ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ভিড় কমাতে জেলা হাসপাতালগুলোকে পূর্ণাঙ্গ করা হবে : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী


ভিড় কমাতে জেলা হাসপাতালগুলোকে পূর্ণাঙ্গ করা হবে : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

রাজধানীর বড় হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ কমানোর লক্ষ্যে এবং সেখানে রোগীর উপচেপড়া ভিড় দুরীকরণে, জেলা হাসপাতালগুলোকে পূর্ণাঙ্গ সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন করে গড়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার।

রবিবার (২৮ জুন) সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এ তথ্য জানান।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, দেশের বড় মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, সদর হাসপাতাল কিংবা অন্যান্য বড় হাসপাতালগুলো মূলত ঢাকায় অবস্থিত। যদিও পাঁচশ রোগীর হাসপাতালে দুই হাজার রোগীকে চিকিৎসা দিতে হয়, কিন্তু এর ফলে রোগীরা বারান্দায় অপেক্ষা করতে বাধ্য হন।

আরও পড়ুন: গণমাধ্যমে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে নিষিদ্ধ আ.লীগ : প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

তিনি আরও জানান, ‘ঢাকার বড় হাসপাতালের এই ভিড়ের সমাধান ওই হাসপাতালে নেই। এই সমস্যার সমাধান হবে যদি জেলা হাসপাতালগুলোকে পূর্ণাঙ্গ সব সুবিধা প্রদান করে গড়ে তুলি। মানুষ তখন জেলার ভেতরেও তার কাঙ্খিত চিকিৎসাসেবা পাবে। আমরা সেই ধরনের পরিকল্পনাই করছি।’

প্রতিমন্ত্রী বাজেটের মানবিক দিকের গুরুত্বের প্রতি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘আপনার যে ভাইটি মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে রয়েছে এবং হার্ট অপারেশনের জন্য অপেক্ষা করছে, এই বাজেট তার জীবন রক্ষার বাজেট। যে পাঁচ লাখের বেশি প্রবীণ ব্যক্তি ছানি রোগের কারণে অন্ধত্ব বরণ করছেন, এটি তাদের সাশ্রয়ী মূল্যে দৃষ্টি ফিরিয়ে পাওয়ার বাজেট। এটি ঢাকা হাসপাতালে বারান্দায় ঘুমানো ক্যান্সার রোগীর জীবন এবং জমি রক্ষার বাজেট।’

প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাজেটকে শুধুমাত্র অর্থ ও সংখ্যার খেলা হিসেবে দেখা যাবে না। তিনি বলেন, ‘পরে ১৫ বছরের মধ্যে ঘটে যাওয়া দুঃশাসনে আমাদের অর্থনীতি, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছিল। গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে এই সংসদ গঠিত হয়েছে। তাই সীমিত সম্পদের মধ্যে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করাই সরকারের দায়।’

তিনি জানান, ভেঙে পড়া স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুনর্গঠনের উদ্দেশ্যে, এবারের স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ গত বছরের ৩৫ হাজার কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে প্রায় দ্বিগুণ, অর্থাৎ ৬৯ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: রেড ক্রিসেন্ট নির্বাচনে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা লঙ্ঘনের অভিযোগ

ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবার জন্য একটি সহজলভ্য, সাশ্রয়ী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলাই এই বাজেটের মূল লক্ষ্য।

এম এ মুহিত বলেন, বাংলাদেশে মোট মৃত্যুর ৭১ শতাংশই অসংক্রামক ব্যাধির কারণে হচ্ছে, যেমন ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন বা কিডনি রোগ। আর চিকিৎসা খরচের ৭৯ শতাংশ রোগীকে নিজস্ব পকেট থেকে বহন করতে হচ্ছে। যেখানে থাইল্যান্ডে এটি মাত্র ১০ শতাংশ এবং মালদ্বীপে ১৮ শতাংশ।

এই সব প্রেক্ষাপটে সরকার জানায়, অস্থিতিশীলভাবে হাসপাতাল ভবন নির্মাণের পরিবর্তে, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা, রেফারাল নেটওয়ার্ক তৈরি এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে শক্তিশালী করতে জোর দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কাশেম কারাগারে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভূতুড়ে বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগে চরম ভোগান্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:১৮ পি.এম


ভূতুড়ে বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগে চরম ভোগান্তি

বিদ্যুতের ‘ভূতুড়ে’ বিলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে ঘর থেকে ঘরে। পাঁচগুণেরও বেশি বিল এসেছে কারো কারো। দ্রুত এই বিষয়টির সমাধান দাবি জানানো হচ্ছে। রামগতি-কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি সংবাদের প্রকাশের তারিখ ২৮ জুন, ২০২৬, ১৩:৫৯।

গত মাসে গ্রাহক আলাউদ্দিনের বিদ্যুৎ বিল এসেছিল মাত্র ৬৭৭ টাকা, কিন্তু চলতি মাসে এটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৩৭৭ টাকায়।

একইভাবে, বেলাল হোসেনের বিদ্যুৎ বিল ৩০০ টাকার স্থলে এ মাসে এসেছে এক হাজার ৭০০ টাকা।

শুধু আলাউদ্দিন এবং বেলাল হোসেনরাই নয়, লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার অধিকাংশ গ্রাহকের কাছে এমন ‘ভূতুড়ে’ বিদ্যুৎ বিল এসেছে। পল্লী বিদ্যুতের অস্বাভাবিক এই বিল নিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে তাদের মধ্যে।

আদনান শরীফ নামের এক বাসিন্দা জানান, গত মাসে তার বিদ্যুৎ বিল ছিল এক হাজার ৫০০ টাকা, কিন্তু এ মাসে সেখানে এসে তা সাত হাজার ১৯০ টাকায় পৌঁছেছে।

মোস্তাফিজুর রহমান নামের একজন গ্রাহকের জন্য পূর্বে বিল ছিল ৫০০ টাকা, বর্তমান মাসে এটাই এক হাজার ৫০০ টাকায় এসে দাঁড়িয়েছে। আওলাদ হোসেনের জন্য গত মাসে বিল ছিল ৪৫০ টাকা, কিন্তু এ মাসে এটি বৃদ্ধি পেয়ে এক হাজার ৮০০ টাকায় পৌঁছেছে।

গ্রাহকরা বলছেন, ‘ভূতুড়ে’ বিল নিয়ে গোটা উপজেলার গ্রাহকদের সঙ্গে বিদ্যুতের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে চলছে বাগবিতণ্ডা। বর্তমানে এ নিয়ে নেট দুনিয়ায় সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে।

কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

গ্রাহকদের অভিযোগ, আন্দোলন করে সর্বত্র তাদের কাছে দ্বিগুণ-তিনগুণ এমনকি পাঁচগুণেরও বেশি বিল এসে হাজির হয়েছে এই মাসে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক সমালোচনা চলছে। গ্রাহকরা বিলের কপি ফেসবুকে প্রকাশ করছেন এবং তাদের ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।

তারা দাবি জানিয়েছেন, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত ও সমাধানের প্রয়োজন।

ভুক্তভোগীদের বক্তব্য, যেসব পরিবারে বিদ্যুৎ ব্যবহার একই রকম অব্যাহত রয়েছে, তাদেরও আগের মাসের তুলনায় অনেক বেশি বিল এসেছে।

কেউ কেউ অভিযোগ করে বলেন, বিদ্যুৎ অফিসে অভিযোগ জানাতে গেলে যথাযথ সেবা না পেয়ে উল্টো হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কমলনগরের বিভিন্ন গ্রুপ ও ব্যক্তিগত আইডিতে এ নিয়ে অসংখ্য পোস্ট দেখা যাচ্ছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, নিয়মিত লোডশেডিংয়ের মধ্যেও কিভাবে এত বেশি বিদ্যুৎ বিল আসছে।

কিছু গ্রাহক মিটার রিডিংয়ের অসংগতি এবং গড় বিল করার অভিযোগও তুলেছেন।

কমলনগর উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এ উপজেলায় পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের অধীনে প্রায় ৬১ হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহক রয়েছে। বর্তমানে অধিকাংশ গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিলে দুই থেকে তিনগুণ টাকা এসেছে ফলে গত তিন দিন ধরে চলছে প্রতিবাদ।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, বিদ্যুতের অতিরিক্ত বিল সাধারণ মানুষের উপরে বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে। অনেকেই দ্রুত বিল সংশোধন ও সঠিক মিটার রিডিং অনুযায়ী নতুন বিল প্রস্তুতের দাবি জানাচ্ছেন।

এ ব্যাপারে কমলনগর জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, ‘কোনো কোনো ক্ষেত্রে মিটার রিডিংয়ের ভুল অথবা সমন্বয়ের কারণে বিল বেশি আসতে পারে। অভিযোগ পেলে যাচাই করে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে। এ নিয়ে এত হৈচৈ করার কোনো মানে হয় না।‘ গ্রাহকদের বিলের সঙ্গে মিটার রিডিং মিলিয়ে দেখার পরামর্শ তিনি দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বর্জ্য থেকেই মিলবে জৈব সার ও বায়োগ্যাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:২১ পি.এম


বর্জ্য থেকেই মিলবে জৈব সার ও বায়োগ্যাস

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় নির্মাণ করা হয়েছে একটি সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিট, যার ব্যয় প্রায় ১২ কোটি টাকা। এটি চালু হলে বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করার মাধ্যমে জৈব সার ও বায়োগ্যাস তৈরি হবে।

এই সারটি কৃষি জমিতে ব্যবহার করতে পারবেন প্রান্তিক চাষিরা স্বল্পমূল্যে। এতে ফসল উৎপাদন যেমন বাড়বে, তেমনই সৃষ্টি হবে নতুন কর্মসংস্থান। একই সঙ্গে, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব পৌর শহর গড়ে উঠবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শিবচর পৌরসভার চরশাম্যাইল ও শ্যামাইল মৌজায়, ২ দশমিক ৬৮ একর জমিতে ২০২৩ সালে এই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিটের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে টার্ন নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। মোট ১ দশমিক ৫৪ একর জমি ব্যক্তি মালিকানাধীন এবং বাকি ১ দশমিক ১৪ একর খাস জমিতে প্রকল্পটির কাজ হচ্ছে। প্রকল্প শুরু হওয়ার আগেই ব্যক্তিগত মালিকানা ১ দশমিক ৫৪ একর জমি অধিগ্রহণের কাজ সম্পন্ন করে জনস্বাস্থ্য বিভাগ। ইতোমধ্যে নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ হয়েছে।

বর্তমানে উদ্বোধনের অপেক্ষা। তবে, অধিগ্রহণের ৩ বছর পার হলেও ক্ষতিগ্রস্থ জমির মালিকরা এখনো ক্ষতি পূরণের কোনো টাকা পাননি।

উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, শিবচর পৌরসভার বাসাবাড়ি থেকে প্রতিদিন ময়লা-আবর্জনা সংগ্রহ করে এই ইউনিটের মাধ্যমে প্রক্রিয়াজাত করা হবে জৈব সার। বায়ুদূষণ রোধে এবং পরিবেশবান্ধব পৌর শহর গড়তে এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রথম দুই বছর নিজেদের অর্থায়নে জৈব সার উৎপাদন করবে। পরবর্তীতে সরকারের মাধ্যমে উৎপাদন শুরু হবে।

স্থানীয় বাসিন্দা আলী আকবর বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে শিবচরে ময়লা-আবর্জনা ব্যবস্থাপনা নিয়ে নানা সমস্যা ছিল। এই প্রকল্প চালু হলে শহর আরো পরিচ্ছন্ন হবে। এতে অনেকের কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হবে।’ কৃষক হামেদ শিকদার বলেন, ‘বর্তমানে রাসায়নিক সারের দাম অনেক বেশি। যদি এই প্রকল্প থেকে উৎপাদিত জৈব সার স্বল্পমূল্যে পাওয়া যায়, তাহলে আমাদের চাষাবাদের খরচ কমবে। জৈব সার ব্যবহারে জমির উর্বরতা বাড়বে ও মাটির স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। এতে ভালো ফলন হবে এবং আর্থিকভাবে লাভ হবে।’

উপশহরের বাসিন্দা আলী আকবর খান বলেন, ‘উপশহরে শেষ মাথায় দীর্ঘদিন ধরে ময়লা-আবর্জনা ফেলা হয়। দুর্গন্ধের কারণে ঠিকমতো নিঃশ্বাস নেয়া যায় না। শিশুদের মধ্যে নানা রোগ দেখা দিয়েছে। এমনকি দুর্গন্ধের কারণে মসজিদে নামাজ আদায় করতে সমস্যা হচ্ছে। তাই দ্রুত আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থা চালু করে আমাদের এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাই।’

শিবচর উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌশলী শামীমা নাসরিন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘প্রকল্পটি চালু হলে শিবচর পৌরসভার চেহারা পাল্টে যাবে। সড়কে আর ময়লা থাকবে না। বাসাবাড়ি থেকে সংগৃহীত আবর্জনা এখানে এনে প্রক্রিয়াজাত করে জৈব সার তৈরি হবে। সাধারণ কৃষকরা কম খরচে সার কিনে জমিতে ব্যবহার করতে পারবে। সব মিলিয়ে এখানকার মানুষের জীবনযাত্রার মানে বড় পরিবর্তন আসবে।’ তিনি আরো বলেন, ‘প্রকল্পটির নির্মাণকাজ প্রায় ৯০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে এটি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কিয়েভে একাধিক বিস্ফোরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:২১ পি.এম


রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কিয়েভে একাধিক বিস্ফোরণ

ইউক্রেনের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, রোববার ভোরের সময় রাজধানী কিয়েভে রাশিয়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। রাশিয়ার এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলস্বরূপ কিয়েভে বিস্ফোরণের একটি ঘটনা ঘটে, যা শহরের পরিস্থিতিতে গুরুতর প্রভাব ফেলে।

রাজধানীর মেয়র ভিতালি ক্লিটসকো টেলিগ্রামে উল্লেখ করেছেন, 'রাজধানীতে আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করার চেষ্টা করছে।' তিনি সবাইকে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন।

খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র মাধ্যমে এসেছে। এএফপি সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, তারা বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন এবং আকাশে একাধিক ঝলকানি দেখেছেন।

রাশিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ভলগোগ্রাদ, বেলগোরোদ এবং মস্কো-নিয়ন্ত্রিত দোনেৎস্ক অঞ্চলের হরলিভকায় ইউক্রেন একটি হামলা চালানোর পর এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষ তথ্য দিয়েছে যে, এসব হামলায় তিন জন নিহত হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিজেকে সুখী মানুষ বলে ঘোষণা দিলেন সোনাক্ষী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:২৩ পি.এম


নিজেকে সুখী মানুষ বলে ঘোষণা দিলেন সোনাক্ষী

বলিউড অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহা নিজেকে সুখী ঘোষণা করেছেন। একসময় যিনি বাণিজ্যিক ঘরানার সিনেমায় নিয়মিত মুখ ছিলেন, তার কাজের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি সময়ের সঙ্গে বদলেছে। এখন আর তিনি বেশি সংখ্যক সিনেমায় অভিনয় করেন না, বরং চরিত্রের মান, অভিনয়ের সুযোগ এবং ব্যক্তিগত তৃপ্তিকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন। এমনকি পছন্দের কাজ না পেলেও তিনি তার জীবন নিয়ে সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট বলেই জানিয়েছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের বর্তমান মানসিকতার কথা তুলে ধরে সোনাক্ষী বলেন, ‘আমি এখন এমন একটি জায়গায় আছি, যেখানে শুধু নিজের জন্যই কাজ করি। যে কাজ আমাকে আনন্দ দেয়, সেটাই করি। এর বাইরে আমার জীবনও পরিপূর্ণ। যদি আমার পছন্দের কাজ না-ও আসে, তাতেও আমি আমার নিজের ছোট্ট দুনিয়াতেই খুব সুখে আছি।’ তার ভাষ্যে, এই পরিবর্তন হঠাৎ করে আসেনি। ক্যারিয়ারের বিভিন্ন সময়ে অন্যকে খুশি করা কিংবা পেশাগত প্রয়োজনের কারণে এমন অনেক ছবিতে অভিনয় করেছেন, যেগুলো হয়তো তার নিজের প্রথম পছন্দ ছিল না। তবে এখন তিনি সচেতনভাবেই এমন চরিত্র বেছে নিচ্ছেন, যা একজন শিল্পী হিসেবে তাকে তৃপ্তি দেয়। এ বিষয়ে অভিনেত্রী বলেন, ‘এটা শতভাগ সচেতন সিদ্ধান্ত। প্রতিটি নতুন কাজের সঙ্গে আমি আরও বেশি সন্তুষ্ট হচ্ছি। ক্যারিয়ারে অনেক ধরনের কাজ করেছি। কোনো কিছু নিয়েই আমার আফসোস নেই। কিন্তু এখন আমি শুধু সেই কাজই করতে চাই, যা আমাকে সত্যিকারের আনন্দ দেয়।’ গত কয়েক বছরে চরিত্র নির্বাচনের ক্ষেত্রেও সেই পরিবর্তনের ছাপ স্পষ্ট। ‘দাহাড়’-এ একজন পুলিশ কর্মকর্তা, ‘হীরামান্ডি’-তে এক তবায়েফ এবং সম্প্রতি অশ্বিনী আইয়ার তিওয়ারির নতুন ছবি ‘সিস্টেম’-এ একজন আইনজীবীর চরিত্রে অভিনয় করে দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি। নতুন ছবি ‘সিস্টেম’ নিয়েও বেশ আশাবাদী সোনাক্ষী। ছবিটি নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটি কাজ করেছি, যা নিয়ে গর্ব করা যায়। অশ্বিনী, জ্যোতিকা ও আশুতোষ গোয়ারিকরের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা দারুণ ছিল।’ ছবিটির প্রচারণার সময় পরিচালক অশ্বিনী আইয়ার তিওয়ারি সোনাক্ষীকে ভারতের ‘মেরিল স্ট্রিপ’ ও ‘কেট উইন্সলেট’ বলে প্রশংসা করেন। সেই প্রসঙ্গ টেনে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি তাকে ফোন করে বলেছিলাম, তুমি তো আমার ওপর অনেক চাপ বাড়িয়ে দিলে! তবে এমন দুই অসাধারণ অভিনেত্রীর সঙ্গে তুলনা করা হলে সত্যিই ভালো লাগে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%