বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:০৫ পি.এম
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন ব্যবহারের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বিদ্যালয়ের সীমানার ভেতরে কোনো শিক্ষার্থী মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। স্কুল চলাকালীন সময়ে যদি কারো কাছে মোবাইল ফোন পাওয়া যায়, তাহলে তাকে সরাসরি বিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এক সভায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম দানু এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম দানু উল্লেখ করেন যে, শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় মনোযোগ বৃদ্ধি, ভালো ফলাফল নিশ্চিত করা এবং তাদের আত্মনির্ভরশীল ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি একইসঙ্গে বিষয়টি মেনে চলার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
বিদ্যালয়ের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও অভিভাবকরা। তাদের মতে, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে শিক্ষার্থীরা মোবাইল আসক্তি কাটিয়ে পড়ালেখায় অধিক মনোযোগী হতে সক্ষম হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কাশেম মন্তব্য করেন, "এটি সত্যিই প্রশংসনীয় একটি উদ্যোগ। আমাদের সময়ে যা ভাবাই যেত না, এখনকার ছেলে-মেয়ে মোবাইল ছাড়া চলতেই পারে না। তাই শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফেরাতে এই সিদ্ধান্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।"
অভিভাবক জামাল মিয়া জানান, "পড়ালেখা ছেড়ে সারাক্ষণ মোবাইলে ডুবে থাকার কারণে সন্তানদের পড়াশোনার ক্ষতি হচ্ছিল। স্কুল চলাকালে মোবাইল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ায় অন্তত এই সময়ে তারা পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারবে।"
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবুল কালাম জানান, "শিক্ষার্থীরা আমাদের সন্তান, তাদের কল্যাণ ও শিক্ষার মান উন্নয়নের দায়িত্ব আমাদেরই। মোবাইল আসক্তি কমিয়ে পড়ালেখায় মনোযোগ বাড়ানো, ভালো ফলাফল নিশ্চিত করা এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ সুন্দর করার লক্ষ্যেই মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকার ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবকের একটি প্রশিক্ষিত ভিত্তি গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন। তিনি উল্লেখ করেন যে, ইতিমধ্যে ৭০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে মহিলা আসন-১০-এর সরকারি দলের সদস্য নিলুফার চৌধুরী মনির সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
নিলুফার চৌধুরী মনি ভূমিকম্পের মতো বড় ধরনের দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকারের প্রস্তুতি এবং উদ্ধার সরঞ্জামের বিষয়ে জানতে চান।
প্রতিমন্ত্রী এ প্রশ্নের জবাবে বলেন, সরকার ভূমিকম্পের পর উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবকের ভিত্তি গড়ে তোলার কার্যক্রম চলছে। ইতিমধ্যে ৭০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত করা হয়েছে এবং তাদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিভিন্ন দুর্যোগের সময় সঠিকভাবে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সক্ষম করে তোলা হচ্ছে।
উদ্ধার সরঞ্জামের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভূমিকম্প মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের তালিকা দীর্ঘ। সরকার ইতিমধ্যে বিভিন্ন ধরনের সরঞ্জাম ক্রয় করেছে। এসব সরঞ্জাম বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস, আনসারসহ দুর্যোগ মোকাবেলায় সরাসরি কাজ করে এমন বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, কিছু প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে সেগুলোর টেন্ডার প্রক্রিয়া চলছে।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, শুধু সরকারি সংস্থাগুলোর সরঞ্জাম নয়, দেশের বেসরকারি খাতের কাছেও থাকা বিভিন্ন দুর্যোগ মোকাবেলা ও উদ্ধার সরঞ্জামের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। দুর্যোগের সময় প্রয়োজন অনুযায়ী এসব সরঞ্জাম ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তা নেওয়ার পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সরকার ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকের সঙ্গে ১০০ কোটি ডলারের চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যা রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারির আধুনিকায়নের জন্য নির্ধারিত।
আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে এ চুক্তির স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (আইএসডিবি) গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ আল জাসের উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. মিজানুর রহমান এবং ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক গ্রুপের পক্ষে সংস্থাটির ডিরেক্টর জেনারেল (কান্ট্রি প্রোগ্রামস) আনাসি আইসামি।
প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব গাজী শাহরিয়ার পামির এই তথ্য প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা মাহদী আমিন, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তানভীর গনি, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তারসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক গ্রুপের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারাও চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
এই প্রকল্পের আওতায় ইস্টার্ন রিফাইনারিতে বছরে ৩০ লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিশোধনের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের চাহিদার ৪৫ থেকে ৫০ শতাংশ পূরণ করা সম্ভব হবে।
এই প্রকল্পটি ২০৩০ সালের নভেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন আইএসডিবি চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ আল জাসের।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন অংশীদারিত্ব, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও অবকাঠামো খাতে সহযোগিতা আরো সম্প্রসারণসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
তারা আশা প্রকাশ করেন যে, আগামীতে বাংলাদেশ ও আইএসডিবির মধ্যকার সহযোগিতা ও উন্নয়ন অংশীদারিত্ব আরো জোরদার হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দক্ষিণ আফ্রিকার সফরে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় এবং শেষ আনঅফিসিয়াল চার দিনের ম্যাচে ট্রিপল সেঞ্চুরির ইনিংস খেলে রেকর্ড বইয়ে নাম লিখিয়েছেন বাংলাদেশ ‘এ’ দলের অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়।
প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের ৫১২ রানের জবাবে, বাংলাদেশ ম্যাচের শেষ দিনে ৮ উইকেটে ৬৭৬ রানে ইনিংস ঘোষণা করে। বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ১৬৪ রানের লিড অর্জন করে। হৃদয় ৩৫০ রানে অপরাজিত ছিলেন।
দ্বিতীয় ইনিংসে ১৬৪ রানে পিছিয়ে থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচের শেষ দিনে বিনা উইকেটে ১৮ রান তোলে। এরপর দুই দল ম্যাচটি ড্র মেনে নেয়। বাংলাদেশ প্রথম আনঅফিসিয়াল চার দিনের ম্যাচে ইনিংস ও ৪১৩ রানে পরাজিত হয়েছিল।
পচেফস্ট্রুমে নিজেদের প্রথম ইনিংসে তৃতীয় দিন শেষে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের সংগ্রহ ছিল ৬ উইকেটে ৪৭১ রান। হৃদয়ের দল ৪ উইকেট হাতে রেখে ৪১ রানে পিছিয়ে ছিল। দিন শেষে হৃদয় ২০৪ রানে অপরাজিত ছিলেন।
চতুর্থ দিনের প্রথম সেশনে বাংলাদেশ দ্রুত ২ উইকেট হারায়। নাইম হাসান ১৬ ও হাসান মুরাদ ১১ রানে আউট হন। ৫১৯ রানে বাংলাদেশ অষ্টম উইকেট হারায়। এরপর রেজাউর রহমান রেজাকে নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের বিরুদ্ধে দাপট দেখান হৃদয়।
৩৮১ বলে হৃদয় আড়াইশ রান পূর্ণ করেন। ট্রিপল সেঞ্চুরিতে পৌঁছাতে তিনি খুব বেশি সময় নেননি। ৪৫০ বলে তিনশতে পৌঁছান হৃদয়। এরপর দ্রুত রান তুলে মাত্র ৩১ বলে পরবর্তী পঞ্চাশ রান সংগ্রহ করেন হৃদয়। অর্থাৎ ৪৮১ বল খেলে ২৭টি চার ও ১০টি ছক্কায় ৩৫০ রানে অপরাজিত থেকে ৮ উইকেটে ৬৭৬ রানে দলীয় ইনিংস ঘোষণা করেন হৃদয়। এই ইনিংসটি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তার সর্বোচ্চ রান। পূর্বে তার সর্বোচ্চ রান ছিল ২১৭।
নবম উইকেটে রাজার সাথে ১৫৭ রানের জুটি গড়েন হৃদয়। এই জুটিতে ১১০ বলে ৪টি চার ও ২টি ছক্কায় অনবদ্য ৩১ রান করেন রাজা। দক্ষিণ আফ্রিকার কাইল সিমন্ডস ২৩৯ রানে ৪ উইকেট নেন।
বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটার হিসেবে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সাড়ে তিনশ রানের ইনিংস খেললেন হৃদয়। এই ইনিংস খেলার মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়েন। সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমান বোর্ড প্রধান তামিম ইকবালের ৩৩৪ রানকে তিনি টপকে যান। ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে (বিসিএল) সেন্ট্রাল জোনের বিপক্ষে রেকর্ড ইনিংস খেলেছিলেন তামিম।
বাংলাদেশের তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ট্রিপল সেঞ্চুরি করলেন হৃদয়। এর আগে রাকিবুল হাসান ৩১৩ এবং তামিম ৩৩৪ রানের ইনিংস খেলেছেন।
দেশের বাইরে বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটার হিসেবেও প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেলেছেন হৃদয়। পূর্বে সর্বোচ্চ রান ছিল সাবেক ওপেনার শাহরিয়ার হোসেনের। ২০০৩ সালে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে করাচিতে ডিফেন্স হাউজিং অথরিটির বিপক্ষে ২১৮ রান করেছিলেন শাহরিয়ার।
দক্ষিণ আফ্রিকায় দ্বিতীয় সফরকারী ব্যাটার হিসেবে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ট্রিপল সেঞ্চুরি করলেন হৃদয়। এর আগে একমাত্র সফরকারী ব্যাটার হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকায় ১৯৪৮ সালে এমসিসির হয়ে ৩০০ রানের ইনিংস খেলেছিলেন ইংল্যান্ডের ডেনিস কম্পটন।
দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের নজির গড়েন হৃদয়। এই ক্ষেত্রে সবার উপরে আছেন দক্ষিণ আফ্রিকার ওপেনার স্টিভেন কুক। ২০০৯ সালে লায়ন্সের হয়ে ৩৯০ রানের ইনিংস খেলেছিলেন কুক।
দিনের শেষভাগে ১২ ওভার ব্যাট করে দক্ষিণ আফ্রিকা বিনা উইকেটে ১৮ রান তোলে। এরপর ম্যাচটি ড্র মেনে নেয় দুই দল। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশ ‘এ’ এবং দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের মধ্যে তিন ম্যাচের আনঅফিসিয়াল ওয়ানডে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পুলিশ উল্টোপথে বেপরোয়া গাড়ি চালানোর অভিযোগে এক মন্ত্রীর গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। এই ঘটনা ঘটেছে আজ বৃহস্পতিবার সকালে সার্কিট হাউজ রোডে। কালের কণ্ঠকে এ তথ্য জানিয়েছেন ট্রাফিক পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।তিনি জানান, ‘একজন মন্ত্রীর গাড়ি সকাল ৯টা ৮ মিনিটে সার্কিট হাউজ সড়কের উল্টো পথে সচিবালয়ের দিকে যাচ্ছিল। ট্রাফিক পুলিশ পতাকাবাহী গাড়িটি থামিয়ে দেয়। গাড়ির নং ঢাকা মেট্রো –ঘ- ১৮-২১২৫।'তিনি আরও বলেন, 'চালককে জানানো হয় যে, এভাবে উল্টো পথে গাড়ি চালানো ঢাকা মেট্রোপলিট পুলিশের আইনের সম্পূর্ণ লঙ্ঘন। দুইটি মামলা হয়েছে এবং তিন হাজার, তিন হাজার করে মোট ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।'ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ‘রেঞ্জ রোভার’ গাড়ির চালক আরিফ হোসেনের বিরুদ্ধে বেপরোয়া গাড়ি চালানোর অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, মন্ত্রীর গাড়ি যখন উল্টো পথে যাচ্ছিল, সেই সময়ে প্রধানমন্ত্রীর বহর পাশের সড়ক দিয়ে সচিবালয় অভিমুখে অতিক্রম করছিল।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গাড়িটি বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রীর ছিল। ওই সময় মন্ত্রী গাড়িতে উপস্থিত ছিলেন।ট্রাফিক কর্মকর্তারা জানান, বাংলাদেশে এই প্রথম কোনো মন্ত্রীর গাড়ি উল্টো পথে চলার অভিযোগে মামলা হয়েছে। এটি নজিরবিহীন ঘটনা। অতীতে মন্ত্রীর গাড়ি গন্তব্যে দ্রুত পৌঁছানোর জন্য অথবা যানজট এড়াতে উল্টো পথে যাওয়ার ঘটনা গণমাধ্যমে এসেছে, কিন্তু মামলার ঘটনা এই প্রথম।মন্ত্রী কিংবা সচিবের গাড়ি উল্টো পথে যাওয়ার এই ঘটনার পরিণতি দেশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের জন্য একটি বার্তা হিসেবে চিহ্নিত হবে বলে মনে করছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ