প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি নিয়ে যে মন্তব্য করা হয়েছে, তার কারণে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি কার্যালয়ের সামনে প্রতিবাদকারীরা আরাঘচির পদত্যাগ দাবি করে বিক্ষোভ সঞ্চালিত করেন। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে আরাঘচি যে মন্তব্য করেছেন, তার পর তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের বিরোধী এবং যেকোনো চুক্তি নিয়ে সন্দিহান কট্টরপন্থি গোষ্ঠীগুলোর সমালোচনার মুখে পড়েন। ফার্স নিউজ এজেন্সির প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, শনিবার মাশহাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভবনের সামনে অনেক বিক্ষোভকারী জড়ো হয়েছেন। সেখানে কালো চাদর পরিহিত নারীদের লাল ও কালো পতাকা নেড়েচেড়ে তাদের স্লোগানে যোগ দিতে দেখা যায়। তারা ‘অপমানজনক আরাঘচির মৃত্যু হোক, অনুপ্রবেশকারীর মৃত্যু হোক’ এমন ধরনের স্লোগান উচ্চারণ করেন। এছাড়া রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আরও কিছু ভিডিওতে দেখা যায়, তেহরানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভবনের সামনে বিক্ষোভকারীরা ‘আরাঘচি পদত্যাগ করো’ এবং ‘ঘালিবাফ পদত্যাগ করো’ স্লোগান দিতে দেখা গেছে। শুক্রবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেয়া একটি সাক্ষাৎকারে সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে কথা বলার সময় আরাঘচি বলেছেন, আলোচনার মধ্যে থাকা চুক্তির একটি অংশ হিসেবে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করা হবে। এসময় তিনি হরমুজ প্রণালিকে ইরানের ‘প্রধান প্রতিরোধমূলক উপকরণগুলোর’ একটি হিসেবে উল্লেখ করেন। চূড়ান্ত কোনো চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে বলে তিনি ঘোষণা না দিলেও তার বক্তব্যে কূটনৈতিক যোগাযোগের পথ এখনও বিবেচনায় রয়েছে বলে ইঙ্গিত মেলে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য এই চুক্তি ইরানের কট্টরপন্থি মহলের বিরোধিতার মুখে পড়েছে। সমালোচকদের দাবি, এ ধরনের চুক্তি ইরানের স্বার্থ রক্ষা করতে সক্ষম হবে না এবং হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে তেহরানের প্রভাব কমিয়ে দিতে পারে। তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইসরাইল
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন