বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:২৪ পি.এম
বাইকপ্রেমীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে মুন্সিগঞ্জে আয়োজিত সুজুকির রাইডার্স ডে। জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় দুই শতাধিক সুজুকি গ্রাহক ও বাইকার এতে অংশ নেন। দিনব্যাপী এ আয়োজনে ছিল মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা, খেলাধুলা, বিনোদনমূলক প্রতিযোগিতা ও মতবিনিময়।
বৃহস্পতিবার (৩রা সেপ্টেম্বর) বাইকার্স চয়েস-সুজুকি মুন্সিগঞ্জের উদ্যোগে সিরাজদিখানের মর্ডান গ্রিন সিটি রিসোর্টে এ আয়োজন করা হয়।
সকালে মুন্সিগঞ্জ সদরের হাতিমারা রামপাল এলাকা থেকে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে শুরু হয় আয়োজন। বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শোভাযাত্রাটি গিয়ে শেষ হয় সিরাজদিখানের মর্ডান গ্রিন সিটি রিসোর্টে।
পরে সেখানে অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে নানা ধরনের খেলাধুলা ও বিনোদনমূলক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
মিনি ফুটবল, স্নো রাইটসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নেন বাইকাররা। দিনভর খেলাধুলা ও আনন্দ-উল্লাসে মুখর হয়ে ওঠে রিসোর্ট প্রাঙ্গণ। একপর্যায়ে আয়োজনটি পরিণত হয় সুজুকি বাইকারদের মিলনমেলায়।
আয়োজকরা জানান, মুন্সিগঞ্জের সুজুকি বাইকিং কমিউনিটির সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, বন্ধুত্ব ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। পাশাপাশি বাইকার্স চয়েস-সুজুকি মুন্সিগঞ্জের সেবা ও সুযোগ-সুবিধা, সীমাবদ্ধতা এবং বাইকারদের প্রত্যাশা নিয়ে গ্রাহকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করা হয়।
অনুষ্ঠানে গ্রাহকদের স্বাগত জানান সুজুকির অথোরাইজড ডিলার ও বাইকার্স চয়েসের স্বত্বাধিকারী ইমান হোসাইন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সুজুকি বাংলাদেশের ন্যাশনাল সেলস ম্যানেজার মো. রাশেদুল হাসান, রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার মো. রাজিবুর রহমান, সার্ভিস ম্যানেজার মো. কামরুল হাসান, টেরিটোরি সেলস ম্যানেজার মো. ইমতিয়াজ হোসাইন ও প্রান্ত পাল।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে মুন্সিগঞ্জ জজ কোর্টের অ্যাডভোকেট রাকিব হাসান জিসানসহ সুজুকি বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের মধ্যে মোহাম্মদ উয়ালিউর রহমান, মো. ইয়াসিন ও মাসুদ রানা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে র্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিজয়ীদের হাতে বিভিন্ন পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লন্ডনে চালকবিহীন ট্যাক্সির যুগের সূচনা হয়েছে। প্রথমবারের মতো ভাড়া করে চালকবিহীন ট্যাক্সিতে যাতায়াতের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার উবার অ্যাপে ওয়েভের চালকবিহীন গাড়ি যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে এই সেবা শুরু হয়েছে। তবে, তাৎক্ষণিকভাবে রোবোট্যাক্সি পাওয়ার সম্ভাবনা বর্তমানে খুব কম। কারণ, বর্তমানে মাত্র ১৫টি গাড়ি এ সেবার জন্য অনুমোদিত হয়েছে। এর বিপরীতে, লন্ডনে নিবন্ধিত ব্যক্তিগত ভাড়ার গাড়ির সংখ্যা এক লাখের বেশি। স্বচালিত গাড়িতে যাতায়াতের জন্য নিবন্ধিত গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় এক লাখ।গাড়িগুলোতে এখনো একজন অনুমোদিত মানবচালক সামনের আসনে থাকবেন। প্রয়োজন হলে তিনি গাড়ির নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নিতে পারবেন।গত মাসে লন্ডনের পরিবহন কর্তৃপক্ষ ট্রান্সপোর্ট ফর লন্ডন (টিএফএল) এসব গাড়িকে নিরাপত্তা চালকসহ ব্যক্তিগত ভাড়ার গাড়ি হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে। তবে, নিরাপত্তা চালক ছাড়াই সম্পূর্ণ স্বচালিতভাবে চলাচলের জন্য আলাদা সরকারি প্রক্রিয়ায় অনুমোদন নিতে হবে। এ দায়িত্ব ড্রাইভার অ্যান্ড ভেহিকেল স্ট্যান্ডার্ডস এজেন্সির (ডিভিএসএ)। এ অনুমোদন পেতে আরও সময় লাগবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।তবুও, বৃহস্পতিবারের উদ্বোধনকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। লন্ডনে চালকবিহীন ট্যাক্সি চালুর দৌড়ে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর মধ্যে উবারকে এগিয়ে দিয়েছে এই উদ্যোগ। ইউরোপের অন্যান্য শহরে এ প্রযুক্তি সম্প্রসারণের জন্য লন্ডনকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। গুগলের মালিকানাধীন ওয়েমো এবং চীনা প্রতিষ্ঠান বাইদুও লন্ডনে তাদের রোবোট্যাক্সি পরীক্ষা করছে।
ওয়েভের প্রধান নির্বাহী ও সহপ্রতিষ্ঠাতা অ্যালেক্স কেন্ডাল বলেছেন, "লন্ডন তাদের নিজ শহর এবং বিশ্বের অন্যতম জটিল সড়ক ব্যবস্থার একটি জায়গা।" তাই এখানকার মানুষের জন্য প্রথমবারের মতো ওয়েভের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত প্রযুক্তি উন্মুক্ত করতে পেরে তিনি গর্বিত।
তিনি আরও বলেন, "প্রযুক্তিটি এখনো উন্নয়নের পর্যায়ে রয়েছে।" তবে নিরাপত্তা চালক ছাড়াই রোবোট্যাক্সি সেবা চালুর লক্ষ্য তাদের রয়েছে। কবে নাগাদ তা সম্ভব হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমা দিতে রাজি হননি কেন্ডাল।
ওয়েভ ভবিষ্যতে ব্যাপক উৎপাদনের উপযোগী গাড়ি ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে। এর মধ্যে নতুন নিসান লিফ মডেলের রোবোট্যাক্সিতে তাদের প্রযুক্তি যুক্ত করা হবে। এ প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যাচাই এবং সরকারি অনুমোদন নেওয়ার কাজ একসঙ্গে চলছে বলে জানিয়েছেন কেন্ডাল।
ওয়েভের স্বচালিত প্রযুক্তি প্রতিদ্বন্দ্বী ওয়েমোর মতো বিস্তারিত ম্যাপিংয়ের ওপর নির্ভরশীল নয়। বরং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক শেখার মডেলের মাধ্যমে গাড়ি চালানোর সক্ষমতা তৈরি করা হয়েছে।
উবার অ্যাপের মাধ্যমে গাড়ি ডাকা ও আনলক করা যাবে। গাড়িতে থাকা চালক যাত্রীকে পরিচয় দেওয়ার পর জানাবেন, যাত্রার সময় তিনি কথা বলবেন না। তবে যাত্রী চাইলে তিনি গাড়ির নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নিতে পারবেন।
লন্ডনেই প্রথমবার ভাড়ার জন্য স্বচালিত ট্যাক্সি চালু হলেও বিশ্বের বিভিন্ন শহরে ইতোমধ্যে সম্পূর্ণ চালকবিহীন ট্যাক্সি চলাচল করছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন শহরে এ ধরনের সেবা চালু রয়েছে।
চলতি বছরের গ্রীষ্মের শুরুতে ক্রোয়েশিয়ার রাজধানী জাগরেবে ইউরোপের প্রথম বাণিজ্যিক রোবোট্যাক্সি সেবা চালু করতেও অংশীদার হয়েছিল উবার। সেখানেও লন্ডনের মতো একজন মানবচালক গাড়িতে থাকেন।
উবারের স্বচালিত পরিবহন বিভাগের প্রধান সারফরাজ মারেদিয়া বলেছেন, "বিশ্বের অন্যতম জটিল সড়ক ব্যবস্থার একটি শহরে নিরাপদ ও সহজলভ্য স্বচালিত গাড়ি প্রযুক্তি সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে লন্ডনে এ সেবা চালু করা বড় মাইলফলক।"
তবে স্বচালিত গাড়ির দ্রুত সম্প্রসারণ নিয়ে সতর্ক করেছে শ্রমিক সংগঠন জিএমবি। সংগঠনটির জ্যেষ্ঠ সংগঠক ডেভিড ম্যাকমুলেন বলেছেন, "প্রতিদিন লাখ লাখ মানুষ গাড়ি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন।" তাই চালকবিহীন গাড়ি চালুর ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক হতে হবে। অন্যথায় নজিরবিহীন সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকট তৈরি হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদীয় কমিটির সভাপতিত্ব নিয়ে সংসদে বাহাসগত তিনদিন ধরে চলমান ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির পদ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠনের আগে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের মধ্যে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
এই সময় বিরোধীদলীয় নেতা উল্লেখ করেন, অতীতে বিরোধীদল থেকে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণের নজির রয়েছে। অন্যদিকে, সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় বিরোধীদল অংশগ্রহণ করলে আসনের অনুপাতে কমিটির সভাপতির পদও তাদের দেওয়া হবে।
আগের দিনের আলোচনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিরোধীদল থেকে স্থায়ী কমিটির সভাপতি করার নজির নেই বলে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তার প্রতিক্রিয়ায় শফিকুর রহমান নবম জাতীয় সংসদের উদাহরণ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সেখানে বিরোধী দল থেকে দুইজন স্থায়ী কমিটির সভাপতি ছিলেন, তাই নজির রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকার জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সেই অনুযায়ী সংসদীয় কমিটিতেও বিরোধী দলের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, সরকারি হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতির দায়িত্ব ইতোমধ্যে বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে দেওয়া হয়েছে। তিনি অতীতে বিরোধী দল থেকে কমিটির সভাপতি করার নজির থাকার বিষয়টি স্বীকার করেন।
এরপর জুলাই জাতীয় সনের প্রসঙ্গ টেনে সালাহউদ্দিন বলেন, বিরোধীদল যদি সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়, তবে আসনের অনুপাতে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির পদ দেওয়া হবে।
বিরোধী দলকে সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটিতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আপনারা শুভ সূচনা করুন জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের জন্য সংবিধান সংশোধনী কমিটিতে আপনারা অংশগ্রহণ করুন যা বক্তব্য আছে সেখানে দিন।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংবিধান সংশোধনের কাজ দ্রুত শেষ করার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, যত দ্রুত সম্ভব আমরা সেই সংবিধান সংশোধনী বিল নিয়ে আসবো যাতে করে তা কার্যকর করা যায় এবং সংসদের উচ্চকক্ষ স্থাপন করা সম্ভব হয়।
বিরোধী দলের রাজনৈতিক অবস্থান যাই হোক, সংসদে সংবিধান সংশোধনের জন্য সকলকে একসঙ্গে আলোচনা করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন সালাহউদ্দিন। তিনি বলেন, এখানে আমাদের সকলকে একসাথে বসে তর্কের মাধ্যমে বিষয়টি এগিয়ে নিতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেপালে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা পাঁচ হাজার ছাড়িয়ে গেছে, এবং মৃতের সংখ্যা বেড়েছে। ছবি: সংগৃহীত
নেপালের রাসুয়ায় বন্যার কারণে ভেসে যাওয়ার ঘটনায় সরকারের সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে যে, এক হাজার ২৫৯টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এখনও পাঁচ হাজার ৮৩ জন মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায় একটি বিবৃতি প্রকাশ করে জানায়, উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর মধ্যে মাত্র ৯৫টির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে এবং সেগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এদিকে, ১২ হাজারের বেশি মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং তিন হাজার ৮০০ জনের বেশি মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।-বিবিসি বাংলা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ঘরোয়া ক্রিকেটের সব সংস্করণের ম্যাচ ফি দ্বিগুণ করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে, যা ক্রিকেটারদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষার উদ্দেশ্যে। আজ মিরপুরে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে বোর্ড সভাপতি তামিম ইকবাল এই ঘোষণা দেন।নতুন কাঠামোর আওতায় পুরুষ ও নারী উভয় ক্রিকেটারের ম্যাচ ফি প্রায় দ্বিগুণ করা হয়েছে। এর ফলে, একজন ক্রিকেটার ঘরোয়া ক্রিকেট খেলে বছরে আনুমানিক ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা আয় করতে পারবেন।বিসিবি পূর্বে স্পষ্টভাবে জানিয়েছিল যে, আর্থিক ক্ষতি এড়াতে জোড়াতালি দিয়ে বিপিএল আয়োজন করা হবে না। তবে বিপিএল না থাকায় ক্রিকেটারদের আয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা দূর করার জন্য কোয়াবের সঙ্গে বৈঠকের পর ম্যাচ ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংবাদপ্রতিবেদন পরিষেবা
বোর্ড সভাপতি তামিম ইকবাল বলেন, ‘আমাদের তরফ থেকে যে চাওয়াÑএটা এখন ওদেরও (ক্রিকেটারদের) পূরণ করতে হবে। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে পেশাদারিত্ব নিয়ে অনেক ধরনের আলোচনা হয়। এতে কোনো ছাড় নেই। যখন কেউ ফিটনেস টেস্ট পাস না করে, এটা-ওটা নিয়ে অনুরোধ করেÑএগুলো কিছু শোনা হবে না।’
এর আগে গত মে মাসে অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর, তামিম প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের ম্যাচ ফি ৭৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে এক লাখ টাকা করেছিলেন। মাত্র ছয় মাসের ব্যবধানে তা আবার বৃদ্ধি করা হলো। প্রথম শ্রেণির (এনসিএল ও বিসিএল) ম্যাচ ফি এক লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে দেড় লাখ টাকা করা হয়েছে। একদিনের সংস্করণে (লিস্ট এ) ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এক লাখ টাকা করা হয়েছে। টি-টোয়েন্টি সংস্করণে ৪০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০ হাজার টাকা করা হয়েছে।
পুরুষদের সঙ্গে নারী ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি এবং সুযোগ-সুবিধাও বাড়ানো হয়েছে। নারী ক্রিকেটারদের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটকে টেস্টের উপযোগী করে তুলতে তিনদিনের পরিবর্তে চারদিনের ম্যাচ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বোর্ড। এছাড়া, প্রথম শ্রেণিতে ম্যাচ ফি ২০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৪০ হাজার টাকা করা হয়েছে। ওয়ানডেতে ম্যাচ ফি ২০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করা হয়েছে। আর টি-টোয়েন্টি ম্যাচের ফি ১০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করা হয়েছে।
ম্যাচ ফি বাড়ানোর পাশাপাশি খেলোয়াড়দের কাছ থেকেও সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব প্রত্যাশা করছেন বোর্ড সভাপতি। তামিম ইকবাল হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ফিটনেস টেস্টে পাস না করে অনুরোধ করার দিন শেষ; এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
অন্যদিকে, বিপিএল না হওয়ার শূন্যতা পূরণে এবং ঘরোয়া টি-টোয়েন্টিকে আরো জমজমাট করতে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নামে নতুন একটি টুর্নামেন্ট চালুর পরিকল্পনা করছে বিসিবি। বিভাগীয় দলের পরিবর্তে ছয়টি ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক দল নিয়ে এ টুর্নামেন্টটি আয়োজিত হবে, যেখানে দলগুলোর নামকরণের স্বত্ব থাকবে সংশ্লিষ্ট ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের হাতে।ভবিষ্যতে বোর্ডের আর্থিক সক্ষমতা আরো বাড়লে, দুবছর পর এই ম্যাচ ফি আরো পর্যালোচনা বা বৃদ্ধি করা হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন বিসিবি সভাপতি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ