মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:২৩ এম
মেধা ও যোগ্যতার প্রকৃত মূল্যায়ন করার জন্য মহান সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো এবং নিজের ধর্মীয় ও নৈতিক দায়িত্ব উপলব্ধি করা আবশ্যক বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই)।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চাঁদপুর প্রেসক্লাবে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা শাখা আয়োজিত এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শতাধিক কৃতি শিক্ষার্থীর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন। মুফতি ফয়জুল করীম উল্লেখ করেন, মানুষের মেধা ও জীবনের বৈচিত্র্য আল্লাহর ইচ্ছারই প্রকাশ। মুসলমানদের নিজেদের ধর্মীয় পরিচয় ও মূল্যবোধ নিয়ে সংকোচবোধ করা উচিত নয়। পোশাক, আচার-আচরণ ও জীবনযাপনে ইসলামী সুন্নাহ অনুসরণ করে সমাজে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করতে হবে।
তরুণ প্রজন্মকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরো বলেন, তোমরা আগামী দিনে ম্যাজিস্ট্রেট, ডিসি, এসপি কিংবা সচিবের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করতে পারো। তবে যে পেশা বা অবস্থানেই যাও না কেন, ইসলামকে বাদ দিয়ে নয় বরং ইসলামী আদর্শ ও নীতিকে সঙ্গে নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে। ইসলামের ভেতরেই নীতি, নৈতিকতা, চরিত্র ও মানবসেবার শাশ্বত শিক্ষা বিদ্যমান। সমাজ থেকে সংকট দূর করতে নতুন প্রজন্মকে মেধার পাশাপাশি নৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি ডি.এম ফয়সালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মাদ ইবরাহীম খলীল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মুহাম্মাদ জয়নাল আবেদিন, জেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা মাকসুদুর রহমান, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা নুর উদ্দিন খানসহ স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। আলোচনা সভা শেষে অতিথিরা কৃতি শিক্ষার্থী শতাধিক জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন এবং তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলায় গৃহবধু হত্যা ও মাদক সংক্রান্ত পৃথক দুটি মামলায় দুইজনকে আটক করেছে চন্দনাইশ থানা পুলিশ। থানা সূত্রে জানা গেছে, গত রবিবার দিবাগত রাতে উপজেলার হাছনদন্ডীস্থ কেরামত আলী মাষ্টার বড়িতে গৃহবধু মোছা: মিনহাজ আক্তার (২৫) হত্যার ঘটনায় নিহতের স্বামী জাহিদুল ইসলামকে আটক করা হয়েছে।
এছাড়া বরকল ইউনিয়নের পাঠানদন্ডী এলাকা থেকে ৫০ লিটার দেশীয় সোলাই মদসহ মৃত নুরুচ্ছার ছেলে আবদুর রহিম (৩২)কেও পুলিশ আটক করেছে। তাদেরকে বিঞ্চ আদালতে পাঠানো হয়েছে। চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম দিদারুল ইসলাম সিকদার এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরের মেলান্দহে মাদক মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তারের সময় আসামির স্বজনদের হামলায় ৪ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পরে পুলিশের অন্য একটি ফোর্স এবং স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় আসামি এনামুল হক (২৮) এবং তার স্ত্রী সবুজা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনা ঘটে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মেলান্দহ উপজেলার শ্যামপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর চর এলাকায়।
আহত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মেলান্দহ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তরিকুল ইসলাম হিমন (৩৪), সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল আওয়াল (৩৭), এএসআই আবু রায়হান (৪০) এবং পুলিশ সদস্য আবু তাহের (২৯)। বর্তমানে তারা মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহতদের বরাতে মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম মাহমুদুল হক জানান, সোমবার সন্ধ্যায় এসআই হিমন ও তার সঙ্গীয় ফোর্স গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি এনামুল হককে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান পরিচালনা করেন। গ্রেপ্তারের সময় এনামুল হক পরিচয় গোপন করে অন্য নাম বলার চেষ্টা করেন। পরে পুলিশের হাত থেকে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এ সময় এনামুল ও তার পরিবারের সদস্যরা পুলিশ সদস্যদের গ্রেপ্তারে বাধা দিয়ে এনামুলকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে থানার থেকে আরও একটি ফোর্স গিয়ে এনামুল ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় এসআই হিমন বাম হাতে আঘাত পেয়েছেন এবং তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। অন্য আহতরা মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তিনি আরও জানান, আসামি এনামুল ও তার স্ত্রী সবুজা বেগমকে গ্রেপ্তার করে থানায় আনা হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাগেরহাট, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাগেরহাটে লতিফ মাস্টার ফাউন্ডেশনের স্কিল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি পরিদর্শন করেছে ব্রিটিশ হাইকমিশন ও এশিয়া ফাউন্ডেশনের একটি প্রতিনিধি দল।
প্রতিনিধি দলের সদস্যরা আজ সোমবার দুপুর ১টায় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, অবকাঠামো এবং দক্ষতা উন্নয়নমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনের পর স্থানীয় সিভিল সোসাইটি ও উন্নয়ন সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বিদেশে দক্ষ জনবল তৈরি, বেকারত্ব হ্রাস এবং যুবসমাজের কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এ সময় বিভিন্ন পেশাভিত্তিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি কেয়ারগিভিং ও জাপানিজ ভাষা প্রশিক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় বিদেশের শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে যুগোপযোগী করার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে দক্ষতা উন্নয়ন এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
স্থানীয় সম্পদ ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে সিভিল সোসাইটি, বেসরকারি খাত এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সমন্বিত উদ্যোগে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
এ ছাড়া এশিয়া ফাউন্ডেশন ও লতিফ মাস্টার ফাউন্ডেশনের মধ্যে দক্ষতা উন্নয়ন, যুব কর্মসংস্থান, সুশাসন, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্র নিয়ে মতবিনিময় হয়।
প্রতিনিধি দলের সদস্যরা লতিফ মাস্টার ফাউন্ডেশনের শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, সামাজিক সেবা ও মানবিক কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। তারা বলেন, "স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।"
প্রতিনিধি দলে ছিলেন ব্রিটিশ হাইকমিশনের গভর্ন্যান্স অ্যাডভাইজার মিস লুইস বেইনন ও মিস শাহনাজ করিম, এশিয়া ফাউন্ডেশনের টিম লিডার সারা এল. টেইলর, ব্রিটিশ হাইকমিশনের পলিটিক্যাল কাউন্সেলর মিস রোজি কুম্ব এবং রূপান্তরের নির্বাহী পরিচালক রফিকুল ইসলাম।
লতিফ মাস্টার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সচিব ড. মো. ফরিদুল ইসলাম প্রতিনিধি দলের পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা সমন্বয় করেন।
তিনি ফাউন্ডেশনের চলমান ও ভবিষ্যৎ কার্যক্রম সম্পর্কে প্রতিনিধি দলকে অবহিত করেন।
এ সময় মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ও সাবেক অধ্যক্ষ, খানজাহান আলী ডিগ্রি কলেজের প্রতিনিধি শিক্ষক, স্কিল স্মার্ট আইটির অধ্যক্ষ, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং লতিফ মাস্টার ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের মতবিনিময় ও অংশীদারত্বের উদ্যোগের মাধ্যমে বাগেরহাটে দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর, যিনি চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের প্রতিনিধিত্ব করছেন, তিনি জানিয়েছেন যে, ফটিকছড়িতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে এমন কোনো কর্মকাণ্ডের জন্য অনুমতি দেওয়া হবে না। তিনি এ ধরনের কার্যকলাপে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন।
আজ সোমবার সকালে ফটিকছড়ি উপজেলা ও ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা যৌথ আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা ও সমন্বয় সভার প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ফটিকছড়ি ও ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মো. ইব্রাহীম।
সরোয়ার আলমগীর আরও বলেন, মাদক, সন্ত্রাস, মব ভায়োলেন্স এবং বাল্যবিবাহের মতো অপরাধে জড়িতদের প্রতি কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি মাদকের বিরুদ্ধে একটি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ উদ্দেশ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে এবং সেগুলো চলমান থাকবে।
রাবার পাচারের বিষয়েও তিনি মন্তব্য করেন। সংসদীয় এলাকার মধ্যে চলাচলকারী রাবারবাহী গাড়িগুলোর বৈধতা যাচাইয়ের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, চোরাকারবারিদের ফটিকছড়ির সড়ক ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।
সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তৌহিদুল আলম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রহমত উল্লাহ, ভুজপুর থানার ওসি বিপুল চন্দ্র দে, ফটিকছড়ি থানার ওসি (তদন্ত) রফিকুল আলম, উপজেলা প্রকৌশলী এম. জুনায়েদ, নাজিরহাট হাইওয়ে থানার ইনচার্জ মো. আজিজসহ আইনশৃঙ্খলা কমিটির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ