বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০১:১৩ পি.এম
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য প্রার্থী হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ঘোষণা করেছে। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার দলের স্থায়ী কমিটির সভার পর প্রার্থীর নামটি ঘোষণা করা হয়। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেল ৪টা। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তফসিল অনুযায়ী, এদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সুযোগ থাকবে।
অন্যদিকে, সংসদে বিরোধী দল, অর্থাৎ ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। আজ দুপুর ১২টা পৌনে ১২টার দিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে জোটের নেতারা মনোনয়নপত্র জমা দেন।
ইসির তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২০ আগস্ট ভোটগ্রহণের তারিখ উল্লেখ করে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
আজ মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে এবং ১৮ আগস্ট প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন হবে। একই প্রার্থী একাধিক মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন, তবে বাছাইয়ের পর একটি চূড়ান্ত মনোনয়ন হবে।
ভোট হবে ২০ আগস্ট সংসদ অধিবেশন কক্ষে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তখনকার সরকারের সেতুমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজন আসামির পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করছেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী।
বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করছেন আসামিপক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী ইশরাত জাহান অনি।
এতদূর আগে, বুধবার রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। এ সময় প্রসিকিউশন (রাষ্ট্রপক্ষ) আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাওয়া সহ তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের আদেশেরও দাবি করেছে।
ওবায়দুল কাদেরসহ মামলার অন্যান্য আসামির মধ্যে রয়েছেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও হোয়াইট হাউসের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন ট্রাম্পের সফরসঙ্গী সাংবাদিকরা। তারা ক্ষিপ্ত হয়েছেন কারণ, মার্কিন প্রেসিডেন্টকে বহনকারী বিমানে ইরান মিসাইল হামলা চালাতে পারে বলে যে হুমকি ছিল, সেই কারণে গত ৮ জুলাই আঙ্কারা থেকে ফেরার সময় ট্রাম্প গোপনে বিমান বদল করেন।
তবে তার সফরসঙ্গী সাংবাদিক, নিরাপত্তা রক্ষী এবং স্টাফরা সেই বিপজ্জনক ঝুঁকিতে থাকা বিমানেই আঙ্কারা ছেড়েছিলেন।
ন্যাটো সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য গত ৭ জুলাই কাতার রাজপরিবারের দেয়া নতুন এয়ারফোর্স ওয়ানে চড়ে তুরস্ক সফর করেন ট্রাম্প। কিন্তু পরদিন তার ফিরে আসার সময় ঘটে নাটকীয় ঘটনা। এয়ারফোর্স ওয়ানের নতুন বিমানের বদলে পুরোনো বিমানে তিনি ফিরবেন বলে ঘোষণা করা হয়।
তবে সে সময় নিরাপত্তা হুমকির কথা প্রকাশ করা হয়নি। ট্রাম্প বলেছিলেন, যুক্তরাজ্যের ঘাঁটিতে থাকা মার্কিন সেনাদের জন্য সুবিধা করতে নতুন বিমানটি একদিন আগে পাঠানো হয়েছিল।
পরে জানা যায়, নতুন বিমানটি পরিবহনে রাজকীয় হলেও তার মধ্যে মিসাইল প্রতিরোধী ব্যবস্থা নেই, যা পুরোনো বিমানের মধ্যে ছিল। সেই কারণেই ডেকে পাঠানো হয় পুরোনো বিমানটিকে।
সবার সামনে ট্রাম্প পুরোনো এয়ারফোর্স ওয়ানে চড়ে বসেন। সেখানে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কিছু হাসি-ঠাট্টাও করেন। এরপর সবার চোখের আড়ালে বিকল্প দরজা দিয়ে নেমে গিয়ে খাবার সরবরাহের ভ্যানে চড়ে রানওয়েতে অপেক্ষমাণ একটি ছোট সামরিক বিমানে করে আঙ্কারা ছাড়েন ট্রাম্প। তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে ইরানের হামলার ঝুঁকিতে থাকা বিমানটি তখন আকাশে উড়তে থাকে।
গত সোমবার ওয়াশিংটন পোস্ট ট্রাম্পের বিমান বদলের খবর প্রকাশ করার আগে কাউকেই এর সম্পর্কে কিছু জানা ছিল না। বর্তমানে ট্রাম্প বলছেন, তিনি সিক্রেট সার্ভিসের পরামর্শেই এই ব্যবস্থা নিয়েছিলেন। ৮ জুলাই সাংবাদিকরা পুরোনো এয়ারফোর্স ওয়ানে আরোহণের পর সিক্রেট সার্ভিস থেকে উড্ডয়নের সময় জানালার পর্দা নামিয়ে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল; যুদ্ধক্ষেত্রের বাইরে এটি অত্যন্ত অস্বাভাবিক একটি নির্দেশনা।
সাংবাদিবকরা যখন এ সম্পর্কে ট্রাম্পের কাছে জানতে চান, তিনি হালকা সুরে জানান, 'কারণ আমাদের যেসব নোংরা লোকজনের মুখোমুখি হতে হচ্ছে, তাদের কারণে আপনারা সম্ভবত একটি বিপজ্জনক ফ্লাইটে আছেন।'
ট্রাম্প আরও বলেন, 'আমি যদি শেষ হয়ে যাই, আপনারাও যাবেন। ঠিক তো?' কিন্তু এই কথা বলার কিছুক্ষণের মধ্যে তিনি সাংবাদিকদের কিছু না জানিয়ে তাদের বিপদের মুখে রেখে বিমান বদলে ফেলেন। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর সফরসঙ্গী সাংবাদিকরা নিজেদের বিপদের মাত্রা বুঝতে পারেন। সফরসঙ্গী গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে কেউ কেউ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, তাদের অজান্তেই টোপ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। কেউ কেউ হোয়াইট হাউসের বিরুদ্ধে প্রতারণা এবং যোগাযোগের ঘাটতির অভিযোগও তুলেছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সফরসঙ্গ্যের একজন সাংবাদিক জানান, 'আপনি যখন হোয়াইট হাউসে কাজ করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হন, এমনকি একজন বেসামরিক কর্মী হিসেবেও, তখন প্রেসিডেন্টের সুরক্ষা দেওয়া আপনার দায়িত্বের অংশ হয়ে দাঁড়ায়। তবে সাংবাদিক হিসেবে এটি আমার কাজ নয়। আমার কাজ শুধু প্রেসিডেন্টকে কভার করা। সাংবাদিকরা কাজের অংশ হিসেবে ঝুঁকি নেন, কিন্তু প্রেসিডেন্টের হয়ে বা তার স্বার্থে নয়।' তবে সাংবাদিকদের ঝুঁকিতে ফেলার বিষয়ে ট্রাম্প বা হোয়াইট হাউস কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০০৭ সালে মুক্তি পেয়েছিল ইমরান হাশমী, শ্রিয়া সরন ও মৃণালিনী শর্মা অভিনীত ‘আওয়ারাপান’। ছবিটি মোহিত সূরী পরিচালিত এবং মুক্তির সময় এটি বক্স অফিসে প্রত্যাশিত সাফল্য পায়নি।
কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই ছবিটি দর্শকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। প্রায় দুই দশক পর এবার আসছে ‘আওয়ারাপান ২’। এর মধ্যেই প্রথম ছবি নিয়ে মুখ খোলেন শ্রিয়া।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে শ্রিয়া জানান, ‘আওয়ারাপান’ নিয়ে তাদের অনেক প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু মুক্তির পর ছবিটি আশানুরূপ ব্যবসা না করায় তিনি হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। যদিও ছবিটি কয়েকটি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিল, কিন্তু তাকে কিছু অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
শ্রিয়ার মতে, মুক্তির সময়ে ছবিটি নিয়ে তারা সবাই অনেক আশা করেছিলেন। তবে কেন সাফল্য পাননি, সেটি তিনি জানেন না। তার মতে, এই ছবিটি সময়ের থেকে অনেকটাই এগিয়ে ছিল।
কয়েকটি পুরস্কারের জন্য ছবিটি মনোনীত হলেও সেখানে তাকে আমন্ত্রণই জানানো হয়নি। অভিনেত্রী ভেবেছিলেন, ছবিটি দর্শকের ভালোবাসা পাবে। কিন্তু প্রথম দিকে কোনো সাড়া না পাওয়ায় তিনি ভীষণ হতাশ হয়ে পড়েন। শ্রিয়া বলেন, "আমি ভেবেছিলাম, এই ছবিটিকে মানুষ উদ্যাপন করবেন, ভালোবাসবেন। যখন এসব কিছুই ঘটে না, তখন স্বাভাবিকভাবেই খুব হতাশ হয়ে পড়ি।"
‘আওয়ারাপান’ ছবির দৃশ্যে ইমরান ও শ্রিয়া।
তবে মুক্তির পর কয়েক বছর পেরোতেই ছবিটির প্রতি দর্শকের মনোভাব বদলে যায়। ধীরে ধীরে ‘আওয়ারাপান’ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বহু বছর ধরে দর্শক শ্রিয়াকে ছবিটির কথা বলেছেন এবং জানিয়েছেন, ছবিটি তাদের কতটা পছন্দের।
প্রথম দিকে শ্রিয়ার ধারণা ছিল, ছবির গান এবং ইমরান হাশমীর অভিনয়ের কারণে দর্শকের কাছে ‘আওয়ারাপান’ এতটা জনপ্রিয় হয়েছে। পরে অবশ্য তার সেই ধারণা বদলায়। তার মতে, ছবির গল্পই আসলে দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছিল।
শ্রিয়া বলেন, "অনেক দিন পর্যন্ত আমার মনে হতো, হয়তো ছবির গানগুলোর জন্যই মানুষ এত ভালোবাসেন। গানগুলো অসাধারণ ছিল। সেই সঙ্গে ইমরানও দুর্দান্ত ছিল। কিন্তু এখন মনে হয়, মানুষ আসলে গল্পটাকে ভালোবেসেছিলেন। তারা গল্পটাকে অনুভব করতে পেরেছিলেন।"
‘আওয়ারাপান’ ছিল রোম্যান্টিক অ্যাকশন ড্রামা। ছবির ‘তো ফির আও’, ‘তেরা মেরা রিশতা’ ও ‘মাহিয়া’র মতো গান এখনও জনপ্রিয়। মুক্তির প্রায় দুই দশক পরেও ছবিটি নিয়ে দর্শকের ভালোবাসা থাকায় শ্রিয়া মনে করেন, গল্পের গভীরতাই ‘আওয়ারাপান’-কে আলাদা করে তুলেছে।
এবার সেই ছবির আবহে নতুন গল্প নিয়ে আসছে ‘আওয়ারাপান ২’। নিতিন কক্কড় পরিচালিত ছবিতে আবারও ইমরান হাশমীকে দেখা যাবে। তার সঙ্গে অভিনয় করেছেন দিশা পাটানী ও শবানা আজমী। আগামী ১৪ অগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে ছবিটির।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য এখনো প্রার্থী মনোনয়ন না দেয়া বিএনপির রাজনৈতিক দৈন্যতা বলে মন্তব্য করেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) নির্বাচন কমিশনে ১১ দলীয় ঐক্যের রাষ্ট্রপতি প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার পর তিনি এ মন্তব্য করেন।
এ সময় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে সচিবালয়ে বিএনপির শীর্ষ বৈঠকের সমালোচনা করেন জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি বলেন, গণভোটে পাশ হওয়ার পরেও বিএনপির একগুয়েমির কারণে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব হচ্ছে।
১১ দলীয় ঐক্যের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হলেন অলি আহমদ। তাঁর মনোনয়নপত্রে প্রস্তাবক হিসেবে রয়েছেন ঢাকা-১৫ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান, এবং সমর্থক হিসেবে অংশগ্রহণ করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা আব্দুল্লাহ আল আমিন।
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হতে হলে কমপক্ষে ৩৫ বছর বয়সী হতে হবে এবং সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। যদি কোনো সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন, তাহলে কার্যভার গ্রহণের দিন তার সংসদীয় আসন শূন্য হয়ে যাবে।
তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র বাছাই এবং ১৮ আগস্ট প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময়। ভোট অনুষ্ঠিত হবে ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের সংসদ কক্ষে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ