শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:১২ পি.এম
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু মন্তব্য করেছেন, ‘যদি কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার চেষ্টা করে, তবে তাদের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে। দেশের বিরুদ্ধে যেকোনো ষড়যন্ত্র ও অপতৎপরতার বিরুদ্ধে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।’
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইলের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে জেলা বিএনপি কর্তৃক আয়োজিত ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদ’ শীর্ষক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আরও বলেন, একটি গোষ্ঠী দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। জনগণের আন্দোলনের মুখে তারা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। তারা গুম, খুন, নির্যাতন ও নিপীড়ন করেছে। বর্তমানে তারা আবার বিভিন্ন কৌশলে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘তাদের এখনও বোধোদয় হয়নি, কেন তারা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। তারা একবারও জাতির কাছে লজ্জিত হয়ে ক্ষমা চাচ্ছে না। ষড়যন্ত্র করে বাংলাদেশে আবার রাজনীতি করা যাবে না। জনগণই তাদের প্রতিহত করবে। কারণ বাংলাদেশের জনগণ গণতন্ত্রপ্রিয়।’
বিএনপির দীর্ঘদিনের আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকার দেশকে ধ্বংস করেছে। সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছেন। জনগণ ভোট ও গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন-সংগ্রাম করেছে। যখনই কেউ জনগণের দাবি ও অধিকার নিয়ে ষড়যন্ত্র করেছে, তখনই তারা জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
রাজপথে নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে জনগণের দাবি নিয়ে রাজপথে আন্দোলন করেছেন। যারা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এই রাজপথে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে, তাদের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, কোনো অপশক্তি যাতে দেশের ক্ষতি করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। একদিকে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালানোর পাশাপাশি সরকারকে দেশ পরিচালনায় সহযোগিতা করতে হবে এবং জনগণের উন্নয়নে কাজ করে যেতে হবে।
টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীনের সভাপতিত্বে এবং জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মাহমুদুল হক সানুর সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অমল ব্যানার্জি, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী শফিকুল রহমান লিটন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ পাহেলী ও শফিকুর রহমান খান শফিক, টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদল ও যুবদলের সাবেক সভাপতি আহমেদুল হক শাতিল, জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক একেএম মনিরুল হক (ভিপি মনির), জেলা মহিলা বিএনপির সভাপতি নিলুফা ইয়াসমিন, জেলা ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সৈয়দ মনিরুজ্জামান জুয়েল ও জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দূর্জয় হোড় শুভসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শাকিরার মঞ্চ সাজ সবসময়ই আলাদা চমক নিয়ে আসে। এবার তার সাজে ভারতীয় ঐতিহ্যের একটি নতুন ছোঁয়া দেখা গেল। মাদ্রিদে অনুষ্ঠিত কনসার্টে, বিশ্ববিখ্যাত পপ তারকা শাকিরাকে ডিজাইনার গৌরব গুপ্তের তৈরি বিশেষ পোশাকে দেখা গেছে। সোনালি ধাতব নকশা এবং বেনারসি ব্রোকেডের সমন্বয়ে তার এবারের মঞ্চসাজ তৈরি হয়েছে।
এ তথ্য জানায় ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে।
শাকিরার পোশাকের মধ্যে ছিল সোনালি রঙের ভাস্কর্যধর্মী ব্রেস্টপ্লেট এবং হাতে বোনা বেনারসি ব্রোকেডের স্কার্ট। ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় বুনন এবং আধুনিক কৌচার নকশার এই সমন্বয় পোশাকটিকে দিয়েছে বিশেষ বৈশিষ্ট্য।
‘লুনার উলফ’ পোশাকে শাকিরা
গৌরব গুপ্তের তৈরি সোনালি ব্রেস্টপ্লেটটির নাম ‘লুনার উলফ’। এই ডিজাইনটি শাকিরার জনপ্রিয় ‘শি উলফ’ গানের ভাবনা থেকে অনুপ্রাণিত। ২০০৯ সালে গানটি প্রকাশের পর থেকেই ‘শি উলফ’ প্রতীকটি তার শিল্পীসত্তার সঙ্গে যুক্ত হয়ে গেছে।
ব্রাসের তৈরি ব্রেস্টপ্লেটটির নকশা অনেকটা বর্মের মতো। এর বিপরীতে নরম এবং চলনশীল বেনারসি ব্রোকেডের স্কার্ট রাখা হয়েছে। ফলে পোশাকটিতে একদিকে শক্তিশালী ভঙ্গি তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে ভারতীয় বুননের ঐতিহ্যও ফুটে উঠেছে।
এই বিশেষ পোশাক তৈরিতে প্রায় ৫০০ ঘণ্টা সময় লেগেছে এবং এতে কাজ করেছেন ১০ জন কারিগর।
গৌরব গুপ্তের পোশাকে এবারই প্রথম নয়
গৌরব গুপ্তের নকশায় এর আগেও শাকিরাকে মঞ্চে দেখা গেছে। তার বিশ্ব সফরের রিও ডি জেনেইরো পর্বের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একই ‘লুনার উলফ’ ভাবনার পোশাক পরেছিলেন। তবে সেবারের পোশাকটি ছিল নীল রঙের।
এর আগে ২০২৫ সালে ভারতীয় ডিজাইনার অনামিকা খন্নার তৈরি পোশাকেও শাকিরাকে দেখা গেছে। লাল রঙের সেই পোশাকটি ঝলমলে সোয়ারোভস্কি ক্রিস্টালের কাজ দিয়ে সজ্জিত ছিল।
শাকিরার চলমান ‘লাস মুজেরেস ইয়া নো ইয়োরান’ বিশ্ব সফর অক্টোবর মাসে শেষ হবে। সফরের মঞ্চে সংগীতের পাশাপাশি তার পোশাকও আলাদা করে আলোচনায় থাকছে, এবারের বেনারসি লুক তারই আরেকটি উদাহরণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন শুক্রবার জানান, রাজশাহীর ক্রীড়াক্ষেত্রের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে ২১টি খেলার মাঠ এবং ১৬টি ফুটসাল গ্রাউন্ড নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
আজ শুক্রবার বিকেলে নগরীর হাইটেক পার্ক সংলগ্ন মাঠে কিশোর ফুটবল একাডেমি রাজশাহী এবং সোনালী অতীত ক্লাব লালবাগ, ঢাকার মধ্যে অনুষ্ঠিত প্রীতি ফুটবল ম্যাচের পর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচিত হওয়ার পূর্বে ৩১ দফা রূপরেখা ঘোষণা করেছিলেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর ১৮০ দিনের মধ্যে এর অনেকগুলো বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বর্তমান সরকার দেশের জনগণের কল্যাণে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে।
রাসিক প্রশাসক হাইটেক পার্ক সংলগ্ন মাঠের গ্যালারি, ড্রেসিং রুম, সুইমিং পুলসহ অন্যান্য অবকাঠামো উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং দেশ ট্রাভেলসের স্বত্বাধিকারী মো. বজলুর রহমান রতন। এ সময় ক্রীড়া সংগঠক ও খেলোয়াড়বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে কাশিয়াডাঙ্গা থানা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মজিউল আহসান হিমেল, মতিহার থানা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আল মামুন বাবু, দপ্তরের দায়িত্বে মঈদুর রহমান মঈদ এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, কিশোর ফুটবল একাডেমি আয়োজিত প্রীতি ম্যাচে সোনালী অতীত ক্লাব লালবাগ, ঢাকাকে ৩-০ গোলে পরাজিত করে কিশোর ফুটবল একাডেমি রাজশাহী। খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণ করেন রাসিক প্রশাসক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে এবং বিভিন্ন মামলার তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন মাদক মামলার আসামি রয়েছেন, একজন নিয়মিত মামলার তদন্তে প্রাপ্ত নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য এবং অপরজন চুরি মামলার আসামি।
গ্রেপ্তারকৃতদের নাম হলো- কলারোয়ার তুলসীডাঙ্গার মৃত হাজী আনোয়ার হোসেনের ছেলে মাদক মামলার আসামি মো. বজলুর রহমান, যিনি বাপ্পী নামে পরিচিত (৩৬)। ঝিকরার মৃত আমির চাঁদ গাজীর ছেলে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য মো. আহসান উল্লাহ (৪৩)। এবং গয়ড়ার শহিদুল ইসলামের ছেলে চুরি মামলার আসামি মো. আমিরুল ইসলাম (৩০)।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযানের সময় ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত তিনজনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট মামলায় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, মাদক ও অপরাধ দমনে কলারোয়া থানা পুলিশের নিয়মিত ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেপ্তারকৃত তিন আসামিকে ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের কলকাতায় ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাংবাদিক দেবাশীষ দত্তের স্মরণে কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে একটি আবেগঘন স্মরণসভা আয়োজন করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে কুমারখালী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে কাঙাল হরিনাথ মজুমদার স্মৃতি জাদুঘর মিলনায়তনে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভার পর প্রয়াত সাংবাদিকের পরিবারের সদস্যদের হাতে আর্থিক সহযোগিতার চেক তুলে দেন প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।
দেবাশীষ দত্ত দৈনিক আজকের পত্রিকা ও চ্যানেল নাইন-এর কুষ্টিয়া প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত ১৯ আগস্ট ভোররাতে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিটের ‘শিখা ইন’ আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তিনি এবং তাঁর পরিবার নিহত হন। স্মরণসভায় দেবাশীষ দত্তের বাবা দিলীপ কুমার দত্ত এবং তাঁর ছয় বছর বয়সী শিশুকন্যা মহিমা দত্ত উপস্থিত থাকায় পুরো মিলনায়তনে এক হৃদয়বিদারক ও শোকাবহ পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
স্মৃতিচারণ পর্বে অংশ নিয়ে সহকর্মী ও অতিথিরা বলেন, দেবাশীষ দত্ত ছিলেন একজন অত্যন্ত দায়িত্বশীল, সাহসী ও মানবিক গণমাধ্যমকর্মী।
তিনি এলাকার সমস্যা, সম্ভাবনা ও জনদুর্ভোগের চিত্র তাঁর লেখনীর মাধ্যমে নিপুণভাবে তুলে ধরতেন। কর্মনিষ্ঠা ও সদালাপী আচরণের কারণে তিনি খুব অল্প সময়েই সবার কাছে আপন হয়ে উঠেছিলেন। বক্তারা উল্লেখ করেন যে, তাঁর এই আকস্মিক বিদায় সাংবাদিক সমাজের জন্য একটি অপূরণীয় ক্ষতি। এ সময় অনেক সহকর্মী তাঁকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। পরে তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে কুমারখালী প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক বকুল চৌধুরী, সভাপতি লিপু খন্দকার, সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহমুদ শরীফ, সহ-সভাপতি মনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সোহাগ মাহমুদসহ স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে কুমারখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি লিপু খন্দকার প্রয়াত সাংবাদিকের বাবা দিলীপ কুমার দত্ত ও কন্যা মহিমা দত্তের হাতে আর্থিক সহায়তার একটি চেক তুলে দেন। এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকরা যেকোনো প্রয়োজনে শোকসন্তপ্ত এই পরিবারের পাশে থাকার দৃঢ় আশ্বাস প্রদান করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ