ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় ছাত্রদলের তদন্ত কমিটি গঠন


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় ছাত্রদলের তদন্ত কমিটি গঠন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনার তদন্তের জন্য ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ একটি দুই সদস্যের কমিটি গঠন করেছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) ছাত্রদলের প্যাডে কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা) মো. জাহাঙ্গীর আলমের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তদন্তের জন্য ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি এ. বি. এম. ইজাজুল কবির রুয়েল এবং মনজুরুল আলম রিয়াদের নেতৃত্বে দুই (২) সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: হেমায়েতপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ

তদন্ত কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যথাযথ তদন্ত সম্পন্ন করে কেন্দ্রীয় সংসদের কাছে লিখিত প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এই নির্দেশনা প্রদান করেছেন।

এর আগে, রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাবি ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এই হামলায় চার সাংবাদিক গুরুতর আহত হয়েছেন এবং অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। হামলার ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে ঘটে।

গুরুতর আহত সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছেন- আগামীর সময়ের প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম, দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিনিধি নূর আহসান মৃদুল, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আরিফ উজ্জামান কোরবান এবং দৈনিক সমকালের প্রতিনিধি মাঈনুল ইসলাম রাজু।

অন্যদিকে হামলাকারীদের মধ্যে আছেন- বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আহসান হাবীব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল ইসলাম, সহ-সভাপতি শরিফুল ইসলাম এবং সহ-দপ্তর সম্পাদক শাহরিয়ার আলম। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ছাত্রদলের অন্তত ১০ নেতাকর্মী এই হামলায় অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন: সচিবালয়ে পরিচয়পত্র দেখানো বাধ্যতামূলক, দর্শনার্থী প্রবেশেও কঠোর নজরদারি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের বাজারে কমলো সোনার দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫৮ এম


দেশের বাজারে কমলো সোনার দাম

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশের বাজারে সোনার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকায় নেমে এসেছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে পিওর গোল্ড বা তেজাবি সোনার দাম কমানোর ফলে দেশের বাজারেও সোনার বিক্রয়মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি গ্রাম দাম ১৯ হাজার ৬৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১ ভরি সমান ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম হিসেবে প্রতি ভরির দাম ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১৮ হাজার ৮১৭ টাকা। প্রতি গ্রাম সোনার দাম ১৮ হাজার ৭৬০ টাকা।

১৮ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম সোনার দাম ১৬ হাজার ১১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, ফলে প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৮৭ হাজার ৯০৭ টাকায় পৌঁছেছে।

সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতি গ্রাম দাম ১৩ হাজার ১৬০ টাকা। এতে প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৯৮ টাকা দাঁড়িয়েছে।

তবে, সোনার দাম কমানোর পরও রূপার দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রূপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, অলংকারের নকশার ভিত্তিতে মজুরি প্রযোজ্য হবে। সোনা ও রৌপ্য অলংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না।

এছাড়া, মজুরি ও পাথরের দাম বাদ দিয়ে অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে।

পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে বাজুস কর্তৃক নির্ধারিত এই বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্ব বসতি দিবসের আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫৮ এম


বিশ্ব বসতি দিবসের আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী

বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’ প্রতিপাদ্যে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে সোমবার সকালে (৫ অক্টোবর) বিশ্ব বসতি দিবসের অনুষ্ঠান শুরু হয়।

এর আগে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের প্রাঙ্গণে একটি ‘স্বর্ণচাঁপা’ গাছের চারা রোপণ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন, প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি-১ জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জার্মানি ইউক্রেনকে ১.৩ বিলিয়ন ইউরোর সহায়তা প্রদান করেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১৪ এম


জার্মানি ইউক্রেনকে ১.৩ বিলিয়ন ইউরোর সহায়তা প্রদান করেছে

জার্মানি ইউক্রেনকে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ইউরোর বেশি মূল্যের নতুন সহায়তা প্যাকেজ প্রদান করেছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রোববার (৪ অক্টোবর) জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎসের সঙ্গে বৈঠকের পর এই তথ্য জানিয়েছেন। সংবাদটি আনাদোলুরের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

জেলেনস্কি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, নতুন সহায়তা প্যাকেজে অস্ত্রের পাশাপাশি শীতের আগে ইউক্রেনের জ্বালানি খাতের জন্য সহায়তাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘এতে এমন অস্ত্র রয়েছে, যা এখন আমাদের প্রয়োজন। পাশাপাশি শীতের আগে জ্বালানি খাতের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা রয়েছে। অবশ্যই আমরা আকাশ প্রতিরক্ষার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা করেছি, যা এই মুহূর্তে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

জেলেনস্কি আরও জানান, ইউক্রেন ও জার্মানি ১৫টি চুক্তি ও নথিতে স্বাক্ষর করেছে। এসব চুক্তির বেশিরভাগই নিরাপত্তা সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন, সরঞ্জাম কেনা, জার্মান শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য অর্ডার এবং ইউক্রেনে যৌথ প্রকল্প বাস্তবায়নের সঙ্গে সম্পর্কিত।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘আজ আমাদের করা চুক্তিগুলোর মোট মূল্য ৮ দশমিক ৫ বিলিয়ন ইউরোর বেশি।’

এছাড়া, ড্রোন মোকাবিলায় যৌথ কার্যক্রম আরও বাড়ানোর জন্য একটি আলাদা চুক্তি করার কথাও জানান জেলেনস্কি।

রোববার সকালে কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে পৌঁছান। সেখানে যাওয়ার আগে তিনি বলেন, তার বার্তা স্পষ্ট—‘আপনারা আমাদের ওপর নির্ভর করতে পারেন।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জমি বন্ধক রেখে টাকা নিলে ফসলের মালিকানা কার? ইসলামে কী বলা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১৪ এম


জমি বন্ধক রেখে টাকা নিলে ফসলের মালিকানা কার? ইসলামে কী বলা হয়েছে

গ্রামের একটি পরিচিত দৃশ্য হলো- টাকার প্রয়োজন, কিন্তু হাতে নগদ নেই। তখন জমিই হয়ে ওঠে ভরসা। কেউ যদি টাকা ধার নিয়ে জমি বন্ধক রাখেন, তবে শর্ত থাকে, যতদিন টাকা ফেরত দেওয়া না হবে, ততদিন ঋণদাতা সেই জমি চাষ করবেন। জমিতে ফলবে ধান, গম কিংবা অন্য কোনো ফসল। প্রশ্ন হলো, সেই ফসলের মালিক কে? এই প্রশ্নের উত্তর কেবল প্রচলিত রীতিতে নয়, বরং ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতেও গুরুত্বপূর্ণ।

ইসলামী চিন্তাবিদ ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, ইসলামে ঋণের নিশ্চয়তা হিসেবে কোনো সম্পদ বন্ধক রাখা বৈধ। অর্থাৎ, একজন ব্যক্তি প্রয়োজনের সময় টাকা ধার নিয়ে তার জমি বা অন্য কোনো সম্পদ বন্ধক রাখতে পারেন। কোরআনের সূরা আল-বাকারার ২৮৩ নম্বর আয়াতে বন্ধকের বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর বর্ম বন্ধক রাখার ঘটনা হাদিসেও পাওয়া যায়। তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত রয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, ঋণের বিনিময়ে বন্ধক রাখা সম্পদ থেকে ঋণদাতা অতিরিক্ত কোনো সুবিধা নিতে পারবেন না। ফলে জমি বন্ধক রেখে টাকা দেওয়ার পর সেই জমি নিজের দখলে নিয়ে চাষ করা এবং উৎপাদিত সব ফসল ভোগ করা শরিয়তসম্মত নয়। কারণ, ঋণদাতা এখানে মূল টাকা ফেরত পাওয়ার অধিকারী। এর বাইরে ঋণের কারণে যদি তিনি কোনো বাড়তি সুবিধা পান, সেটি সুদের পর্যায়ে পড়তে পারে।

উদাহরণ হিসেবে ধরা যাক, একজন ব্যক্তি ৫ লাখ টাকা ধার নিলেন এবং এর বিপরীতে তিনি ২ বিঘা জমি বন্ধক রাখলেন। ঋণদাতা সেই জমি চাষ করলেন এবং প্রতি বছর উৎপাদিত ফসল নিজের কাছে রাখলেন। টাকা ফেরত দেওয়া পর্যন্ত এভাবে জমির সুবিধা ভোগ করলেন।

বাইরে থেকে এটি হয়তো একটি স্বাভাবিক লেনদেন মনে হতে পারে। কিন্তু ইসলামী বিধানের আলোচনায় মূল প্রশ্ন হলো- ঋণের কারণে ঋণদাতা যে বাড়তি সুবিধা পেলেন, সেটি কীভাবে পেলেন? এখানে বন্ধক ও ঋণের মধ্যে পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। বন্ধক হলো ঋণের নিরাপত্তা। কিন্তু বন্ধকী সম্পদ থেকে ঋণদাতার লাভ নেওয়া সেই নিরাপত্তার সীমা ছাড়িয়ে যায়।

এমনকি জমির মালিক নিজে সম্মতি দিলেও বিষয়টি বৈধ হয়ে যায় না বলে আলেমরা মনে করেন। কারণ, সম্মতি থাকলেও যদি ঋণের সঙ্গে জমি ভোগের সুবিধা যুক্ত থাকে, তাহলে সেখানে ঋণের বিনিময়ে অতিরিক্ত সুবিধা নেওয়ার প্রশ্ন থেকে যায়।

প্রচলিত ব্যবস্থার বিকল্প

যদি জমির মালিক চান, তবে ঋণের চুক্তি এবং জমি ব্যবহারের আরেকটি চুক্তি করতে পারেন। অর্থাৎ, ঋণের জন্য জমি বন্ধক থাকবে; আর জমি চাষ করতে হলে আলাদাভাবে ইজারা বা বর্গাচাষের চুক্তি করা যাবে। সেই চুক্তিতে ন্যায্য ভাড়া বা ফসলের অংশ নির্ধারণ করতে হবে। তবে জমি ব্যবহারের বিষয়টি ঋণের শর্ত হিসেবে রাখা যাবে না। অর্থাৎ, জমি বন্ধক রাখা বৈধ, কিন্তু ঋণের বিনিময়ে সেই জমির ফসল ভোগ করা বৈধ নয়।

টাকার প্রয়োজন মেটাতে জমি বন্ধক রাখা তাই নিজে কোনো সমস্যা নয়। সমস্যাটি তৈরি হয় তখনই, যখন ঋণের সঙ্গে জমির ভোগ বা লাভের সুবিধা জুড়ে দেওয়া হয়। ইসলামী শরিয়তের মূলনীতি হলো- ঋণ হবে সহযোগিতার মাধ্যম, আর ঋণের বিনিময়ে অতিরিক্ত সুবিধা নেওয়া যাবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%