ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

পাঁচবিবিতে সরকারি গাছ কাটার দায়ে তিনজনের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড


পাঁচবিবিতে সরকারি গাছ কাটার দায়ে তিনজনের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার আয়মারসুলপুর ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামে অবস্থিত লাল ব্রিজের পাশে সড়কের ধারে সরকারি গাছ অবৈধভাবে কাটার অভিযোগে তিনজনকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে এক হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার সময় পাঁচবিবি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাশফিয়া তাসরিন এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, সরকারি গাছ অবৈধভাবে কাটার জন্য ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ১১ ধারায় তিনজনকে তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং এক হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ড পরিশোধ না করলে তাদের আরও এক দিনের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন—রামনগর (আয়মারসুলপুর) গ্রামের মৃত শফির উদ্দিনের ছেলে মো. আলম (৫০), ছোটমানিক গ্রামের মৃত নবীন উদ্দিনের ছেলে মো. আমিনুল ইসলাম (৫২) এবং রামনগর গ্রামের হবিবরের ছেলে আব্দুল মতিম।

আরও পড়ুন: চাঁপাইনবাবগঞ্জে সার পাচারের সময় আটক ডিলারসহ দুজনের কারাদণ্ড ও জরিমানা

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাশফিয়া তাসরিন মন্তব্য করেন, "সরকারি সম্পদ রক্ষায় প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।" তিনি আরও বলেন, "ভবিষ্যতে সরকারি গাছ কিংবা অন্য কোনো সরকারি সম্পদ অবৈধভাবে দখল বা ক্ষতিসাধনের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাইবার অপরাধ মোকাবেলায় পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই: আইজিপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:০১ পি.এম


সাইবার অপরাধ মোকাবেলায় পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই: আইজিপি

সাইবার অপরাধের প্রকৃতি দ্রুত পরিবর্তিত হওয়ায় পুলিশের তদন্ত সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, সাইবার অপরাধ মোকাবেলায় পুলিশ সদস্যদের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বিকল্প নেই।

রোববার সকালে রাজধানীর মিরপুরে পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশে সাইবার অপরাধ মামলা তদন্ত বিষয়ক ট্রেনিং অব ট্রেইনার্স (টিওটি) কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

আইজিপি বলেছেন, বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিপফেক, এনক্রিপটেড যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের মতো প্রযুক্তিগুলো নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। একই সঙ্গে, এসব প্রযুক্তি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জও নিয়ে এসেছে।

তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তির অপব্যবহার করে অপরাধীরা সাইবারভিত্তিক প্রতারণা, অনলাইন আর্থিক অপরাধ, তথ্য চুরি, হ্যাকিং, অনলাইনে হয়রানি এবং ডিজিটাল চাঁদাবাজির মতো অপরাধ সংঘটিত করছে। ক্রমবর্ধমান এসব অপরাধের মোকাবেলায় পুলিশের প্রচলিত কার্যক্রমে পরিবর্তন আনা এখন সময়ের দাবি। সাইবার অপরাধ তদন্তে সক্ষমতা অর্জন আধুনিক পুলিশিংয়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে মো. আলী হোসেন ফকির বলেন, এই কোর্সের মাধ্যমে কর্মকর্তারা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন করবেন না, বরং প্রশিক্ষণ প্রদান ও যোগাযোগের দক্ষতাও অর্জন করবেন। প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা অন্যান্য তদন্তকারীদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে। কার্যকরভাবে অন্যান্য তদন্তকারীকে প্রশিক্ষণ দিতে পারলে সাইবার মামলা তদন্তকারীর সংখ্যা বহুগুণ বাড়ানো সম্ভব হবে।

তিনি এ ধরনের সময়োপযোগী প্রশিক্ষণ আয়োজনের জন্য পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ট্রেনিং উইং এবং পুলিশ স্টাফ কলেজ কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি নিয়মিত এ ধরনের প্রশিক্ষণের আয়োজন এবং প্রশিক্ষণ উপকরণ ও মডিউল হালনাগাদ করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশের রেক্টর ও অতিরিক্ত আইজি কাজী মো. ফজলুল করিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিআইডি প্রধান ও অতিরিক্ত আইজি ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন। স্বাগত বক্তব্য দেন ডিআইজি (ট্রেনিং) মো. একরামুল হাবিব।

অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত ডিআইজি (ট্রেনিং-২) ড. মোছা. শেহেলা পারভীন সাইবার অপরাধ তদন্ত প্রশিক্ষণের রোডম্যাপ ও বাস্তবায়ন কৌশল উপস্থাপন করেন। এ সময় পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশের অনুষদ সদস্য ও রিসোর্স পারসনরা উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ট্রেনিং শাখার উদ্যোগে পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশে ১০ দিনের এই প্রশিক্ষণ কোর্সের আয়োজন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে টিওটি কোর্সে অংশ নেওয়া ৩৩২ জন পুলিশ কর্মকর্তা মাঠপর্যায়ের সাইবার অপরাধ মামলা তদন্তকারীদের প্রশিক্ষণ দেবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উন্নয়নের স্বার্থে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রকারিদের কোন ছাড় দেয়া হবেনা: মনোয়ার হোসেন খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:০২ পি.এম


উন্নয়নের স্বার্থে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রকারিদের কোন ছাড় দেয়া হবেনা: মনোয়ার হোসেন খান

মাগুরা জেলার আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা রবিবার সকালে জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোতাকাব্বীর আহমেদ।

সভায় গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির উপদেষ্টা এবং মাগুরা ১ আসনের সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন খান।

সভায় পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থান্ডার খায়রুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডাঃ শামীম কবীর, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শাশ্বতী শীল, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আখতার হোসেন, জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সহ সভাপতি এড, আহম্মেদ হেসেন, মাগুরা প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক সাইদুর রহমান, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ফারুকুজ্জামান ফারুক, মাগুরা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোল্লা আবু সাইদ, জেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর অধ্যাপক আবু সাঈদ, মাগুরা বারের সাধারণ সম্পাদক এড, শাহেদ হাসান টগর, জেলা ইসলামী আন্দোলনের মোস্তফা কামাল প্রমুখ জেলার সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উপর বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন।

সভায় বাল্যবিবাহ, ধর্ষণ প্রতিরোধে সচেতনতা, খাদ্যে ভেজাল রোধ, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ, মাদক চোরাচালান, যৌন হয়রানি, নারী ও শিশু নির্যাতন এবং ধর্ষণ প্রতিরোধসহ খুন, ডাকাতি, এসিড নিক্ষেপসহ সকল অপরাধ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পরে জেলার আইন শৃঙ্খলার উন্নয়নে বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

সভায় সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন খান বলেন, "দেশের সার্বিক উন্নয়ন নির্ভর করে উন্নত আইন শৃঙ্খলার উপর, দেশের স্বার্থে যে কোন মূল্যে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে হবে।" তিনি ষড়যন্ত্রকারীদের দেশ বিরোধী সকল ষড়যন্ত্রের প্রতি আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান। জেলা প্রশাসক মোতাকাব্বীর আহমেদ, মাগুরা জেলার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য সকলকে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে সার নিয়ে বা যে কোন ষড়যন্ত্রের প্রতি সজাগ থাকার জন্য সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি গত সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী স্কুলে শিক্ষার্থীদের মোবাইল মোটর সাইকেল নিয়ে প্রবেশ করার কোন সুযোগ না দেয়ার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোয়াখালী পৌর বণিক সমিতির সভাপতি নির্বাচিত আপেল, সম্পাদক মুকুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:০২ পি.এম


নোয়াখালী পৌর বণিক সমিতির সভাপতি নির্বাচিত আপেল, সম্পাদক মুকুল

নোয়াখালী পৌর বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে আব্দুল মোতালেব আপেল এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মনিরুল ইসলাম মুকুল নির্বাচিত হয়েছেন।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ভোটগ্রহণ শেষে রাতে নির্বাচন কমিশন ফলাফল ঘোষণা করেন, যা উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচনে সমিতির ২ হাজার ৮৯ জন ভোটারের মধ্যে ১ হাজার ৬২৪ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

বিজয়ীদের মধ্যে সভাপতি পদে আব্দুল মোতালেব আপেল ৮৪২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন, যেখানে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তাজুল ইসলাম ৭৩৩ ভোট পান।

সাধারণ সম্পাদক পদে মো. মনিরুল ইসলাম মুকুল ১ হাজার ১৬৬ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন, আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সিরাজুল ইসলাম রায়হান ৪২০ ভোট পান।

এছাড়া সহ-সভাপতি পদে হারুন নূর রশিদ খান ৬৯১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন, অপর সহ-সভাপতি পদে মোয়াজ্জেম হোসেন ৬০৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে আব্দুর রহমান ৮১১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

নির্বাচনে মোট ১৯টি পদের মধ্যে ১১টি পদে আগেই আব্দুল মোতালেব আপেল ও সিরাজুল ইসলাম রায়হান পরিষদের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন, বাকি ৮টি পদে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

দীর্ঘ ২৩ বছর পর বণিক সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় নোয়াখালীর ব্যবসায়ী মহলে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। সকাল থেকেই ভোটকেন্দ্রগুলোতে ব্যবসায়ীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

নির্বাচনকে ঘিরে ব্যবসায়ীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করে। শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ায় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকলে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভৈরবে পৌর সেবা না বাড়িয়ে কর বৃদ্ধির প্রতিবাদে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:০২ পি.এম


ভৈরবে পৌর সেবা না বাড়িয়ে কর বৃদ্ধির প্রতিবাদে মানববন্ধন

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও সর্বস্তরের নাগরিকেরা ভৈরবে মানববন্ধন করেছেন, যা নাগরিক সেবার মান না বাড়িয়ে গৃহ ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের পৌরকর অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধির প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত হয়। তাঁদের অভিযোগ, নাগরিকদের সঙ্গে কোনো ধরনের পরামর্শ বা কার্যকর আলোচনা ছাড়াই পৌরকর প্রায় ৪০ শতাংশ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের কারণে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ভৈরব বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন দুর্জয় পাদদেশে নূরানী মসজিদের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও সর্বস্তরের জনতা’ ব্যানারে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফুল হক জয়। গণঅধিকার পরিষদের কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ কাজলের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন রাষ্ট্র সংস্কার ফোরামের প্রধান সমন্বয়ক নুরুল কাদের সোহেল, ভৈরব এনসিপির আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল মিয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক মোজাম্মেল, ডালিয়া বেগমসহ স্থানীয় ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, সামাজিক সংগঠক এবং ছাত্র ও যুবসমাজের প্রতিনিধিরা।

বক্তারা উল্লেখ করেন, ভৈরব দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক নগরী। তবে দীর্ঘদিন ধরে নাগরিক সেবার নানা ঘাটতি বিদ্যমান। পর্যাপ্ত সড়কবাতি নেই, অনেক এলাকায় ড্রেনেজব্যবস্থা অকার্যকর ও অবরুদ্ধ, প্রধান সড়কগুলোর বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ এবং যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা পড়ে রয়েছে। এই বাস্তবতায় নাগরিক সেবা না বাড়িয়ে পৌরকর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে।

গণঅধিকার পরিষদের কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ কাজল বলেন, ‘ভৈরব প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হলেও নাগরিকেরা কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না। সেবা নিশ্চিত না করে অতিরিক্ত পৌরকর আদায় অন্যায়। আগে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে, এরপর কর নির্ধারণের বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত।’

তিনি আরও বলেন, নাগরিক সেবা নিশ্চিত না করা পর্যন্ত বাড়তি পৌরকর না দেওয়ার বিষয়ে নাগরিকদের মধ্যে ঐকমত্য গড়ে তোলা হবে।

মানববন্ধনে বক্তারা পৌরসভার কর নির্ধারণে বৈষম্য ও স্বচ্ছতার অভাবের অভিযোগ তুলে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কর বৃদ্ধির বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। তাঁদের দাবি, কর বৃদ্ধির আগে নাগরিকদের মতামত নেওয়া এবং কর নির্ধারণের ভিত্তি ও হিসাব জনসম্মুখে প্রকাশ করা প্রয়োজন।

বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, ভৈরব শহরের বিভিন্ন স্থানে ড্রেনেজব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে অব্যবস্থাপনায় থাকায় জলাবদ্ধতা ও মশার উপদ্রব বাড়ছে। এতে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পাচ্ছে। অথচ মশক নিধনে পৌরসভার দৃশ্যমান কার্যক্রম নেই।

মানববন্ধন থেকে অবিলম্বে বর্ধিত পৌরকর প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি দায়িত্ব গ্রহণের আগ পর্যন্ত কর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত না নেওয়া এবং ভবিষ্যতে কর পুনর্নির্ধারণের ক্ষেত্রে নাগরিকদের মতামত নেওয়ার দাবি জানান বক্তারা।

তাঁরা বলেন, নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা, কর নির্ধারণে স্বচ্ছতা আনা এবং জনগণের সঙ্গে পরামর্শের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া না হলে ভৈরব পৌরবাসীকে সঙ্গে নিয়ে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%