০৫:২৭ পি.এম
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনের বিচার সেনা আইনের অধীনে হবে। বাক্যের ক্ষেত্রে তিনি বলেছেন, একই অপরাধে একজন ব্যক্তির দুই আইনে বিচার করা সম্ভব নয়। এই কারণেই তাকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে এবং জেনারেল কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে তার বিচার সম্পন্ন হবে। সোমবার (২০ জুলাই) রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি সদরদপ্তর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব বিষয় উল্লেখ করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার অন্যান্য আসামিদের বিচার সামরিক আদালতে করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে জেনারেল কোর্ট মার্শাল অনুযায়ী রায় প্রদান করা হয়েছে। মোজাফফর হোসেন দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকার কারণে তার বিচার পরে করা হয়নি। সম্প্রতি গ্রেপ্তারের পর তাকে সেনা আইনের আওতায় বিচারের জন্য সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি আবারও উল্লেখ করেন, একই ব্যক্তিকে একই অপরাধে দুই ভিন্ন আইনে বিচারের মুখোমুখি করা যাবে না। সেনা আইনে তার বিচার অনুষ্ঠিত হবে, এবং যদি কোনো সিভিল কোর্টের বিষয় থাকে, তবে পরবর্তীতে সেটি আইনগতভাবে পরীক্ষা করা হবে। মন্ত্রী আরো বলেন, ইতিমধ্যে যেসব আসামি দণ্ডিত বা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছেন, তাদের মামলার রায়ে যদি মোজাফফরের বিষয়ে কোনো পর্যবেক্ষণ বা ফাইন্ডিংস থাকে, তবে তা জেনারেল কোর্ট মার্শাল বিবেচনায় আনবে। তিনি এই কথাও বলেন, সেনা আইনের প্রেক্ষিতে তার বিচার সম্পন্ন হবে। সিভিল কোর্টে নতুনভাবে তাকে একই মামলায় যুক্ত করা কতটা আইনসম্মত হবে, সেটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিশ্লেষণ করবে। মিয়ানমার সীমান্ত পরিস্থিতি প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় আরাকান আর্মি, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী এবং অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর সংঘাতের প্রভাব বাংলাদেশে পড়ছে। মাদক পাচার, গোলাগুলির স্পিলওভার এবং সীমান্ত নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবেলায় বাংলাদেশ সরকার ১০৯ কিলোমিটার কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের প্রস্তাব নিয়ে চিন্তিত। তিনি বলেন, বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি, তবে সীমান্ত নিরাপত্তার স্বার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন