ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পায়রা সমুদ্র বন্দরের ৫৫০ কিমি দক্ষিণপশ্চিমে নিম্নচাপ, সব বন্দরে ০৩ নম্বর সতর্ক সংকেত


পায়রা সমুদ্র বন্দরের ৫৫০ কিমি দক্ষিণপশ্চিমে নিম্নচাপ, সব বন্দরে ০৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে।

গতকাল সোমবার রাত নয়টায় পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৫৫০ কিলোমিটার, চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ৬৭০ কিলোমিটার, কক্সবাজার সমুদ্র বন্দর থেকে ৬২৫ কিলোমিটার এবং মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ৬৬০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে এটি অবস্থান করছিল। এর প্রভাবে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর বেশ উত্তাল রয়েছে। গতকাল রাত থেকে কলাপাড়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে থেমে থেমে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে এবং আকাশ ঘন মেঘাচ্ছন্ন হয়ে রয়েছে। আবহাওয়া অফিসের পক্ষ থেকে নিম্নচাপটি আরো পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ঘনীভূত হওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

এ কারণে পটুয়াখালী পায়রা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মোংলা সমুদ্র বন্দরকে ০৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত প্রদর্শন করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি সকল মাছ ধরা ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

মহিপুর মৎস্য আড়ৎ সমবায় মালিক সমিতির সাবেক সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান মো ফজলু গাজী জানান, সমুদ্রে অবস্থানরত সকল মাছধরা ট্রলারের জেলেদের সতর্কতার সহিত সাগরে মাছ ধরার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১০০০ টাকার নোট বাতিলের জন্য সরকারের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:১৩ পি.এম


১০০০ টাকার নোট বাতিলের জন্য সরকারের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ

এক আইনজীবী সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন ১০০০ টাকার নোট বাতিলের দাবিতে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, দেশের অর্থনীতিকে মূল্যস্ফীতি থেকে রক্ষা করতে স্বর্ণ, রৌপ্য ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছাড়া ইচ্ছামতো টাকা ছাপানো বন্ধ করা উচিত এবং কালো টাকা ও দুর্নীতি প্রতিরোধে এই নোটিশটি প্রদান করেছেন।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট মো. মাহমুদুল হাসান জনস্বার্থে এ নোটিশটি পাঠান। নোটিশটি মন্ত্রিপরিষদ সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব (অর্থ বিভাগ) এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে পাঠানো হয়েছে।

আইনি নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো রিজার্ভ বা ব্যাকআপ ছাড়াই অর্থনীতিতে ক্রমাগত কৃত্রিম টাকা ছাপিয়ে সরবরাহ করছে। অর্থনীতি ও মুদ্রানীতির সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, নতুন টাকা ছাপানোর জন্য অবশ্যই সমপরিমাণ স্বর্ণ, রৌপ্য অথবা নির্ভরযোগ্য বৈদেশিক মুদ্রার (যেমন: ডলার, ইউরো, আরএমবি) রিজার্ভ বজায় রাখা বাধ্যতামূলক। কিন্তু এই নিয়মের তোয়াক্কা না করে ইচ্ছামতো টাকা ছাপানোর ফলে ‘কোয়ান্টিটি থিওরি অব মানি’ অনুযায়ী টাকার নিজস্ব মান বা ক্রয়ক্ষমতা চরমভাবে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম লাগামহীনভাবে বাড়ছে এবং দেশে এক ভয়াবহ মূল্যস্ফীতি তৈরি হচ্ছে।

নোটিশে আরো বলা হয়েছে যে, এই লাগামহীন মূল্যস্ফীতির কারণে সাধারণ, দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাবার এবং জীবনযাত্রার খরচ পূরণের সামর্থ্য পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদে বর্ণিত ‘Right to Life’ বা জীবনধারণের অধিকার বলতে কেবল পশুর মতো বেঁচে থাকাকে বোঝায় না, বরং মানুষের মতো মর্যাদাপূর্ণভাবে বেঁচে থাকার অধিকারকে বোঝায়। স্বর্ণ ও রৌপ্যের মতো মূল্যবান সম্পদের ব্যাকআপ ছাড়া টাকা ছাপিয়ে সৃষ্ট চরম অর্থনৈতিক সংকটে সাধারণ মানুষকে খাদ্যাভাবে ধুঁকে ধুঁকে মরতে বাধ্য করা সংবিধানের এই মৌলিক অধিকারের সরাসরি লঙ্ঘন।

এছাড়া নোটিশে ১০০০ টাকার নোটের ক্ষতিকর প্রভাব অত্যন্ত সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে, সাধারণ মানুষ, দিনমজুর বা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের দৈনন্দিন লেনদেনের জন্য ১০০০ টাকার মতো এত বড় নোটের কোনো বাস্তব প্রয়োজন নেই। এই উচ্চমূল্যের নোটটি মূলত দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেট, কর ফাঁকিবাজ এবং অপরাধীরা তাদের অবৈধ কালো টাকা ব্যাংকিং চ্যানেলের বাইরে লুকিয়ে রাখার জন্যই সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করে। এটি দেশে একটি ধ্বংসাত্মক ‘শ্যাডো ইকোনমি’ বা ছায়া অর্থনীতি তৈরি করেছে। প্রতিবেশী দেশ ভারত তাদের ২ হাজার টাকার নোট বাতিল করে কালো টাকার মজুদ ধ্বংস করার সফল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তাই দেশের অর্থনীতি থেকে কালো টাকার বিস্তার পুরোপুরি সমূলে উৎপাটন করতে এবং লেনদেনে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে ১০০০ টাকার নোট অবিলম্বে বাতিল করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।

নোটিশে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে স্বর্ণ, রৌপ্য ও বৈদেশিক মুদ্রার যথাযথ রিজার্ভ ছাড়া নতুন টাকা ছাপানো সম্পূর্ণ বন্ধ করতে এবং কালো টাকার মজুদ ধ্বংস করতে ১০০০ টাকার নোট বাতিলের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণে ব্যর্থ হলে হাইকোর্ট বিভাগে জনস্বার্থে রিট পিটিশন দায়ের করা হবে বলে নোটিশে জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্র ৩১ দেশে অভিবাসী পাঠানোর জন্য ৪১০ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি সই করেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:১৩ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্র ৩১ দেশে অভিবাসী পাঠানোর জন্য ৪১০ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি সই করেছে

যুক্তরাষ্ট্র অন্তত ৩১টি দেশের সঙ্গে চুক্তি করেছে, যাতে অভিবাসীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো সম্ভব না হলে তৃতীয় কোনো দেশে পাঠানোর পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই চুক্তিগুলোর মোট মূল্য ৪১০ মিলিয়ন (৪১ কোটি) ডলার। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নতুন গঠিত ‘অফিস অব রিমিগ্রেশন’ এই চুক্তিগুলো পরিচালনা করছে। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি জানাচ্ছে, এর মধ্যে ১৩টি দেশের সরকারকে সরাসরি অন্তত ৮১ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার চুক্তি রয়েছে।

ওয়াশিংটন পোস্টের একটি অনুসন্ধান অনুযায়ী, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের অভ্যন্তরীণ নথির ভিত্তিতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অফিস অব রিমিগ্রেশনের নেতৃত্বে রয়েছেন মার্কিন কূটনীতিক ক্রিশ্চিয়ান এরহার্ডট, যিনি প্রায় ১৫ সদস্যের একটি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। গত জুনে তিনি আইভরি কোস্ট, গাম্বিয়া, গিনি-বিসাউ, টোগো ও গ্যাবনসহ আফ্রিকার কয়েকটি দেশে সফর করেন এবং অভিবাসীদের গ্রহণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন।

চুক্তির আওতায় যেসব অভিবাসীকে পাঠানো হচ্ছে, তারা গ্রহণকারী দেশগুলোর নাগরিক নন। ইতোমধ্যে চীন, রাশিয়া, ইরান, আফগানিস্তান, ভিয়েতনাম, লাওস, কিউবা ও জ্যামাইকার নাগরিকদের কোস্টারিকা ও আফ্রিকার দেশ এসওয়াতিনিতে পাঠানো হয়েছে।

এছাড়া, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থাকে (আইওএম) ১৭৯ মিলিয়ন ডলার এবং জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থাকে ১২৪ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই অর্থ সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে শরণার্থী ও অবকাঠামো প্রকল্পে ব্যয় করা হবে।

এনডিটিভি জানাচ্ছে, ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতিতে প্রভাবশালী কর্মকর্তা স্টিফেন মিলারের সঙ্গে এই কর্মসূচির ঘনিষ্ঠ সম্পৃক্ততা রয়েছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর ট্রাম্প প্রশাসন বেশিরভাগ শরণার্থী পুনর্বাসন কার্যক্রম স্থগিত করে। একই সঙ্গে পররাষ্ট্র দপ্তরের শরণার্থী ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অর্থের একটি অংশ অভিবাসীদের স্বেচ্ছায় যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে উৎসাহিত করা ‘প্রজেক্ট হোমকামিং’-এ স্থানান্তর করা হয়।

তবে চুক্তিগুলোর ধরন ভিন্ন। কিছু ক্ষেত্রে কেবল কূটনৈতিক প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে অভিবাসী গ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ‘লিলিপ্যাড’ নামে পরিচিত একটি ব্যবস্থায় কোনো দেশ সাময়িকভাবে অভিবাসীদের গ্রহণ করার পর তাদের অন্য দেশে পাঠানোর সুযোগ রাখা হয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলীয় আফ্রিকার একটি ছোট রাষ্ট্র এসওয়াতিনি সর্বোচ্চ ১৫০ জন অভিবাসী গ্রহণের বিনিময়ে ৫.১ মিলিয়ন ডলার পাবে। ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো (ডিআর কঙ্গো) সর্বোচ্চ ২ হাজার অভিবাসী গ্রহণে সম্মত হয়েছে এবং এ চুক্তির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে ৭৫ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি রয়েছে। অন্যদিকে কোস্টারিকা প্রতি সপ্তাহে ২৫ জন করে অভিবাসী গ্রহণে রাজি হয়েছে।

মার্কিন প্রশাসনের দাবি, নিজ দেশে ফেরত পাঠানো সম্ভব নয়—এমন অভিবাসীদের জন্য তৃতীয় দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা প্রয়োজন। বিভিন্ন স্বাধীন উৎসের তথ্য বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এ পর্যন্ত অন্তত ২৮টি তৃতীয় দেশে ২৫ হাজারের বেশি মানুষকে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২০ হাজার মানুষকে মেক্সিকোতে পাঠানো হয়েছে।

তবে সব চুক্তি প্রত্যাশা অনুযায়ী কার্যকর হয়নি। যেমন পালাউকে ৭.৫ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার বিনিময়ে সর্বোচ্চ ৭৫ জন অভিবাসী গ্রহণের চুক্তি হলেও, জুন পর্যন্ত সেখানে মাত্র তিনজনকে পাঠানো হয়েছিল বলে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইইউ পররাষ্ট্রনীতি প্রধানের রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২৬ পি.এম


ইইউ পররাষ্ট্রনীতি প্রধানের রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার আহ্বান

ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ইউক্রেনের যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা বজায় রাখার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান কাজা কালাস। সোমবার, সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সমঝোতা প্রচেষ্টার মধ্যে তিনি এই আহ্বান জানান নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বৃদ্ধি করার জন্য।

নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময়, ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের পর কাজা কালাস উল্লেখ করেন, ‘রাশিয়ার যুদ্ধের বিরুদ্ধে আমাদের পদক্ষেপের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো নিষেধাজ্ঞা।’ তিনি বলেন, এর মাধ্যমে মস্কোর অর্থের প্রবাহ বন্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এ খবরটি জাতিসংঘ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি দ্বারা জানানো হয়েছে।

কাজা কালাস আরও জানান, রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বৃদ্ধি করার আলোচনা দ্রুত সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে। এরপর, দ্রুততার সঙ্গে এর মেয়াদ বৃদ্ধি করা হবে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে কালাস বলেন, ‘আমাদের এই স্থিতিশীলতা প্রয়োজন।’ তিনি উল্লেখ করেন যে, নিষেধাজ্ঞাগুলোকে আরও দীর্ঘ সময়ের জন্য বজায় রাখতে হবে।

কালাস জোর দিয়ে বলেন, রাশিয়ার বিষয়ে ইইউ’র অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি। তিনি বলেন, ‘এ কারণেই আমরা নতুন একটি নিষেধাজ্ঞা প্যাকেজ নিয়েও কাজ করছি।’

তবে, এই বিষয়ে আলোচনা চলছে, কারণ কিছু সদস্য দেশ ইইউ’র কালো তালিকা থেকে কিছু ব্যক্তির নাম বাদ দেওয়ার দাবি তুলেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমরা চাই না চিকিৎসার অভাবে কারও মৃত্যু হোক: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২৬ পি.এম


আমরা চাই না চিকিৎসার অভাবে কারও মৃত্যু হোক: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন চিকিৎসার অভাবে মানুষের প্রাণহানি রোধের উদ্দেশ্যে দরিদ্র জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য বিদ্যমান সব সুযোগ-সুবিধা ব্যবহারের নির্দেশনা প্রদান করেছেন।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ৫০ শয্যার হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, "আমরা চাই না চিকিৎসার অভাবে কোনো মানুষ মারা যাক।" তিনি আরও বলেন, বর্তমানে যে সুযোগ-সুবিধা রয়েছে, তা ব্যবহার করে দরিদ্র মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হবে। গজারিয়ার ৫০ শয্যার হাসপাতালকে দ্রুত ১০১ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি, যাতে সাধারণ রোগীদের সেবার মান বৃদ্ধি পায়।

পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী হাসপাতালের বহির্বিভাগ, অন্তর্বিভাগ ও বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন। তিনি চিকিৎসাসেবার মান, চিকিৎসক সংকট, রোগীদের খাবারের মান এবং ওষুধের মেয়াদসহ বিভিন্ন বিষয় পর্যবেক্ষণ করেন।

সরকারি হাসপাতালে পর্যাপ্ত ল্যাবরেটরি সুবিধা থাকা সত্ত্বেও রোগীদের বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠানোর অভিযোগের বিষয়ে তিনি খোঁজ নেন। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও কর্মচারীদের সতর্ক করেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।

এছাড়া, সরকারি হাসপাতালের আশপাশে নতুন কোনো বেসরকারি ক্লিনিকের অনুমোদন না দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, বিদ্যমান ক্লিনিকগুলো নিয়ম না মানলে সেগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাপের কামড়ের চিকিৎসা সম্পর্কে মন্ত্রী জানান, উপজেলা পর্যায়ে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম মজুত রয়েছে। তবে সাপে দংশনের পর রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

পরিদর্শনের সময় মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন, গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফসা নাদিয়া, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শারমিন আহমেদ তিথি এবং হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%