ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়কে বালুর স্তূপ, বাড়ছে দুর্ঘটনা ও পরিবেশ দূষণের ঝুঁকি


রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়কে বালুর স্তূপ, বাড়ছে দুর্ঘটনা ও পরিবেশ দূষণের ঝুঁকি

রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে রাস্তার সংলগ্ন বিশাল বালুর স্তূপ তৈরি করা হয়েছে। প্রতিদিন ড্রেজার এবং ডাম্প ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনের মাধ্যমে বালু এনে সড়কের পাশে স্তূপ করা হচ্ছে। বালু বিক্রি হলে সেগুলোও ট্রাকে তোলা হচ্ছে। বালুর স্তূপগুলো মূল সড়ক পর্যন্ত ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকায়, সড়ক দিয়ে চলাচলকারী যানবাহনের চালক ও যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

বিশেষ করে, হালকা বাতাস হলেই উড়ন্ত বালু চালকদের চোখে-মুখে এসে পড়ছে। এর ফলে যানবাহন নিয়ন্ত্রণে বিঘ্ন ঘটছে এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কা দিন দিন বাড়ছে। মোটরসাইকেল, সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ ছোট যানবাহনের চালকদের সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। পাশাপাশি, বালু উড়ে পরিবেশও দূষিত হচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়কের গোদাগাড়ী উপজেলার সোনাদিঘী, গোপালপুর, বিজয়নগর, সারেংপুর, জৈতগশাই, সুলতানগঞ্জ, গাংগোবাড়ী ও মহিশালবাড়ীসহ প্রায় ১৫টি স্থানে মহাসড়ক ঘেঁষে এভাবে বালুর স্তূপ রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন: মেহেন্দিগঞ্জে পুলিশের অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার

স্থানীয় অটোরিকশাচালক দুলাল মন্তব্য করেন, "এই মহাসড়ক দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করি। বাতাস উঠলেই বালু উড়ে চোখে ঢুকে যায়, সামনে কিছু দেখা যায় না। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।"

গোদাগাড়ী পৌরসভা এলাকার ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি ও মোটরসাইকেলচালক ওবাইদুল্লাহ বলেন, "রাস্তার পাশে বালুর স্তূপ থাকায় আমাদের চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়। এগুলো দ্রুত সরানো না হলে যেকোনো মুহূর্তে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।"

সুলতানগঞ্জ গাংগোবাড়ী এলাকার বালু ব্যবসায়ী আব্দুল করিম জানান, "রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে বৈধভাবে সর্বোচ্চ দর দিয়ে আমরা ইজারা নিয়েছি। বালুর কারণে কিছুটা সমস্যা হয়, তা অস্বীকার করার কিছু নেই। তবে এখন পর্যন্ত কেউ আমাদের কাছে এ নিয়ে কোনো অভিযোগ করেননি।"

গোদাগাড়ী নাগরিক স্বার্থ-সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট সালাউদ্দীন বিশ্বাস বলেন, "এভাবে সড়কের পাশে বালুর ব্যবসা চলায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, অথচ প্রশাসন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না।"

আরও পড়ুন: বাকেরগঞ্জে নববধূকে ধর্ষণের অভিযোগে দুলাভাই ও চাচা শ্বশুর গ্রেফতার

নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) রাজশাহী জেলার সভাপতি অ্যাডভোকেট তৌফিক আহমেদ টিটু বলেন, "রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়কটি তুলনামূলক সরু দুই লেনের। সেখানে সব সময় যানবাহনের চাপ থাকে এবং বেশ কিছু বিপজ্জনক বাঁক রয়েছে। বালুর ব্যবসার কারণে এখন ঝুঁকি আরও বহুগুণ বেড়ে গেছে। মহাসড়কের পাশে এভাবে বালু রাখা কিছুতেই কাম্য নয়।"

জানতে চাইলে গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান বলেন, "মহাসড়কের পাশে বালু রেখে ব্যবসা করা অত্যন্ত গর্হিত কাজ। সড়ক ও জনপথ বিভাগ তা সরানোর উদ্যোগ নিলে উপজেলা প্রশাসন অবশ্যই তাদের সহযোগিতা করবে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেবে।"

রাজশাহী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবিব জানান, "সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী, মহাসড়কের অন্তত ৩৩ ফুটের মধ্যে কোনো স্থাপনা বা ব্যবসা পরিচালনা করার অনুমতি নেই। নিয়ম অমান্য করে কেউ সড়কের ওপর বা পাশ ঘেঁষে বালু রাখলে, তা অপসারণ ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার মূল দায়িত্ব স্থানীয় প্রশাসন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসনের।"

এ বিষয়ে রাজশাহী পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক তাছমিনা খাতুন বলেন, "সড়ক-মহাসড়ক ও জনবসতিপূর্ণ এলাকায় বালু স্তূপ করে ব্যবসা বা মজুত করা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এবং দণ্ডনীয় অপরাধ। বালুর ব্যবসা করতে হলে অবশ্যই তা পলিথিন বা অন্য কিছু দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে এবং পরিবহনের সময়ও বালু ঢেকে রাখা বাধ্যতামূলক। এ বিষয়ে নোটিশ দিয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: সলঙ্গাকে উপজেলা বানানোর আশাবাদ এমপি আয়নুল হকের

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারী ক্রিকেটে ৮ বিভাগে কোচ নিয়োগ চূড়ান্ত, দায়িত্ব পাচ্ছেন ৮ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫৪ পি.এম


নারী ক্রিকেটে ৮ বিভাগে কোচ নিয়োগ চূড়ান্ত, দায়িত্ব পাচ্ছেন ৮ জন

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) দেশের নারী ক্রিকেটের উন্নয়ন ও তৃণমূল পর্যায়ে খেলাটির বিস্তার ঘটানোর জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে স্কুল ক্রিকেট চালুর পাশাপাশি বিভাগীয় পর্যায়ে কোচ নিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে, সেই উদ্যোগ বাস্তবায়নের পথে রয়েছে। নারী ক্রিকেটের জন্য আট বিভাগে কোচ নিয়োগ চূড়ান্ত করেছে বিসিবি।

বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, আট বিভাগে মোট আটজন প্রধান কোচ নিয়োগ দেওয়া হবে। তাদের মধ্যে পাঁচজন নারী এবং তিনজন পুরুষ কোচ অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। এছাড়া, বিভাগীয় পর্যায়ে সহকারী কোচ ও ম্যানেজার নিয়োগের বিষয়টিও চূড়ান্ত করা হয়েছে।

কোচ নিয়োগের প্রক্রিয়ায় সাবেক ক্রিকেটার এবং লেভেল-১ কোচিং সনদধারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। তালিকায় জাতীয় দল ও ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলা একাধিক সাবেক ক্রিকেটারও রয়েছেন।

বিসিবির এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিভাগীয় পর্যায়ে নারী ক্রিকেটারদের প্রশিক্ষণ ও পরিচর্যার সুযোগ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে, তৃণমূল থেকে প্রতিভাবান ক্রিকেটার তুলে এনে নারী ক্রিকেটের পাইপলাইন আরও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে বোর্ড কাজ করছে।

কোন বিভাগে কারা দায়িত্ব পাচ্ছেন চলুন দেখে নেওয়া যাক-

ঢাকা বিভাগ

মাকসুদা লিজা : ম্যানেজার

রেশমা আক্তার আদুরী: প্রধান কোচ

নাদেজা মুনতাহা: সহকারী কোচ

বরিশাল বিভাগ

মাহমুদুল হায়দার: সহকারী কোচ

আখতারুজ্জামান নয়ন: প্রধান কোচ

মুর্শিদা নাজনীন: ম্যানেজার

চট্টগ্রাম বিভাগ

মোহাম্মদ দিদারুল আলম চৌধুরী: ম্যানেজার

মোহাম্মদ ইসমাইল: কোচ

পারমিতা দত্ত: সহকারী কোচ

রংপুর বিভাগ

মনিকা আক্তার আশা: ম্যানেজার

আরিফা জাহান বীথি: প্রধান কোচ

মুর্শেদা খাতুন সোমা: সহকারী কোচ

খুলনা বিভাগ

সুলতানা ইয়াসমিন: ম্যানেজার

আয়েশা রহমান শুকতারা: প্রধান কোচ

তাজিয়া আক্তার: সহকারী কোচ

সিলেট বিভাগ

আল ওয়াদুদ সুইট: প্রধান কোচ

শাহনাজ পারভীন: সহকারী কোচ

সেলিনা আক্তার চৌধুরী: ম্যানেজার

রাজশাহী বিভাগ

পান্না ঘোষ: প্রধান কোচ

মোহাম্মদ সান: সহকারী কোচ

ইমরুল কায়েস: ম্যানেজার

ময়মনসিংহ বিভাগ

মৃদুল: প্রধান কোচ

লিলি রানী বিশ্বাস: সহকারী কোচ

সুজন: ম্যানেজার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতিসংঘের প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য সম্মেলনের শেষ দিনেও সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি দেশগুলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫৫ পি.এম


জাতিসংঘের প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য সম্মেলনের শেষ দিনেও সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি দেশগুলো

প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বিশ্বনেতাদের নেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য নতুন উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে বিভিন্ন দেশ এখনো কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি। শুক্রবার অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের জীববৈচিত্র্য সম্মেলন কপ-১৭ এর শেষ দিনের আলোচনায় এ পরিস্থিতি দেখা গেছে।

সংবাদ সংস্থা এএফপি’র প্রতিবেদনে জানা যায়, আর্মেনিয়ায় আয়োজিত এই সম্মেলনে বিশ্বের অধিকাংশ দেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তবে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা আলোচনা ও দর-কষাকষির পরও গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয়ে দেশগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য বিদ্যমান রয়েছে।

সরকারি ভর্তুকি কীভাবে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর তা কমানো হবে, পৃথিবীর স্থলভাগ ও সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় অর্থায়ন কীভাবে বৃদ্ধি করা হবে এবং জাতিসংঘের তহবিলশূন্য সংরক্ষণ তহবিলে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক অবদান কীভাবে বাড়ানো যাবে—এসব বিষয়ে দেশগুলো এখনো একমত হতে পারেনি।

এছাড়া, প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বিশ্বব্যাপী নেওয়া অঙ্গীকারগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্য বহুল প্রতীক্ষিত প্রতিবেদন নিয়েও কোনো সমঝোতা হয়নি। শুক্রবারের আগেই এটি অনুমোদিত হবে বলে আশা করা হয়েছিল।

১৯ অক্টোবর আলোচনা শুরু হওয়ার পর থেকে দেশগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য দূর করে সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা চলছে। তবে অগ্রগতি হয়েছে ধীরগতিতে এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বড় কোনো অগ্রগতি এখনো দেখা যায়নি।

গ্রিনপিস ইন্টারন্যাশনালের প্রতিনিধি আইরিন ওয়াবিউয়া বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বলেন, "আলোচনা থেকে আমাদের সুনির্দিষ্ট অগ্রাধিকারগুলো বেরিয়ে আসতে হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে এখনো তা দেখা যাচ্ছে না।"

ইয়েরেভানে সম্মেলনের শেষ দিন জাতিসংঘের জীববৈচিত্র্যবিষয়ক প্রধান অ্যাস্ট্রিড শুমাখার বলেন, দেশগুলোকে অভিন্ন অবস্থানে পৌঁছাতে সাহসী ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ নিতে হবে। জাতিসংঘের জীববৈচিত্র্যবিষয়ক কনভেনশনের নির্বাহী সচিব শুমাখার বলেন, "আমাদের সামনে থাকা সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা শেষ করতে এখন ধৈর্য ও দৃঢ়তার সঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে।"

প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের মুখে

২০২২ সালে বিশ্বের প্রায় ২০০টি দেশ প্রকৃতির অবক্ষয় ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংস বন্ধ এবং পরিস্থিতির উন্নয়নে ঐতিহাসিক অঙ্গীকার করেছিল। ওই চুক্তিকে ‘প্রকৃতির জন্য প্যারিস চুক্তি’ হিসেবে অভিহিত করা হয়।

এই চুক্তির আওতায় ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য ২৩টি বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পৃথিবীর স্থলভাগ ও সমুদ্রের অন্তত ৩০ শতাংশ সংরক্ষণ, পরিবেশদূষণ ও ক্ষতিকর আগ্রাসী প্রজাতি নিয়ন্ত্রণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধার।

তবে দ্বিবার্ষিক এ সম্মেলনের আগে জাতিসংঘের এক মূল্যায়ন প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে যে, নির্ধারিত প্রায় সব লক্ষ্য অর্জনের জন্য বর্তমান উদ্যোগ যথেষ্ট নয়।

এবারের সম্মেলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ‘বৈশ্বিক অগ্রগতি পর্যালোচনা’। এর মাধ্যমে পিছিয়ে থাকা অঙ্গীকারগুলো বাস্তবায়নে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ প্রণয়ন এবং ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার পরিকল্পনা নেওয়ার কথা।

কিন্তু কয়েক দিনের দীর্ঘ আলোচনা ও দর-কষাকষির পরও এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

প্রকৃতি সংরক্ষণবিষয়ক সংস্থা ফনা অ্যান্ড ফ্লোরার প্রতিনিধি ক্যাথরিন ওয়েলার বলেন, "আমাদের গ্রহের মূল্যবান জীববৈচিত্র্য যখন চারদিক থেকে ক্রমাগত ধ্বংসের মুখে পড়ছে, তখন এই সুযোগকে কোনোভাবেই হাতছাড়া হতে দেওয়া যায় না।"

বিশ্বজুড়ে প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কার্যক্রমে অর্থ জোগানোর নতুন উৎস খুঁজে বের করাও সম্মেলনের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। সরকারি বাজেটের ওপর চাপ বাড়তে থাকায় বিষয়টি নিয়ে দেশগুলোর মধ্যে মতবিরোধ আরও জটিল হয়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) চীনসহ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী উদীয়মান দেশগুলোকে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে অর্থায়নে যুক্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এ নিয়ে আলোচনা কার্যত অচলাবস্থায় পড়েছে।

এ ছাড়া ‘ক্যালি ফান্ড’ নামে জাতিসংঘের একটি তহবিলকে আরও কার্যকর করার উদ্যোগও বাধার মুখে পড়েছে। উদ্ভিদ ও অন্যান্য জীবের জিনগত তথ্য ব্যবহার করে মুনাফা অর্জনকারী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে তা জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কাজে লাগানোর উদ্দেশ্যে এই তহবিল গঠন করা হয়েছে।

২০২৫ সালের শুরুতে চালু হওয়া এ তহবিলের মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে প্রকৃতি সংরক্ষণের জন্য বছরে ১০০ কোটি ডলার সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত এতে জমা পড়েছে মাত্র প্রায় ১০ হাজার ডলার।

এর আগে ২০২৪ সালে কলম্বিয়ায় অনুষ্ঠিত সর্বশেষ জীববৈচিত্র্য সম্মেলনেও সংরক্ষণ কার্যক্রমে অর্থায়ন নিয়ে দেশগুলোর মধ্যে দীর্ঘ দর-কষাকষি হয়। নির্ধারিত সময়ের পরও আলোচনা চললেও কোনো চুক্তি ছাড়াই সম্মেলন শেষ হয়। পরে ২০২৫ সালের শুরুর দিকে রোমে পুনরায় আলোচনা শুরু হলে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়।

এদিকে শুক্রবারের সম্মেলনে ২০২৮ সালে পরবর্তী জীববৈচিত্র্য সম্মেলনের আয়োজক দেশ হিসেবে পানামা নাকি ইকুয়েডরকে নির্বাচন করা হবে, সে সিদ্ধান্তও নেওয়ার কথা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দীঘিনালায় দুই বৌদ্ধবিহারের কঠিন চীবরদান পরিদর্শনে জোন কমান্ডার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মো. লোকমান হোসেন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫৫ পি.এম


দীঘিনালায় দুই বৌদ্ধবিহারের কঠিন চীবরদান পরিদর্শনে জোন কমান্ডার

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব কঠিন চীবরদান উপলক্ষে দীঘিনালা বনবিহার ও কামুকাছড়া বনবিহার পরিদর্শন করেছেন দীঘিনালা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আল-আমিন, এসইউপি, পিএসসি।

বৃহস্পতিবার রাতে তিনি পৃথকভাবে দুই বিহার পরিদর্শন করেন। এ সময় বিহারে উপস্থিত ভিক্ষুসংঘ, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, বিহার পরিচালনা কমিটির সদস্য ও স্থানীয়দের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং উৎসবের সার্বিক খোঁজখবর নেন।

পরিদর্শনকালে দীঘিনালা জোনের ভারপ্রাপ্ত উপ-অধিনায়ক মেজর মো. তৌকির আহমেদ, এসইউপি, পিএসসি, দীঘিনালা থানার অফিসার ইনচার্জ ইকবাল বাহার চৌধুরী, জনপ্রতিনিধি, বিহার পরিচালনা কমিটির সদস্য এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় দীঘিনালা জোনের পক্ষ থেকে বিহার পরিচালনা কমিটির হাতে প্রীতি উপহার তুলে দেওয়া হয়।

জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আল-আমিন বলেন, জাতি, ধর্ম ও বর্ণনির্বিশেষে সব সম্প্রদায়ের মধ্যে শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখতে দীঘিনালা জোন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

ধর্মীয় উৎসবে জোন কমান্ডারের উপস্থিতি ও শুভেচ্ছা বিনিময়ে স্থানীয়দের মধ্যে আন্তরিকতার পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাপ্তাহিক ছুটিতে ঢাকায় রয়েছে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজন; দেখে নিন একনজরে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫৫ পি.এম


সাপ্তাহিক ছুটিতে ঢাকায় রয়েছে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজন; দেখে নিন একনজরে

আজ শুক্রবার, সপ্তাহজুড়ে কাজের ব্যস্ততার পর ছুটির দিন শুরু হয়েছে। রাজধানীতে পরিবার, বন্ধু এবং প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য রয়েছে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজন। কনসার্ট, মঞ্চনাটক, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী, স্ট্যান্ডআপ কমেডি, হ্যালোইন উৎসব, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও বাউলগানের আসরসহ বিনোদনের নানা বিকল্প রয়েছে। গুলশানের শরৎ উৎসব থেকে শুরু করে আগারগাঁওয়ের মেটাল কনসার্ট পর্যন্ত, আজকের উল্লেখযোগ্য আয়োজনগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাক।

গুলশানে শরৎ উৎসবে গাইবে কাকতাল

গুলশান শুটিং ক্লাবে চলছে ‘ঢাকা সোশ্যালস—দ্য অটাম ফেস্ট ২০২৬’। আজ শুক্রবার উৎসবের দ্বিতীয় দিনে কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে। এতে সংগীত পরিবেশন করবেন কাকতাল, শুভ্র ও ব্ল্যাক জ্যাং। কনসার্টটি সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় শুরু হবে এবং রাত সাড়ে আটটায় কাকতাল মঞ্চে উঠবে।

আগারগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে সাত ব্যান্ডের মেটাল কনসার্ট। জাতীয় গ্রন্থাগার মিলনায়তনে বসছে ‘ডাক্কা আন্ডারগ্রাউন্ড থ্রি’ শীর্ষক এই কনসার্ট। বেঙ্গল লিজিয়নস ও এইস অব স্পেডসের আয়োজনে সাতটি ব্যান্ড—ওয়ারহাউন্ড, ওল্ড উইচ সেমেটারি, ক্রনিকলস, ফেরাল ম্যাসাকার, অবনক্সিয়াস, স্টোনড কোভেন ও রাটজাচ অংশগ্রহণ করবে। কনসার্টের প্রবেশদ্বার বেলা আড়াইটায় খুলবে এবং সংগীত পরিবেশনা চলবে বেলা তিনটা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত। টিকিটের মূল্য ৫০০ টাকা।

বনানীতে ‘বিয়ে ব্যাশ’

বনানীর কামাল আতাতুর্ক পার্কে আজ শুরু হচ্ছে দুই দিনের উৎসব ‘বিয়ে ব্যাশ’। বিয়ের থিমে এই আয়োজনে বিভিন্ন কার্যক্রম ও সরাসরি সংগীত পরিবেশনা থাকবে। ব্লুজিনস ব্যান্ডের গান পরিবেশন করবে, তবে আজ নাকি আগামীকাল মঞ্চে উঠবে, তা নিশ্চিত নয়। উৎসবটি শনিবার পর্যন্ত চলবে।

শিল্পকলায় আজ সন্ধ্যা সাতটায় মঞ্চস্থ হবে নাটক ‘শুভঙ্কর হাত ধরতে চেয়েছিল’। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পটভূমিতে নির্মিত নাটকটি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পরীক্ষণ থিয়েটার মিলনায়তনে তীরন্দাজ রেপার্টরি দ্বারা মঞ্চায়িত হবে। নাটকটির নাট্যরূপ দিয়েছেন ঋজু লক্ষ্মী অবরোধ এবং নির্দেশনায় রয়েছেন দীপক সুমন। স্বপ্ন, বঞ্চনা, বৈষম্য ও প্রতিবাদের গল্প নিয়ে নাটকটির কেন্দ্রীয় চরিত্র শুভঙ্কর। নাটকের কাহিনি এক তরুণের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায়, যিনি বৈষম্যহীন সমাজের স্বপ্ন নিয়ে রাজপথে নেমেছেন।

উত্তরায় স্ট্যান্ডআপ কমেডি

হাস্যরসের মাধ্যমে জীবনের বিচিত্র অভিজ্ঞতা ও বিব্রতকর মুহূর্ত উপভোগ করতে চাইলে উত্তরার অ্যালবিয়ন আর্ট গ্যালারিতে যেতে পারেন। উত্তরার ৭ নম্বর সেক্টরের লেক ড্রাইভ রোডে অবস্থিত এই ভেন্যুতে আজ সন্ধ্যা সাতটায় ‘ব্যাড আইডিয়া’ শীর্ষক স্ট্যান্ডআপ কমেডি অনুষ্ঠান শুরু হবে। স্ট্যান্ডআপ ঢাকার আয়োজনে অনুষ্ঠানে জীবনের নানা ভুল সিদ্ধান্ত, অদ্ভুত অভিজ্ঞতা ও বিব্রতকর পরিস্থিতির গল্প উঠে আসবে। অনুষ্ঠানটি রাত নয়টা পর্যন্ত চলবে।

যমুনা ফিউচার পার্কে হ্যালোইন উৎসব

হ্যালোইন উপলক্ষে আজ যমুনা ফিউচার পার্কের মহল কনভেনশন হলে ‘হন্টেড হ্যালোইন নাইট অ্যাট ঢাকা ২০২৬’ আয়োজন করা হয়েছে। উৎসবে কসপ্লে, ম্যাজিক শো, মুখোশের নাচ, সরাসরি সংগীত পরিবেশনা ও ডিজে শো থাকবে। দর্শনার্থীদের জন্য ফেস পেইন্টিং, ফটো জোন ও বিভিন্ন গেমসের ব্যবস্থা থাকবে। প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, আয়োজনটি দুপুর ১২টা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত চলবে। তবে যাওয়ার আগে আয়োজকদের কাছ থেকে সময়সূচি নিশ্চিত করে নেওয়া ভালো।

ধানমন্ডিতে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের দর্শকদের জন্য আজ শুরু হচ্ছে ‘ফিল্ম ফিয়েস্তা টেক ০৬’। এবারের প্রদর্শনীর বিষয় ‘আনক্যানি’। এতে ছয়টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র—‘নাই’, ‘নট আ ফিকশন’, ‘মারভেন’, ‘নামাজ শিক্ষা’, ‘জিন্নাহ ইজ ডেড’ ও ‘আজ আমার পালা’ দেখানো হবে। চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর পাশাপাশি নির্মাতাদের সঙ্গে আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর পর্ব থাকবে। এতে অংশগ্রহণ করবেন নির্মাতা কৃষ্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায় ও ভিকি জাহেদ। প্রদর্শনী বিকেল চারটায় শুরু হবে এবং দর্শকদের প্রবেশ শুরু হবে বেলা তিনটায়। অনুষ্ঠানটি রাত আটটা পর্যন্ত চলবে। অনলাইনে টিকিটের মূল্য ৩৫০ টাকা এবং সরাসরি অনুষ্ঠানস্থল থেকে টিকিট কিনলে ৪০০ টাকা দিতে হবে।

ঢাকা কলেজে জাতীয় সাংস্কৃতিক উৎসব

আজ ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাসে শুরু হচ্ছে ‘ডিসিসিসি ন্যাশনাল কালচারাল ফিয়েস্তা ২০২৬’। ঢাকা কলেজ কালচারাল ক্লাবের আয়োজনে এটি উৎসবটির চতুর্থ আসর। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই উৎসবে সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি, বক্তৃতা, অভিনয়, বিতর্ক এবং শিল্প ও কারুশিল্পবিষয়ক বিভিন্ন প্রতিযোগিতা থাকবে। শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক প্রতিভা তুলে ধরার পাশাপাশি নিজেদের মধ্যে সৃজনশীল ভাবনা বিনিময়ের সুযোগ করে দেবে এই আয়োজন।

টিএসসিতে হালিম বয়াতি স্মরণোৎসব

আজ ৩০ অক্টোবর সাধক ও লোকসংগীতশিল্পী হালিম বয়াতির ৯৬তম জন্মবার্ষিকী। এ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) পায়রা চত্বরে ‘হালিম বয়াতি স্মরণোৎসব ২০২৬’ আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানটি বেলা তিনটায় শুরু হবে। প্রথম পর্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং এরপর বসবে বাউলগানের আসর। এ আয়োজনে প্রকাশ করা হবে হালিম বয়াতিকে নিয়ে একটি স্মারকগ্রন্থ।

আয়োজনে গান পরিবেশন করবেন আলেয়া বেগম, ফকির আবুল সরকার, লতা দেওয়ান, রুমা সরকার, মুক্তা সরকার, সৈয়দ আশিকুর রহমান, বিমান চন্দ্র বিশ্বাস, বগা তালেব, আকাশ গায়েন, শাহ মোহাম্মদ শিপন, সোহাগ প্রামাণিক, খোকন চিশতি, মারুফ মৃন্ময়, জয়িতা অর্পা, সানজিদা প্রমি, ইমরান হোসাইন, অভিবাদন দাস, নবীন কিশোর গোস্বামী, নাজমুল সরকার, রহমান জনি, মনিরুজ্জামান খান ও মাহাবুব খালাসী।

হালিম বয়াতি মাত্র সাত বছর বয়সে গান গাওয়া শুরু করেন। দেহতত্ত্ব, শরিয়ত, মারফত, হকিকত ও তরিকত নিয়ে গান রচনা করেছেন তিনি। তাঁর পাঁচ হাজারের বেশি গান ‘হালিম সংগীত’ নামে পরিচিত। লোকসংগীতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০১ সালে বাংলা একাডেমি তাঁকে সম্মানসূচক ফেলোশিপ প্রদান করে। এছাড়া তিনি কবি জসীমউদ্‌দীন গবেষক স্বর্ণপদক পেয়েছেন। ২০০৭ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তিনি মারা যান।

যাত্রা বিরতিতে টুটুল ফকিরের গান

আজ সন্ধ্যায় বনানীর যাত্রা বিরতিতে সংগীত পরিবেশন করবেন টুটুল ফকির। ‘সাঁইয়ের বাণী, মনের সন্ধানে’ শিরোনামের এ আয়োজনে লালন সাঁইয়ের গান, বাণী ও দর্শন পরিবেশন করা হবে। পাশাপাশি সাধু-সঙ্গের ঐতিহ্যবাহী আচার ও আবহের মধ্য দিয়ে লালন-দর্শনের নানা দিক তুলে ধরা হবে। দর্শনীর বিনিময়ে শ্রোতারা অনুষ্ঠানটি উপভোগ করতে পারবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%