ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জয়পুরহাটে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ২


জয়পুরহাটে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ২

জয়পুরহাট-পাঁচবিবি সড়কের বনখুর এলাকায় ট্রাক ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে ২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৫ জন।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুর দুইটার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছে—পাঁচবিবি উপজেলার পশ্চিম বালিঘাটা গ্রামের এনামুল হকের ছেলে তৌহিদুল ইসলাম (৩৫) এবং পশ্চিম বীরনগর গ্রামের সাগর সিং এর স্ত্রী অঞ্জনা রানী (২৫)।

এহেন ঘটনায় আহত ৫ জনের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন—পাঁচবিবি উপজেলার বীরনগর গ্রামের কুমার সিং এর স্ত্রী বাসন্তী রানী (৪৫), নীরাকান্ত সিং এর স্ত্রী শেফালী রানী (৪৫), জতিন সিং এর কেশোমনি (৪০) এবং নিখিল সিং এর শান্তনা রানী (২৩)।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া নিহত, আহত ৪

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে পাঁচবিবির বীরনগর এলাকা থেকে যাত্রী নিয়ে একটি অটোরিকশা জয়পুরহাট শহরের দিকে আসছিল। পথে জয়পুরহাট-পাঁচবিবি সড়কের বনখুর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী ট্রাক অটোরিকশাটিকে সামনে থেকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এ ধাক্কায় অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই চালক তৌহিদ ও এক নারী যাত্রী নিহত হন। একই সময় অটোরিকশায় থাকা অন্য যাত্রীরা গুরুতর আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে জয়পুরহাট ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় জনতা ঘাতক ট্রাকটিকে আটকে করে।

জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। একই সঙ্গে আহতদেরও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে ওই সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচের অফিশিয়াল বল উন্মোচন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:০০ এম


বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচের অফিশিয়াল বল উন্মোচন

২০২৬ ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের মহোৎসব এখন অন্তিম লগ্নের অপেক্ষায় রয়েছে। এই হাইভোল্টেজ সমাপনী পর্বের রোমাঞ্চ বৃদ্ধি করতে, ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারী বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাস টুর্নামেন্টের শেষ ম্যাচগুলোর জন্য অফিশিয়াল বল উন্মোচন করেছে।

বলটির নাম ট্রাওয়ান্ডা ফাইনাল। এই বলটি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ এবং মাঠের শ্রেষ্ঠত্বের চূড়ান্ত লড়াই তথা মেগা ফাইনালে ব্যবহার করা হবে। সম্প্রতি এক জমকালো আয়োজনে ফুটবল জগতের সেরা তারকারা, যেমন লিওনেল মেসি, জুড বেলিংহাম ও লামিন ইয়ামাল এই বলটির মোড়ক উন্মোচন করেছেন। তবে, তারকাদের নিজ নিজ দলকে কোয়ার্টার ফাইনালের বাধা অতিক্রম করতে হবে বলটি মাঠে ব্যবহার করার আগে।

এবার ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো গ্রুপ পর্বের বলের শুধু রঙ পরিবর্তন নয়, বরং শেষ ভাগ বা নকআউট পর্বের জন্য সম্পূর্ণ নতুন ডিজাইনের একটি বল তৈরি করে অ্যাডিডাস ইতিহাস গড়েছে। দৃষ্টিনন্দন এই বলটির নকশা সোনালি, কালো ও সাদা রঙে করা হয়েছে, যা মূলত ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি থেকে অনুপ্রাণিত। বলটির প্যানেল গ্রাফিক্সে বিশ্বকাপের শেষভাগের ম্যাচগুলো আয়োজনে যাওয়া চারটি শহর, ডালাস, আটলান্টা, মিয়ামি এবং নিউ ইয়র্ক/নিউ জার্সির প্রতিচ্ছবি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

বাহ্যিক রূপ ও ডিজাইনে বড় ধরনের পরিবর্তন এলেও, বলটির অভ্যন্তরীণ পারফরম্যান্স প্রযুক্তিতে কোনো হেরফের করা হয়নি। ২০২৫ সালের অক্টোবরে উন্মোচন করা মূল ট্রাওন্ডা মডেলের চার-প্যানেল বিশিষ্ট কাঠামো এবং কানেক্টেড বল প্রযুক্তির সুবিধা এই বলটিতেও অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে। এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে মাঠের ম্যাচ অফিশিয়ালরা ভিএআর এবং অফসাইড রিভিউয়ের জন্য রিয়েল-টাইম নিখুঁত ডেটা বা তথ্য পাবেন, যা মাঠের যেকোনো বিতর্কিত সিদ্ধান্ত এড়াতে সাহায্য করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকার পূর্ণাঙ্গ ই-জিপি ব্যবস্থা চালু করতে অঙ্গীকারবদ্ধ : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:১০ এম


সরকার পূর্ণাঙ্গ ই-জিপি ব্যবস্থা চালু করতে অঙ্গীকারবদ্ধ : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

সরকারি ক্রয়ে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করতে সরকার দেশে পূর্ণাঙ্গ ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি) ব্যবস্থা চালু করতে অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি।

আজ রাজধানীতে অনুষ্ঠিত দুইটি অংশীজন পরামর্শ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন, যার শীর্ষক হলো ‘ই-জিপি সিস্টেমের উন্নয়ন, বাধ্যতামূলক ই-জিপি বাস্তবায়ন এবং বাংলাদেশের পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটির (বিপিপিএ) সক্ষমতা বৃদ্ধি’।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রথম কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয় এনইসি-২ সম্মেলন কক্ষে এবং দ্বিতীয় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন প্রাঙ্গণে বিপিপিএ ভবনের সম্মেলন কক্ষে।

চলমান অংশীজন পরামর্শ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ) এ কর্মশালার আয়োজন করে।

এর লক্ষ্য হচ্ছে ই-জিপি ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা, সরকারি সব ক্রয়ে বাধ্যতামূলকভাবে ই-জিপি বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা এবং বিপিপিএর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে সুপারিশ সংগ্রহ করা।

সকালের অধিবেশনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা এবং প্রকল্প পরিচালকরা ই-জিপি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার উদ্দেশ্যে অংশ নেন।

অপরদিকে, বিকেলের অধিবেশনে ই-জিপি প্ল্যাটফর্মের উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে সরকারি ও বেসরকারি তথ্যপ্রযুক্তি খাতের প্রতিনিধি, প্রযুক্তি ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

দুই কর্মশালাতে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালাদুটি সভাপতিত্ব করেন বিপিপিএর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব) এস এম মঈন উদ্দিন আহমেদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সচিব শিরাজুন নূর চৌধুরী।

উভয় কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিপিপিএর পরিচালক শাহ ইয়ামিন উল ইসলাম।

এছাড়া, বিকেলের অধিবেশনে জাতীয় ই-জিপি সিস্টেম উন্নয়নের রূপরেখা তুলে ধরেন বিপিপিএর সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট মো. মোশাররফ হোসেন।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এ সময় বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের সময়মতো বাস্তবায়নকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় দক্ষতা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং অর্থের যথাযথ মূল্য নিশ্চিত করতে একটি পূর্ণাঙ্গ কার্যকর ই-জিপি ব্যবস্থা অপরিহার্য।

তিনি বলেন, সরকারি উন্নয়ন ব্যয়ের একটি বড় অংশই সরকারি ক্রয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত।

ফলে উন্নয়ন প্রকল্পের কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জনে ক্রয় ব্যবস্থাপনার সুশাসন জোরদার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা দেশের সব সরকারি ক্রয়ে বাধ্যতামূলকভাবে ই-জিপি বাস্তবায়ন চাই।

এ লক্ষ্য অর্জনে সিস্টেমকে আরও দক্ষ, ব্যবহারবান্ধব এবং সব অংশীজনের প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি বাড়ানোর পাশাপাশি পুরো ক্রয় প্রক্রিয়ায় গুণগত মান, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেও সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

কর্মশালায় বিপিপিএর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ই-জিপি বাস্তবায়নের বাস্তব চ্যালেঞ্জ ও সীমাবদ্ধতা আরও ভালোভাবে বুঝতে ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে ধারাবাহিকভাবে অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শ কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া হবে।

তিনি বলেন, ‘ই-জিপি বাস্তবায়ন বিষয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা ও মতামত নিতে আমরা ঢাকার বাইরেও আরও অংশীজন সংলাপ আয়োজন করব।

এসব পরামর্শের মাধ্যমে চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় কার্যকর সমাধান প্রণয়ন করা হবে।’

আইএমইডি সচিব শিরাজুন নূর চৌধুরী বলেন, প্রকল্প প্রণয়নের দুর্বলতা অনেক সময় কার্যকর বাস্তবায়নকে বাধাগ্রস্ত করে।

তাই সময়मতো বাস্তবায়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং উন্নত মানের ফল নিশ্চিত করতে শক্তিশালী ক্রয় ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রকল্প প্রস্তুতির মানোন্নয়নও জরুরি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরদিনই নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার কথা, এক রাতের ব্যবধানেই শেষ ৫ প্রাণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:১২ এম


পরদিনই নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার কথা, এক রাতের ব্যবধানেই শেষ ৫ প্রাণ

ভারতের মুম্বাইয়ের মানখুর্দ এলাকার এক বস্তিতে বহুতল ভবন ধসে পড়ার ঘটনায় এক হৃদয়বিদারক তথ্য সামনে এসেছে। টানা ভারী বর্ষণের কারণে ভেঙে পড়া চারতলা অবৈধ ভবনটির নিচে চাপা পড়ে যে পরিবারটি প্রাণ হারিয়েছে, তারা দুর্ঘটনার ঠিক পরদিনই ওই স্থান ছেড়ে অন্য কোথাও চলে যাওয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছিল। কিন্তু নিয়তির নিষ্ঠুর পরিহাসে নতুন ঠিকানায় যাওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই ধসে পড়া ভবনের নিচে চাপা পড়ে নিভে যায় মা ও চার সন্তানসহ একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের জীবনপ্রদীপ।

দুর্ঘটনার কবলে পড়া আক্তার জাহান নামের ওই নারী এবং তার দিনমজুর স্বামী মঈনউদ্দিন ওয়াজিদ আলী শাহ আগে থেকেই টের পেয়েছিলেন যে তাদের টিনের ঘরের পাশে থাকা চারতলা ভবনটি বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। অবিরাম বৃষ্টির কারণে ভবনটিতে ফাটল দেখা দিয়েছিল, টাইলস খসে পড়ছিল এবং সেটি একপাশে হেলে পড়েছিল। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ওই ভবনের বাসিন্দারা আগেই নিরাপদ স্থানে সরে যান। বিপদের আভাস পেয়ে আক্তার জাহানও ঘটনার দিন রাতে তড়িঘড়ি করে ঘরের জিনিসপত্র গোছাচ্ছিলেন যেন পরদিন রবিবারই তারা এই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ছেড়ে চলে যেতে পারেন। মঈনউদ্দিন তার পরিবারকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে আর মাত্র একটা রাত পার করলেই তারা নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাবেন। কিন্তু সেই সকাল আর তাদের জীবনে আসেনি। শনিবার রাতে হঠাৎ বিকট শব্দে চারতলা ওই অবৈধ স্থাপনাটি পাশের টিনের ঘরগুলোর ওপর ভেঙে পড়ে। ঘটনার কিছু সময় আগে ঘরের বাইরে থাকায় মঈনউদ্দিন অলৌকিকভাবে বেঁচে গেলেও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে মারা যান তার স্ত্রী ও সন্তানেরা।

মুম্বাইয়ের মানখুর্দের মন্ডলা এলাকার জনতা নগরে ঘটা এই দুর্ঘটনায় উদ্ধারকারীরা রাতভর অভিযান চালিয়ে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে মরদেহ ও জীবিতদের উদ্ধার করেন। স্থানীয় পৌর প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে ভেঙে পড়া চারতলা ভবনটি সম্পূর্ণ অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল। এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে পুরো এলাকায়।

পুলিশ ইতিমধ্যেই ভবনের মালিক এবং নির্মাণকাজের ঠিকাদারকে গ্রেফতার করেছে এবং তাদের বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত নরহত্যার মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্তকারী কর্মকর্তারা খতিয়ে দেখছেন কীভাবে সব সুরক্ষানীতি অমান্য করে এই অবৈধ ভবনটি গড়ে তোলা হয়েছিল।

এদিকে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস এই মর্মান্তিক ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারের জন্য ৫ লাখ রুপি করে আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে মিশরের স্বপ্ন ভেঙে শেষ আটে আর্জেন্টিনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:১৩ এম


রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে মিশরের স্বপ্ন ভেঙে শেষ আটে আর্জেন্টিনা

মেসির পেনাল্টি মিসের কারণে হতাশ হয়েছেন আর্জেন্টাইনরা। দ্বিতীয়ার্ধে দ্বিতীয় গোল করার সঙ্গে সঙ্গে তাদের মনে জোরেশোরে ছিটকে পড়ার শঙ্কাও দেখা দেয়। এতে মিশর ২-০ তে এগিয়ে যায়। দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা দারুণভাবে ম্যাচে ফিরেছে।

ফুটবলের জাদুকর মেসি ঠিকই জ্বলে উঠলেন। লড়াইয়ে ফেরার গোলে অবদান রেখে, পরক্ষণেই নিজে আরেক গোল করেন। এবার ২-২ সমতা ফিরলে আর্জেন্টিনা আরও উৎসাহী হয়ে ওঠে। যোগ করা সময়ে ফের জালে বল জড়িয়ে নাটকীয় ভাবে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে উঠে যায় বিশ্বচ্যাম্পিয়ানরা।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত শেষ ষোলোর শ্বাসরুদ্ধকর সেই ম্যাচটি ৩-২ গোলে জিতেছে আর্জেন্টিনা।

শুরুতে আর্জেন্টিনার গোলবার কাঁপায় মিশর। ১৫ মিনিটে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে।

মিশরীয় ডিফেন্ডার ইয়াসির ইব্রাহিম ডি-বক্সের মাঝখান থেকে দুর্দান্ত এক হেড করেন। বলটি পোস্টের ডানদিকে নিচের কোণ দিয়ে জালে প্রবেশ করে। কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে ক্রস বাড়িয়ে এই গোলটিতে অ্যাসিস্ট করেন মারওয়ান আতিয়া।

১৫ মিনিটে গোল খাওয়ার পর পাঁচ মিনিটের মধ্যে গোল শোধ দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু পেনাল্টি থেকে গোল করতে পারেননি মেসি।

তাগলিয়াফিকো মিশরের বক্সের মধ্যে ফাউলের শিকার হন। ২১ মিনিটে মেসি পেনাল্টি কিক নেন। তার বাম পায়ের শট বাঁ দিকে ডাইভ দিয়ে ফিরিয়ে দেন মোস্তফা শোবেইর।

বিশ্বকাপে মেসি মোট ৮টি পেনাল্টির মধ্যে ৪টি মিস করেছেন। চলতি বিশ্বকাপে এটি তার দ্বিতীয় পেনাল্টি মিস। এর আগে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে তিনি পেনাল্টি গোল করতে পারেননি।

মেসির শট গোলরক্ষকের বাঁ দিক ঘেঁষে নিলেও তা তেমন গতিশীল ছিল না। মিশরের গোলরক্ষক মোস্তফা সঠিক উচ্চতায় থাকা বলটিকে দুর্দান্তভাবে প্রতিহত করেন।

গোলরক্ষক মোস্তফার জন্য এটি এই টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় পেনাল্টি সেভ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর আগে গ্রুপ পর্বে ইরানের তারেমির পেনাল্টি সহ তিনি একইভাবে একবারে মিস করেছিলেন।

২৮ মিনিটে আরেকবার আর্জেন্টিনাকে রক্ষা করেন মোস্তফা। রদ্রিগো ডি পলের ক্রসে ম্যাক অ্যালিস্টারের হেড ডানদিকে ঝুঁকে রুখে দেন তিনি।

১০ মিনিট পর মেসির বাঁ পায়ের শট গোলবারের অনেক উপর দিয়ে চলে যায়। পরের মিনিটে তাগলিয়াফিকোর কাটব্যাক থেকে বল পেয়ে আলভারেজ শট নেন। বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে মোস্তফা বলটিকে ফিরিয়ে দেন।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আর্জেন্টিনা আক্রমণাত্মক খেলা শুরু করে। তবে মিশরের রক্ষণভাগে ৯ জন খেলোয়াড় একদম জমাট হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল।

মেসি শেষ পর্যন্ত কিছুটা জায়গা তৈরি করে রদ্রিগো ডি পলকে বল বাড়িয়ে দেন। কিন্তু ২০ গজ দূর থেকে আসা ডি পলের নিচু শটটি সহজেই মিসরীয় গোলরক্ষক মোস্তফা ধরেন।

পাল্টা আক্রমণে হাসানের বাড়ানো পাস ধরে মার্টিনেজকে পরাস্ত করে জিকো বল জালে জড়ান।

এক দুর্দান্ত কাউন্টার অ্যাটাকে গোল করে মিশর। জিকোর মাধ্যমে আসা একটি চমৎকার ফিনিশিংয়ে তারা এগিয়ে গেছে। কিন্তু আক্রমণের শুরুর দিকে ফাউল হওয়ার কারণে গোলটি বাতিল করা হয়।

হাসানের দুর্দান্ত দৌড়ে সালাহর পাস এবং জিকোর ফিনিশিংয়ের ফলে এটি বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা গোল হতে পারতো। অন্য প্রান্তে ফাউলের জন্য ফ্রি কিক প্রদান করা হয়েছে।

৬৭ মিনিটে দুই গোল খাওয়ার পর আর্জেন্টিনা দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায়। চার মিনিটের ব্যবধানে তারা দুটি গোল দিয়ে সমতা ফেরায়।

ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দের ফাঁকি দিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়েন। পরে ডান দিক থেকে একটি মেসির ক্রসে দুর্দান্ত এক হেডে গোল করেন। মিশরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর তার বাঁ হাত দিয়ে বলটি ঠেকানোর চেষ্টা করেন। পোস্টের ভেতরের কোণ দিয়ে বলটি লাইনের ভেতরে ঢুকে পড়া আটকাতে পারেননি। মিশরীয় ডিফেন্ডাররা অফসাইডের জন্য আবেদন করলেও তা বৃথা যায়। ৭৯ মিনিটে গোল ব্যবধান কমায় তারা।

মেসি ম্যাচের ৮৪ মিনিটে গোল করে আবারো সমতা ফেরান। এই বিশ্বকাপে এটি তার অষ্টম গোল। গোলরক্ষকের গায়ে লেগে বারের নিচের অংশে লাগার পর বলটি জোরালো শটে জালে প্রবেশ করে। এর মাধ্যমে মাত্র চার মিনিটের ব্যবধানে আর্জেন্টিনা দুটি গোল করেছে। মেসি টানা নয়টি বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন।

তারপর আর্জেন্টিনার একটি দ্রুত পাল্টা আক্রমণ থেকে বক্সের মাঝখান থেকে একটি চমৎকার হেডে গোল করেন এনজো ফার্নান্দেজ। ৯২তম মিনিটে লাউতারো মার্টিনেজের অ্যাসিস্টে ফার্নান্দেজ তৃতীয়বার জাল কাঁপান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%