ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

স্বামীকে পুনরায় বিয়ে করতে বলায় ১৮ তলা থেকে ঝাঁপ দিলেন নারী ও তার ছেলে


স্বামীকে পুনরায় বিয়ে করতে বলায় ১৮ তলা থেকে ঝাঁপ দিলেন নারী ও তার ছেলে

ভারতের মহারাষ্ট্রের পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড়ে একটি আবাসিক ভবনের ১৮ তলা থেকে পড়ে ৩৩ বছর বয়সী এক নারী এবং তার ছয় বছর বয়সী ছেলের মৃত্যু ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জানিয়েছে, ওই নারীর বাসা থেকে সাত থেকে আট পৃষ্ঠার একটি চিঠি উদ্ধার করা হয়েছে। চিঠিতে তার মৃত্যুর পর স্বামীকে নতুন করে জীবন শুরু করতে এবং বিয়ে করতে বলা হয়েছে।

ইন্ডিয়া টুডের খবরে উল্লেখ করা হয়েছে, ওই নারীর নাম একতা বানগাড় এবং তার ছেলে মাধব। তারা সিগনেচার পার্কের একটি আবাসিক এলাকায় একতার স্বামী মনোজ বানগাড়ের সঙ্গে বসবাস করতেন। মনোজ পুনের একটি তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে একতা তার ছেলেকে নিয়ে ভবনটির ১৮ তলায় যান। পরে সেখানকার করিডর থেকে একটি ডাক্টে ঝাঁপ দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে মা ও ছেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন: গাজায় নিজেদের ঘোষিত নিরাপদ অঞ্চলেই হামলা চালাল ইসরাইল, নিহত ৯ জনের মধ্যে শিশু এক জন

পুলিশ জানায়, একতা কয়েক বছর ধরে মেরুদণ্ডের সমস্যায় ভুগছিলেন। তার বাসা থেকে উদ্ধার করা সাত থেকে আট পৃষ্ঠার চিঠিতে স্বামীর প্রতি অনুভূতি প্রকাশের পাশাপাশি মৃত্যুর পর তাঁকে নতুন করে জীবন শুরু করতে এবং বিয়ে করার কথা বলা হয়েছে।

চিঠিতে ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন একতা। মায়ের অনুপস্থিতি ছেলেকে কীভাবে প্রভাবিত করবে, সে বিষয়ে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। ছেলেকে সঙ্গে নেওয়ার সিদ্ধান্তের পেছনে মাকে হারানোর পর তার বারবার মায়ের কথা জানতে চাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

চিঠির বক্তব্য এবং ঘটনার পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে চিঠিতে উল্লেখ করা বিষয়গুলো নিশ্চিত তথ্য হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে না।

আরও পড়ুন: আবার শুরু হচ্ছে যুদ্ধ? মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসরাইলজুড়ে ইহুদি-আরব যৌথ সরকার গঠনের দাবিতে বিক্ষোভের প্রস্তুতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৩১ পি.এম


ইসরাইলজুড়ে ইহুদি-আরব যৌথ সরকার গঠনের দাবিতে বিক্ষোভের প্রস্তুতি

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ইসরাইলি নির্বাচনের পর দেশটির রাজনৈতিক দৃশ্যপট নতুন এক মোড় নিয়েছে। নির্বাচন পরবর্তী অচলাবস্থা কাটানোর লক্ষ্যে এবং পরিবর্তনের পক্ষে ভোটদানকারী নাগরিকদের মূল্যায়ন করে একটি যৌথ ইহুদি-আরব সরকার গঠনের দাবিতে আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) দেশের বিভিন্ন প্রধান শহরে ব্যাপক বিক্ষোভ ও গণসমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।

‘স্ট্যান্ডিং টুগেদার’ (Standing Together) নামক আন্দোলনের উদ্যোক্তাদের তথ্য অনুযায়ী, তেল আবিবের হাবিমা স্কয়ার, জেরুজালেমের প্যারিস স্কয়ার, বেয়ারশেবা, হাইফা এবং তাইবের মতো শহরগুলোতে আজ সন্ধ্যা ৭:৩০ মিনিটে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।

সাম্প্রতিক সাধারণ নির্বাচনে বিরোধী ‘পরিবর্তন ব্লক’ ৫৩টি আসনের বিপরীতে মোট ৬৭টি আসন নিশ্চিত করেছে। তবে এই ৬৭টি আসনের মধ্যে জায়নবাদী দলগুলোর রয়েছে ৪৮টি এবং আরব অ-জায়নবাদী দলগুলোর রয়েছে ১৯টি আসন। পূর্বে ইহুদি বিরোধী দলীয় নেতারা আরব দলগুলোর সাথে সহযোগিতা না করার ঘোষণা দিলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে আন্দোলনকারীরা তাদের এই অবস্থান পরিবর্তনের জন্য চাপ দিচ্ছেন।

বিক্ষোভের মূল আয়োজকদের মতে, নির্বাচনে পরিবর্তনের পক্ষে যে বিশাল জনমত তৈরি হয়েছে, তা আগামী সরকার গঠনে প্রতিফলিত হওয়া উচিত। তারা জোরালো দাবি জানিয়ে বলেন, "আরব ভোটারদের ভোটও ইহুদি ভোটারদের মতোই সমান মূল্যবান। দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে আরব নাগরিকরা সমান অংশীদার।" বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে অংশীদারিত্ব ত্যাগ না করে এটিকে একটি বাস্তবসম্মত রাজনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করার সময় এখনই বলে মন্তব্য করেছেন তারা।

বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের পর সৃষ্ট রাজনৈতিক জটিলতা এবং জোট গঠনের এই টানাপোড়েনের মধ্যে আজকের এই গণসমাবেশ ইসরাইলের ভবিষ্যত রাজনীতিতে নতুন কোনো সমীকরণ তৈরি করতে পারে কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের ১৪ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হলো কেমিস্ট্রি অলিম্পিয়াড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৩২ পি.এম


দেশের ১৪ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হলো কেমিস্ট্রি অলিম্পিয়াড

বাংলাদেশের ১৪টি আঞ্চলিক কেন্দ্রে একযোগে অনুষ্ঠিত হলো ১৬তম বাংলাদেশ কেমিস্ট্রি অলিম্পিয়াড-২০২৭-এর প্রাথমিক পর্ব। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ (জবি) এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) এইচএসসি ও এ-লেভেল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়। এবারের অলিম্পিয়াডে সারা দেশ থেকে চার সহস্রাধিক শিক্ষার্থী নিবন্ধন করেছে।

ঢাকা অঞ্চলের প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে, যা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগ ও বাংলাদেশ কেমিক্যাল সোসাইটির যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়।

সকালে জাতীয় পতাকা, বাংলাদেশ কেমিক্যাল সোসাইটির পতাকা ও অলিম্পিয়াডের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন অলিম্পিয়াডের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন। উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে স্বাগত জানান।

তিনি উল্লেখ করেন, "এ ধরনের আয়োজন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গর্ব ও অর্জনের বিষয়।" উপাচার্য আরও বলেন, "জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগ বিভিন্ন র‌্যাংকিংয়ে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান অর্জনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।" তিনি বলেন, "এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা ও বিজ্ঞানমনস্কতা বিকাশে সহায়ক হবে।"

ঢাকা অঞ্চলে বাংলা ও ইংরেজি ভার্সনের এইচএসসি এবং ইংলিশ মিডিয়ামের এ-লেভেল পর্যায়ের মোট ২৮৭ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধন করে। এর মধ্যে ২৪০ জন প্রাথমিক পর্বে অংশ নেয়। এমসিকিউ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত পরীক্ষার পর অংশগ্রহণকারী সবাইকে সনদ দেওয়া হয়। প্রথম ১০ জন বিজয়ীকে সনদ ও মেডেল প্রদান করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে উপাচার্যের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। পরে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন। তিনি বলেন, "এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে রসায়নবিষয়ক জ্ঞান ছড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।" তিনি আরও বলেন, "জ্ঞান ও উদ্ভাবনী শক্তির বিকাশে রসায়নের প্রয়োগ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে এ অলিম্পিয়াড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।"

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রসায়ন সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. এমরান কাইয়ুম, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. এ কে এম লুৎফর রহমান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সৈয়দ আলম এবং সমিতির সাবেক সভাপতি ও সরকারের সাবেক মুখ্য সচিব ড. মো. আব্দুল করীম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অলিম্পিয়াডের আহ্বায়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আমিনুল হক।

বক্তারা বলেন, "একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রসায়ন শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম।" বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, "নতুন প্রজন্মকে বিজ্ঞানমনস্ক হিসেবে গড়ে তোলা এবং তাদের মধ্যে মুক্তবুদ্ধি ও সৃজনশীল চিন্তার বিকাশে কেমিস্ট্রি অলিম্পিয়াড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।" এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের রসায়নের প্রতি আগ্রহী করে তোলার পাশাপাশি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখতে অনুপ্রাণিত করবে।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. নাছির আহমাদ, জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আনিসুর রহমান, ছাত্র-কল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক মো. মাহাদি হাসান জুয়েলসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের আয়োজক সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিক পর্বের ফলাফলের ভিত্তিতে প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থীকে চূড়ান্ত পর্বের জন্য বাছাই করা হবে। আগামী ২৮ নভেম্বর ২০২৬ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগে অলিম্পিয়াডের চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। আন্তর্জাতিক কেমিস্ট্রি অলিম্পিয়াডের আদলে এ পর্বের পরীক্ষা নেওয়া হবে।

চূড়ান্ত পর্বের বিজয়ীদের মধ্য থেকে চারজন শিক্ষার্থীকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করা হবে। তারা আগামী ১৯ থেকে ২৮ জুলাই ২০২৭ তাইওয়ানের তাইপেতে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক কেমিস্ট্রি অলিম্পিয়াডে অংশ নেবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মানিক পশারীর দাফনে বাধা মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন: নাগরিক সমাজের উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৩২ পি.এম


মানিক পশারীর দাফনে বাধা মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন: নাগরিক সমাজের উদ্বেগ

পিরোজপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফন ও রাষ্ট্রীয় গার্ড অব অনার প্রদানে বাধা সৃষ্টির ঘটনায় দেশের ২৮ বিশিষ্ট নাগরিক গভীর উদ্বেগ, ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছেন। তারা উল্লেখ করেছেন, মৃত্যুর পর একজন ব্যক্তির দাফনের অধিকার মৌলিক মানবাধিকার। এ অধিকার কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা রাষ্ট্রও লঙ্ঘন করতে পারে না। এ ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

আজ শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তারা। বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে মানবাধিকারকর্মী অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, নিজেরা করির সমন্বয়কারী খুশী কবির, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, সিনিয়র আইনজীবী জেড আই খান পান্না, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম, গণস্বাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী, মানবাধিকারকর্মী দীপায়ন খীসা প্রমুখ অন্তর্ভুক্ত আছেন।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর মৃত্যুর পর তার গার্ড অব অনার ও দাফনকে কেন্দ্র করে পিরোজপুরে যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক, অনভিপ্রেত ও নিন্দনীয়।

বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, প্রথমবার কবর খোঁড়ার পর স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা সেটি ভরাট করে দেন। পরে রাত আনুমানিক ২টার পর মানিক পশারীর মেয়ে ও দুই বোন গ্রাম পুলিশের সহায়তায় মোবাইল ফোনের আলোয় আবার কবর খনন করেন। মৃত্যুর প্রায় ১৫ ঘণ্টা পর পুলিশি নিরাপত্তায় দাফন সম্পন্ন হয়।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামের বাসিন্দা মানিক পশারী ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে গোপালগঞ্জে মেয়ের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। সেখানেই তার মৃত্যু হয়। রাষ্ট্রীয় নিয়ম অনুযায়ী তাকে গার্ড অব অনার দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলেও, তিনি মুক্তিযোদ্ধা কি না, সেই প্রশ্ন তুলে দাফনে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

নাগরিকেরা বলেন, রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃত কোনো ব্যক্তি মুক্তিযোদ্ধা কি না, তা যাচাই করার এখতিয়ার একমাত্র রাষ্ট্রের। কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠন এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা রাখে না। স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার শেষবিদায় ঘিরে এমন ঘটনা রাষ্ট্র, সমাজ ও রাজনৈতিক সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর প্রশ্নের জন্ম দেয়। তারা আরো বলেন, রাজনৈতিক অবস্থান বা অতীত ভূমিকার কারণে কোনো ব্যক্তির জানাজা ও দাফনে বাধা দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। মৃত ব্যক্তির মর্যাদাপূর্ণ সৎকার সব ধর্মেরই গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পের প্রচারণায় সমাবেশ বাতিলের পর দুটি সমাবেশ পুনর্বহাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৩৩ পি.এম


ট্রাম্পের প্রচারণায় সমাবেশ বাতিলের পর দুটি সমাবেশ পুনর্বহাল

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রার্থী হিসেবে থাকছেন না। এমনকি রিপাবলিকানরা নির্বাচনে হেরে গেলেও ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির উপর এর কোনো প্রভাব পড়বে না। তবে ট্রাম্প সচেতন আছেন যে, যদি ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ পেয়ে যায়, তাহলে বাকি দুই বছর তিনি নিজের ইচ্ছামত দেশ চালাতে পারবেন না। তাই রিপাবলিকান প্রার্থীদের জেতানোর জন্য তিনি প্রচারণায় ব্যস্ত রয়েছেন।

তবে, তার প্রচারণা দলের পক্ষ থেকে টানা ক্লান্তিকর সমাবেশ থেকে ট্রাম্পকে মুক্তি দিতে দুটি নির্ধারিত সমাবেশ বাতিল করা হয়েছিল। কিন্তু বাতিলের খবর প্রকাশিত হওয়ার পর নেতিবাচক প্রচারণায় বিরক্ত হয়ে ট্রাম্প আবারও ওই সমাবেশ দুটিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

চলতি মাসে নিজের ২৫তম মধ্যবর্তী নির্বাচনী সমাবেশে যোগ দিতে গত বৃহস্পতিবার সাউথ ক্যারোলাইনায় যাওয়ার সময়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং তার রাজনৈতিক দলের সদস্যরা সিদ্ধান্ত নেন যে কানসাসের সমাবেশে ট্রাম্প সশরীরে উপস্থিতির পরিবর্তে টেলিফোনে তার সমাপনী বক্তব্য দেবেন। এর কয়েক ঘণ্টা পর, আইওয়াতে নির্ধারিত আরেকটি সমাবেশও একইভাবে বাতিল করা হয়। এটি ছিল নির্বাচনের শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় প্রেসিডেন্টের কৌশলের একটি নাটকীয় পরিবর্তন। কারণ এত দিন তিনি রক্ষণশীল রাজ্যগুলোতে একের পর এক ক্লান্তিকর সমাবেশ করে কর্মী-সমর্থকদের মাঝে উদ্দীপনা বাড়ানোর চেষ্টা করছিলেন।

সাউথ ক্যারোলাইনা থেকে ফিরে ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানান, তিনি মনে করেন না যে তার কানসাসে যাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে, কারণ রিপাবলিকান সিনেটর রজার মার্শাল খুব ভালো করছেন।

এই সিদ্ধান্তে মাঠপর্যায়ের কিছু রাজনৈতিক কর্মী স্বস্তি অনুভব করেন। ট্রাম্প সশরীরে না গিয়ে টেলি-র‌্যালি (টেলিফোনে সমাবেশ) করবেন শুনে তারা খুশি হন। কারণ সাধারণত টেলি-র‌্যালি আগে থেকে লিখে রাখা বক্তব্য অনুযায়ী চলে। ফলে ট্রাম্পের উল্টাপাল্টা কথা বলার আশঙ্কা কিছুটা কমে যাবে। দুটি নির্ধারিত সমাবেশ বাতিলের বিষয়ে একজন শীর্ষ রিপাবলিকান কর্মকর্তা সিএনএন-কে বলেন, ‘ঈশ্বরকে ধন্যবাদ। তিনি কোথাও তেমন বড় কোনো প্রভাব ফেলতে পারছিলেন না।’

কিন্তু ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পরিকল্পনা আবার বদলে যায়। কানসাস এবং আইওয়ার সমাবেশ দুটি আবারও বহাল করা হয় এবং দুটিই এখন রোববারের জন্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। হোয়াইট হাউজের কর্মকর্তারা ট্রাম্পের যে তুমুল নির্বাচনী প্রচারণার গতি আকস্মিকভাবে শেষ হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, তা এখন আবার পুরোদমে বাড়তে শুরু করেছে। শুক্রবার বিকেলে হোয়াইট হাউজে কথা বলার সময় ট্রাম্প জানান, আইওয়া এবং কানসাসের বন্ধুরা তাকে ফোন করে সমাবেশ বাতিলের সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনা করার অনুরোধ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের সামনে এমন কয়েকটি আসন রয়েছে যেগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা বলেছেন আপনি যদি সশরীরে যান, তবে তা টেলি-র‌্যালির চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর হবে। আমি তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেছিলাম এবং বলেছিলাম, একটি টেলি-র‌্যালি করলে কেমন হয়? কিন্তু তারা আমাকে অনুরোধ করেছেন। তাই আমি রোববার দুটি সমাবেশই করতে যাচ্ছি।’ এছাড়া শনিবার বিকেলের কলেজ ফুটবল ম্যাচগুলোর কারণে তিনি তার অনুষ্ঠানগুলো রোববারে স্থানান্তরিত করেছেন বলে উল্লেখ করেন।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ট্রাম্পকে ভার্চুয়াল ইভেন্টগুলোতে যুক্ত হওয়ার জন্য আরও বেশি সময় দিতেই কেবল সময়সূচিতে এই রদবদল করা হয়েছিল। তবে, এই ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সিএনএন-এর কাছে ভিন্ন কারণ বর্ণনা করেছেন। দুটি সমাবেশ বাতিলের সিদ্ধান্তে সায় দেওয়ার পর, এ নিয়ে গণমাধ্যমের প্রতিবেদন দেখে ট্রাম্প বেশ বিরক্ত হয়ে উঠেছিলেন বলে সূত্রগুলো জানায়। সাউথ ক্যারোলাইনা থেকে ফিরে সমাবেশ বাতিলের কারণ জানতে চাওয়া একজন সাংবাদিকের ওপর ক্ষোভ ঝাড়ার সময়ই তার এই বিরক্তি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

প্রচারণা চালাতে চালাতে তিনি ক্লান্ত বা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, ’আপনি দুই সপ্তাহ ধরে আমার পেছনে ঘুরছেন। আমি একদম নিখুঁত আছি।’ যে সাংবাদিক প্রশ্নটি করেছিলেন, তাকে দেখতে ’একেবারে বিধ্বস্ত’ লাগছিল বলে ট্রাম্প কটাক্ষ করেন।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, প্রেসিডেন্ট বাতিল হওয়া সমাবেশগুলো পুনরায় চালু করার নির্দেশ দেন। এর ফলে যে কর্মীরা মাত্রই ক্যালেন্ডার থেকে অনুষ্ঠানগুলো বাদ দেওয়ার কাজ শেষ করেছিলেন, তাদের তড়িঘড়ি করে সেগুলো আবার যুক্ত করতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করতে হয়। এই পরিবর্তন নিশ্চিত করে দেওয়া একটি বিবৃতিতে লেখা হয়, ’সমাবেশ আবার ফিরে এসেছে!’

এই ঘটনাটি কেবল এটাই প্রমাণ করে যে মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ভাগ্য কতটা ট্রাম্পের ব্যক্তিগত খেয়ালখুশির ওপর নির্ভর করছে— তা সে তার পছন্দের প্রার্থীদের সমর্থন দেওয়াই হোক কিংবা তার নিজস্ব ধাঁচের বড় বড় সমাবেশগুলোই হোক, যা প্রায়শই মূল রাজনৈতিক ইস্যু এবং প্রার্থীদের প্রচারণার মূল বক্তব্য থেকে দূরে সরে যায়। এমনকি কিছু রিপাবলিকান প্রার্থীকেও এই পরিস্থিতির সাথে তাল মেলাতে হিমশিম খেতে হয়েছে। বৃহস্পতিবার কানসাসের সমাবেশ বাতিলের খবর আসার পর সিনেটর মার্শাল সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘আমি মনে করি জনমত জরিপে আমি এত ভালো করছি যে, সম্ভবত এর চেয়ে ভালো কোনো জায়গায় সময় দেওয়ার সুযোগ তার রয়েছে।’

তবে ট্রাম্পের উপদেষ্টারা জোর দিয়ে বলছেন যে, প্রচারণার মাঠে প্রেসিডেন্টের চাহিদা এখনও ব্যাপক। এক উপদেষ্টা সিএনএন-কে জানান, আগামী মঙ্গলবারের নির্বাচনের এই শেষ মুহূর্তের দৌড়ে ট্রাম্প যেন তাদের অঙ্গরাজ্যগুলো সফর করেন, সেই অনুরোধ জানিয়ে রিপাবলিকানদের নির্বাচনী শিবির থেকে তার রাজনৈতিক দলের কাছে প্রতিনিয়ত ফোন আসছে।

ট্রাম্পের কর্মকর্তারা মূলত এই যুক্তিই দিয়েছিলেন যে এটিই ছিল এই সপ্তাহান্তের অনুষ্ঠানগুলো বাতিলের আসল কারণ: সশরীরে উপস্থিত থাকার অনুষ্ঠানগুলো বাদ দিয়ে ট্রাম্প বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের প্রার্থীদের জন্য টেলি-র‌্যালি করে নিজের সময়টার সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে পারবেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার মধ্যে ট্রাম্পের প্রচারণা দল ঘোষণা করে, ’ভোটারদের উজ্জীবিত করতে, ভোটকেন্দ্রে উপস্থিতি বাড়াতে এবং বিজয় নিশ্চিত করতে প্রেসিডেন্ট ১৯টি অঙ্গরাজ্যে ভার্চুয়াল ইভেন্টে প্রধান বক্তা হিসেবে অংশ নেবেন।

ভার্চুয়াল ইভেন্টে এই পরিবর্তনের সিদ্ধান্তটি রিপাবলিকানদের কিছু অংশের কাছে বেশ ইতিবাচক ছিল। সশরীরে উপস্থিত থাকার অনুষ্ঠানগুলো বাতিল থাকার ওই ২১ ঘণ্টার মধ্যে, নির্বাচনী লড়াইয়ের মূল ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের বেশ কয়েকজন রিপাবলিকান কর্মী নীরবে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছিলেন যে ট্রাম্পের এই প্রচারণার বহর আর তাদের রাজ্যে আসছে না। অনেকেই উল্লেখ করেছেন যে, টেলি-র‌্যালির সময় ট্রাম্পের সেইসব অস্পষ্ট বা অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে, যা এখন তার বড় বড় সমাবেশগুলোর একটা বড় অংশ জুড়ে থাকে। যেমন—তিনি যে বুদ্ধিমত্তা বা কগনিটিভ পরীক্ষায় পাস করেছেন সেই দাবি, হোয়াইট হাউজের বলরুমের গল্প, কিংবা বিভিন্ন রিপাবলিকান পুরুষের শারীরিক গঠন নিয়ে মন্তব্য।

একজন রিপাবলিকান কর্মকর্তা বলেন, নির্বাচনের এই চূড়ান্ত ব্যস্ততার সময়ে ট্রাম্পের সমাবেশগুলো অতিরিক্ত সময় নষ্ট করছিল। অথচ এই সময়ে রিপাবলিকান কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাওয়া, জনসংযোগ করা এবং ভোটারদের কেন্দ্রে আনার অন্যান্য কার্যক্রমে ব্যস্ত থাকতে পারতেন।

ট্রাম্পের সাথে কথা বলেছেন এমন ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, প্রচারণার শেষ সপ্তাহগুলোতে ট্রাম্প মাঝেমধ্যে তার সহযোগীদের আরও বেশি সফরের সূচি তৈরি করতে চাপ দিয়েছেন। গভীর রক্ষণশীল জেলাগুলোতে তাকে দেখতে আসা ভক্তদের উপচে পড়া ভিড় দেখে তিনি উজ্জীবিত বোধ করছিলেন এবং বন্ধুবান্ধব ও উপদেষ্টাদের কথায় উৎসাহিত হচ্ছিলেন, যারা তাকে বলছিলেন যে তার উপস্থিতি রিপাবলিকানদের উদ্দীপনা সরাসরি বাড়িয়ে দিচ্ছে।

তবে ওই সূত্রগুলো আরও জানায়, মাসব্যাপী এই ঝোড়ো প্রচারণার অন্যান্য সময়ে তিনি আবার এই সফরের ক্লান্তিকর ও অবিরাম প্রকৃতি নিয়ে ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন, যার কারণে তাকে প্রায় প্রতিদিনই নতুন নতুন শহরে যেতে হচ্ছে। অনেক সময় কলেজ এরিনা বা সিভিক সেন্টারগুলোতে সমাবেশ করতে হচ্ছে, যেগুলো তার নিজের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময়কার কানায় কানায় পূর্ণ স্টেডিয়ামগুলোর তুলনায় একেবারেই ছোট বা অনুন্নত মনে হয়। ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে এবং ইদানীং জনসমক্ষে ক্রমবর্ধমানভাবে এই নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন যে, নিজের নির্বাচন না হওয়া সত্ত্বেও শেষ মুহূর্তে তাকে কতটা কঠোর পরিশ্রম করতে হচ্ছে।

প্রেসিডেন্ট মেইন অঙ্গরাজ্য ছাড়া সিনেট নির্বাচনের লড়াইয়ে থাকা প্রায় প্রতিটি রাজ্যেই সফর করেছেন—অনেক রাজ্যে একাধিকবারও গেছেন। মধ্য-পশ্চিম অঞ্চলে সপ্তাহান্তের এই সফরগুলো বাতিল করার হোয়াইট হাউজের প্রাথমিক সিদ্ধান্তটি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিলেও দলের অনুগতদের মধ্যে এটি নিয়ে খুব কমই অভিযোগ ছিল।

রবিবার অনুষ্ঠানগুলোসহ হিসাব করলে, অক্টোবর মাসের শুরু থেকে ট্রাম্প মোট ২৮টি সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে অংশ নিয়েছেন। এমনকি তিনি নিজেও স্বীকার করেছেন যে এই সময়সূচিটি অত্যন্ত ক্লান্তিকর এবং এর ফলে তার কণ্ঠস্বরের ওপর বেশ ধকল গেছে।

চলতি মাসে কেনটাকির এক সমাবেশে তিনি বলেন, ‘আমার এটি করার কোনো দরকার নেই। কিন্তু আমাকে করতে হচ্ছে, কারণ (ডেমোক্র্যাটরা) যদি এই মধ্যবর্তী নির্বাচনে জিতে যায়, তবে হঠাৎ করেই আপনারা এক বিপর্যয় দেখতে পাবেন এবং আমরা যেসব আবর্জনা বা আজেবাজে বিষয় নিয়ে কথা বলি, তার সব ফিরে আসবে। ঠিক এই কারণেই আমি এখানে আপনাদের জন্য জানপ্রাণ দিয়ে খেটে যাচ্ছি।’ সূত্র: সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%