ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

উচ্চশিক্ষার নামে সন্তানকে ঢাকায় পাঠিয়ে দায়িত্ব শেষ? কোন পথে যাচ্ছে নতুন প্রজন্ম


উচ্চশিক্ষার নামে সন্তানকে ঢাকায় পাঠিয়ে দায়িত্ব শেষ? কোন পথে যাচ্ছে নতুন প্রজন্ম

বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠিয়েই দায়িত্ব শেষ নয়, সন্তানের পড়াশোনা, চলাফেরা ও আচরণে নজর রাখার আহ্বান

সন্তানকে উচ্চশিক্ষার জন্য ঢাকার কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়ে অনেক অভিভাবকই মনে করেন, সন্তান এখন নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার পথে। কিন্তু বাস্তবে সেই সন্তান বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে কী করছে, কার সঙ্গে মিশছে, পড়াশোনায় কতটা মনোযোগী কিংবা তার আচরণ ও মানসিকতায় কী ধরনের পরিবর্তন আসছে—এসব বিষয়ে পরিবারের সদস্যরা কতটা খোঁজ রাখছেন, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

উচ্চশিক্ষার জন্য সন্তানকে ঢাকায় পাঠানো মানেই অভিভাবকের দায়িত্ব শেষ নয়। বরং পরিবার থেকে দূরে থাকার এই সময়ে সন্তানের প্রতি আরও বেশি দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন। কারণ একটি সন্তান কোন পরিবেশে বেড়ে উঠছে, কাদের সঙ্গে মিশছে এবং কোন ধরনের সংস্কৃতির প্রভাব গ্রহণ করছে—এসবই তার ভবিষ্যৎ ব্যক্তিত্ব ও আচরণে প্রভাব ফেলতে পারে।

সচেতন মহলের মতে, কোনো সন্তানের কথাবার্তা, আচরণ কিংবা চলাফেরায় হঠাৎ পরিবর্তন দেখা দিলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। বড়দের প্রতি অসম্মান, অশালীন ভাষা ব্যবহার, প্রকাশ্যে অন্য মানুষকে অপমান বা হেয় করার প্রবণতা কিংবা দায়িত্বহীন আচরণকে স্বাভাবিক বিষয় হিসেবে নেওয়া ঠিক নয়।

তাই সন্তান কোথায় পড়ছে, কীভাবে সময় কাটাচ্ছে এবং তার মধ্যে কী ধরনের পরিবর্তন আসছে—অভিভাবকদের সেদিকে নজর রাখা জরুরি। প্রতিদিন অন্তত দুই-চারবার সন্তানের সঙ্গে কথা বলা, তার পড়াশোনা ও দৈনন্দিন জীবন সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া এবং সম্ভব হলে মাসে অন্তত একবার সরাসরি গিয়ে দেখা করারও আহ্বান জানানো হয়েছে।


জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের সময় দেশের সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীদের একটি অংশ রাজপথে নেমেছিল। স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর অন্যায়, নির্যাতন ও অবিচারের অভিযোগে অনেক অভিভাবকও ঘরে বসে থাকতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত সেই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় বড় পরিবর্তন আসে এবং স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটে।

পরবর্তী সময়ে দেশের জনগণ ভোটের মাধ্যমে নতুন সরকার নির্বাচিত করেছে। ফলে এখন দেশের সামনে নতুন বাস্তবতা। আর এই বাস্তবতায় শিক্ষার্থীদেরও নিজেদের দায়িত্ব নতুন করে উপলব্ধি করতে হবে।

আন্দোলনের সময় যে তারুণ্য রাজপথে ছিল, সেই তারুণ্যই এখন দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি। তাই তাদের সামনে এখন সবচেয়ে বড় কাজ হলো—শিক্ষাজীবন শেষ করা, জ্ঞান অর্জন করা এবং নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।


আজকের বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকেই আগামী দিনে তৈরি হবে দেশের চিকিৎসক, প্রকৌশলী, আইনজীবী, শিক্ষক, গবেষক, উদ্যোক্তা, প্রশাসক ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃত্ব।

কেউ যদি ইঞ্জিনিয়ার হতে চায়, তাকে প্রকৌশল শিক্ষায় মনোযোগ দিতে হবে। কেউ ডাক্তার হতে চাইলে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে। কেউ ব্যারিস্টার কিংবা আইনজীবী হতে চাইলে আইন বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে হবে।

দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের জন্য এখন প্রয়োজন মেধা, শিক্ষা, দক্ষতা, সততা ও দায়িত্ববোধ। তাই পড়াশোনা বাদ দিয়ে এখনই মন্ত্রী-এমপি হওয়ার আকাঙ্ক্ষা কিংবা ক্ষমতার রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ার চেয়ে নিজেদের যোগ্য করে তোলাই হওয়া উচিত শিক্ষার্থীদের প্রধান লক্ষ্য।


দেশে ভবিষ্যতে যদি কখনো জনগণের অধিকার, গণতন্ত্র কিংবা রাষ্ট্রের স্বার্থের বিরুদ্ধে কোনো স্বৈরাচারী ব্যবস্থা গড়ে ওঠে, তখন অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর অধিকার দেশের নাগরিকদের থাকবে। শিক্ষার্থীরাও তখন নিজেদের বিবেক ও দায়িত্ববোধ থেকে ভূমিকা রাখতে পারে। সাধারণ মানুষও অন্যায়ের বিরুদ্ধে তাদের পাশে দাঁড়াবে—এটাই একটি গণতান্ত্রিক সমাজের স্বাভাবিক প্রত্যাশা।

কিন্তু সেই ভবিষ্যতের প্রস্তুতি নিতে হলে আজকের শিক্ষার্থীদের আগে নিজেদের শিক্ষা ও দক্ষতার ভিত্তি শক্ত করতে হবে।

কারণ একটি দেশের পরিবর্তন শুধু রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমে সম্পূর্ণ হয় না; সেই পরিবর্তনকে টেকসই করতে প্রয়োজন শিক্ষিত, দক্ষ ও দায়িত্বশীল প্রজন্ম।


সন্তানকে ঢাকার কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানোর পর শুধু মাসের খরচ পাঠিয়েই কি দায়িত্ব শেষ?

সন্তান কী পড়ছে? কার সঙ্গে মিশছে? তার কথাবার্তায় কী পরিবর্তন এসেছে? তার চলাফেরা ও সামাজিক আচরণ কেমন? সে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে কী ভাবছে?

এসব প্রশ্নের উত্তর জানার দায়িত্ব অভিভাবকেরই।

তাই এখনও সময় আছে। সন্তানকে শুধু অর্থনৈতিক সহযোগিতা নয়, সময় দিন; তার সঙ্গে কথা বলুন, তাকে বোঝার চেষ্টা করুন এবং প্রয়োজন হলে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনুন।

অন্যদিকে শিক্ষার্থীদেরও মনে রাখতে হবে—**দেশ পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখার পাশাপাশি নিজেদেরও পরিবর্তন করতে হবে।

আজকের পড়াশোনা, পরিশ্রম ও যোগ্যতাই আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ার মূল ভিত্তি। তাই মন্ত্রী-এমপি হওয়ার স্বপ্ন দেখার আগে নিজেকে ডাক্তার, প্রকৌশলী, আইনজীবী, শিক্ষক, গবেষক কিংবা একজন যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখুন।

কারণ দেশকে এগিয়ে নিতে শুধু রাজপথের সাহস নয়, শ্রেণিকক্ষের মেধা, কর্মক্ষেত্রের দক্ষতা এবং চরিত্রের সততাও প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে বিদেশিদের তথ্যভাণ্ডার তৈরির উদ্যোগ, নজরদারি শক্তিশালী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:০৭ এম


চট্টগ্রামে বিদেশিদের তথ্যভাণ্ডার তৈরির উদ্যোগ, নজরদারি শক্তিশালী

চট্টগ্রাম, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলা পুলিশ বিদেশি নাগরিকদের একটি পূর্ণাঙ্গ তথ্যভাণ্ডার তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে চট্টগ্রামে। বিদেশিরা কোন এলাকায় অবস্থান করছেন, তারা বৈধভাবে আছেন কি না এবং তাদের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধের রেকর্ড রয়েছে কি না, এসব তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

সম্প্রতি নগরীর খুলশীতে অবৈধ বিদেশি নাগরিকদের একটি চক্র গ্রেফতার হওয়ার পর সীতাকুণ্ড, আনোয়ারা ও জোরারগঞ্জসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিদেশিদের চলাচলের ওপর নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।

আজ সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম।

পুলিশ সুপার উল্লেখ করেন, বাণিজ্যিক নগরী চট্টগ্রামে একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পে বিদেশি বিনিয়োগকারী ও কর্মী কাজ করছেন। বৈধভাবে অবস্থানকারী বিদেশিদের তালিকা পুলিশের কাছে রয়েছে। তবে খুলশীতে প্রতারণার অভিযোগে ২৫ জন অবৈধ বিদেশি নাগরিক গ্রেফতার হওয়ার পর নজরদারি আরও কঠোর করা হয়েছে।

তিনি জানান, জেলায় মোট কতজন বিদেশি অবস্থান করছেন, তাদের আনাগোনা, বর্তমান ঠিকানা এবং কোনো অপরাধের সঙ্গে যুক্ততা আছে কি না, তা সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।

পুলিশ সুপার আরও জানান, স্বাধীনতার পর থেকে অবৈধ বিদেশিদের তথ্য সংরক্ষণে যে ঘাটতি ছিল, তা দূর করতে কাজ করছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিএসবি)। অবস্থান, পরিচয় ও অপরাধসংক্রান্ত সব তথ্য যুক্ত করে একটি পূর্ণাঙ্গ তথ্যভাণ্ডার তৈরির কাজ বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পীর চরমোনাইর: আদর্শ ও নীতি লালন করেই দেশ গড়ার আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:২৩ এম


পীর চরমোনাইর: আদর্শ ও নীতি লালন করেই দেশ গড়ার আহ্বান

মেধা ও যোগ্যতার প্রকৃত মূল্যায়ন করার জন্য মহান সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো এবং নিজের ধর্মীয় ও নৈতিক দায়িত্ব উপলব্ধি করা আবশ্যক বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই)।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চাঁদপুর প্রেসক্লাবে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা শাখা আয়োজিত এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শতাধিক কৃতি শিক্ষার্থীর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন। মুফতি ফয়জুল করীম উল্লেখ করেন, মানুষের মেধা ও জীবনের বৈচিত্র্য আল্লাহর ইচ্ছারই প্রকাশ। মুসলমানদের নিজেদের ধর্মীয় পরিচয় ও মূল্যবোধ নিয়ে সংকোচবোধ করা উচিত নয়। পোশাক, আচার-আচরণ ও জীবনযাপনে ইসলামী সুন্নাহ অনুসরণ করে সমাজে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করতে হবে।

তরুণ প্রজন্মকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরো বলেন, তোমরা আগামী দিনে ম্যাজিস্ট্রেট, ডিসি, এসপি কিংবা সচিবের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করতে পারো। তবে যে পেশা বা অবস্থানেই যাও না কেন, ইসলামকে বাদ দিয়ে নয় বরং ইসলামী আদর্শ ও নীতিকে সঙ্গে নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে। ইসলামের ভেতরেই নীতি, নৈতিকতা, চরিত্র ও মানবসেবার শাশ্বত শিক্ষা বিদ্যমান। সমাজ থেকে সংকট দূর করতে নতুন প্রজন্মকে মেধার পাশাপাশি নৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি ডি.এম ফয়সালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মাদ ইবরাহীম খলীল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মুহাম্মাদ জয়নাল আবেদিন, জেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা মাকসুদুর রহমান, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা নুর উদ্দিন খানসহ স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। আলোচনা সভা শেষে অতিথিরা কৃতি শিক্ষার্থী শতাধিক জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন এবং তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চন্দনাইশে গৃহবধু হত্যা ও মাদক মামলায় দুইজন আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:২৩ এম


চন্দনাইশে গৃহবধু হত্যা ও মাদক মামলায় দুইজন আটক

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলায় গৃহবধু হত্যা ও মাদক সংক্রান্ত পৃথক দুটি মামলায় দুইজনকে আটক করেছে চন্দনাইশ থানা পুলিশ। থানা সূত্রে জানা গেছে, গত রবিবার দিবাগত রাতে উপজেলার হাছনদন্ডীস্থ কেরামত আলী মাষ্টার বড়িতে গৃহবধু মোছা: মিনহাজ আক্তার (২৫) হত্যার ঘটনায় নিহতের স্বামী জাহিদুল ইসলামকে আটক করা হয়েছে।

এছাড়া বরকল ইউনিয়নের পাঠানদন্ডী এলাকা থেকে ৫০ লিটার দেশীয় সোলাই মদসহ মৃত নুরুচ্ছার ছেলে আবদুর রহিম (৩২)কেও পুলিশ আটক করেছে। তাদেরকে বিঞ্চ আদালতে পাঠানো হয়েছে। চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম দিদারুল ইসলাম সিকদার এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদক আসামির স্বজনদের হামলায় জামালপুরে ৪ পুলিশ আহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:২৪ এম


মাদক আসামির স্বজনদের হামলায় জামালপুরে ৪ পুলিশ আহত

জামালপুরের মেলান্দহে মাদক মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তারের সময় আসামির স্বজনদের হামলায় ৪ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পরে পুলিশের অন্য একটি ফোর্স এবং স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় আসামি এনামুল হক (২৮) এবং তার স্ত্রী সবুজা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনা ঘটে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মেলান্দহ উপজেলার শ্যামপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর চর এলাকায়।

আহত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মেলান্দহ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তরিকুল ইসলাম হিমন (৩৪), সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল আওয়াল (৩৭), এএসআই আবু রায়হান (৪০) এবং পুলিশ সদস্য আবু তাহের (২৯)। বর্তমানে তারা মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আহতদের বরাতে মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম মাহমুদুল হক জানান, সোমবার সন্ধ্যায় এসআই হিমন ও তার সঙ্গীয় ফোর্স গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি এনামুল হককে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান পরিচালনা করেন। গ্রেপ্তারের সময় এনামুল হক পরিচয় গোপন করে অন্য নাম বলার চেষ্টা করেন। পরে পুলিশের হাত থেকে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এ সময় এনামুল ও তার পরিবারের সদস্যরা পুলিশ সদস্যদের গ্রেপ্তারে বাধা দিয়ে এনামুলকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে থানার থেকে আরও একটি ফোর্স গিয়ে এনামুল ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় এসআই হিমন বাম হাতে আঘাত পেয়েছেন এবং তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। অন্য আহতরা মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তিনি আরও জানান, আসামি এনামুল ও তার স্ত্রী সবুজা বেগমকে গ্রেপ্তার করে থানায় আনা হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%