বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৫৩ পি.এম
ইরানের সেনাবাহিনীর স্থল বাহিনীর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী জাহানশাহি জানান, শত্রুপক্ষের যেকোনো ধরনের হুমকি মোকাবিলায় ইরানের স্থল বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
তিনি বৃহস্পতিবার কাজভিনে ১৬তম আর্মার্ড ডিভিশনের যুদ্ধ-প্রস্তুতি ও সামরিক সক্ষমতা পরিদর্শনকালে এ মন্তব্য করেন।
জাহানশাহি বলেন, দেশের সীমান্ত এলাকায় ইরানি স্থল বাহিনীর ইউনিটগুলো সক্রিয় অবস্থানে রয়েছে এবং তারা ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা রক্ষায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে দায়িত্ব পালন করছে।
তিনি সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় স্থল বাহিনীর ইউনিটগুলোর কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করে বলেন, শত্রুপক্ষের গোলাবর্ষণের মধ্যেও সেনারা দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নির্ধারিত অবস্থানে পৌঁছে মোতায়েন হয়েছিল।
এছাড়া, তিনি বলেন, সৈন্য, সামরিক সরঞ্জাম ও গোলাবারুদের বড় ধরনের স্থানান্তর এমন সময়ে সম্পন্ন করা হয়েছিল, যখন শত্রুপক্ষ ড্রোন, যুদ্ধবিমান, গোয়েন্দা স্যাটেলাইটসহ বিভিন্ন নজরদারি ব্যবস্থার মাধ্যমে ইরানি বাহিনীর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছিল।
জাহানশাহি আরও বলেন, অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও স্থল বাহিনীর সদস্যরা তাদের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং উচ্চ মনোবল নিয়ে ইসলামি ইরানের সীমান্ত রক্ষা করেছেন।
তিনি প্রতিরক্ষা অবস্থানে স্থল বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিকে ইরানি জনগণের জন্য আশ্বাসের উৎস হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে, তিনি বলেন, এই সামরিক উপস্থিতি শত্রুপক্ষকে নিরুৎসাহিত করার ক্ষেত্রে প্রতিরোধমূলক শক্তি হিসেবে কাজ করছে।
জাহানশাহি বলেন, স্থল বাহিনীর শক্তিশালী উপস্থিতি প্রমাণ করে যে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সশস্ত্র বাহিনী দেশের ভূখণ্ড ও স্বাধীনতা রক্ষায় দৃঢ়তা এবং সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত রয়েছে। সূত্র: তাসনিম নিউজ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফুলবাড়ী উপজেলার ১০৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৭২টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। এর পাশাপাশি ৮০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নৈশপ্রহরী-কাম-দপ্তরি নেই। এই পরিস্থিতিতে বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা এবং শিক্ষাদান কার্যক্রমে সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
ফুলবাড়ী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ ও পদোন্নতি নীতিমালা অনুসারে ৩৫ শতাংশ প্রধান শিক্ষক সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে এবং ৬৫ শতাংশ পদোন্নতির মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, ২০০৯ সাল থেকে মামলার কারণে আদালতের নিষেধাজ্ঞার ফলে পদোন্নতি বন্ধ রয়েছে। এই কারণে প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদ পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। দীর্ঘ সময় ধরে পদোন্নতি বন্ধ থাকায় শিক্ষকেরা পাঠদান কার্যক্রমে আগ্রহ হারাচ্ছেন।
এদিকে, প্রধান শিক্ষক সংকটের পাশাপাশি বিদ্যালয়গুলোর নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ১০৯টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ৮০টিতে নৈশপ্রহরী-কাম-দপ্তরি না থাকায় বিদ্যালয়গুলো রাতের বেলায় অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এই সুযোগে বিভিন্ন বিদ্যালয় থেকে ল্যাপটপ, প্রজেক্টর, সাউন্ড সিস্টেম, বৈদ্যুতিক ফ্যানসহ সরকারি সরঞ্জাম চুরির ঘটনা ঘটছে।
এছাড়া, ফুলবাড়ী উপজেলায় বিদ্যালয় পরিদর্শনের জন্য তিনজন সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিইও) থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে দুজন কর্মরত আছেন। একটি পদ শূন্য থাকায় কর্মরত কর্মকর্তাদের অতিরিক্ত বিদ্যালয়ের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। ফলে নিয়মিত বিদ্যালয় পরিদর্শন এবং শিক্ষকদের পাঠদান মূল্যায়ন করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
ফুলবাড়ী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মহসিন আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি বিষয়টি চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জ শহরের নবাব সিরাজউদ্দৌলা রোডের কালীবাড়ী মন্দিরের বিপরীত পাশে উচ্ছেদ সীমানা এবং জাইকা ও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের যৌথ অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন প্রস্তাবিত কদমরসুল সেতুর নির্মাণকাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম এবং নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।
বৃহস্পতিবার সকালে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপ-পরিচালক লুৎফর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিদের নিয়ে তারা এসব এলাকা পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এমপি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম বলেন, ‘আমাদের শীতলক্ষ্যা নদী দ্বারা নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনটি দুই ভাগে বিভক্ত। বন্দর থেকে প্রতিদিন লক্ষাধিক মানুষ যাতায়াত করে।
উচ্ছেদ ও জনস্বার্থ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জনস্বার্থ ও নগরায়ণের চাহিদা রক্ষার্থেই এই উদ্যোগ। আমাদের ব্যবসায়ীরা যাতে কর্মসংস্থান না হারায়, সে ব্যাপারে দৃষ্টি রাখা হচ্ছে। আমরা আশা করি নারায়ণগঞ্জ ও বন্দরবাসীর দীর্ঘদিনের এই প্রত্যাশা বাস্তবায়িত হবে।
সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, ‘আমাদের যেমন সেতুটি দরকার, তেমনি জনগণের ব্যবসা-বাণিজ্য ও রক্ষা করাও আমাদের দায়িত্ব। মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জমি হস্থান্তরের প্রক্রিয়ায় আজ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষও উপস্থিত হয়েছে। তবে ব্যবসায়ীদের প্রতি আমরা অত্যন্ত সহনশীল। সেতু নির্মাণের পর ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের তালিকা তৈরি করে পুনর্বাসনের চেষ্টা করা হবে।
পরিদর্শনকালে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আজগর হোসেন, এনডিসি তারিকুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সবুজ, এলজিইডির উপ-পরিচালক লুৎফর রহমান সহ অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, তরুণ ও যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে সুনামগঞ্জের মধ্যনগরে মাদকবিরোধী র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের রৌহা এলাকায় আলোকবর্তিকা সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। ‘মাদককে না বলুন, সুস্থ সমাজ গড়ুন’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত র্যালিটি বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।
র্যালিতে স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংগঠনের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা মাদকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সচেতনতামূলক স্লোগান দেন এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
র্যালি শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আলোকবর্তিকা সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সভাপতি ও গলহা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাদির সভাপতিত্ব করেন। সভা সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ঝুটন মিয়া।
আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. স্বপন আহমেদ, রৌহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বিপ্লব তালুকদার, সংগঠনের সদস্য মোবারক মিয়া, শিক্ষক বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, বিদ্যুৎ সরকার, সমীরন তালুকদার ও মোশাররফ হোসেনসহ শিক্ষক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
বক্তারা বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তির জীবনই ধ্বংস করে না; এর ক্ষতিকর প্রভাব পরিবার, সমাজ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংস করে। মাদকের বিস্তার রোধে শুধু আইন প্রয়োগ নয়, প্রয়োজন সামাজিক সচেতনতা ও সম্মিলিত উদ্যোগ। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন, তরুণ সমাজ এবং সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করতে হবে।
আয়োজকরা বলেন, আলোকবর্তিকা সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ভবিষ্যতেও মাদকবিরোধী জনসচেতনতামূলক কর্মসূচিসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবে। মাদকমুক্ত ও সুস্থ সমাজ গঠনে তারা এলাকাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ