ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সব জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে জরুরি নির্দেশনা


সব জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে জরুরি নির্দেশনা

দেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলট) ‘বইপড়া কর্মসূচি’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

সে লক্ষ্যে, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) দেশের প্রতিটি উপজেলা বা থানা থেকে তিনটি করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করার জন্য জেলা শিক্ষা অফিসারদের নির্দেশ দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার, এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানায় মাউশি। জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা এবং উচ্চপর্যায়ের সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এ কর্মসূচির পাইলট কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, সব উপজেলা বা থানার মধ্যে একটি করে বালক বিদ্যালয়, একটি করে বালিকা বিদ্যালয় এবং একটি মাদরাসাসহ মোট তিনটি প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের প্রয়োজন রয়েছে। আগামী তিন দিনের মধ্যে এসব বিদ্যালয়ের তালিকা ই-মেইলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে প্রেরণ করতে হবে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা (ডিইও) নিজ নিজ জেলার প্রতিটি উপজেলা এবং থানার নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকা একত্র করে অধিদপ্তরে প্রেরণ করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লুলার ছেলের বিরুদ্ধে তদন্তে সবুজ সংকেত ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্টের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:১৩ পি.এম


লুলার ছেলের বিরুদ্ধে তদন্তে সবুজ সংকেত ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্টের

ঢাকা, ৩১ জুলাই, ২০২৬ :  ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার একজন ছেলের বিরুদ্ধে তাদের দেশের সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারপতি পুলিশি তদন্তের অনুমতি দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার আদালতের একটি সূত্র বার্তা সংস্থা এএফপিকে এ বিষয়ে তথ্য জানায়।

এএফপি দ্বারা জানানো হয়েছে, লুলার ছেলে ফাবিও লুইজ লুলা দা সিলভা ‘লুলিনহা’ এই নামেই পরিচিত। তার বিরুদ্ধে তদন্তের খবরটি এসেছে এমন এক সময়, যখন অক্টোবরে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে লুলার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে। সেই নির্বাচনে লুলার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উপস্থিত থাকবেন উগ্র ডানপন্থি সাবেক প্রেসিডেন্ট জইর বলসোনারোর ছেলে ফ্লাভিও বলসোনারো। উল্লেখ্য, জইর বলসোনারো বর্তমানে অভ্যুত্থানের চেষ্টা করার অভিযোগে কারাগারে বন্দি আছেন।

সূত্রের খবর, বিচারপতি আন্দ্রে মেনদোনস তদন্তের অনুমোদন দিয়েছেন। তবে ওই সূত্রটি নাম প্রকাশ না করার শর্তে তদন্তের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যে প্রবেশ করেনি।

সংবাদপত্র ফোলহা দে এস. পাওলোর রিপোর্ট অনুযায়ী, তদন্তটি হবে ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা গাঁজা বাজারজাতকরণের সঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের লবিস্টের যোগাযোগ বা কার্যক্রম সম্পর্কিত বিষয়ে। পুলিশ যাচাই করে দেখবে তিনি কি ধরনের সহায়তা করেছেন।

এই লবিস্ট একজন ব্যবসায়ী, এবং তিনি গত সেপ্টেম্বর থেকে কারাগারে অবস্থান করছেন। অভিযোগ রয়েছে তিনি অবসরপ্রাপ্ত ও পেনশনভোগীদের লক্ষ্য করে পরিচালিত কয়েক মিলিয়ন ডলারের জালিয়াতি চক্রের এক গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।

গত বছরের এপ্রিল মাসে প্রকাশিত এই কেলেঙ্কারির ফল হিসেবে লুলার সরকারের সামাজিক নিরাপত্তামন্ত্রী এবং জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা ইনস্টিটিউটের প্রধানকে পদত্যাগ করতে হয়।

ফেব্রুয়ারি মাসে, কংগ্রেসের একটি কমিটি লুলিনহার ব্যাংক হিসাব তদন্তের অনুমোদন দেয়। অভিযোগ ছিল যে, তিনি এই জালিয়াতি চক্রের মাধ্যমে সরানো অর্থে পরিচালিত ব্যবসায় গোপন অংশীদার হিসেবে যুক্ত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার ফ্লাভিও বলসোনারো এক অনলাইন সম্প্রচারে বলেন, ‘ভাবুন তো, যদি প্রেসিডেন্ট বলসোনারোর ছেলে আইএনএসএসের (জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা ইনস্টিটিউট) পেনশনভোগীদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত হতো? আপনার কি কোনো সন্দেহ আছে যে, তারা সবাই কারাগারে থাকত এবং নিজেদের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হতো?’

অন্যদিকে, লুলা একটি সাক্ষাৎকারে বলেন, তার ছেলে কোনো প্রকার বিশেষ সুবিধা পাবে না। লুলা পডকাস্ট ‘ইনটেলিজেনসিয়া লিমিটাডা’তে বলেন, ‘আমার ছেলে যদি কোনো বিষয়ে অভিযুক্ত হয়, সে যেন অন্য যেকোনো সন্তানের মতো ব্যবস্থার আওতায় আসে। সে কোনো বিশেষ সুবিধা পাবে না। আমি কখনো কোনো পুলিশ কর্মকর্তা বা বিচারককে সঠিক কাজ না করার জন্য বলব না।’

৮০ বছর বয়সী এই নেতা অক্টোবরে অনুষ্ঠিতব্য প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী হিসেবে আগামী রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন পাওয়ার কথা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক এখন অত্যন্ত ইতিবাচক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:১৭ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক এখন অত্যন্ত ইতিবাচক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

 

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বর্তমানে অত্যন্ত ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, আগামী দিনগুলোতে উভয় দেশ এ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ও গভীর করতে কাজ করবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গরের সঙ্গে বৈঠক বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ সব কথা বলেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বৈঠকটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও কীভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়, সে বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, গত সপ্তাহে ম্যানিলায় সার্জিও গরের সঙ্গে তাঁর একটি বৈঠক হয়েছে। একই সফরে তিনি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন।

তিনি বলেন, আমাদের সম্পর্ক এখন অত্যন্ত ইতিবাচক অভিমুখে রয়েছে এবং আগামী দিনগুলোতে আমরা এই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ও গভীর করতে কাজ করব। সোফরে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ সম্পর্কে কী জানতে চেয়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্কের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনায় এসেছে। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, অভিবাসনসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে এটি ছিল একটি স্বল্পপরিসরের বৈঠক; তাই বিস্তারিত বিষয়ের পরিবর্তে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সামগ্রিক দিকনির্দেশনা নিয়েই আলোচনা হয়েছে।

বোয়িং উড়োজাহাজ ক্রয় প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মাধ্যমেই নয়, দেশের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমেও বোয়িং উড়োজাহাজ ক্রয় করছে। এটি দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত।

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশ যে মানবিক সহায়তা পায়, তার অর্ধেকেরও বেশি আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ভবিষ্যতেও এ সহায়তা অব্যাহত রাখবে।

তিনি আরো বলেন, মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগ কিংবা নির্দিষ্ট কোনো কৌশল নিয়ে আজকের বৈঠকে আলোচনা হয়নি। বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে যে বহুপাক্ষিক কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে, তাতে যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য অংশীদার দেশের সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক নিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সব পর্যায়ে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রেখেছে। এটি শুধু কোনো একক বৈঠকের বিষয় নয়; বরং ধারাবাহিক কূটনৈতিক সম্পৃক্ততার অংশ। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকে যে ধারাবাহিকতা ছিল, বর্তমান সরকারও সেটি অব্যাহত রেখেছে।

আওয়ামী লীগ, অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্র কিংবা মানবিক করিডোরের মতো রাজনৈতিক বিষয়গুলো আজকের বৈঠকে আলোচনা হয়নি বলেও জানান তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক (ট্যারিফ) ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে অনেকের মধ্যে বিভ্রান্তি রয়েছে। শুরুতে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ১৯ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হলেও, যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট সংশ্লিষ্ট আইনি বিষয় নিয়ে রায় দেওয়ার পর পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য আইনের আওতায় পরিচালিত তদন্ত শেষে বাংলাদেশের জন্য ১০ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছে। অনেক দেশ ১২ শতাংশ কিংবা সাড়ে ১২ শতাংশ শুল্কের মুখোমুখি হলেও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে হার ১০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্য একটি ট্যারিফ কোটা ব্যবস্থা (Tariff Quota System) চালু করেছে। এর ফলস্বরূপ, যদি বাংলাদেশের উৎপাদিত পোশাকের জন্য মার্কিন তুলা বা মার্কিন উৎপাদিত ম্যান-মেইড ফাইবার ব্যবহার করা হয়, তাহলে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে আরও বেশি সুবিধাজনকভাবে প্রবেশাধিকার পাবে। এ সুবিধা বাংলাদেশ ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এবং আরেকটি আসিয়ান দেশ পেয়েছে।

মানবাধিকার ইস্যু এবং র‍্যাবের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার মানবাধিকার সুরক্ষায় দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নিয়মিত আলোচনা হয়ে থাকে। তবে আজকের বৈঠকে র‍্যাবের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার বা এটি সম্পর্কিত কোনো নির্দিষ্ট আলোচনা হয়নি। তিনি এটিকে একটি চলমান কূটনৈতিক প্রক্রিয়া বলেও উল্লেখ করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো জানান, আগামী ৮ সেপ্টেম্বর তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (UNGA) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। এ দায়িত্ব পালনের বিভিন্ন বিষয়ে সার্জিও গরের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিক ভূমিকা রয়েছে। ফলে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে তাঁর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়মিত যোগাযোগ ও মতবিনিময় হওয়া স্বাভাবিক এবং ভবিষ্যতেও এ যোগাযোগ অব্যাহত থাকবে।

বিশ্বে উদীয়মান প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিশ্ব ধীরে ধীরে নতুন বাস্তবতার দিকে এগোচ্ছে এবং বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তিনির্ভর সহযোগিতা কাঠামো গড়ে উঠছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভবিষ্যৎ বৈশ্বিক সভ্যতার অন্যতম ভিত্তি হয়ে উঠবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে এখনো অনেক বিষয় বিবর্তনশীল এবং বিভিন্ন দেশ, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, নতুন উদ্যোগগুলো পর্যালোচনা করছে। ফলে এ বিষয়ে চূড়ান্ত অবস্থান সম্পর্কে মন্তব্য করতে এখনো সময় আসেনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিসরের বন্দর হামলা ইসরায়েলের ‘ফলস-ফ্ল্যাগ’ অপারেশন বলে দাবি ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২০ পি.এম


মিসরের বন্দর হামলা ইসরায়েলের ‘ফলস-ফ্ল্যাগ’ অপারেশন বলে দাবি ইরানের

মিসরের ভূমধ্যসাগরীয় দামিয়েত্তা বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানাধীন একটি গ্যাস ট্যাংকারে রহস্যময় ড্রোন হামলার ঘটনার পরে, ইরান এটি ইসরায়েলি ষড়যন্ত্র বা ‘ফলস-ফ্ল্যাগ’ অপারেশন হিসেবে সন্দেহ প্রকাশ করেছে। বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রদত্ত এক বার্তায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন যে, মূলত মুসলিম ঐক্য এবং আঞ্চলিক শান্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই সুপরিকল্পিতভাবে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেছেন, ‘মিসর অত্র অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্ধু ও অংশীদার। আমাদের কাছে তাদের নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

এই হামলার পরপরই মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ নতুন ফ্রন্টে ছড়িয়ে পড়ার ব্যাপারে মারাত্মক আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ প্রসঙ্গে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের সঙ্গে এক ফোন আলাপে মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসিও সতর্কবার্তা দিয়েছেন। পরিস্থিতির অবনতি ঠেকাতে তিনি মিসর, স্পেন, ইউরোপসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সকলকে জরুরি ভিত্তিতে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

এদিকে, হামলার ফলে একটি গ্যাস সংরক্ষণকারী জাহাজের ক্ষতি হওয়ার পর কায়রো দ্রুত বিকল্প জ্বালানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে। মিসরের প্রধানমন্ত্রী মোস্তফা মাদবৌলি এই তথ্য নিশ্চিত করেন। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী করিম বাদাউই উন্নত পরিকল্পনার সাথে বলেন, মিসরের নিজের চারটি ভাসমান গ্যাস সংরক্ষণ ও রূপান্তর ইউনিট (এফএসআরইউ) আছে এবং জর্ডানের আকাবা বন্দরে দুই দেশের যৌথ মালিকানাধীন একটি জাহাজ প্রস্তুত করা আছে।

বিদ্যুৎমন্ত্রী মাহমুদ এসমত জানিয়েছেন যে, গত ১৫ দিন ধরে মিসরের বিদ্যুতের চাহিদা সর্বোচ্চ পর্যায়ে (৩৭ থেকে ৩৯ গিগাওয়াট) পৌঁছেছে। তবে তিনি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর কাছে ৪ লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে। এছাড়া সরকারের কাছে কৌশলগত মজুতসহ বিকল্প জ্বালানির বিশাল ভান্ডার বর্তমানে বিদ্যমান।

এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠীই এই নজিরবিহীন হামলার দায় স্বীকার করেনি এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে কর্তৃপক্ষ তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ প্রণালিতে স্পিড বোটকেই প্রধান ভরসা করছে ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২২ পি.এম


হরমুজ প্রণালিতে স্পিড বোটকেই প্রধান ভরসা করছে ইরান

আঞ্চলিক যুদ্ধ পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যকে নতুন অবস্থানের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে।

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর ঘনিষ্ঠ দৈনিক হামশাহরি তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে যে, পারস্য উপসাগরে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী রাখার জন্য এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার উদ্দেশ্যে ইরান প্রধানত তাদের স্পিডবোট বহরের ওপর নির্ভর করছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই বোটগুলোকে ইরানি নৌবাহিনীর মূল হাতিয়ার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঝাঁক বেঁধে আক্রমণ প্রয়োগের মাধ্যমে এগুলো মার্কিন বাহিনীকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। দ্রুতগামী নৌকা, সামুদ্রিক মাইন, ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন সমন্বিত এই ব্যবস্থার মাধ্যমেই প্রণালীটি কার্যত অবরুদ্ধ করে রেখেছে তেহরান।

তবে ইরানের অভ্যন্তরে দেখা গেছে ভিন্ন সুর। আইআরজিসি নৌবাহিনীর প্রথম প্রধান ও সাবেক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেন আলাই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ অবসানের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন যে, স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার মধ্যেই ইরানের প্রকৃত বিজয় নিহিত।

তিনি গত বছরের জুন থেকে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের কথা উল্লেখ করে জানান, দীর্ঘায়িত যুদ্ধ কখনোই দেশের সাধারণ মানুষের জন্য শুভ হতে পারে না।

এভাবে, যদিও কঠিনপন্থীরা ওয়াশিংটনের সাথে সব ধরনের আলোচনা বন্ধ করার দাবী জানিয়েছেন, আলাইয়ের মতো অভিজ্ঞ সামরিক ব্যক্তিত্বরা রক্তক্ষয় বন্ধে কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষে মত দিচ্ছেন।

অন্যদিকে, বিদেশে অবস্থানরত সরকারবিরোধী ইরানিদের ওপর চাপ বৃদ্ধির অভিযোগ উঠেছে। বিবিসি পার্সিয়ানের একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, বেলারুশে অধ্যয়নরত ইরানি শিক্ষার্থীদের সরকারের সমালোচনা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দেওয়ার কারণে জিজ্ঞাসাবাদ, আটক ও বহিষ্কারের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

ভুক্তভোগীরা দাবি করেছেন যে, মিনস্কে অবস্থিত ইরানি দূতাবাস বেলারুশীয় নিরাপত্তা সংস্থার সাথে আঁতাত করেছে এবং দেশটিতে অবস্থানরত সমালোচকদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে। সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির মৃত্যুর পর উল্লাস প্রকাশ করে পোস্ট দেওয়ায় গ্রেফতার ও দীর্ঘ সাজা ভোগের পর দেশচ্যুত এক শিক্ষার্থীর ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।

শুধু বেলারুশ নয়, আর্মেনিয়ার মতো অন্যান্য দেশ থেকেও ইরানি দূতাবাসগুলোর মাধ্যমে নাগরিকদের ওপর প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের একই ধরনের খবর পাওয়া যাচ্ছে।

এছাড়া, গত ২ মার্চ কাতারে অবস্থিত মার্কিন আল-উদেইদ বিমান ঘাঁটিতে চালানো একটি হামলার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশিত হয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যমে।

সেই অভিযানে নিহত অন্য একটি পাইলট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ কাজেমীকে। সিরাজ সামরিক ঘাঁটি থেকে উড্ডয়নকারী দুটি এসইউ-টুয়েন্টিফোর সুখৈ বোমারু বিমান সফলভাবে মিশন শেষ করে ইরানে ফেরার পথে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে ধ্বংস হয়।

এ পর্যন্ত, কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটিতে এফ-ফাইভ ফাইটার জেট দিয়ে চালানো ইরানি হামলার খবর প্রকাশিত হলেও, এই সুনির্দিষ্ট অভিযানটি এতদিন গোপনই ছিল দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের কাছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%