০৭:৪৩ এম
সরকার দেশের চরাঞ্চল ও দুর্গম এলাকার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকদের দায়িত্ব পালনে উৎসাহিত করার জন্য দূরত্বভিত্তিক বিশেষ ভাতা চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বিদ্যালয়ের অবস্থান, যাতায়াতের দূরত্ব এবং যোগাযোগব্যবস্থার বাস্তবতা অনুযায়ী এই ভাতার কাঠামো নির্ধারণ করা হবে।
রোববার রংপুরের পিটিআই অডিটোরিয়ামে বিভাগীয় উপপরিচালকের কার্যালয় কর্তৃক আয়োজিত এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এ তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা এবং অঞ্চলভেদে বিদ্যমান বৈষম্য হ্রাস করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেন, স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় প্রকৃত দুর্গম এলাকা চিহ্নিত করে মাঠপর্যায়ের মতামতের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পাশাপাশি, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রক্সি শিক্ষক দিয়ে পাঠদান করানোর প্রচলিত সংস্কৃতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ
শিক্ষাব্যবস্থায় আধুনিক ও আনন্দময় পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে কর্মশালায় বেশ কিছু নতুন পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে আগামী বছর থেকে পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সায়েন্স টয়’ কার্যক্রম চালু করা, শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করতে নতুন কারিকুলামে আটটি ক্রীড়া কার্যক্রম বাধ্যতামূলক করা এবং প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে দায়িত্ব, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে কার্যকর নেতৃত্ব কাঠামো গড়ে তোলা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
রংপুর জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী, পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ কামরুল হাসান এবং মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ইসরাত জাহান। এছাড়াও, রংপুর বিভাগের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষা কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন