মোহাম্মদ নূর সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি ::
শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৩১ পি.এম
সুনামগঞ্জে তিন কেজি গাঁজাসহ জান্নাতুল আক্তার (২৫) নামে এক তরুণীকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শহরের পৌর কলেজের সামনে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পুলিশ সুপারের বিশেষ নির্দেশনায় এসআই জহিরের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়। এ সময় জান্নাতুল আক্তারের কাছ থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
আটক জান্নাতুল আক্তার নেত্রকোনার পূর্বধলা থানার সাধুপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি বিল্লাল হোসেনের মেয়ে এবং নাইম মিয়ার স্ত্রী।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আটক তরুণীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার প্রেক্ষিতে সউদী আরবকে সামরিক সহায়তা দিতে সরাসরি মাঠে নামার ইঙ্গিত দিচ্ছে পাকিস্তান ও তুরস্ক। মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে তিন দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রিয়াদে জরুরি বৈঠকে বসছেন সউদী, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সেনাপ্রধানরা।
শুক্রবার তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, তাদের চিফ অফ জেনারেল স্টাফ জেনারেল সেলচুক বায়রাকতারোগলু রিয়াদ যাচ্ছেন। একইসঙ্গে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরও শিগগিরই রিয়াদ পৌঁছাবেন বলে জানা গেছে।
সম্প্রতি সউদী আরবের রাজধানী রিয়াদ, ইয়ানবুতে অবস্থিত সউদী আরামকোর তেল শোধনাগার এবং তায়েফ শহর লক্ষ্য করে একযোগে বেশ কয়েকটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় হুথিরা। এছাড়া মক্কা ও জেদ্দায় জরুরি সতর্কতা জারি করে সউদী কর্তৃপক্ষ। এর প্রেক্ষাপটে গত ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় সহায়তা চেয়ে আঙ্কারা ও ইসলামাবাদের শরণাপন্ন হয় রিয়াদ। উক্ত চুক্তি অনুযায়ী—তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে বাকি দুই দেশের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে তিনটি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের পরেই সামরিক প্রধানদের এই জরুরি বৈঠকের ঘোষণা আসে। সউদী আরব জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নিজেদের আত্মরক্ষার অধিকারের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মিত্রদের কাছ থেকে সরাসরি পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছে।
তবে প্রকাশ্যে কড়া বার্তা দিলেও হুথিদের সরাসরি হুমকি এবং নিজস্ব সামরিক বাস্তবতার কারণে সতর্ক পদক্ষেপ নিচ্ছে পাকিস্তান ও তুরস্ক। ইতিমধ্যে হুথিদের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য মোহাম্মদ আল-বুখাইতি সতর্ক করে বলেছেন, পাকিস্তান বা তুরস্ক যুদ্ধে অংশ নিলে তাদের "লোহার হাত" দিয়ে দমন করা হবে।
ইসলামাবাদের পলিসি স্টাডিজ ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষকদের মতে, আফগানিস্তান সীমান্ত ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সামলাতে গিয়ে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী এমনিতেই বেশ ব্যস্ত। অন্যদিকে তুরস্কও নেটোর প্রতিশ্রুতি এবং সিরিয়া সীমান্ত সুরক্ষায় ব্যস্ত থাকায় সরাসরি পদাতিক সৈন্য পাঠানো কঠিন হতে পারে। তবে প্রযুক্তিগত সহায়তা, সামরিক উপদেষ্টা প্রদান এবং আকাশ প্রতিরক্ষা জোরদারে বড় ভূমিকা রাখতে পারে দুই দেশ। ইতোমধ্যেই পাকিস্তানের অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল নোমান মাহমুদকে এই জোটের প্রথম মহাসচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
সউদী আরবের ধর্মীয় প্রধান গ্র্যান্ড মুফতি শেখ সালেহ আল-ফাওজান হুথিদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে এটিকে প্রতিটি মুসলিমের দায়িত্ব বলে অভিহিত করেছেন। অন্যদিকে বাদশা সালমান এই হামলাকে পবিত্র ভূমির ওপর আঘাত বলে উল্লেখ করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সীমিত সামরিক উপস্থিতির কারণে চাপে থাকা রিয়াদকে সহায়তা করতে ইতিমধ্যে যুক্তরাজ্য রিফুয়েলিং সুবিধা এবং ফ্রান্স গুরুত্বপূর্ণ বন্দর রক্ষার জন্য সেনা পাঠাতে সম্মত হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সামরিক ভারসাম্য বজায় রাখতে পাকিস্তান ও তুরস্ক বড় ধরনের নীতিগত সিদ্ধান্তের দিকে এগোচ্ছে। সূত্র: আল-জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের সোশ্যাল সিকিউরিটির অবসর ও সারভাইভার সুবিধার জন্য গঠিত ট্রাস্ট ফান্ডের রিজার্ভ দ্রুত হারে কমে যাচ্ছে। দেশটির কংগ্রেশনাল বাজেট অফিস (সিবিও) সতর্ক করেছে যে, কংগ্রেস যদি সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করে, তাহলে ২০৩২ সালে এই তহবিলের অর্থ সম্পূর্ণরূপে শেষ হয়ে যেতে পারে।
সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, কর্মীদের বেতন থেকে সংগৃহীত পে-রোল ট্যাক্সের আয় এবং বর্তমান সুবিধা প্রদানের খরচের মধ্যে একটি বড় ঘাটতি সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘাটতি পূরণে ট্রাস্ট ফান্ডের রিজার্ভ ব্যবহার করা হলেও তা দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। তহবিল শূন্য হয়ে গেলে বর্তমান আইন অনুযায়ী সংগৃহীত রাজস্ব দিয়েই কেবল সুবিধা পরিশোধ করা সম্ভব হবে, যা পুরো অর্থ পরিশোধের জন্য যথেষ্ট নয়।
সিনেটর বিল ক্যাসিডি ও ডিক ডারবিনসহ কয়েকজন আইনপ্রণেতা সতর্ক করেছেন যে, তহবিলের অর্থ ফুরিয়ে গেলে অবসরপ্রাপ্তদের সুবিধার পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে। তাদের হিসাব অনুযায়ী, মাসে গড়ে ২ হাজার ৮৬ ডলার পাওয়া একজন ব্যক্তি ভবিষ্যতে কয়েকশ ডলার পর্যন্ত কম সুবিধা পেতে পারেন।
তবে, কংগ্রেস যদি আইন সংশোধন করে নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, তাহলে এই পরিস্থিতি পরিবর্তিত হতে পারে। সংকট সমাধানের লক্ষ্যে ক্যাসিডি ও ডারবিন ‘প্রমিজ অ্যাক্ট’ (PROMISE Act) নামে একটি দ্বিদলীয় প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন। এর মূল উদ্দেশ্য হলো সোশ্যাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজরি বোর্ডের মাধ্যমে এমন একটি প্রস্তাব তৈরি করা, যা ট্রাস্ট ফান্ডকে অন্তত ৫০ বছর টেকসই রাখবে।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিকদের মধ্যে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান নিয়ে বিভিন্ন মতপার্থক্য বিদ্যমান। কেউ উচ্চ আয়ের মানুষের ওপর কর বাড়ানোর পক্ষে, আবার কেউ অবসরের বয়সসীমা বা সুবিধার কাঠামোগত পরিবর্তনের কথা বলছেন। শেষ পর্যন্ত কংগ্রেস কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, তার ওপরই নির্ভর করছে দেশটির লাখ লাখ অবসরপ্রাপ্ত মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনার পাইকগাছায় পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৯টি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আওয়াল কবিরের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিশেষ অভিযান চালায়। অভিযানে এসআই ওবায়দুর রহমান এবং এএসআই নুর আলমসহ অন্যান্য সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। অভিযানের ফলস্বরূপ উত্তর সলুয়া গ্রামের মো. রবিউল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া মো. রবিউল ইসলাম উত্তর সলুয়া গ্রামের মৃত সবুর মল্লিকের পুত্র।
পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, মো. রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে ৪টি সিআর মামলায় সাজা রয়েছে এবং আরও ৫টি সিআর মামলায় তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট রয়েছে। ফলে, মোট ৯টি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি তিনি।
পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আব্দুল আওয়াল জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারের পর রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জ, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : চুনারুঘাট উপজেলার একটি সড়ক দুর্ঘটনায় দুই যুবক নিহত হয়েছেন। নিহতদের নাম মুহাদ্দিস খান (২০) এবং শেখ নয়ন মিয়া (২১)।
আজ শুক্রবার বিকেলে চুনারুঘাট-সাতছড়ি সড়কের চানপুর বাগান এলাকায় মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
মুহাদ্দিস খান হলহলিয়া গ্রামের আলী আজগর খানের সন্তান। অপরদিকে, শেখ নয়ন মিয়া সতং গ্রামের শেখ কাইয়ুম মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্র এবং পুলিশ জানায়, আজ শুক্রবার বিকেলে দুই যুবক মোটরসাইকেলে সাতছড়ি যাওয়ার পথে চানপুর বাগান এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ইজিবাইকের সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। দুর্ঘটনার ফলে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই মুহাদ্দিস খান এবং শেখ নয়ন মিয়া মারা যান।
এ ঘটনায় ইজিবাইকের দুই যাত্রীও আহত হন এবং তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ