ষকদের সব পাওনা পরিশোধ করা হবে। থোক বরাদ্দ পেয়েছি, এটা নিয়ে আমরা যাত্রা শুরু করবো।"

গতকাল শনিবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের পঞ্চমীঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪-তলা বিশিষ্ট ভবনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

ড. মিলন আরও বলেন, "শিক্ষকদের উৎসব ভাতা ৫০ শতাংশ রয়েছে, সেটাকে শতভাগ করার জন্য আমাদের প্রস্তাব রয়েছে। ইতোমধ্যে ১০ শতাংশ চেয়েছিলাম। এটা আগামী দিনে শুরু হবে। বাজেট হওয়ার পরে ক্রমান্বয়ে শতভাগ উৎসব ভাতা পাবেন।"

শিক্ষামন্ত্রী উল্লেখ করেন, "প্রাথমিক স্কুলে হেডমাস্টারদের অভাব রয়েছে। ৩২ হাজার ৫০০ হেডমাস্টার নিয়োগের বিষয়টি আদালতে স্থগিত থাকার কারণে আমরা মামলাটি নিষ্পত্তি করার জন্য কাজ শুরু করেছি। বিভিন্ন ক্ষেত্রে মামলা জটিলতার জন্য আমরা দিতে পারছি না। সর্বমোট ৮৩ হাজার ৫০০ মামলা রয়েছে আমাদের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে। আমরা অ্যার্টনি জেনারেল ও আইনমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করে মামলা নিষ্পত্তি করতে যাচ্ছি।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানে আব্বাস আরাঘচির পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল বি-ক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:১৬ এম


ইরানে আব্বাস আরাঘচির পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল বি-ক্ষোভ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি নিয়ে যে মন্তব্য করা হয়েছে, তার কারণে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি কার্যালয়ের সামনে প্রতিবাদকারীরা আরাঘচির পদত্যাগ দাবি করে বিক্ষোভ সঞ্চালিত করেন। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে আরাঘচি যে মন্তব্য করেছেন, তার পর তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের বিরোধী এবং যেকোনো চুক্তি নিয়ে সন্দিহান কট্টরপন্থি গোষ্ঠীগুলোর সমালোচনার মুখে পড়েন। ফার্স নিউজ এজেন্সির প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, শনিবার মাশহাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভবনের সামনে অনেক বিক্ষোভকারী জড়ো হয়েছেন। সেখানে কালো চাদর পরিহিত নারীদের লাল ও কালো পতাকা নেড়েচেড়ে তাদের স্লোগানে যোগ দিতে দেখা যায়। তারা ‘অপমানজনক আরাঘচির মৃত্যু হোক, অনুপ্রবেশকারীর মৃত্যু হোক’ এমন ধরনের স্লোগান উচ্চারণ করেন। এছাড়া রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আরও কিছু ভিডিওতে দেখা যায়, তেহরানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভবনের সামনে বিক্ষোভকারীরা ‘আরাঘচি পদত্যাগ করো’ এবং ‘ঘালিবাফ পদত্যাগ করো’ স্লোগান দিতে দেখা গেছে। শুক্রবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেয়া একটি সাক্ষাৎকারে সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে কথা বলার সময় আরাঘচি বলেছেন, আলোচনার মধ্যে থাকা চুক্তির একটি অংশ হিসেবে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করা হবে। এসময় তিনি হরমুজ প্রণালিকে ইরানের ‘প্রধান প্রতিরোধমূলক উপকরণগুলোর’ একটি হিসেবে উল্লেখ করেন। চূড়ান্ত কোনো চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে বলে তিনি ঘোষণা না দিলেও তার বক্তব্যে কূটনৈতিক যোগাযোগের পথ এখনও বিবেচনায় রয়েছে বলে ইঙ্গিত মেলে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য এই চুক্তি ইরানের কট্টরপন্থি মহলের বিরোধিতার মুখে পড়েছে। সমালোচকদের দাবি, এ ধরনের চুক্তি ইরানের স্বার্থ রক্ষা করতে সক্ষম হবে না এবং হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে তেহরানের প্রভাব কমিয়ে দিতে পারে। তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইসরাইল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%