ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কাতিয়া মাদরাসার শায়েখ ইমদাদুল্লাহর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ বিভিন্ন দলের


কাতিয়া মাদরাসার শায়েখ ইমদাদুল্লাহর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ বিভিন্ন দলের

সুনামগঞ্জ কাতিয়া মাদরাসার মুহতামিম, জগন্নাথপুর উপজেলা জমিয়তের উপদেষ্টা, ফিদায়ে মিল্লাত সাইয়েদ আসআদ মাদানি (রহ.)-এর খলিফা এবং হযরত শায়খে কাতিয়া (রহ.)-এর বড় সাহেবজাদা হযরত মাওলানা হাফেজ শায়েখ হাজী ইমদাদুল্লাহ সম্প্রতি ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মরহুমের ইন্তেকালে বিভিন্ন ইসলামী দল ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করে তার রূহের মাগফেরাত কামনা করেছেন।

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ : ফিদায়ে মিল্লাত সাইয়েদ আসআদ মাদানি (রহ.)-এর খলিফা, হযরত শায়খে কাতিয়া (রহ.)-এর বড় সাহেবজাদা এবং সুনামগঞ্জ কাতিয়া মাদরাসার মুহতামিম বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন হযরত মাওলানা হাফেজ শায়েখ হাজী ইমদাদুল্লাহ এর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ। আজ বৃহস্পতিবার এক শোকবার্তায় জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি শাইখুল হাদিস মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক ও মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী এই শোক জানান। নেতৃদ্বয় বলেন, হযরত মাওলানা হাফেজ ইমদাদুল্লাহ (রহ.) ছিলেন একজন বিজ্ঞ আলেম, দ্বীনের একনিষ্ঠ খাদেম ও ইসলামী শিক্ষা-সংস্কৃতির নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিত্ব। তাঁর ইন্তেকালে সুনামগঞ্জসহ দেশের উলামায়ে কেরাম, তালাবায়ে কেরাম ও দ্বীনি অঙ্গনে অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর দীর্ঘদিনের দ্বীনি খেদমত স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

জমিয়ত নেতৃদ্বয় মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন, ছাত্র-শিক্ষক ও শুভাকাক্সক্ষীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন এবং মহান আল্লাহর দরবারে তাঁর জন্য মাগফিরাত ও রহমত কামনা করেন।

আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ

তাঁরা বলেন, আল্লাহ তাআলা মরহুমের সকল ভুলত্রুটি ক্ষমা করে দিন, তাঁর দ্বীনি খেদমতগুলো কবুল করুন, কবরকে নূরে ভরপুর করে দিন এবং জান্নাতুল ফেরদাউসের আ‘লা মাকাম দান করুন। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সবরে জামিল নসিব করুন।

ইসলামী ঐক্যজোট : ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাওলানা আব্দুর রকিব আজ বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে কাতিয়া মাদরাসার মুহতামিম, জগন্নাথপুর উপজেলা জমিয়তের উপদেষ্টা, ফিদায়ে মিল্লাত সাইয়েদ আসআদ মাদানি (রহ.)-এর খলিফা এবং হযরত শায়খে কাতিয়া (রহ.)-এর বড় সাহেবজাদা হযরত মাওলানা হাফেজ শায়েখ হাজী ইমদাদুল্লাহ’র ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করে তার রূহের মাগফেরাত কামনা করেছেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, হযরত মাওলানা হাফেজ ইমদাদুল্লাহ (রহ.) ছিলেন দেশবরেণ্য একজন বিজ্ঞ আলেম, দ্বীনের একনিষ্ঠ খাদেম ও ইসলামী শিক্ষা-সংস্কৃতির নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিত্ব। তাঁর ইন্তেকালে সুনামগঞ্জসহ দেশের উলামায়ে কেরাম, তালাবায়ে কেরাম ও দ্বীনি অঙ্গনে অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর দীর্ঘদিনের দ্বীনি খেদমত স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন, ছাত্র-শিক্ষক ও শুভাকাক্সক্ষীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন এবং মহান আল্লাহর দরবারে তাঁর রূহের মাগফেরাত ও রহমত কামনা করেন।

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউকে: সুনামগঞ্জ কাতিয়া মাদরাসার মুহতামিম, জগন্নাথপুর উপজেলা জমিয়তের উপদেষ্টা, ফিদায়ে মিল্লাত সাইয়েদ আসআদ মাদানি (রহ.)-এর খলিফা এবং হযরত শায়খে কাতিয়া (রহ.)-এর বড় সাহেবজাদা হযরত মাওলানা হাফেজ শায়েখ হাজী ইমদাদুল্লাহ (রহ.)-এর ইন্তেকালে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউকে।

আরও পড়ুন: বিয়ের ১৫ দিনের মাথায় সড়কে প্রাণ গেল ইতালি প্রবাসী তানভীরের

এক শোকবার্তায় সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা মাওলানা শায়খ আসগর হুসাইন, সভাপতি ড. মাওলানা শুয়াইব আহমদ এবং কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বলেন, হযরত মাওলানা হাফেজ ইমদাদুল্লাহ (রহ.) ছিলেন একজন বিজ্ঞ আলেম, দ্বীনের একনিষ্ঠ খাদেম এবং ইসলামী শিক্ষা ও সংস্কৃতির নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিত্ব। তাঁর ইন্তেকালে সুনামগঞ্জসহ দেশ-বিদেশের দ্বীনি অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, মরহুম হযরত মাওলানা ইমদাদুল্লাহ (রহ.) দীর্ঘকাল ইলমে দ্বীন, তালিম-তরবিয়ত ও দ্বীনি খেদমতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁর জীবন ও খেদমত উলামায়ে কেরাম এবং দ্বীনি অঙ্গনের মানুষের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর ইন্তেকালে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউকের নেতৃবৃন্দ মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবার, আত্মীয়স্বজন, ছাত্র-শিক্ষক, সহকর্মী ও শুভাকাক্সক্ষীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং মহান আল্লাহর দরবারে তাঁর মাগফিরাত ও রহমতের জন্য দোয়া করেন। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউকের পক্ষে আরো যারা শোক প্রকাশ করেছেন তারা হচ্ছেন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউকের প্রধান উপদেষ্টা মাওলানা শায়খ আসগর হুসাইন, সভাপতি ড. মাওলানা শুয়াইব আহমদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুফতি আব্দুল মুনতাকিম, সহ-সভাপতি হাফিজ মাওলানা সৈয়দ তাছাদ্দুক আহমদ, মাওলানা হেলাল আহমদ, মাওলানা ফখরুদ্দিন ছাদিক, মাওলানা আমিনুল ইসলাম, হাফিজ সৈয়দ তামীম আহমদ, হাফিজ হোসাইন আহমদ বিশ্বনাথী, মাওলানা আশফাকুর রহমান, সেক্রেটারি মাওলানা সৈয়দ নাঈম আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা শামছুল আলম কিয়ামপুরী, জয়েন্ট সেক্রেটারি হাফিজ মাওলানা ইলিয়াছ, মুফতি শাহ হিফজুল করীম মাশুক, মাওলানা আখতারুজ্জামান, সহ-সেক্রেটারি মুফতি সৈয়দ রিয়াজ আহমদ, হাফিজ জিয়া উদ্দিন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা নাজমুল হাসান, হাফিজ মাওলানা মাছুম আহমদ, মাওলানা মঈন উদ্দিন খান, মাওলানা আব্দুল গাফফার, ট্রেজারার হাফিজ রশীদ আহমদ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা ওলীউর রহমান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা খালেদ আহমদ, প্রচার সম্পাদক মাওলানা শামছুল ইসলাম, সহ-প্রচার সম্পাদক হাফিজ মাওলানা আব্দুল হাই এবং মিডিয়া সেক্রেটারি আরিফুল ইসলাম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোবেলের প্রতিভা দেখে মুগ্ধ টুলু, এখন শুধুই আক্ষেপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৮ পি.এম


নোবেলের প্রতিভা দেখে মুগ্ধ টুলু, এখন শুধুই আক্ষেপ

বাংলা গানের আলোচিত শিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল একসময় তার কণ্ঠ ও গায়কীর মাধ্যমে শ্রোতাদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া সৃষ্টি করেছিলেন। কলকাতার ‘সারেগামাপা’ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের পর তিনি পরিচিতি অর্জন করেন এবং তার সামনে বড় সম্ভাবনা তৈরি হয়। দেশের পাশাপাশি কলকাতাতেও তিনি গান ও কনসার্ট নিয়ে ব্যস্ত হয়ে উঠেছিলেন।

তবে পরবর্তীতে বিভিন্ন বিতর্ক এবং অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের কারণে নোবেল সেই সম্ভাবনাময় পথ থেকে অনেকটাই দূরে সরে যান। বিভিন্ন সময় তার কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনা হয়েছে এবং এমনকি তাকে কারাগারেও যেতে হয়েছে। তার এই অবস্থায় সংগীতশিল্পী, গীতিকার ও সুরকার আশিকুজ্জামান টুলু আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন।

১০ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় টুলু নোবেলের প্রতিভা নিয়ে নিজের হতাশা প্রকাশ করেন। তিনি মনে করেন, নোবেলের কণ্ঠ ও গায়কীতে এমন কিছু ছিল যা তাকে সংগীতের অনেক উঁচু জায়গায় নিয়ে যেতে পারত। কিন্তু নিজের সিদ্ধান্ত ও জীবনযাপনের কারণে সেই প্রতিভা নষ্ট হয়ে গেছে বলে তিনি আক্ষেপ করেন।

নোবেলের ‘কী আগুন জ্বলছে বুকে’ গানটির প্রসঙ্গে টুলু তার গায়কী, কণ্ঠের প্রকাশভঙ্গি ও দক্ষতার প্রশংসা করেন। টুলুর মতে, নোবেল যদি আরও মনোযোগী ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে সংগীতচর্চা করতেন, তাহলে তিনি অন্য উচ্চতায় পৌঁছাতে পারতেন।

নোবেলের বর্তমান অবস্থার পেছনে নেশার প্রভাব রয়েছে বলেও টুলু ইঙ্গিত করেছেন। তিনি নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে জানান, নেশার কারণে প্রতিভাবান মানুষকে ধ্বংস হয়ে যেতে দেখা তার কাছে অত্যন্ত কষ্টকর। টুলুর এই বক্তব্যের সঙ্গে অনেকেই একমত পোষণ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানি বাহিনী যেকোনো হুমকি মোকাবিলায় প্রস্তুতির কথা জানালেন কমান্ডার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৩ পি.এম


ইরানি বাহিনী যেকোনো হুমকি মোকাবিলায় প্রস্তুতির কথা জানালেন কমান্ডার

ইরানের সেনাবাহিনীর স্থল বাহিনীর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী জাহানশাহি জানান, শত্রুপক্ষের যেকোনো ধরনের হুমকি মোকাবিলায় ইরানের স্থল বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি বৃহস্পতিবার কাজভিনে ১৬তম আর্মার্ড ডিভিশনের যুদ্ধ-প্রস্তুতি ও সামরিক সক্ষমতা পরিদর্শনকালে এ মন্তব্য করেন।

জাহানশাহি বলেন, দেশের সীমান্ত এলাকায় ইরানি স্থল বাহিনীর ইউনিটগুলো সক্রিয় অবস্থানে রয়েছে এবং তারা ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা রক্ষায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে দায়িত্ব পালন করছে।

তিনি সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় স্থল বাহিনীর ইউনিটগুলোর কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করে বলেন, শত্রুপক্ষের গোলাবর্ষণের মধ্যেও সেনারা দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নির্ধারিত অবস্থানে পৌঁছে মোতায়েন হয়েছিল।

এছাড়া, তিনি বলেন, সৈন্য, সামরিক সরঞ্জাম ও গোলাবারুদের বড় ধরনের স্থানান্তর এমন সময়ে সম্পন্ন করা হয়েছিল, যখন শত্রুপক্ষ ড্রোন, যুদ্ধবিমান, গোয়েন্দা স্যাটেলাইটসহ বিভিন্ন নজরদারি ব্যবস্থার মাধ্যমে ইরানি বাহিনীর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছিল।

জাহানশাহি আরও বলেন, অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও স্থল বাহিনীর সদস্যরা তাদের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং উচ্চ মনোবল নিয়ে ইসলামি ইরানের সীমান্ত রক্ষা করেছেন।

তিনি প্রতিরক্ষা অবস্থানে স্থল বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিকে ইরানি জনগণের জন্য আশ্বাসের উৎস হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে, তিনি বলেন, এই সামরিক উপস্থিতি শত্রুপক্ষকে নিরুৎসাহিত করার ক্ষেত্রে প্রতিরোধমূলক শক্তি হিসেবে কাজ করছে।

জাহানশাহি বলেন, স্থল বাহিনীর শক্তিশালী উপস্থিতি প্রমাণ করে যে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সশস্ত্র বাহিনী দেশের ভূখণ্ড ও স্বাধীনতা রক্ষায় দৃঢ়তা এবং সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত রয়েছে। সূত্র: তাসনিম নিউজ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফুলবাড়ী উপজেলায় ১০৯ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭২টিতে প্রধান শিক্ষক অনুপস্থিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৩ পি.এম


ফুলবাড়ী উপজেলায় ১০৯ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭২টিতে প্রধান শিক্ষক অনুপস্থিত

ফুলবাড়ী উপজেলার ১০৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৭২টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। এর পাশাপাশি ৮০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নৈশপ্রহরী-কাম-দপ্তরি নেই। এই পরিস্থিতিতে বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা এবং শিক্ষাদান কার্যক্রমে সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

ফুলবাড়ী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ ও পদোন্নতি নীতিমালা অনুসারে ৩৫ শতাংশ প্রধান শিক্ষক সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে এবং ৬৫ শতাংশ পদোন্নতির মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, ২০০৯ সাল থেকে মামলার কারণে আদালতের নিষেধাজ্ঞার ফলে পদোন্নতি বন্ধ রয়েছে। এই কারণে প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদ পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। দীর্ঘ সময় ধরে পদোন্নতি বন্ধ থাকায় শিক্ষকেরা পাঠদান কার্যক্রমে আগ্রহ হারাচ্ছেন।

এদিকে, প্রধান শিক্ষক সংকটের পাশাপাশি বিদ্যালয়গুলোর নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ১০৯টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ৮০টিতে নৈশপ্রহরী-কাম-দপ্তরি না থাকায় বিদ্যালয়গুলো রাতের বেলায় অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই সুযোগে বিভিন্ন বিদ্যালয় থেকে ল্যাপটপ, প্রজেক্টর, সাউন্ড সিস্টেম, বৈদ্যুতিক ফ্যানসহ সরকারি সরঞ্জাম চুরির ঘটনা ঘটছে।

এছাড়া, ফুলবাড়ী উপজেলায় বিদ্যালয় পরিদর্শনের জন্য তিনজন সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিইও) থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে দুজন কর্মরত আছেন। একটি পদ শূন্য থাকায় কর্মরত কর্মকর্তাদের অতিরিক্ত বিদ্যালয়ের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। ফলে নিয়মিত বিদ্যালয় পরিদর্শন এবং শিক্ষকদের পাঠদান মূল্যায়ন করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

ফুলবাড়ী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মহসিন আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি বিষয়টি চলমান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এমপি কদমরসুল সেতুর নির্মাণ অগ্রগতি পরিদর্শন করলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৩ পি.এম


এমপি কদমরসুল সেতুর নির্মাণ অগ্রগতি পরিদর্শন করলেন

নারায়ণগঞ্জ শহরের নবাব সিরাজউদ্দৌলা রোডের কালীবাড়ী মন্দিরের বিপরীত পাশে উচ্ছেদ সীমানা এবং জাইকা ও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের যৌথ অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন প্রস্তাবিত কদমরসুল সেতুর নির্মাণকাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম এবং নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।

বৃহস্পতিবার সকালে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপ-পরিচালক লুৎফর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিদের নিয়ে তারা এসব এলাকা পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এমপি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম বলেন, ‘আমাদের শীতলক্ষ্যা নদী দ্বারা নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনটি দুই ভাগে বিভক্ত। বন্দর থেকে প্রতিদিন লক্ষাধিক মানুষ যাতায়াত করে।

উচ্ছেদ ও জনস্বার্থ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জনস্বার্থ ও নগরায়ণের চাহিদা রক্ষার্থেই এই উদ্যোগ। আমাদের ব্যবসায়ীরা যাতে কর্মসংস্থান না হারায়, সে ব্যাপারে দৃষ্টি রাখা হচ্ছে। আমরা আশা করি নারায়ণগঞ্জ ও বন্দরবাসীর দীর্ঘদিনের এই প্রত্যাশা বাস্তবায়িত হবে।

সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, ‘আমাদের যেমন সেতুটি দরকার, তেমনি জনগণের ব্যবসা-বাণিজ্য ও রক্ষা করাও আমাদের দায়িত্ব। মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জমি হস্থান্তরের প্রক্রিয়ায় আজ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষও উপস্থিত হয়েছে। তবে ব্যবসায়ীদের প্রতি আমরা অত্যন্ত সহনশীল। সেতু নির্মাণের পর ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের তালিকা তৈরি করে পুনর্বাসনের চেষ্টা করা হবে।

পরিদর্শনকালে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আজগর হোসেন, এনডিসি তারিকুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সবুজ, এলজিইডির উপ-পরিচালক লুৎফর রহমান সহ অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%