ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সংসদ অধিবেশন কক্ষে কোনো ধরনের প্রচার চালানো যাবে না: সিইসি


সংসদ অধিবেশন কক্ষে কোনো ধরনের প্রচার চালানো যাবে না: সিইসি

নির্বাচন কমিশন ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সমস্ত প্রস্তুতি শেষ করেছে। এ নির্বাচনে ভোটাররা প্রকাশ্যে ভোট দিতে পারবেন।

নির্বাচনী কর্তা এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, অধিবেশন কক্ষে কোনো প্রার্থীর পক্ষে প্রচার-প্রচারণা চালানো যাবে না। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রস্তুতি নিয়ে জাতীয় গণমাধ্যমের সামনে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেছেন। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে তিনি কথা বলেন।

সিইসি জানান, নির্বাচন কমিশন, জাতীয় সংসদ সচিবালয় এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সমন্বয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের সব ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: শারদীয় দুর্গাপূজার মহাষ্টমী উপলক্ষে আজ সারা দেশে বন্ধ স্বর্ণ বেচাকেনা

নির্বাচনের প্রেক্ষাপট স্মরণ করিয়ে দিয়ে সিইসি বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন গত ২৪ জুলাই পদত্যাগ করেন, আর সেই দিনই ক্যাবিনেট ডিভিশন থেকে গ্যাজেট প্রকাশ করা হয়। এরপর সংবিধান ও বিদ্যমান আইন অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। ১৯৯১ সালের পর, বাংলাদেশে সংসদীয় পদ্ধতিতে এটি প্রথমবার একাধিক প্রার্থীর মধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানগুলোর অভিজ্ঞতার ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে প্রয়োজনীয় সব মহড়া ও প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে। ১৯৯১ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন ও বিধিমালার আলোকে নির্বাচন কমিশন পুরো প্রক্রিয়াটি ধাপে ধাপে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

জাতীয় সংসদের এখন নিয়মিত অধিবেশন না থাকায় সিইসি নিজেই সংসদ সদস্যদের বৈঠক আহ্বান করেছেন। গত ১১ আগস্ট ন্যূনতম সাত দিন সময় ধরে এই সম্পর্কিত গ্যাজেট প্রকাশ করা হয়। সংবিধানের ৪৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ সদস্যরাই এই নির্বাচনের ভোটার।

নির্বাচন কমিশন আগেই ভোটার তালিকা ও তফসিল প্রকাশ করেছে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, গত ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র দাখিলের দিনে তিনটি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। এর মধ্যে ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষে দুটি মনোনয়ন জমা দেওয়া হয় ড. অলি আহমদ বীর বিক্রমের নামে এবং বর্তমান সরকারি দল BNP এর পক্ষে একটি মনোনয়ন জমা দেওয়া হয় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামে। ১৬ আগস্ট জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সহায়তায় প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। সংসদ সদস্যদের শপথ নেওয়ার দিনের মূল স্বাক্ষর রেজিস্টারের সঙ্গে প্রস্তাবক ও সমর্থকদের স্বাক্ষর মিলিয়ে দেখে তিনটি মনোনয়নপত্রই বৈধ ঘোষণা করা হয়। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী একই প্রার্থীর দুটি বৈধ মনোনয়নপত্রের মধ্যে একটি বাড়তি হিসেবে গণ্য হওয়ায় চূড়ান্তভাবে দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ১৮ আগস্ট মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে কোনো প্রার্থীই নাম প্রত্যাহার করেননি।

আরও পড়ুন: আমি খুবই চিন্তিত: নেতানিয়াহু আসন্ন নির্বাচনে জয় নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন

ভোটার তালিকার ক্রমিকে কিছুটা বৈচিত্র্যের ব্যাখ্যা দিয়ে সিইসি জানান, সংসদীয় সীমানার সিরিয়াল অনুযায়ী পঞ্চগড়-১ থেকে শুরু হয়ে বান্দরবানে গিয়ে ৩০০ আসন শেষ হলেও এই নির্বাচনে মূলত সংসদের 'বিভক্তি নম্বর' অনুযায়ী ভোটিং কার্যক্রম পরিচালিত হবে। চট্টগ্রাম-৪ আসনের উপনির্বাচন বা শুন্যতার কারণে ভোটার তালিকায় বিভক্তি নম্বরে কিছুটা ডিসকন্টিনিউটি রয়েছে। তবে তা নিয়মানুগভাবেই সমাধান করা হয়েছে এবং মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৪৯ জন। ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, বিরোধীদলীয় নেতা এবং সংসদ সদস্যরা এই নির্বাচনে ভোটার হিসেবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

নির্বাচন পরিচালনার জন্য স্পিকারের সঙ্গে পরামর্শ করা আইনগত বাধ্যবাধকতা এবং সে অনুযায়ী কমিশন পরামর্শক্রমেই সব সূচি নির্ধারণ করেছে বলে জানান সিইসি। ভোটগ্রহণ শেষে বিকেল ৫টার পরপরই তাৎক্ষণিকভাবে ভোট গণনা শুরু হবে এবং ফলাফলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন সিইসি। পুরো গণনার প্রক্রিয়া থাকবে শতভাগ স্বচ্ছ।

নির্বাচনের সময় সংসদ সদস্যরা কক্ষে উপস্থিত থাকতে পারবেন। ভোটার ও প্রার্থীদের নাম ব্যালট পত্রে স্পষ্ট উল্লেখ থাকায় কে কাকে ভোট দিচ্ছেন তা উপস্থিত সবার কাছে উন্মুক্ত থাকবে। ভিআইপি ভোটারদের ভোটদান এবং ফলাফল গণনার পর্বটি বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সিইসি জানিয়েছেন, সংসদ ভবনের ভেতরের পরিবেশ ও বিধিমালা বজায় রাখার দায়িত্ব স্পিকারের। এই নির্বাচনকে ঘিরে অতিরিক্ত বা কোটি কোটি টাকা খরচের খবর গুজব ছাড়া কিছুই নয়, উল্লেখ করে তিনি বলেন, কমিশনের আলাদা কোনো বড় ধরনের আর্থিক ব্যয় বা অতিরিক্ত বাজেট তৈরি হয়নি।

আরও পড়ুন: আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি, ৪৭.৪২% পরিবার ঋণের চাপের মধ্যে

গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী পরিস্থিতিতে দেশ ও আন্তর্জাতিক মহল এই নির্বাচনের দিকে বিশেষ নজর রাখছে। সিইসি নাসির উদ্দীন আশা প্রকাশ করেন, সবার আন্তরিক সহযোগিতায় নির্বাচন কমিশন একটি অত্যন্ত সুন্দর, স্বচ্ছ ও ঐতিহাসিক রাষ্ট্রপতি নির্বাচন জাতিকে উপহার দিতে সক্ষম হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৭ দেশে ২৫ বার ভ্রমণের মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ গণপূর্তের প্রকৌশলী কাজী ফিরোজের বিরুদ্ধে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এবি সিদ্দীক ভূইঁয়া

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৪৩ পি.এম


১৭ দেশে ২৫ বার ভ্রমণের মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ গণপূর্তের প্রকৌশলী কাজী ফিরোজের বিরুদ্ধে

কাজী মো. ফিরোজ হাসান ১৭ দেশে কমপক্ষে ২৫ বার ভ্রমণ করেছেন।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (সংস্থাপন) কাজী মো. ফিরোজ হাসান সরকারি সফরের উদ্দেশ্যে ১৭ দেশ ভ্রমণ করেছেন। তিনি এমন অনেক প্রকল্পের নামের সাথে যুক্ত নয়, সেগুলিতেও নাম রেখেছেন, তার ফলে ১৭ দেশে তিনি ২৫ বার ভ্রমণ করেছেন বলে জানা গেছে।

কাজী ফিরোজ হাসান নিজেকে একজন সৎ কর্মকর্তা বলে দাবি করেন, কিন্তু চাকরির প্রায় পুরো সময় তিনি ঢাকায় অবস্থান করে থাকলেও সবসময় বিদেশে ভ্রমণের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। ১৭ বছর ধরে প্রকিউরমেন্ট এস্টেট ও কনস্ট্রাকশন ইউনিটে (পেকু) কর্মরত থাকায়, তিনি সবার কাছে ‘পেকু ফিরোজ’ নামেই পরিচিত।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (সংস্থাপন) কাজী মো. ফিরোজ হাসানের বিরুদ্ধে হালনাগাদভাবে গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগগুলো তুলে ধরা হলো:

১। গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (সংস্থাপন) কাজী মো. ফিরোজ হাসানের বিরুদ্ধে ট্রেনিং ও সরকারি সফরের নাম করে তিনি নিজের সঙ্গী নয় এমন নানা প্রকল্পে নাম যুক্ত করে ১৭টি দেশে সর্বনিম্ন ২৫ বার ভ্রমণ করে অর্থ অপচয় ও অনিয়মে যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছে। (এটি উল্লেখ্য যে, তিনি স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী নন, তিনি তো গণপূর্ত অধিদপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা)।

২। বিদেশ ভ্রমণ ও অনিয়ম সংক্রান্ত অভিযোগ অতিরিক্ত বিদেশ ভ্রমণ: নিজের দাপ্তরিক কাজের পরিধির বাইরের বেশ কিছু প্রকল্পের নাম ও সুযোগ ব্যবহার করে ১৭টি দেশে প্রায় ২৫ বার বিদেশ ভ্রমণ করেছেন।

৩। প্রশিক্ষণের অপব্যবহার: অফিসিয়াল ট্রেনিং বা সফরের নাম করে সরকারি তহবিলের অর্থ ব্যয়ের মাধ্যমে এই ভ্রমণগুলো সম্পন্ন করতে হয়েছে, এমন অভিযোগ রয়েছে।

এই কর্মকর্তা বিগত সরকারের সময়ে সারাদেশে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রকল্পে যুক্ত হয়ে প্রভাবশালী হয়ে উঠেন। ২০২৪ সালের আগস্টের পর একটি রাজনৈতিক দলের সাথে সখ্য গড়ে তোলার মাধ্যমে নিজের প্রভাব বজায় রেখে চলেন।

গণপূর্ত অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রকৌশলী ফিরোজ হাসানের চাকরির বয়স প্রায় ২৮ বছর। খুলনা আলিয়া মাদ্রাসা থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পাস করে তিনি খুলনা প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করেন। ১৯৯৯ সালের জানুয়ারিতে খুলনা গণপূর্ত বিভাগ-১ এ স্টাফ অফিসার হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেন ফিরোজ হাসান। সেই বছরের মার্চে তিনি সাভার গণপূর্তে বদলি হন।

২০০১ সালে কাজী ফিরোজ হাসান পিপিসি বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী-৩ পদে ঢাকায় বদলি হন। ওই সময় থেকে নিখাদভাবে এখন পর্যন্ত তিনি ঢাকাতেই অবস্থান করছেন। ২০০৯ সালে এক মাসের জন্য নেত্রকোনায় কাজ করা ছাড়া বাকিটা সময় তিনি ঢাকায় রয়েছেন। চাকরি জীবনের প্রায় পুরো সময় ধরে ফিরোজ হাসানের ঢাকায় অবস্থান নিয়ে গণপূর্তের সহকর্মীদের মধ্যে অনেকের মনঃপূত নয়।

ঢাকায় অবস্থান করার প্রসঙ্গে ফিরোজ হাসান বলেছেন, ‘আমি ঢাকায় আছি ঠিক আছে। তবে আমি প্রকল্পের কাজে ছিলাম, ওয়ার্কিংয়ে তো ছিলাম না। এই প্রকল্পগুলো তো নন প্রফিটেবল।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে বিদেশ ভ্রমণের ব্যস্ততা

কিন্তু সহকর্মীদের সবচেয়ে বেশি অখুশি তার দীর্ঘ সময় ধরে একই বিভাগে পদায়নের কারণে। ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে তিনি ঢাকায় গণপূর্তের প্রকিউরমেন্ট এস্টেট ও কনস্ট্রাকশন ইউনিটে বদলি হন। এরপর থেকে তিনি এই বিভাগেই কাজ করে চলেছেন ফিরোজ হাসান। ২০১৭ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ছিলেন নির্বাহী প্রকৌশলী, তারপর ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত কাজ করেছেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে। বর্তমানে তিনি সংস্থাপন শাখার পাশাপাশি পেকু বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্বে রয়েছেন।

গণপূর্তের পেকু বিভাগ মূলত ক্রয় সংক্রান্ত সকল কাজ করে থাকে। ১৭ বছর ধরে পেকু বিভাগে কাজ করার কারণে গণপূর্তের মনে ফিরোজ হাসানকে সবাই ‘পেকু ফিরোজ’ নামে চিনে।

এটি বলা যেতে পারে যে, ফিরোজ হাসানের ঢাকায় থাকা এবং পেকু নামক গল্পের এক অধ্যায় রয়েছে। তার আরেকটি কাজ হলো, ট্রেনিংয়ের নামে বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ গ্রহণ করা। ফিরোজ হাসানের বিদেশ ভ্রমণ শুরু হয়েছে ২০০৯ সালের জুন মাস থেকে। সরকারের অর্থায়নে সেই সময় তিনি ৬ দিনের জন্য ‘ফ্যাসিলিটি মডার্নাইজেশন’ শিরোনামে ম্যানেজমেন্ট ট্রেনিংয়ে মালয়েশিয়া গিয়েছিলেন। এরপর তিনি একে একে জাপান, মিসর, ইতালি, ডেনমার্ক, সিঙ্গাপুর, নেদারল্যান্ডস, রাশিয়া, স্পেন, ভারত, তুরস্ক, বেলজিয়াম, গ্রিস, ফিনল্যান্ড এবং বুলগেরিয়া হয়ে এসেছেন। তার এ বছর যুক্তরাষ্ট্রে সেন্ট্রাল এসি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে একটি ট্রেনিংয়ে যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু বিমানবন্দরে অসুস্থ হয়ে পড়ার কারণে তিনি জানতে পারেন যে সেখানে যেতে পারেননি।

বিদেশ ভ্রমণের ব্যাপারে ফিরোজ হাসান উল্লিখিত করেছেন, ‘আমি আসলে এতগুলো ট্রেনিংয়ে যাইনি। আমার বেশি কম হয়। আপনি গণপূর্তে খোঁজ নিয়ে দেখেন, আরও অনেকেই আছেন, যারা ট্রেনিংয়ে যান। আমার চেয়ে বেশি যারা গেছেন, এমন অনেককেও আপনি পাবেন।’

তার সহকর্মীদের অনেকেই অভিযোগ করেছেন, ফিরোজ হাসান নিজের অদক্ষতার কারণে কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেননি। নিজের অক্ষমতা ঢাকতে বিভাগের সব কর্মকর্তাকেই দুর্নীতিবাজ বলে আক্রমণ করেছেন।

গণপূর্তের স্বজনপ্রীতির লটারি

রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পরে ২৪ আগস্ট ফিরোজ হাসানের বিরুদ্ধে একটি রাজনৈতিক দলের নাম ভাঙিয়ে কার্যক্রম চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ প্রকৌশলী সাবেক সচিব মো. নজরুল ইসলামের আশীর্বাদ নিয়ে নিজের সংস্থার সহকর্মীদের মধ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি করতেন। তিনি গণপূর্ত বিভাগের সমস্ত কর্মকর্তার ‘আমলনামা’ গোপনে সচিব নজরুল ইসলামকে সরবরাহ করেছেন। এরপর ওই সচিব ও মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সারোয়ার আলমের সাথে মিলে সংস্থার বিষয়ে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর স্তব্ধতায় ' কান ভারী ' করে দিয়েছেন। এতে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী ক্ষুব্ধ হয়ে পদায়নে লটারি পদ্ধতি চালু করেন। ফলে দৈনন্দিন কাজে স্থবিরতা সৃষ্টি হতে থাকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারি জলমহাল ইজারা প্রদান কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৪৩ পি.এম


সরকারি জলমহাল ইজারা প্রদান কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

ঢাকা, ১৯ আগস্ট, ২০২৬ : সরকারি জলমহাল ইজারা প্রদান সংক্রান্ত কমিটির ৯১তম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু। সভায় সহকারী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এবং মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ. এস. এম. সালেহ আহমেদ।

সভায় বক্তৃতার সময় মন্ত্রী বলেন, জলমহাল ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, বরং এটি হলো জনগণের সম্পত্তি। জনগণের স্বার্থ রক্ষার বিষয়টি আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার।

এজন্য জনস্বার্থ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং দরিদ্র মানুষের জীবিকা রক্ষার জন্য কর্তৃপক্ষকে মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও টেকসই ব্যবস্থাপনার দিকে অগ্রসর হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, একই সময়ে সরকারের রাজস্ব প্রাপ্তি নিশ্চিত করারও কথা বলেন। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী আমরা ‘জাল যার জলা তার’ এই নীতিতে আমাদের বিশ্বাস রয়েছে।

ইজারা প্রদানের ক্ষেত্রে বিদ্যমান জলমহাল ব্যবস্থাপনা নীতির যথাযথ অনুসরণের জন্য মন্ত্রী নির্দেশনা প্রদান করেন।

প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বর্তমান প্রচলিত আইন ও নীতিমালার আলোকে স্থানীয় সংসদ সদস্যদের পরামর্শ নিয়ে অসামঞ্জস্যপূর্ণ ইজারা মূল্যগুলোকে যুগোপযোগী করে সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব প্রাপ্তি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।

সভায় কিশোরগঞ্জ জেলার ১২টি জলমহালের মধ্যে নয়টি, খুলনা জেলার ১২টির মধ্যে ছয়টি, হবিগঞ্জ জেলার ৩০টি থেকে ২০টি এবং সুনামগঞ্জ জেলার ৫৪টির মধ্যে ৪৩টি প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়।

বাকি প্রস্তাবগুলো অধিকতর যাচাইপূর্বক পরে উপস্থাপন করতে হবে এবং যেখানে প্রস্তাবিত ইজারা মূল্য যথাযথ নয় সেখানে পুনঃইজারা বিজ্ঞপ্তি প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেয়া হয়।

এছাড়াও সভায় পাবনা জেলার ২৩টি জলমহাল উন্মুক্ত করার প্রস্তাব সভায় অনুমোদন করা হয়েছে।

সভায় মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য দপ্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসকগণ অনলাইনে সভায় যুক্ত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণপূর্তের লটারি শুধু নামেই? আগেই ঠিক হয়ে গিয়েছিল ৪১ প্রকৌশলীর ভাগ্য!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এবি সিদ্দীক ভূইঁয়া

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৪৪ পি.এম


গণপূর্তের লটারি শুধু নামেই? আগেই ঠিক হয়ে গিয়েছিল ৪১ প্রকৌশলীর ভাগ্য!

গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রকৌশলীদের বদলি এবং পদায়নে লটারির স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে যে, লটারি শুরুর আগেই ঢাকা জেলার বক্সে ৪১ জন প্রকৌশলীর নাম ঢোকানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দাবি করেছেন যে, কিছু ক্ষেত্রে প্রচলিত নিয়ম ও বদলি নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ না করেই পছন্দের কর্মকর্তাদের নাম নির্দিষ্ট বক্সে স্থানান্তর করা হয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, সংস্থাপন শাখার অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. ফিরোজ হাসান এবং তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মুহাম্মদ সারওয়ার জাহান বিপ্লবের পছন্দের কর্মকর্তাদের ঢাকা মেট্রো এলাকার বক্সে রাখার মাধ্যমে লটারির ফলাফলকে প্রভাবিত করার সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। এ নিয়ে গণপূর্তের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রকৌশলীদের মধ্যে ক্ষোভ এবং অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

যাদের নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে তাদের মধ্যে কয়েকজন প্রকৌশলীর বদলি ও পদায়ন নিয়ে বিশেষভাবে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। মেহবুবুর রহমান: তার নিজ জেলা ঢাকা। অভিযোগ অনুযায়ী, রমনা-১ থেকে আজিমপুর-পিলখানায় পদায়ন করা হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে—নিজ জেলা ঢাকা এবং বর্তমান কর্মস্থলও ঢাকার মধ্যে থাকার পর আবার ঢাকাতেই পদায়নের সুযোগ কীভাবে তৈরি হলো?

সৌরভ রায়: তার নিজ জেলা ময়মনসিংহ। অভিযোগ রয়েছে, শেরে বাংলা নগর মেডিকেল থেকে তাকে সাভারে পদায়ন করা হয়েছে। অথচ তার লটারি ময়মনসিংহ বিভাগের জন্য হওয়ার কথা থাকলেও লটারির আগেই তার নাম ঢাকা মেট্রোজোনের বক্সে স্থানান্তর করা হয়েছিল বলে দাবি করা হচ্ছে।

আসাদুজ্জামান সাদ: তার নিজ জেলা টাঙ্গাইল। অভিযোগ অনুযায়ী, হাইকোর্ট সাব-ডিভিশন থেকে তেজগাঁও সাব-ডিভিশনে পদায়ন করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের প্রশ্ন, দীর্ঘদিন ঢাকায় কর্মরত থাকার পরও কেন তাকে ঢাকার বাইরে লটারির আওতায় নেওয়া হয়নি?

এ এস এম সাখাওয়াত ইসলাম (সোহেল): তার নিজ জেলা বগুড়া। অভিযোগ রয়েছে, তিনি এর আগে ঢাকা ডিভিশন-৪ ও শেরে বাংলা নগর এলাকায় দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে গাজীপুর থেকে মিরপুরে পদায়নের তথ্য সামনে এসেছে। এ নিয়েও লটারির প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা।

রেজাউল করিম মিঠু: তার নিজ জেলা ফরিদপুর। অভিযোগকারীদের তথ্য অনুযায়ী, তিনি শেরে বাংলা নগর ও মহাখালীতে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং মতিঝিল থেকে গণপূর্ত সম্পদ বিভাগে পদায়ন পেয়েছেন।

এজাজ আহমেদ খান: তার নিজ জেলা নেত্রকোনা। অভিযোগ রয়েছে, তার লটারি ময়মনসিংহ বিভাগের আওতায় হওয়ার কথা থাকলেও লটারির আগে তাকে ঢাকা মেট্রোজোনের বক্সে স্থানান্তর করা হয়। পরে শেরে বাংলা নগর উপবিভাগ-৮ থেকে ধানমন্ডিতে পদায়নের তথ্য সামনে এসেছে।

আসরাফুল আউয়াল রানা: তার নিজ জেলা জামালপুর। অভিযোগ অনুযায়ী, তারও ময়মনসিংহ বিভাগে লটারির আওতায় থাকার কথা ছিল। কিন্তু লটারির আগেই ঢাকা মেট্রোজোনের বক্সে নাম স্থানান্তর করা হয় বলে দাবি করা হচ্ছে। পরে সাভার থেকে মতিঝিলে পদায়ন করা হয়েছে।

আরও বড় প্রশ্ন উঠে এসেছে ৫৫ ও ৬০ নম্বরের কর্মকর্তাদের নিয়ে। অভিযোগকারীদের দাবি, তালিকার ৫৫ ও ৬০ নম্বর ক্রমিকের কয়েকজন কর্মকর্তার নিজ জেলায় নাম ওঠার পরও তাদের সেখানে পদায়ন করা হয়নি। বরং নাম কেটে পাশের জেলায় দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

অন্যদিকে, যেসব কর্মকর্তার নিজ জেলা ও বর্তমান কর্মস্থল—দুটিই ঢাকা, তাদের আবারও ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় পদায়ন দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এ অবস্থায় প্রকৌশলীদের প্রশ্ন হচ্ছে—যদি লটারিই বদলি ও পদায়নের মূল ভিত্তি হয়, তাহলে লটারির আগে কোনো কর্মকর্তার নাম নির্দিষ্ট বক্সে স্থানান্তরের সুযোগ কেন থাকবে?

গণপূর্ত অধিদপ্তরের লটারিভিত্তিক বদলির অন্যতম উদ্দেশ্য হিসেবে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা এবং বদলি বাণিজ্য বন্ধের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু যদি লটারির আগেই কোনো কর্মকর্তার নাম নির্দিষ্ট এলাকার বক্সে স্থানান্তর করা হয়ে থাকে, তাহলে পুরো প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। অভিযোগকারীরা বলছেন, লটারির আগে কোন কর্মকর্তা কোন বক্সে ছিলেন, কার নাম কখন স্থানান্তর করা হয়েছে এবং সেই পরিবর্তনের অনুমোদন কে দিয়েছেন—এসব তথ্য প্রকাশ করা হলে পুরো বিষয়টি পরিষ্কার হতে পারে। তাদের দাবি, লটারির মূল তালিকা, বক্সভিত্তিক কর্মকর্তাদের তালিকা এবং লটারির আগে-পরে করা পরিবর্তনের রেকর্ড প্রকাশ করা হোক।

এখন যে প্রশ্নগুলোর উত্তর প্রয়োজন তা হলো—লটারির আগে কি সত্যিই ৪১ জনের নাম ঢাকা জেলার বক্সে স্থানান্তর করা হয়েছিল? যদি হয়ে থাকে, কোন নীতিমালার অধীনে এবং কার অনুমোদনে এই পরিবর্তন করা হয়েছিল? নিজ জেলা বা নিজ বিভাগের বাইরে থাকার কথা থাকলেও কিছু কর্মকর্তাকে কেন ঢাকা মেট্রোর আওতায় রাখা হলো? আর নিজ জেলায় নাম ওঠার পরও কেন কিছু কর্মকর্তাকে অন্য জেলায় পদায়ন করা হলো? এসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া গেলেই বোঝা যাবে—গণপূর্তের লটারি ব্যবস্থা সত্যিই পুরোপুরি স্বচ্ছ ছিল, নাকি লটারির আগেই তৈরি হয়েছিল পছন্দের কর্মকর্তাদের জন্য আলাদা হিসাব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুনামগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

‎​স্টাফ রিপোর্টার:: মোহাম্মদ নূর

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৪৬ পি.এম


সুনামগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সুনামগঞ্জে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে জেলার বিভিন্ন উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।

দুপুর ১২টার দিকে শহরের পুরাতন বাস স্টেশন এলাকায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়। র‍্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে আলফাত স্কয়ারে গিয়ে এক পথসভায় মিলিত হয়। নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতিতে পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

সুনামগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মনাজ্জির হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলমের পরিচালনায় পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আকবর আলী, রেজাউল হক, আবুল কালাম আজাদ ও নজরুল ইসলাম। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি সোহেল আহমেদ, সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফারুক আহমেদ লিলু এবং পৌর বিএনপির আহ্বায়ক সাইফুল্লাহ হাসান জুনেদ।

পথসভায় বক্তারা সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও বেগবান ও শক্তিশালী করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ঘোষিত সকল কর্মসূচি সফল করতে নেতাকর্মীদের ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

উক্ত কর্মসূচি সফল করতে জেলা, উপজেলা ও পৌর শাখার বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়কবৃন্দ, সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন উপজেলা ও পৌর শাখার সভাপতি, আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবদের নেতৃত্বে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগদান করেন।

আপনার এই সংবাদটি জাতীয় দৈনিকের সংবাদ প্রকাশের কাঠামোগো নীতি ও প্রমিত বাংলা রীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে সাজানো হয়েছে। এটি প্রকাশের জন্য প্রস্তুত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%