০৯:১৫ পি.এম
বাংলাদেশের অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। বর্তমানে ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন সময়কাল পর্যন্ত অর্থবছর হিসাব করা হয়ে থাকে, তবে ভবিষ্যতে এটি ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ সময়কাল পর্যন্ত নির্ধারণ করা হবে। এই পরিবর্তনের আগে ২০২৭-২৮ অর্থবছর অন্তর্বর্তী বা ট্রানজিশনাল অর্থবছর হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং এটি নয় মাসে সম্পন্ন হবে।
সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৭-২৮ অর্থবছর হবে নয় মাসের। অর্থাৎ, এই সময়কাল ২০২৭ সালের জুলাই থেকে ২০২৮ সালের মার্চ পর্যন্ত চলবে। এরপর, ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে নতুন সময়সূচি অনুযায়ী অর্থবছর এপ্রিল থেকে মার্চ পর্যন্ত কার্যকর হবে।
সোমবার রাতে এ বিষয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সরকারের যুক্তি হলো, বর্তমানে জুলাই-অগস্ট মাসের বর্ষাকালে অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান থাকায় কাজের দীর্ঘায়িত হওয়া, গুণগত মান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং ব্যাপক জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। অপরদিকে, এপ্রিল-মার্চ সময়কে অর্থবছর হিসেবে ব্যবহার করা হলে, বর্ষার আগেই উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। তাই ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ সময়কাল নির্ধারণকে যুক্তিসংগত মনে করছে সরকার।
অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), লেজিসলেটিভ বিভাগ, অর্থ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সমন্বয়ে একটি কমিটি পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করবে। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের সংবিধান ও জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এ প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনতে হবে।
নতুন অর্থবছরের সূচি চালুর সঙ্গে সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন সিস্টেমেও প্রযুক্তিগত পরিবর্তন আনার প্রয়োজন হবে। এসব পরিবর্তন বাস্তবায়নের পর, ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে এপ্রিল-মার্চ সময়সূচি অনুযায়ী সরকারের সব কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
সরকারের মত হচ্ছে, নতুন অর্থবছরের সময়সূচি চালু হলে বর্ষাকালকে অগ্রাহ্য করে উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নে গতি বাড়ানো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে, অর্থবছরের শেষ সময়ে দ্রুত উন্নয়ন ব্যয় করার প্রবণতাও কমবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন