বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৫৫ পি.এম
চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় আট বছর বয়সী শিশু সোহাগ হত্যার মামলায় ইমাম হোসেন, যিনি ইমন নামেও পরিচিত (২৮), আদালতের দ্বারা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন। আদালত তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানার পাশাপাশি অনাদায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডেরও আদেশ প্রদান করেছে।
বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত এই রায় ঘোষণা করে।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী ওমর ফুয়াদ জানান, শিশু সোহাগকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় তার পিতার করা মামলায় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই রায় প্রদান করেছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ৮ মার্চ বিকেল সাড়ে চারটার সময় পতেঙ্গার খালপাড় এলাকায় খেলার সময় নিখোঁজ হয় শিশু সোহাগ। পরে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের সময় পূর্ব হোসেন আহমদ পাড়ার চেয়ারম্যান গলির একটি পরিত্যক্ত ভাড়া ঘর থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বরই খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে ইমন হোসেন সোহাগকে ওই পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটির ওপর যৌন নির্যাতনের চেষ্টা করা হয়। শিশুটি বাধা দিতে গেলে সে চিৎকার করে এবং পালানোর চেষ্টা করে। তখন ইট দিয়ে তার মাথা ও কপালে আঘাত করা হয়, যা ঘটনাস্থলেই শিশুটির মৃত্যু ঘটায়। লাশের পাশে একটি রক্তমাখা ইট পাওয়া যায়।
সোহাগের বাবা মো. ফারুক হোসেন ভূঁইয়া পতেঙ্গা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার সময় অভিযুক্তের বয়স ছিল ২০ বছর। পরে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্তকে শনাক্ত করে এবং গ্রেপ্তার করে।
রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। তিনি ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার নুরাবাদ গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে।
এমই
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চীন সাগরে চিনা স্যাটেলাইটের নজরদারির আওতায় মার্কিন নৌবাহিনীর শক্তিশালী উপস্থিতি নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করছে। সম্প্রতি প্রকাশিত চিনা স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ‘ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট’ (CVN-71) বিমানবাহী রণতরী দক্ষিণ চীন সাগর অতিক্রম করছে। ধারণা করা হচ্ছে, প্রশান্ত মহাসাগরীয় যৌথ সামরিক মহড়া শেষে রণতরীটি ইরান উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরিকল্পনা অনুসারে চলতি নভেম্বরের শেষের দিকে ‘ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট’ ওবায়দুল্লাহ জলসীমা অতিক্রম করে আরব সাগরে পৌঁছাতে পারে। তবে প্রশ্ন উঠেছে, রুজভেল্ট কি পূর্বে সেখানে মোতায়েন থাকা ‘ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন’কে দায়িত্ব হস্তান্তর করে ফিরে আসবে, নাকি ইতোমধ্যে অবস্থানরত ‘ইউএসএস জর্জ এইচ.ডব্লিউ বুশ’-এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে তিনটি মার্কিন এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার একযোগে ইরানি সীমান্তে শক্তিপ্রদর্শন শুরু করবে?
স্যাটেলাইট ও বিমান চলাচলের তথ্য
৪ নভেম্বর ‘মিজারভিশন’ নামের চিনা একটি বাণিজ্যিক মহাকাশ সংস্থার স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গেছে, ইন্দোনেশিয়ার নাটুনা দ্বীপপুঞ্জের উত্তরে ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট এবং এর সহযোগী যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস চোসিন’-এর অবস্থান। তবে ছবিগুলোর বিভ্রান্তি এবং মার্কিন নৌবাহিনীর নিরাপত্তার গোপনীয়তার কারণে যুদ্ধজাহাজ বহরের সব তথ্য জনসমক্ষে আসেনি।
এছাড়া, এমএইচ-৬০এস সি হক এবং সিএমভি-২২বি অসপ্রে যুদ্ধবিমানের গতিপথ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, মার্কিন যুদ্ধজাহাজ বহরটি মালাক্কা প্রণালীর দিকে দ্রুতগতিতে অগ্রসর হচ্ছে।
কেন ৩টি রণতরীর উপস্থিতি এত গুরুত্বপূর্ণ?
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি বিশাল বিমানবাহী রণতরী যদি একই সঙ্গে আরব সাগরে অবস্থান নেয়, তাহলে তা মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক ভারসাম্যের পরিবর্তন আনবে। এর মূল কারণগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো:
ইরানের ওপর নজরদারি ও প্রতিরোধ: হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজের সুরক্ষার অজুহাতে ইরানি বিমান প্রতিরক্ষা ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা প্রতিহত করতে বিপুল পরিমাণ ফাইটার জেট এবং নজরদারি এভিয়েশন মোতায়েনের সুযোগ তৈরি হবে।
আম্ফিবিয়াস ফোর্সের সমন্বয়: মার্কিন ৯,০০০ থেকে ১০,০০০ সৈন্য এবং '১৩তম মেরিন এক্সপিডিশনারি ইউনিট' বহরে থাকায় যেকোনো সামুদ্রিক সংকটে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার পথ উন্মুক্ত হবে।
কূটনৈতিক চুক্তি ও হুমকি: যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কৌশলগত ও বাণিজ্যিক আলোচনার মধ্যবর্তী সময়ে মার্কিন নেতৃত্বের সরাসরি সামরিক ব্যবস্থার যে হুমকি ছিল, এই তিনটি ক্যারিয়ারের উপস্থিতি সেই কৌশলগত চাপকে বাড়িয়ে দেবে।
প্রশান্ত মহাসাগরে চীনের সঙ্গে মার্কিন সমীকরণ
যুক্তরাষ্ট্র যখন তাদের বড় নৌ-বহর মধ্যপ্রাচ্যের দিকে সরাচ্ছে, ঠিক তখনই প্রশান্ত মহাসাগরে চিনা নৌবাহিনীর তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। চিনা বিমানবাহী রণতরী 'লিয়াওনিং' ইতিমধ্যেই ফিলিপাইন ও জাপানের পার্শ্ববর্তী জলসীমায় টহল দিচ্ছে এবং তাদের নতুন বিমানবাহী জাহাজ 'ফুজিয়ান' ও 'শানডং' সাগরে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।
আমেরিকার পক্ষে মধ্যপ্রাচ্যে একটি অতিরিক্ত বিমানবাহী রণতরী দীর্ঘমেয়াদে রাখা মানে প্রশান্ত মহাসাগরে চিনের মুখোমুখি হওয়ার সক্ষমতা সাময়িকভাবে কমে যাওয়া।
কৌশলগত ও লজিস্টিক চ্যালেঞ্জ
যদিও ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট একটি পারমাণবিক চালিত বিমানবাহী রণতরী, তবে এর সাথে থাকা প্রচলিত শক্তির চালিত রণতরীসমূহ এবং হাজার হাজার সৈন্যের জন্য রসদ সরবরাহের চ্যালেঞ্জ থেকেই যায়। সম্প্রতি এটি চিনের নজর এড়িয়ে অস্ট্রেলিয়ার জ্বালানি সরবরাহকারী জাহাজ 'এইচএমএএস স্টালওয়ার্ট'-এর মাধ্যমে মধ্য-সমুদ্রে রিফুয়েলিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।
শেষ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি রণতরী দীর্ঘমেয়াদে মোতায়েন থাকবে, নাকি নতুনটি এসে পুরনো রণতরীকে জাপানের প্রধান ঘাঁটিতে ফেরত পাঠাবে—তা আগামী কয়েক সপ্তাহের আন্তর্জাতিক সামরিক বিন্যাসের ওপর নির্ভর করছে। তবে সার্বিকভাবে, মার্কিন এই নতুন শক্তিপ্রদর্শন হরমুজ প্রণালী ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পের আয়োজন করেছেন যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান জুয়েল (
আগামী ৬ নভেম্বর ২০২৬, শুক্রবার এ চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে। ক্যাম্পে সাধারণ মানুষের জন্য বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসাসেবা প্রদানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
মানবিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে নেওয়া এ উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ ও অসহায় মানুষের মাঝে চক্ষু চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়াই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানিয়েছেন, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণ, সংস্কার ও আধুনিকায়নে ব্যাপক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
স্টেডিয়ামকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের উপযোগী করে আরও আধুনিক, নান্দনিক ও দর্শকবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী জানুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড টেস্ট ম্যাচকে সামনে রেখে এসব কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনের খেলা শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সামগ্রিক অবকাঠামো উন্নয়নে আমরা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। এর মধ্যে রয়েছে গ্রিন গ্যালারির আধুনিকায়ন, গ্র্যান্ড স্ট্যান্ড সংস্কার, ফ্লাডলাইট ব্যবস্থার উন্নয়ন, খেলোয়াড়দের ড্রেসিংরুম সংস্কার, হসপিটালিটি বক্স নির্মাণ ও উন্নয়ন এবং খেলার মাঠের প্রয়োজনীয় সংস্কার। পাশাপাশি স্টেডিয়ামে প্রবেশের সড়ক সংস্কার, প্রবেশদ্বারের সৌন্দর্যবর্ধন ও আলোকায়নসহ দর্শক, খেলোয়াড় ও সংশ্লিষ্ট সবার জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে।
তিনি আরও বলেন, আগামী জানুয়ারিতে সিলেটে অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া ফেব্রুয়ারিতে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার টেস্ট ম্যাচ আয়োজনের সূচি রয়েছে। দুটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজনকে সামনে রেখে আমরা স্টেডিয়ামকে সম্পূর্ণ প্রস্তুত করতে চাই। এ লক্ষ্যেই উন্নয়ন ও সংস্কার কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করে আন্তর্জাতিক মানের ভেন্যু হিসেবে স্টেডিয়ামটির সক্ষমতা আরও বাড়ানো হবে।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম প্রতিষ্ঠার পেছনে প্রয়াত বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের উন্নয়ন কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান আরাফাত রহমান কোকো এবং সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম. সাইফুর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে বিসিবি পরিচালক বলেন, সিলেটে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অবকাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাঁদের উদ্যোগ ও অবদানের ফলে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজনের অন্যতম ভেন্যু হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি যখনই রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসেছে, তখনই দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন ও ক্রীড়া অবকাঠামো সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদ খুঁজে বের করে তাঁদের বিকাশের সুযোগ তৈরিতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছেন। এরই অংশ হিসেবে নতুনকুঁড়ি স্পোর্টস আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের মধ্যে খেলাধুলার আগ্রহ বাড়বে এবং ভবিষ্যতের দক্ষ ও প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরি হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সিলেটের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজন সফল করতে নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম শুধু সিলেটের নয়, এটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ক্রীড়া স্থাপনা। এখানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের আয়োজন সিলেটের পরিচিতি ও মর্যাদা বৃদ্ধির পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়া চর্চার প্রসারেও ভূমিকা রাখে। তাই আগামী দিনে স্টেডিয়ামে আয়োজিত সব টুর্নামেন্ট ও আন্তর্জাতিক ম্যাচ মাঠে এসে উপভোগ করার জন্য তিনি সিলেটবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিসিবির সিলেটের কাউন্সিলর আশরাফ আরমান, মৌলভীবাজারের অন্যমৌলভীবাজারের কাউন্সিলর মনোয়ার এম আহমদসহ কর্মকর্তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ