বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:০৬ পি.এম
চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক চাঁদপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে দালালদের কার্যকলাপ ও সেবার মান যাচাই করার জন্য একটি ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের সময় তিনি পাসপোর্ট অফিসে দালালির অভিযোগে তিনজনকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে পাসপোর্ট অফিস পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানতে চান, পাসপোর্ট সেবা নিতে গিয়ে কেউ হয়রানি, অনিয়ম বা দুর্নীতির শিকার হচ্ছেন কি না।
এরপর শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক মন্তব্য করেন, "পাসপোর্ট অফিসে এসে যা দেখলাম, আসলেই এখানকার পরিবেশ ভালো না।" তিনি দেশের উন্নয়ন এবং সেবার মান নিশ্চিত করতে সবার সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, "আপনারা মাঝেমধ্যে পাসপোর্ট অফিসে এসে খোঁজখবর রাখবেন। আমরা চাঁদপুর পাসপোর্ট অফিসকে দুর্নীতিমুক্ত ও দালালমুক্ত হিসেবে দেখতে চাই।"
তিনি সাধারণ মানুষের জন্য পাসপোর্ট সেবা সহজলভ্য করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন।
চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ আহমেদ জানান, আটক তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নৌপথে যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করার জন্য ঈদের মতো শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটিতে বাড়তি প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান। তিনি উল্লেখ করেন, ঘাটগুলো সচল রাখার পাশাপাশি যাত্রীদের নিরাপত্তায় ভ্রাম্যমাণ আদালত, পুলিশ, কোস্ট গার্ড ও নৌপুলিশ দায়িত্ব পালন করবে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া লঞ্চ ও ফেরিঘাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
রাজিব আহসান আরও বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজার পাঁচ দিনের ছুটিতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি গ্রামে ফেরা অন্যান্য যাত্রীরাও যাতে কোনো ধরনের ভোগান্তিতে না পড়েন, সে জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ঘাটে কোনো সমস্যা দেখা দিলে যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক রাখতে বিকল্প ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তিনি একই সঙ্গে সড়ক পথ এবং রেল পথের জন্যও বাড়তি প্রস্তুতির কথা উল্লেখ করেন।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী পাটুরিয়া লঞ্চ ও ফেরি ঘাটগুলোর বর্তমান পরিস্থিতি সরেজমিনে ঘুরে দেখেন। এসময় ফেরিতে পার হতে আসা যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে ঘাটের বিষয়ে খোঁজ-খবর নেন তিনি।
এছাড়া, পরিদর্শনকালে বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান মো. মহিদুল ইসলাম, শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনীষা রানী কর্মকারসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নরসিংদীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় এক শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া, এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ১১ জন। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) জেলার রায়পুরা, শিবপুর ও বেলাব উপজেলায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুর ২টার দিকে নরসিংদীর আরশিনগর সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে পাঁচ যাত্রী নিয়ে একটি অটোরিকশা রায়পুরার দিকে যাচ্ছিল। পথের মধ্যে হাসনাবাদ অতিক্রম করে মাহমুদনগর ১০ নম্বর সেতুর কাছে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি অটোরিকশার সঙ্গে সেটির মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। সংঘর্ষের ফলে একটি অটোরিকশা সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায় এবং অন্যটি উল্টে যায়।
পরে স্থানীয়রা আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে উজ্জ্বল শীল (৩৫) নামের এক যাত্রীকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। নরসিংদী সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. ফরিদা গুলশানারা কবির জানান, দুপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ১২ জনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে একজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। আহতদের মধ্যে একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। বাকিরা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
এদিকে, বৃহস্পতিবার সকালে শিবপুর উপজেলার শিবপুর কলেজ গেট এলাকায় চলন্ত ইটবাহী ট্রলি থেকে ছিটকে পড়ে চাকার নিচে পিষ্ট হয়ে মো. ছাব্বির মিয়া (১৯) নামের এক শ্রমিক নিহত হন। তিনি উপজেলার মাছিমপুর ইউনিয়নের ধানুয়া গ্রামের মো. মাসুদ মিয়ার ছেলে।
একই দিন সকালে বেলাব উপজেলার পাটুলি নদীপাড় এলাকায় ইটবাহী ট্রলির চাপায় আলিশা আক্তার নোহা (৩) নামের এক শিশু ঘটনাস্থলেই মারা যায়। সে পাটুলি গ্রামের কাশেম মিয়ার মেয়ে।
শিবপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কোহিনূর মিয়া, বেলাব থানার ওসি এস এম আমানউল্লাহ এবং রায়পুরা থানার ওসি মজিবুর রহমান তিনটি দুর্ঘটনায় মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রায়পুরা থানার ওসি মজিবুর রহমান বলেন, দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। তার মরদেহ বর্তমানে নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) পূর্বাভাস দিয়েছে যে, ২০২৭ সালের মধ্যে ভারত জাপানকে ছাড়িয়ে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
আইএমএফ জানিয়েছে, চলতি বছরে জাপান নামমাত্র মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) দিক থেকে চতুর্থ বৃহত্তম দেশ হিসেবে থাকবে। তবে ২০২৭ সালে ভারত ৪.৫২ ট্রিলিয়ন ডলারের জিডিপি নিয়ে জাপানের স্থান দখল করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৭ সালে ভারত ও যুক্তরাজ্য উভয়ের পেছনে পড়ে ষষ্ঠ স্থানে চলে যাবে জাপান।
বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রতিকূলতা সত্ত্বেও ভারত সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি প্রদর্শন করেছে। এই সপ্তাহে আইএমএফ ২০২৬ সালের জন্য ভারতের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.০ শতাংশে উন্নীত করেছে।
অন্যদিকে, জাপান ক্রমবর্ধমান বয়স্ক জনসংখ্যা এবং অন্যান্য কাঠামোগত সমস্যায় ভুগছে, যার ফলে এই এশীয় পরাশক্তির প্রবৃদ্ধি স্থবির হয়ে পড়েছে।
আইএমএফ-এর এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণ শ্রীনিবাসন মন্তব্য করেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বর্তমান জ্বালানি সংকটে ভারত একটি শক্তিশালী অবস্থান থেকে মোকাবেলা করেছে।
তিনি বলেন, চলতি বছর ভারতের অর্থনীতির মৌলিক ভিত্তিগুলো যথেষ্ট মজবুত ছিল। তাদের প্রবৃদ্ধি শক্তিশালী। রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় বিচক্ষণতার পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ করেছে। ফলে চলমান ধাক্কা তারা ভালোভাবে সামাল দিতে পেরেছে।
জাপানে প্রবৃদ্ধি ২০২৬ সালে কমে ০.৭ শতাংশে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ও ব্যাপক মুদ্রাস্ফীতির কারণে দেশটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার ফলে ব্যাংক অফ জাপান সুদের হার গত তিন দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উন্নীত করেছে।
দীর্ঘদিন ধরে মুদ্রা সংকোচনের সমস্যায় জর্জরিত জাপানে ২০২২ সালের বসন্তকাল থেকে ভোক্তাপণ্যের দামে ধারাবাহিক বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে এবং ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের আকাশছোঁয়া দাম এই বৃদ্ধিকে আরো ত্বরান্বিত করেছে।
গ্রীষ্মকালে ডলারের বিপরীতে জাপানি ইয়েনের দর ৪০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসায় আমদানির খরচ আরো বেড়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে দেশটির ক্রমবর্ধমান বয়স্ক জনসংখ্যাও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
একসময় যাঁর কণ্ঠে মুখর ছিল শ্রেণিকক্ষ, যাঁর পাঠে গড়ে উঠেছে অসংখ্য শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ, সেই প্রিয় শিক্ষক প্রবোধ কুমার চাকমাকে বিদায় জানাতে একত্রিত হয়েছিলেন তাঁর বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘ ২৬ বছরের শিক্ষকতা জীবনের ইতি টেনে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) অবসরে গেলেন খাগড়াছড়ির দীঘিনালার হাচিনসনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক প্রবোধ কুমার চাকমা। প্রিয় শিক্ষকের বিদায়কে স্মরণীয় করে রাখতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আয়োজন করে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের।
শিক্ষক-শিক্ষার্থী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও অতিথিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় আবেগ, স্মৃতিচারণ ও ভালোবাসার মিলনমেলায়। সহকর্মীদের শ্রদ্ধা আর শিক্ষার্থীদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে বিদায় নেন দীর্ঘদিনের এই শিক্ষক। তাঁর কর্মজীবনের অবসান ঘটলেও শিক্ষার্থীদের জীবনে রেখে যাওয়া শিক্ষা ও স্মৃতি অমলিন থাকবে—এমন প্রত্যাশা ছিল উপস্থিত সবার।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০০০ সালে হাচিনসনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগ দেন প্রবোধ কুমার চাকমা। এরপর প্রায় ২৬ বছর ধরে তিনি এ বিদ্যালয়ে পাঠদান করেন। দীর্ঘ এই সময়ে অসংখ্য শিক্ষার্থীকে শিক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের জীবনের পথচলায় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির উপদেষ্টা মাসুদ রানা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আরিফুল ইসলাম জাহিদ, দীঘিনালা উপজেলা বিএনপির সভাপতি শফিকুল ইসলাম, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আবদুর রহিম, সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদিন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোতালেব হোসেনসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি জাহেদুল ইসলাম। সঞ্চালনা করেন শিক্ষক হারুনর রশীদ।
বিদায় সংবর্ধনায় বক্তব্য দিতে গিয়ে বিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন দীঘিনালার বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়ন হলেও হাচিনসনপুর উচ্চ বিদ্যালয় প্রত্যাশিত উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে রয়েছে বলে আক্ষেপ প্রকাশ করেন। তিনি বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত ও অন্যান্য সমস্যা সমাধানে উপস্থিত রাজনৈতিক নেতাদের সুদৃষ্টি কামনা করেন।
বিদায়ী বক্তব্যে আবেগাপ্লুত প্রবোধ কুমার চাকমা বলেন, দীর্ঘদিন এই বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন তিনি। আজ কর্মজীবন থেকে বিদায় নিলেও তাঁর শিক্ষার্থীরা জীবনে অনেক দূর এগিয়েছে—এটাই তাঁর বড় গর্ব। সহকর্মীদের কাছে দোয়া চেয়ে তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনকালে অজান্তে কোনো ভুল করে থাকলে তাঁকে যেন ক্ষমা করে দেওয়া হয়।
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আরিফুল ইসলাম জাহিদ বলেন, প্রিয় শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পেরে তাঁর ভালো লাগছে। একসময় তিনিও এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাই বিদ্যালয় থেকে বিদায় নেওয়ার অনুভূতি ও কষ্ট তিনি উপলব্ধি করতে পারেন।
এ সময় বিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন তিনি। শিক্ষার্থীরা খেলার সরঞ্জাম এবং ছাত্রীদের জন্য একটি কমন রুমের দাবি জানায়। জবাবে আরিফুল ইসলাম জাহিদ এক মাসের মধ্যে দাবিগুলো বাস্তবায়নের ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করে ভালো ফলাফল অর্জনের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানের সভাপতি ও বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি জাহেদুল ইসলাম বলেন, সময়ের স্বল্পতার কারণে তিনি বিস্তারিত বক্তব্য দিতে পারেননি। তবে শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল অর্জনে প্রয়োজনীয় প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
প্রিয় শিক্ষকের বিদায়কে ঘিরে আয়োজিত এ সংবর্ধনা শুধু একজন শিক্ষকের কর্মজীবনের সমাপ্তি নয়; বরং শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক, স্মৃতি এবং ভালোবাসার এক আবেগঘন মুহূর্ত হয়ে রইল হাচিনসনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিবারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ