ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভারতীয় ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত


ভারতীয় ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন ভারতীয় ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন থেকে কমিশন একদিনের পরিবর্তে একসঙ্গে ১৫ দিনের স্লট ছাড়বে। রবিবার (৯ আগস্ট) দুপুরে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “যা করা প্রয়োজন মিশন তা অবশ্যই করবে। আমাদের স্লট আগে প্রতিদিন খুলতো। রোগীদের অনেক অসুবিধা হতো। সেটাকে আমরা এক সপ্তাহ করে দিয়েছিলাম। সেটার অভিজ্ঞতা অনেক ভালো হয়েছে। এবার সেটাকে আমি ১৫ দিন করেছি।” তিনি আরও জানাচ্ছেন, “আমাদের মূল লক্ষ্য থাকবে যে, যারা ভিসার আবেদন করছেন, তাদের ন্যূনতম সমস্যা না হয়। এটাই আমাদের অগ্রাধিকার।” উল্লেখ্য, অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত এবং শনিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এসিল্যান্ড হচ্ছেন আরো ৪০ কর্মকর্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:০১ এম


এসিল্যান্ড হচ্ছেন আরো ৪০ কর্মকর্তা

সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ড পদে পদায়নের লক্ষ্যে আরো ৪০ কর্মকর্তার চাকরি ভূমি মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

রবিবার (৯ আগস্ট) এর জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এর পূর্বে গত ২২ জুলাই প্রশাসন ক্যাডারের ৫০ কর্মকর্তাকে এসিল্যান্ড পদে নিয়োগের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছিল।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এসিল্যান্ড পদে পরবর্তী পদায়নের জন্য তাদের চাকরি ভূমি মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। একসাথে তাদের ভূমি মন্ত্রণালয়ে যোগদানের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ে যোগদানের পর কর্মকর্তারা ঢাকা ভূমি প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে মৌলিক ভূমি ব্যবস্থাপনা কোর্স সম্পন্ন করবেন।

এরপর ‘জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন কর্মচারীগণের পদায়ন নীতিমালা, ২০২২’ অনুসরণ করে তাদের এসিল্যান্ড পদে পদায়ন করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বায়ুদূষণে শীর্ষে লাহোর, ঢাকার বাতাস মাঝারি মানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:০২ এম


বায়ুদূষণে শীর্ষে লাহোর, ঢাকার বাতাস মাঝারি মানের

বিশ্বে জলাবায়ু পরিবর্তন ও উন্নয়নমূলক কাজ চলার কারণে বায়ুদূষণ দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। এমন অবস্থার প্রেক্ষিতে, সোমবার (১০ আগস্ট) বর্তমান বায়ুদূষণের তালিকায় বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা ২৭তম স্থানে অবস্থান করছে। ঢাকার বায়ুমান স্কোর ৭৬। বাতাসের এই অবস্থা মাঝারিমানের বলা হচ্ছে।

এই তথ্যটি সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে জানা গেছে।

আগস্টের প্রথম ৮ দিনের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, রেমিট্যান্স ৯১৫ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স অনুযায়ী, বিশ্বে বায়ুদূষণের তালিকায় ১৮৩ স্কোর নিয়ে পাকিস্তানের লাহোর দূষণের শীর্ষে অবস্থান করছে। এটি ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা, যার স্কোর ১৭৭। তৃতীয় স্থানে আছে মালয়েশিয়ার কুচিং শহর, যার স্কোর ১৭৬। পরবর্তীতে কুয়েতের কুয়েত সিটি, উগান্ডার রাজধানী কাম্পালা, এবং বাহরাইনরে মানামার মতো শহরগুলো দূষণের দিকে এগিয়ে রয়েছে।

অন্যদিকে, আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ বলে গন্য করা হয়। ৫১ থেকে ১০০ স্কোরের মধ্যে বায়ুর মান ‘মাঝারি বা সহনীয়’ ধরা হয়। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়।

১৫১ থেকে ২০০ স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসাবে বিচার করা হয়। ২০১ থেকে ৩০০ হলে সেটিকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয়। যদি স্কোর ৩০১-এর বেশি হয়, তাহলে সেটিকে ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে ধরা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলম্বিয়ার নতুন প্রেসিডেন্টের প্রথম দিনেই ১০০ কোটি ডলার দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:০৭ এম


কলম্বিয়ার নতুন প্রেসিডেন্টের প্রথম দিনেই ১০০ কোটি ডলার দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

কলম্বিয়ার নতুন ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা দায়িত্ব নেওয়ার কিছু ঘণ্টার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র কলম্বিয়াকে ১০০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এই অর্থ মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্যমতে নিরাপত্তা খাতে সহায়তা হিসেবে প্রদান করা হবে।

দে লা এসপ্রিয়েলা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ ও সমর্থক হিসেবে পরিচিত। নির্বাচনী প্রচারের সময় তিনি ট্রাম্পের বিভিন্ন নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বক্তব্য প্রদান করেছেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর তার প্রথম ভাষণে তিনি মাদক চক্র ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে 'সর্বাত্মক যুদ্ধের' ঘোষণা করেছেন। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দাবি, এই সহায়তা কলম্বিয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে 'অভিন্ন লক্ষ্য' অর্জনে সহায়তা করবে।

এতে রাজনৈতিক সংঘবদ্ধ অপরাধ, মাদক চোরাচালান এবং অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে লড়াই কঠোর করার লক্ষ্যে কাজ করা হবে। দে লা এসপ্রিয়েলার নীতির আগের আওয়ামী নেতা গুস্তাভো পেত্রোর থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে ভিন্ন। পেত্রো সশস্ত্র সংঘাত বন্ধে আলোচনাকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন। কিন্তু দে লা এসপ্রিয়েলা অপরাধী ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরছেন।

অন্যদিকে, লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশে অর্থনৈতিক সংকট, অপরাধ ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সহিংসতা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে ডানপন্থী রাজনীতির জনপ্রিয়তা বাড়ছে। দে লা এসপ্রিয়েলার জয়কে এই পরিবর্তনের সাম্প্রতিক উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর ট্রাম্পও লাতিন আমেরিকার রাজনীতিতে আরো সক্রিয় হয়েছেন। তিনি রাজনৈতিকভাবে ঘনিষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধির দিকে নজর দিয়েছেন এবং যেসব নেতার সঙ্গে মতবিরোধ রয়েছে, তাদের থেকে দূরত্ব রেখে চলেন।

কলম্বিয়ার নির্বাচনের আগে ট্রাম্প প্রকাশ্যে দে লা এসপ্রিয়েলাকে সমর্থন করেন। তিনি বলেছিলেন, দে লা এসপ্রিয়েলার পেছনে 'যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ সমর্থন ও শক্তি' রয়েছে। জুনে দে লা এসপ্রিয়েলা নির্বাচিত হওয়ার পর ট্রাম্প বলেন, তার নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র ও কলম্বিয়ার সম্পর্ক উন্নত হবে।

দে লা এসপ্রিয়েলা পেশায় আইনজীবী ও ব্যবসায়ী। তিনি নির্বাচনী প্রচারে নিজেকে প্রচলিত রাজনীতির বাইরের একজন নেতা হিসেবে তুলে ধরেন। অপরাধ দমনে তিনি 'লোহার মুষ্টি' নীতি নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকেন। প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার প্রথম সরকারি ভাষণে তিনি কঠোর অবস্থানের কথা বলেন। সামরিক ঘাঁটিতে সেনাদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি সশস্ত্র বিদ্রোহীদের দমন, দেশ পুনর্গঠন এবং 'যুক্তি দিয়ে অথবা শক্তি প্রয়োগ করে' গণতন্ত্র রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তাকে ডাকনাম 'এল তিগ্রে' বা 'দ্য টাইগার' হিসেবে পরিচিতি দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, তার সময়ে অপরাধীদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র কঠোর অবস্থান নেবে। তার নেতৃত্বে দেশে এমন কোনো জায়গা থাকবে না, যেখানে অপরাধীরা নিজেদের নিরাপদ মনে করতে পারে।

দে লা এসপ্রিয়েলার এই নীতির সঙ্গে এল সালভাদরের প্রেসিডেন্ট নায়িব বুকেলে এবং ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট দানিয়েল নোবোয়ার নেওয়া কঠোর নিরাপত্তা নীতিরের তুলনা করা হচ্ছে। তারাও অপরাধ ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালিয়েছেন। দে লা এসপ্রিয়েলার নিরাপত্তা নীতি তার পূর্বসূরি গুস্তাভো পেত্রোর নীতির সঙ্গে প্রায় পুরোপুরি বিপরীত। পেত্রো দেশের দীর্ঘদিনের সশস্ত্র সংঘাত বন্ধ করতে 'পূর্ণ শান্তি' কৌশল নিয়েছিলেন। এই সংঘাতে গেরিলা গোষ্ঠী, রাষ্ট্রীয় বাহিনী ও মাদক চক্র জড়িত ছিল। পেত্রোর কৌশলে আলোচনা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। কৃষকদের কোকা চাষ বন্ধ করতে উৎসাহ দেওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হয়।

তবে এই নীতির সমালোচকদের মতামত হলো, এতে প্রত্যাশিত ফল আসেনি। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর সংখ্যা বেড়েছে। গত বছর কলম্বিয়া-ভেনেজুয়েলা সীমান্তে প্রতিদ্বন্দ্বী বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়। এতে হাজার হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়। ট্রাম্পও কলম্বিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাচার ও অবৈধ অভিবাসন বেড়ে যাওয়ার জন্য পেত্রোর সরকার ও তার নীতিকে দায়ী করেছেন। পেত্রো লাতিন আমেরিকায় ট্রাম্পের প্রভাবের সমালোচনাও করেছেন। ভেনেজুয়েলায় প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে মাদকসংক্রান্ত অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রে বিচারের মুখোমুখি করার জন্য আটক করার বিষয়টিও তিনি সমালোচনা করেন।

পেত্রোর অভিযোগ ছিল, যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের মাধ্যমে মার্কিন কম্পানিগুলোর জন্য ভেনেজুয়েলার তেল সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হয়েছে। পেত্রো আবারেক মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি। তার সমর্থিত বামপন্থী প্রার্থী ইভান সেপেদাও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে স্বাধীন অবস্থানের কথা বলেছেন। তাদের বিবৃতি হলো, কলম্বিয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের আরেকটি 'অধীন রাষ্ট্র' হওয়ার প্রয়োজন নেই। দে লা এসপ্রিয়েলার অবস্থান সম্পূর্ণ বিপরীত। দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তিনি জানান, কলম্বিয়া ট্রাম্প প্রতিষ্ঠিত 'আমেরিকার ঢাল' নিরাপত্তা জোটে যোগ দেবে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। দপ্তর বলেছে, দে লা এসপ্রিয়েলার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিমুখী কর্মসূচি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধির এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো গভীর করার সুযোগ তৈরি করেছে।

দে লা এসপ্রিয়েলার নেতৃত্বে কলম্বিয়া এখন ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি করা লাতিন আমেরিকার ডানপন্থী সরকারগুলোর কাতারে যুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আর্জেন্টিনা। দেশটির উদারপন্থী প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলে দে লা এসপ্রিয়েলার প্রিয় নেতাদের একজন। আর্জেন্টিনা যুক্তরাষ্ট্রের কোষাগার থেকে ২০০০ কোটি ডলারের আর্থিক সহায়তা লাভ করেছে। ট্রাম্প বলেছেন, মিলের পরিবর্তে যদি কোনো বামপন্থী নেতা আর্জেন্টিনার ক্ষমতায় এলে, দেশটির প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন 'অনেকটাই ভিন্নভাবে' হবে। অন্যদিকে ভেনেজুয়েলার মাদুরো সরকারের বিরুদ্ধে নেওয়া কঠোর অবস্থানের মতো কিউবার কমিউনিস্ট সরকারের বিরুদ্ধেও একই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প।

দে লা এসপ্রিয়েলার উত্থান ও পেরুর কেইকো ফুজিমোরির রাজনৈতিক উত্থানের ফলে লাতিন আমেরিকায় বামপন্থী নেতাদের রাজনৈতিক অবস্থান আরো কঠিন হয়ে উঠছে। এটি ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার ওপরও প্রভাব ফেলছে। এই অঞ্চলে বামপন্থী সরকারের সংখ্যা কমে যাওয়ায় লুলা রাজনৈতিক মিত্র কম পাচ্ছেন। অক্টোবরে ব্রাজিলের রাজনীতিতে নতুন বড় লড়াই হতে পারে। ওই নির্বাচনে লুলার বিরুদ্ধে লড়বেন ফ্লাভিও বলসোনারো। তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর ছেলে, যিনি কারাগারে আছেন। জাইর বলসোনারো কট্টর ডানপন্থী জনতুষ্টিবাদী নেতা এবং ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। দে লা এসপ্রিয়েলা যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি ইসরায়েলের সঙ্গেও শক্তিশালী সামরিক সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন। এ ক্ষেত্রে তার অবস্থা পেত্রোর নীতির বিপরীত। গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান নিয়ে পেত্রো ইসরায়েল সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন। একপর্যায়ে তিনি ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নেন। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের অধিকার সমর্থন করেন।

আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা নিজেকে 'এল তিগ্রে' বা 'দ্য টাইগার' নামে পরিচিত করেন। তিনি একজন আইনজীবী ও ধনী ব্যবসায়ী। গণমাধ্যমে তার উপস্থিতি ভালো। নির্বাচনী প্রচারে তিনি নিজেকে প্রচলিত রাজনৈতিক ব্যবস্থার বাইরের একজন 'বহিরাগত' হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। তিনি বলেন, সরকার পরিচালনায় তিনি 'চিরাচরিত সন্দেহভাজনদের' ওপর নির্ভর করবেন না। এভাবে তিনি পেত্রোর পূর্ববর্তী কলম্বিয়ার রাজনৈতিক অভিজাতদের বোঝাতে চান। দে লা এসপ্রিয়েলা রাজধানী বোগোটায় নয়, দেশের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর ক্যালিতে প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এর মাধ্যমে তিনি কলম্বিয়ার প্রচলিত ও কেন্দ্রভিত্তিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে নিজেকে আলাদা হিসেবে দেখতে চান। রাজনীতিতে আসার আগে তিনি আইনজীবী হিসেবে সফল ক্যারিয়ার মানেন। একসময় মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যদের পক্ষের আইনজীবী হিসেবে কাজ করে থাকেন। বর্তমানে প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি একই ধরনের অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলছেন।

 

আরেক রক্ষণশীল প্রার্থী গুলিতে নিহত হওয়ার প্রায় এক মাস পর দে লা এসপ্রিয়েলা প্রেসিডেন্ট প্রার্থিতা ঘোষণা করেন। এরপর নির্বাচনী প্রচারে তাকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে প্রায়ই পাওয়া যায়। কখনো তিনি বুলেটপ্রুফ কাচের আড়াল থেকে বক্তব্য দেন, কখনো পরেন বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট। আবার কখনো কলম্বিয়ার জাতীয় ফুটবল দলের জার্সি পরে প্রচারে অংশ নিয়েছেন। দে লা এসপ্রিয়েলা বহু বছর মিয়ামিতে বসবাস ও কাজ করেছেন। ২০২৩ সাল থেকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকতা লাভ করেছেন। দে লা এসপ্রিয়েলার শপথ অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্লঁশ উপস্থিত ছিলেন। আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার সভাপতি জিয়ানি ইনফান্তিনোও সেই অনুষ্ঠানে অংশ নেন। ইনফান্তিনোর সঙ্গে দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধানও ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফিফায় ইনফান্তিনো যুগ শেষ: তেবাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:০৯ এম


ফিফায় ইনফান্তিনো যুগ শেষ: তেবাস

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর নেতৃত্বকে আর টেকসই বলে মনে করছেন না স্প্যানিশ লা লিগার সভাপতি হাভিয়ের তেবাস। তার অভিযোগ, ইনফান্তিনোর বিভিন্ন পরিকল্পনা ফুটবলের মূল ভিত্তি, বিশেষ করে জাতীয় লিগগুলোর অস্তিত্বকে হুমকির মুখে ফেলছে। যে কারণে তিনি একই সঙ্গে ফিফার নেতৃত্বে পরিবর্তনের পাশাপাশি ফুটবলের পুরো ব্যবস্থায় সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।

ফরাসি সংবাদপত্র লে মোঁদ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তেবাস সরাসরি বলেছেন, ইনফান্তিনো যুগ শেষ। তার মতে, বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রণে এখন পরিবর্তন আনার সময় এসে গেছে।

ইনফান্তিনোর পদত্যাগের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরেই সরব রয়েছেন তেবাস। বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব বিক্রি নিয়ে বিতর্ক সামনে আসার আগেই তিনি ফিফা সভাপতির পদত্যাগ দাবি করেছিলেন।

তেবাস বলেন, “আমার কাছে জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সময় অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে।” তিনি মনে করেন, “আমি সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর কারণে এটা বলছি না। তার নেতৃত্বের ধরন আমি অনেক দিন ধরেই লক্ষ করছি।”

লা লিগা সভাপতি উল্লেখ করেন, জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ফুটবলের বিকাশে কোনও অবদান রাখছেন না। বরং তার প্রকল্পগুলো ফুটবলের মূল ভিত্তি, জাতীয় লিগগুলোকে ধ্বংস করছে।

তেবাসের মতে, ফুটবল কেবল অভিজাতদের নিয়ন্ত্রণে থাকার বিষয় নয়। এজন্য তিনি বলেছেন, “একজনের পরিবর্তে আরেকজনকে বসানোর মধ্যেই সমাধান খোঁজা উচিত নয়।” বরং দরকার পুরো ব্যবস্থার সংস্কার।

তেবাস বলেন, “ফুটবল শুধু অভিজাতদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আমার কাছে ইনফান্তিনো যুগ শেষ। এখন শুধু দেখার বিষয়, সেটি কবে কার্যকর হবে এবং উত্তরসূরি কীভাবে নির্ধারিত হবে।” তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, “শুধু একজনের জায়গায় আরেকজনকে বসানো হবে না, বরং প্রকৃত সংস্কার হবে।”

ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব নিয়ে ইউরোপের ফুটবল কর্মকর্তাদের সমালোচনার সুরও সাম্প্রতিক সময়ে জোরালো হয়েছে। ৫৬ বছর বয়সী এই সুইস কর্মকর্তাকে ফিফা সভাপতির পদ থেকে সরাতে ইউরোপের বেশ কয়েকটি ফুটবল সংস্থা অবস্থান নিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

নরওয়ের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনও ইনফান্তিনোর পদত্যাগ দাবি করেছে। পাশাপাশি কয়েকটি ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা ইনফান্তিনোর পরবর্তী মেয়াদের পক্ষে দেওয়া সমর্থনপত্র প্রত্যাহার করেছে। উয়েফার মধ্যেও বিশ্ব ফুটবলের নেতৃত্বে ইনফান্তিনোর থাকা নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে, ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব নিয়ে ইউরোপীয় ফুটবলে যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে, তেবাসের সর্বশেষ মন্তব্য সেই বিতর্ককে আরও উসকে দিল।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%