বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৫৮ পি.এম
ভিয়েতনামে একটি বড় মাদক পাচার মামলায় আদালত ১১ জনকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে। ২০২৩ সালে শুরু হওয়া তদন্তের ভিত্তিতে এই মামলা করা হয়, যখন চারজন বিমানবালার কাছ থেকে টুথপেস্টের টিউবের ভেতর লুকানো মাদক উদ্ধার করা হয়।
দিয়ে ভিয়েতনামের সংবাদমাধ্যম ভিএনএক্সপ্রেস জানিয়েছে, হো চি মিন সিটি পিপলস কোর্ট মাদক পাচারের অভিযোগে ১১ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। এই মামলায় মোট আসামির সংখ্যা ছিল ২২৭ জন।
২০২৩ সালের মার্চ মাসে প্যারিস থেকে ভিয়েতনামের হো চি মিন সিটির তান সন নাত বিমানবন্দরে পৌঁছান ভিয়েতনাম এয়ারলাইন্সের চার বিমানবালা। তাদের বহন করা ১৫৭টি টুথপেস্টের টিউব থেকে ১০ কেজির বেশি মাদক উদ্ধার করা হয়। তদন্তের পর জানা যায়, ওই চার বিমানবালা মাদকের বিষয়ে অবগত না হয়েই সেগুলো বহন করেছিলেন।
এরপর তদন্তকারীরা একটি আন্তর্জাতিক মাদক পাচার চক্রের সন্ধান পান। অভিযোগ রয়েছে, চক্রটি ফ্রান্স থেকে বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের মধ্যে মাদক লুকিয়ে ভিয়েতনামে পাচার করত।
প্রসিকিউটরদের মতে, চক্রের সদস্যরা মাদক বিতরণের জন্য এনক্রিপ্টেড মেসেজিং অ্যাপ, অন্য ব্যক্তির নামে খোলা ব্যাংক হিসাব এবং বিভিন্ন ডেলিভারি সেবা ব্যবহার করত। পরে তারা দক্ষিণ ভিয়েতনামের বিভিন্ন এলাকায় মাদক সরবরাহ করত।
ভিয়েতনামে বড় মাদক পাচার মামলায় মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ১১ আসামির আইনজীবীদের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ভিয়েতনামের সংবাদমাধ্যম ভিএনএক্সপ্রেস জানিয়েছে, একই মামলায় অন্তত ২০ জন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, ভিয়েতনাম বর্তমানে মৃত্যুদণ্ডের বিধান কিছুটা পরিবর্তনের কথা বিবেচনা করছে। গত মাসে দেশটির সরকার ফৌজদারি আইন সংশোধনের অংশ হিসেবে ছয়টি অপরাধের ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ড বাতিলের প্রস্তাব দিয়েছে। এর মধ্যে মাদক পাচারও রয়েছে। তবে প্রস্তাবিত এসব পরিবর্তন এখনো কার্যকর হয়নি। ফলে বর্তমান আইনের অধীনেই মাদক পাচারের এই মামলায় ১১ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নবম জাতীয় পে স্কেলের খসড়া বর্তমানে বিজি প্রেসে পাঠানো হয়েছে। এই খসড়া অর্থ মন্ত্রণালয়ে যাবে এবং পরে আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের পর সরকারি আদেশ বা এসআরও নম্বর দিয়ে এটি প্রকাশিত হবে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এই তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমরা গতকালই পে স্কেলের খসড়া বিজি প্রেসে পাঠিয়েছি। এখন এটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে যাবে। এরপর আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিং হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এসআরও নম্বর পেয়ে প্রকাশ করা হবে।’
অতিরিক্তভাবে, তিনি জানান, পে স্কেলের গেজেট যত দ্রুত সম্ভব প্রকাশ করার চেষ্টা চলছে। গেজেট প্রকাশের ক্ষেত্রে তারা বিলম্ব করতে চান না, তবে প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে গিয়ে কিছু সময় লাগছে।
নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান নিয়েও সরকারের মধ্যে প্রস্তুতি চলছে। মন্ত্রিপরিষদের সচিব নাসিমুল গনি জানিয়েছেন, নতুন পে স্কেলের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ মধ্যমেয়াদি বাজেট পরিকল্পনায় (এমটিবিএফ) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে এটি সরকারের জন্য হঠাৎ করে তৈরি হওয়া কোনো ব্যয় নয়।
তিনি আরও বলেন, সরকার প্রতিবছর শুধু এক বছরের বাজেট করে না; বরং আগামী কয়েক বছরের সম্ভাব্য আয়-ব্যয়ের একটি আগাম হিসাবও করে থাকে। নতুন পে স্কেলের সম্ভাব্য ব্যয়ও সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নবম জাতীয় পে স্কেলের খসড়া ইতিমধ্যে বিজি প্রেসে পাঠানো হয়েছে। এরপর এই খসড়াটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে যাবে এবং পরবর্তীতে আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য উপস্থাপন করা হবে। সরকারি আদেশ বা এসআরও নম্বর দিয়ে প্রকাশের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এই তথ্য জানিয়েছেন।
সাময়িক বেতন-ভাতা বন্ধ থাকা শিক্ষকদের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
তিনি জানান, ‘গতকাল আমরা পে স্কেলের খসড়া বিজি প্রেসে পাঠিয়েছি। এরপর এটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে যাবে। আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিং হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এসআরও নম্বর পেয়ে এটি প্রকাশ করা হবে।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, যত দ্রুত সম্ভব পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ করা হবে। গেজেট প্রকাশের ক্ষেত্রে তারা বিলম্ব করতে চান না, তবে প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে গিয়ে কিছু সময় লাগছে।
নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান নিয়ে সরকারের মধ্যে প্রস্তুতি চলছে। মন্ত্রিপরিষদের সচিব নাসিমুল গনি জানিয়েছেন, নতুন পে স্কেলের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ মধ্যমেয়াদি বাজেট পরিকল্পনায় (এমটিবিএফ) অন্তর্ভুক্ত ছিল। তাই এটি সরকারের জন্য হঠাৎ করে তৈরি হওয়া কোনো ব্যয় নয়।
তিনি বলেন, সরকার প্রতিবছর শুধু এক বছরের বাজেট করে না, বরং আগামী কয়েক বছরের সম্ভাব্য আয়-ব্যয়ের একটি পূর্বাভাসও তৈরি করে। নতুন পে স্কেলের সম্ভাব্য ব্যয়ও সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর পাঁচটি মাদরাসার আটজন শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) প্রদান করেছে। নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তাদের বেতন ও ভাতা সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে এবং জানতে চাওয়া হয়েছে কেন স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে না।আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে রয়েছে জাল স্বাক্ষর, জাল চিঠি প্রস্তুত, ভুয়া নিয়োগ বোর্ড গঠন করে ফলাফল শিট তৈরি, মৃত শিক্ষকের ব্যাংক হিসাব ও ইনডেক্স নম্বর ব্যবহার করে দীর্ঘ সময় ধরে সরকারি বেতন-ভাতা উত্তোলনের মতো বিভিন্ন অভিযোগ।শোকজ প্রাপ্ত শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলাধীন নিজবলাইল ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম, ভোলা জেলার তজুমদ্দিন উপজেলাধীন মো. ভেলা ওমরিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক মো. মহিউদ্দিন, কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলাধীন সোনারীপাড়া মীম ছীন বালিকা দাখিল মাদরাসার সুপার মো. ইস্কেন্দার মির্জা।এছাড়া, নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলাধীন মস্কিপুর দ্বি-মুখী দাখিল মাদরাসার সুপার মো. আফতাব উদ্দীন, সহকারী মৌলভী মো. জহরুল ইসলাম, মো. আখতার হোসেন এবং মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলাধীন হাড়াভাঙ্গা ডি. এইচ. ফাযিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মো. আব্দুর রাজ্জাক ও সহকারী মৌলভী শামছিয়া খাতুনও এই নোটিশের আওতায় রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন ব্যবহারের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বিদ্যালয়ের সীমানার ভেতরে কোনো শিক্ষার্থী মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। স্কুল চলাকালীন সময়ে যদি কারো কাছে মোবাইল ফোন পাওয়া যায়, তাহলে তাকে সরাসরি বিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এক সভায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম দানু এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম দানু উল্লেখ করেন যে, শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় মনোযোগ বৃদ্ধি, ভালো ফলাফল নিশ্চিত করা এবং তাদের আত্মনির্ভরশীল ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি একইসঙ্গে বিষয়টি মেনে চলার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
বিদ্যালয়ের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও অভিভাবকরা। তাদের মতে, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে শিক্ষার্থীরা মোবাইল আসক্তি কাটিয়ে পড়ালেখায় অধিক মনোযোগী হতে সক্ষম হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কাশেম মন্তব্য করেন, "এটি সত্যিই প্রশংসনীয় একটি উদ্যোগ। আমাদের সময়ে যা ভাবাই যেত না, এখনকার ছেলে-মেয়ে মোবাইল ছাড়া চলতেই পারে না। তাই শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফেরাতে এই সিদ্ধান্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।"
অভিভাবক জামাল মিয়া জানান, "পড়ালেখা ছেড়ে সারাক্ষণ মোবাইলে ডুবে থাকার কারণে সন্তানদের পড়াশোনার ক্ষতি হচ্ছিল। স্কুল চলাকালে মোবাইল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ায় অন্তত এই সময়ে তারা পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারবে।"
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবুল কালাম জানান, "শিক্ষার্থীরা আমাদের সন্তান, তাদের কল্যাণ ও শিক্ষার মান উন্নয়নের দায়িত্ব আমাদেরই। মোবাইল আসক্তি কমিয়ে পড়ালেখায় মনোযোগ বাড়ানো, ভালো ফলাফল নিশ্চিত করা এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ সুন্দর করার লক্ষ্যেই মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ