০২:১৯ পি.এম
ইরান যুদ্ধে জেরে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় বৈদ্যুতিক, হাইব্রিড এবং সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস চালিত গাড়ির(সিএনজি) চাহিদা ভারতে বেড়েছে। চলতি বছরের জুন মাসে, এই ধরনের মডেলের শেয়ার যাত্রীবাহী গাড়ির বিক্রিতে রেকর্ড পরিমাণে ছাড়িয়ে গেছে।
জুন মাসে যাত্রীবাহী গাড়ির খুচরা বিক্রির মধ্যে বিকল্প জ্বালানিচালিত গাড়ি বিক্রির হার ছিল ৪০.৩৫ শতাংশ। আগের মাসে এই হার ছিল প্রায় ৩৮ শতাংশ। মে মাসে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কয়েক দফা বাড়ার পরে ক্রেতারা কম খরচে গাড়ি চালানোর উপায় খুঁজছিলেন। ফলে এই প্রবণতা দেখা গেছে।
ফেডারেশন অফ অটোমোবাইল ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনস(ফাডা)-এর প্রেসিডেন্ট সি.এস. ভিগনেশ্বর জানিয়েছেন, আমাদের দেখতে হবে এটি কি ক্রেতাদের কোনো আবেগতাড়িত বা তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া, নাকি এই প্রবৃদ্ধি দীর্ঘস্থায়ী হবে। সামগ্রিকভাবে গাড়ি বিক্রি ২১.৮ শতাংশ বেড়ে একটি রেকর্ড ২৬ লাখ ইউনিটে পৌঁছেছে। এর মধ্যে যাত্রীবাহী গাড়ির বিক্রি আগের বছরের তুলনায় ২৮.৬ শতাংশ বেড়ে ৪,১০,৮৫৩ ইউনিটে দাঁড়িয়েছে।
আরও পড়ুন: ইশরাক হোসেনকে অস্ত্র হাতে রাস্তায় নামতে হলো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতার জন্য
অন্যদিকে, যাত্রীবাহী গাড়ির মধ্যে সিএনজি মডেলের হার ছিল মোট বিক্রির ২৪.৩ শতাংশ, যেখানে হাইব্রিড গাড়ির হার ছিল ৮.৩ শতাংশ এবং বৈদ্যুতিক গাড়ির হিস্যা ছিল ৭.৮ শতাংশ। শিল্পের শীর্ষস্থানীয় কোম্পানি মারুতি সুজুকি গত মাসে জানিয়েছিল, জ্বালানির দাম বাড়ার পর থেকে তাদের সিএনজি গাড়ির বুকিং ৪০ শতাংশ বেড়েছে।
ভারতের অটোমোবাইল ডিলারদের শীর্ষ জাতীয় সংগঠন (ফাডা)-র তথ্য অনুযায়ী, মোট দুই-চাকার গাড়ি বিক্রির মধ্যে বৈদ্যুতিক গাড়ির বিক্রির হার বেড়ে ১০.৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এটি প্রথমবারের মতো দুই-অঙ্কের ঘরে পৌঁছাল।
ভিগনেশ্বর বলেন, যদিও ইরান যুদ্ধের কারণে অপরিশোধিত তেলের দামের আকস্মিক বৃদ্ধি ও সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন ঘটার মতো সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি হয়তো কেটে গেছে, তবে পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে আরও কিছু সময়ের প্রয়োজন হবে।
সূত্র: রয়টার্স।
আরও পড়ুন: বাগাতিপাড়ায় মাদক ও বাল্যবিবাহের কুফল নিয়ে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন