সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:০৭ পি.এম
ছবিতে পরিবর্তন আনার জন্য এখন আর জটিল ফটো এডিটিং সফটওয়্যার শেখার প্রয়োজন নেই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইভিত্তিক বিভিন্ন টুলের মাধ্যমে কিছু নির্দিষ্ট নির্দেশনা প্রদান করলেই ছবির পোশাক, পটভূমি, আলো কিংবা সম্পূর্ণ পরিবেশ পরিবর্তন করা সম্ভব।
তবে এআই দিয়ে ছবি সম্পাদনার সময় একটি সাধারণ সমস্যা দেখা দেয়—ছবির অন্য অংশ পরিবর্তন করতে গিয়ে ব্যক্তির আসল চেহারাতেও পরিবর্তন হয়ে যায়। মুখের গড়ন, চোখ, নাক, ঠোঁট কিংবা ত্বকের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য বদলে গিয়ে ছবিটি কৃত্রিম মনে হতে পারে। কিছু বিষয় মাথায় রেখে প্রম্পট লিখলে এ ধরনের সমস্যা অনেকটাই কমানো সম্ভব।
ভালো মানের ছবি ব্যবহার করুন
এআই দিয়ে ছবি এডিট করার পূর্বে পরিষ্কার ও উচ্চমানের ছবি নির্বাচন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মুখ যত স্পষ্ট থাকবে, এআই টুলও তত ভালোভাবে মুখের বৈশিষ্ট্য শনাক্ত ও সংরক্ষণ করতে পারবে।
অন্যদিকে, কম রেজল্যুশনের, ঝাপসা বা অতিরিক্ত অন্ধকার ছবি ব্যবহার করলে এডিটের সময় মুখের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসতে পারে।
কী পরিবর্তন চান, তা নির্দিষ্ট করুন
এআই টুলকে যদি শুধু ‘ছবিটি সুন্দর করে দিন’ ধরনের সাধারণ নির্দেশনা দেওয়া হয়, তবে টুল নিজের মতো করে মুখের বিভিন্ন অংশ পরিবর্তন করতে পারে। তাই কোন অংশ পরিবর্তন করতে হবে এবং কোন অংশ অপরিবর্তিত রাখতে হবে, তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা ভালো।
যেমন, আপনি লিখতে পারেন—‘ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করুন, কিন্তু ব্যক্তির মুখের গড়ন, চোখ, নাক, ঠোঁট ও ত্বকের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য অপরিবর্তিত রাখুন।’
এভাবে নির্দেশ দিলে এআই বুঝতে পারে ছবির কোন অংশে কাজ করতে হবে এবং কোন অংশে পরিবর্তন করা যাবে না।
মুখ ও পরিচয় সংরক্ষণের নির্দেশ দিন
অনেক এআই এডিটিং টুলে ‘preserve facial identity’ বা ‘keep face unchanged’-এর মতো নির্দেশনা ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রয়োজনে প্রম্পটে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে পারেন যে ব্যক্তির পরিচয়, মুখের গঠন ও স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য যেন কোনোভাবেই পরিবর্তন না করা হয়।
এর পাশাপাশি বয়স, চুলের ধরন, মুখের আকৃতি এবং অভিব্যক্তি অপরিবর্তিত রাখার নির্দেশও দেওয়া যেতে পারে।
একসঙ্গে অনেক পরিবর্তন করবেন না
একবারে পোশাক, ব্যাকগ্রাউন্ড, চুল, আলো এবং অন্যান্য উপাদান পরিবর্তনের নির্দেশ দিলে এআইয়ের ভুল করার সম্ভাবনা বাড়তে পারে। তাই ধাপে ধাপে এডিট করা তুলনামূলকভাবে কার্যকর।
প্রথমে শুধু ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করে দেখুন। এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী আলো, পোশাক বা পরিবেশে পরিবর্তন আনুন। এতে মূল চেহারা ঠিক রাখা সহজ হয়।
এডিট করা ছবি ভালোভাবে পরীক্ষা করুন
এআই দিয়ে ছবি তৈরি হওয়ার পর সেটি ভালোভাবে যাচাই করা জরুরি। বিশেষ করে চোখ, নাক, ঠোঁট, ত্বকের দাগ ও মুখের অন্যান্য স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য আগের মতো আছে কি না, তা জুম করে দেখুন।
এ ছাড়া হাত, আঙুল, শরীরের গঠন ও অনুপাতেও কোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন এসেছে কি না, সেটিও খেয়াল করা দরকার।
মনে রাখতে হবে, এআই প্রযুক্তি যত উন্নতই হোক না কেন, সব সময় মূল ছবির প্রতিটি বৈশিষ্ট্য নিখুঁতভাবে ধরে রাখতে পারে না। তাই ব্যক্তিগত ছবি এডিট করার ক্ষেত্রে কোন প্ল্যাটফর্মে ছবি আপলোড করছেন এবং সেই সেবা আপনার ছবি বা ব্যক্তিগত তথ্য কীভাবে ব্যবহার করে, সে বিষয়েও সচেতন থাকা জরুরি।
ব্যবহার করতে পারেন এসব প্রম্পট-
রয়্যাল ব্ল্যাক লুক:
“Create a royal luxury portrait with a dark premium studio background. Keep my original face and identity exactly the same. Dress me in an elegant black outfit. Add warm golden rim lighting and cinematic shadows. Do not change my facial structure or identity.”
প্রফেশনাল প্রোফাইল ছবি:
“Create a clean professional headshot. Preserve my original face, identity, facial proportions, and natural appearance. Use a simple background, balanced lighting, and formal clothing. Avoid beauty filters, face reshaping, or artificial facial changes.”
বিচ ভ্যাকেশন লুক:
“Edit this image into a realistic luxury beach vacation photograph. Keep my original face and facial identity unchanged. Place me on a beautiful tropical beach during golden hour. Add stylish vacation clothing, natural sunlight, and professional travel photography.
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খাঁন অভিযোগ করেছেন যে, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জামায়াতের কাছ থেকে ১০০ কোটি টাকা নিয়ে জাতীয় নির্বাচন করেছে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনে জামায়াত এনসিপিকে আর অর্থ দেবে না বলে ‘শোনা যাচ্ছে’।
রাশেদ খাঁন সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্টে এ বিষয়গুলি তুলে ধরেন। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, জামায়াতের কাছ থেকে নেওয়া ওই টাকা পরিশোধের জন্য এনসিপিকে এখন ‘গণভিক্ষা কর্মসূচি’ চালু করতে হচ্ছে। তিনি আবারও বলেন, স্থানীয় নির্বাচনে জামায়াত এনসিপিকে আর অর্থ দেবে না বলে ‘শোনা যাচ্ছে’।
অতিরিক্ত অভিযোগ করে রাশেদ খাঁন বলেন, অতীতে বন্যার টাকা আত্মসাতের অভিযোগের কারণে দীর্ঘদিন গণভিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও স্থানীয় নির্বাচনের তহবিল সংগ্রহের জন্য এনসিপি আবার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে গণভিক্ষা কার্যক্রমে জোর দেবে।
তিনি আরও বলেন, এনসিপি যদি এককভাবে স্থানীয় নির্বাচন করে, তাহলে তিনি তাদের গণভিক্ষা তহবিলে ১ লাখ টাকা অনুদান সংগ্রহ করে দেবেন।
পোস্টে এনসিপির নেতাদের নিয়েও বিভিন্ন মন্তব্য করেন রাশেদ খাঁন। তিনি লেখেন, বিএনপি নেত্রী রুমিন ফারহানা একসময় হাসনাত আব্দুল্লাহকে ‘ফকিন্নির বাচ্চা’ বলে সম্বোধন করেছিলেন। এখন এনসিপির নেতারা ১৮ মাসে ‘লাগামহীন দুর্নীতি’ করে জমিদারের বাচ্চা বনে গেছেন কি না, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।
এনসিপির নেতাদের আলিশান কার্যালয় ও ফ্ল্যাট ভাড়া নেওয়া এবং ‘জমিদারি ভাবসাব’ নিয়ে চলাফেরার অর্থের উৎস নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাশেদ। তার মতে, একটি গণঅভ্যুত্থান এনসিপির ‘এক ডজন নেতার জীবন পরিবর্তন করে দিয়েছে’ বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বিএনপির আন্দোলন ও এনসিপির রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাশেদ খাঁন। তিনি লেখেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা ১৭ বছর ধরে আন্দোলন করলেও সেই সময়ে হাসনাত আব্দুল্লাহদের কী ভূমিকা ছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। একই সঙ্গে নাহিদ ইসলামদের ওপর জনগণের আস্থা থাকলে তারা কেন ক্ষমতায় আসতে পারেননি, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।
জামায়াত ও এনসিপির প্রধান বিরোধী দল হওয়ার প্রতিযোগিতা নিয়েও মন্তব্য করেন রাশেদ। তার দাবি, বিএনপি এনসিপিকে জাতীয় পার্টির মতো বিরোধী দল বানাতে রাজি না হওয়ায় এনসিপি জামায়াতের জোটে গেছে। এতে জামায়াত উপকৃত হয়েছে এবং ‘গৃহপালিত বিরোধী দল’-এর তকমা থেকে গণতন্ত্র রেহাই পেয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রাশেদ খাঁন আরও দাবি করেন, ক্ষমতার জন্য এনসিপি অল্প বয়সেই ‘ধান্ধাবাজ দলে’ পরিণত হয়েছে। এমনকি অন্তর্বর্তী সরকার আরও কয়েক বছর ক্ষমতায় থাকলে এনসিপির নেতারা দুর্নীতি ও অর্থ পাচারে আওয়ামী লীগকেও ছাড়িয়ে যেতেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ আমাদের সকলের, আপনার এবং আমার। "রাষ্ট্রের নাগরিক হিসাবে আমরা যদি দায়িত্বশীল আচরণ না করি, তবে সরকারের একার পক্ষে কখনোই দেশকে উন্নত বা কার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করা সম্ভব নয়। দেশকে সঠিক পথে চালাতে আমাদের সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে কাজ করতে হবে।"
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে দেশব্যাপী ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান’ এর অংশ হিসেবে উপজেলা প্রশাসন ও দুর্গাপুর পৌরসভার যৌথ আয়োজনে খাল পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এসব কথা বলেন।
এই কর্মসূচিতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘বিডি ক্লিন’-এর শতাধিক কর্মী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন, যা দেশের ডেঙ্গুর প্রকোপ কমানো এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত। দুর্গাপুরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহমেদ সাদাত এই কার্যক্রমের সভাপতিত্ব করেন।
কর্মসূচির উদ্বোধনের পূর্বে পরিচ্ছন্ন ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বিডি ক্লিনের স্বেচ্ছাসেবকদের শপথ বাক্য পাঠ করান জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। শপথ শেষে স্বেচ্ছাসেবকরা লাইফ জ্যাকেট, গ্লাভস ও সরঞ্জাম নিয়ে সরাসরি খালে নেমে জমে থাকা কচুরিপানা ও প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণের কার্যক্রম শুরু করেন।
ডেপুটি স্পিকার বক্তব্যের শুরুতেই পরিচ্ছন্নতার সামাজিক ও ধর্মীয় গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, "ইসলাম ধর্মের মূল্যবোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা হলো ঈমানের অঙ্গ। শুধু ইসলাম নয়, প্রত্যেকটি ধর্মেই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা সামাজিকভাবে স্বীকৃত, প্রতিষ্ঠিত এবং এটি সবারই কাম্য। দুর্ভাগ্যবশত, কেবল অসচেতনতার অভাবেই আমরা এই জরুরি কাজটি থেকে বিরত থাকি।"
বিডি ক্লিনের স্বেচ্ছাসেবকদের উদ্যোগের প্রশংসা করে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, "বিডি ক্লিনের বন্ধুরা আজ যে খালটি পরিষ্কার করতে এসেছেন, এটি গত প্রায় দুই দশক ধরে এমন বেহাল অবস্থার মধ্যে ছিল। এমন চমৎকার উদ্যোগ নেওয়ার জন্য আমি উপজেলা প্রশাসন, পৌর প্রশাসক এবং বিডি ক্লিনের সকল স্বেচ্ছাসেবক বন্ধুদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।"
সারাদেশে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগের প্রকোপ বৃদ্ধির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, "দুর্গাপুর, কলমাকান্দাসহ সারা বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় আজ ডেঙ্গুর প্রকোপ ও নানা ধরনের ছোঁয়াচে বা আবর্জনাজনিত রোগ বাড়ছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের শিশুরাই এসবের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী। আমাদের আজকের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমটি মূলত আগামী প্রজন্মের জন্য, আমাদের শিশুরা যেন সুস্থ থাকে এবং ভালোভাবে বাঁচতে পারে, এরই অংশ হিসেবে আজকের এই আয়োজন।"
অনুষ্ঠানে বিডি ক্লিনের পক্ষ থেকে উপস্থিত সবাইকে শপথবাক্য পাঠ করানো হয়। এ প্রসঙ্গে ডেপুটি স্পিকার বলেন, "বিডি ক্লিন আজ আমাদের যে শপথ পড়িয়েছে, সেখানে বলা হয়েছে- মানবিক এবং কার্যকর রাষ্ট্র গঠনের জন্য আমরা সবাই কাজ করব। আমি নিজেও শপথটি পড়েছি এবং সবাইকে এটি অন্তরে ধারণ করার অনুরোধ জানিয়েছি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি থেকে শুরু করে সর্বক্ষেত্রে আমাদের দায়িত্বশীল হতে হবে।"
অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, "আমি সকলের প্রতি অনুরোধ জানাব, অতীতকে ভুলে গিয়ে বা অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্তমান এবং আগামীর বাংলাদেশ গড়ে তুলি। আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই আগামী প্রজন্ম সুখী ও সুন্দর দেশ পাবে।"
এসময় উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতাকর্মী, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিক, উপজেলা ও পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাষ্টের সদস্য হিসেবে পরিচিত আবুল কালাম আজাদ, যিনি বিএনপি মিডিয়া সেল রাজশাহী-রংপুর বিভাগের সমন্বয়ক এবং বগুড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক, নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমি জেলা শাখার পরিচালনা কমিটির সদস্য হিসেবে।
নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বগুড়া জেলা প্রশাসক মোঃ তৌফিকুর রহমান এবং সহ-সভাপতি হিসেবে থাকবেন পুলিশ সুপার মীর্জা সায়েম মাহমুদ। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ শিশু একাডেমির বগুড়া জেলা কার্যালয় থেকে এক চিঠির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা এবং বাংলাদেশ শিশু একাডেমির বোর্ড অব ম্যানেজমেন্ট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বগুড়া জেলা শাখার কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রমজান আলী আকন্দ, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ রেজোয়ান হোসেন, সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক বেগম মুস্তারী আকতার জাহান, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক তাঞ্জিমা আখতার, বগুড়া জিলা স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ ডানিয়েল তাহের এবং বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান। এছাড়া মনোনীত সদস্য হিসেবে আছেন নাজমা আক্তার, আবুল কালাম আজাদ এবং এডভোকেট পলাশ খন্দকার।
কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ সোহেল রানা। নতুন কমিটি শিশুদের শিক্ষা, সংস্কৃতি, সৃজনশীলতা ও প্রতিভা বিকাশে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি বগুড়া জেলা শাখার কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে ভোটার হতে আসা এক রোহিঙ্গা যুবক, যার নাম শওকত, আটক করা হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তাকে আটক করা হয়।
নির্বাচন কার্যালয়ের সূত্রে জানা যায়, শওকত পীরগঞ্জ উপজেলার পাঁচগাছি ইউনিয়নের জাহাঙ্গীরাবাদ গ্রামের বাসিন্দা হিসেবে ভোটার হওয়ার জন্য নির্বাচন অফিসে যান। তিনি নাগরিকত্ব সনদ, জন্মনিবন্ধনসহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন কাগজপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাইয়ের সময় তার পরিচয় ও কথাবার্তায় অসঙ্গতি দেখা দেয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তার পরিচয় নিয়ে সন্দেহ আরও বাড়ে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শওকত জানান, তিনি উখিয়া-টেকনাফের ২৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা। তিনি টেকনাফের এক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে পীরগঞ্জে আসেন। ওই ব্যক্তি তাকে পীরগঞ্জের নাগরিক বানিয়ে বিদেশে পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছিলেন। পীরগঞ্জে এসে তাকে উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে নিয়ে ওই ব্যক্তি চলে যান। যাওয়ার সময় তার মোবাইল ফোন থেকে নিজের ব্যবহৃত নম্বরও মুছে দেন বলে জানান শওকত। ফলে ওই ব্যক্তির নাম, পরিচয় বা ঠিকানা সম্পর্কে তিনি কিছু জানাতে পারেননি।
এদিকে, পাঁচগাছি ইউনিয়নের নামে তৈরি করা কাগজপত্রের সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান সুলতান মন্ডল বলেন, শওকতের দেখানো কাগজপত্র ইউনিয়ন পরিষদ থেকে দেওয়া হয়নি। এসব কাগজে তার স্বাক্ষর ও ইউনিয়নের সিল জাল করা হয়েছে।
পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আজিজার রহমান বলেন, ‘শওকতকে দেখে প্রথম থেকেই সন্দেহ হয়েছিল। পরে কথাবার্তায় সন্দেহ আরও বাড়ে। একপর্যায়ে তাকে জাতীয় সংগীত বলতে বলা হলে তিনি তা বলতে পারেননি। এতে তার নাগরিকত্ব নিয়ে সন্দেহ আরও জোরালো হয়। জিজ্ঞাসাবাদেও তার বক্তব্যে তিনি রোহিঙ্গা হওয়ার বিষয়টি উঠে আসে।’
পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমূল হক বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। নির্বাচন অফিস থেকে অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ