নিজস্ব প্রতিবেদক মো. আছিফ মল্লিক
১১:২৫ পি.এম
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার ৭ নম্বর গৌরীপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। সম্ভাব্য সভাপতি পদে তরুণ ছাত্রনেতা সাইফুল ইসলাম তৃণমূলের নেতাকর্মী, স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের আলোচনায় উঠে আসছেন।
জানা যায়, সাইফুল ইসলাম পূর্ববর্তী কমিটিতে ৭ নং গৌরীপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্ব পালনের সময় তিনি সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচি, আন্দোলন-সংগ্রাম এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রেখে নেতাকর্মীদের আস্থা অর্জন করেন।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ, দায়িত্বশীলতা এবং নেতৃত্বের গুণাবলির কারণে সভাপতি পদের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে সাইফুল ইসলাম এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। তাদের বিশ্বাস, যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হলে ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও শক্তিশালী হবে।
এলাকার কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, গ্রহণযোগ্যতা ও কর্মীদের সঙ্গে সম্পৃক্ততাকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন। স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনায় সাইফুল ইসলামের নামও সম্ভাব্য নেতৃত্বের তালিকায় রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
এ বিষয়ে সাইফুল ইসলাম বলেন, “আমি সবসময় সংগঠনের একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে দলের আদর্শ ও শৃঙ্খলা ধারণ করে কাজ করার চেষ্টা করেছি। দল যদি আমার ওপর আস্থা রেখে দায়িত্ব অর্পণ করে, তাহলে সকলকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দিয়ে কাজ করব।”
গৌরীপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠনকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আগ্রহ ও কৌতূহল বাড়ছে। নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, যোগ্য, সৎ ও কর্মীবান্ধব নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠন আগামী দিনে আরও সুসংগঠিত ও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে একটি ককটেল বিস্ফোরণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অফিস সহকারী মিরাজ আহমেদ (৩৩) গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাত ৮টার দিকে এই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটে। পরে তাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয় এবং কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ভর্তি করেন।
আহত মিরাজকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন তার বন্ধু মো. সামসুল হক। তিনি জানান, মিরাজ পেশায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন সরকারি কর্মচারী (অফিস সহকারী)। তিনি বলেন, “আমরা মতিঝিলে মেট্রোরেলের নিচ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় হঠাৎ একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। এতে মিরাজ আঘাতপ্রাপ্ত হলে তাৎক্ষণিকভাবে আমরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, আহত মিরাজ টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর থানার বেড়াডাকুরি এলাকার রকিবুল ইসলামের ছেলে। বর্তমানে তিনি মতিঝিলের আরামবাগের ৬২ নম্বর বাসায় বসবাস করছেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে ককটেল বিস্ফোরণের ফলে আহত হয়ে মিরাজ নামের এক ব্যক্তি ঢাকা মেডিকেলে এসেছেন এবং তাকে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।
পুলিশের সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ফারাবী জানান, মতিঝিল মেট্রো স্টেশনসংলগ্ন সড়কে পড়ে থাকা একটি ছাতার ভেতরে একটি ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (IED) পাওয়া যায়।
ডিভাইসটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছিল যে, ছাতার বোতাম চাপলেই অবিলম্বে বিস্ফোরণ ঘটতে পারত।
কে বা কারা এটি সেখানে রেখেছে এবং তাদের উদ্দেশ্য কী ছিল, তা জানার জন্য পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এখন অবধি কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে এর দায়ে অভিযুক্ত করা হয়নি বলেও জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ক্রীড়াঙ্গনে নতুন দায়িত্ব পাওয়া সাবেক ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠকদের নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দল শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরে ফুল দিয়া শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দলের ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সংগঠনের নেতারা এবং বিভিন্ন ক্রীড়া ফেডারেশনের নতুন অ্যাডহক কমিটিতে দায়িত্ব পাওয়া সদস্যরা অংশ নেন। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর জিয়ার মাজার প্রাঙ্গণে মোনাজাতও করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মইনুল হক মইন, দপ্তর সম্পাদক মিজানুর রহমান ডন, সাধারণ সম্পাদক জাহেদ পারভেজ চৌধুরী, এবং আহ্বায়ক নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী।
সরকার পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে দেশের ২৭টি ক্রীড়া ফেডারেশনের কমিটি বাতিল করা হয়েছে এবং নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এসব নতুন কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দলের সদস্যরা সবাই সাবেক ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠক। সংগঠনের নেতাদের মতে, তাদের অভিজ্ঞতা ও অবদানের ভিত্তিতেই তাদের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দলের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক এবং ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে নেতারা বলেন, তার দিকনির্দেশনা এবং জিরো টলারেন্স নীতিকে সামনে রেখে তারা ক্রীড়াঙ্গনে কাজ করবে।
এদিকে, যদি নতুন অ্যাডহক কমিটিতে কোন অনিয়ম বা দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের ক্রীড়া পরিচালক ও জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দলের সদস্য সচিব জাহেদ পারভেজ চৌধুরী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।
আগামী তিন মাসের মধ্যে সকল ক্রীড়া ফেডারেশনের নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। সেইসাথে অপ্রয়োজনীয় বিদেশ সফরের ওপরও নজরদারি করবে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগ করার পরেও বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতিরা আইন অনুযায়ী অবসরভাতা, চিকিৎসাসেবা, প্রটোকলসহ বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকেন।
এসব সুবিধার বিধান রাষ্ট্রপতির অবসরভাতা, আনুতোষিক ও অন্যান্য সুবিধা আইন, ২০১৬-এ বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসছে। তিনি শারীরিক অসুস্থতা ও দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজনের কথা উল্লেখ করে পদত্যাগপত্র জমা দেন। জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন এবং ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
আইন অনুযায়ী, যারা অন্তত ছয় মাস রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন শেষে মেয়াদ পূর্ণ করে পদত্যাগ করেন, তারা এসব সুবিধার জন্য যোগ্য হন।
আইন বলছে, একজন সাবেক রাষ্ট্রপতি সর্বশেষ মূল বেতনের ৭৫ শতাংশ হারে মাসিক অবসরভাতা পাবেন। বর্তমান বেতন কাঠামো অনুসারে, তার মানে হলো মাসে ৯০ হাজার টাকা।
তবে রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে যদি তিনি অন্য কোনো সরকারি চাকরি থেকে অবসরভাতা পেয়ে থাকেন, তাহলে তিনি দুটি অবসরভাতার মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নিতে পারবেন।
সাবেক রাষ্ট্রপতিরা চাইলে মাসিক অবসরভাতার পরিবর্তে এককালীন আনুতোষিকও গ্রহণ করতে পারেন। এই ক্ষেত্রে অবসরের এক মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে হয়।
যদি কোন সাবেক রাষ্ট্রপতি অবসরভাতা গ্রহণের আগেই মারা যায়, তখন আইন অনুযায়ী তাকে আনুতোষিক গ্রহণে আগ্রহী বলে ধরা হবে। সেক্ষেত্রে তার মনোনীত ব্যক্তি অথবা উত্তরাধিকারীরা আনুতোষিক পাওয়ার অধিকারী হবে।
অবসরভাতার পাশাপাশি, সাবেক রাষ্ট্রপতিরা একজন ব্যক্তিগত সহকারী, একজন সহায়ক কর্মী এবং এ-সংক্রান্ত সরকারি ব্যয়ও পান। তাদের কাছে একজন মন্ত্রীর সমপরিমাণ সরকারি চিকিৎসাসুবিধা, কূটনৈতিক পাসপোর্ট, বাসভবনে টেলিফোন সংযোগ, নির্ধারিত বিল সুবিধা, দেশের ভেতরে ভ্রমণের সময় সার্কিট হাউজ বা রেস্ট হাউসে বিনা ভাড়ায় থাকার সুযোগ এবং সরকারি অনুষ্ঠানে ব্যবহারের জন্য সরকারি যানবাহনের সুবিধা রয়েছে।
যাইহোক, আইনে কিছু সীমাবদ্ধতা বিদ্যমান। রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব শেষে কেউ যদি এমন কোনো সরকারি পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেন, যেখানে সংযুক্ত তহবিল থেকে বেতন বা অন্যান্য সুবিধা পান, তাহলে এ আইনের আওতায় নির্ধারিত সুবিধাগুলি তার জন্য প্রযোজ্য হবে না।
এছাড়া, যদি কোন সাবেক রাষ্ট্রপতি নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে আদালতের রায়ে দণ্ডিত হন অথবা সুপ্রিম কোর্ট তাকে অসাংবিধানিক বা অবৈধভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণকারী হিসেবে ঘোষণা করে, তাহলে তিনি এসব সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকার হারাবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী এবং একাধিক মামলার পলাতক আসামি রাসেল আহমেদকে র্যাব গ্রেফতার করেছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোনারগাঁয় অভিযান চালিয়ে একটি দেশীয় শটগান, চার রাউন্ড কার্তুজ, ও ১৪টি টেঁটা উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাত প্রায় সাড়ে ১২টার দিকে র্যাব-১১ (সিপিএসসি) ও র্যাব-২-এর যৌথ অভিযানে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের পান্থপথ এলাকা থেকে রাসেল আহমেদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রাসেল সোনারগাঁ উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের কুরবানপুর গ্রামের মৃত সাফাতুল্লার ছেলে।
গ্রেফতার হওয়ার পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার (২৪ জুলাই) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে সোনারগাঁয়ের কুরবানপুর এলাকায় তার বাড়ির পাশের একটি গোডাউনে অভিযান চালানো হয়। সেখানে তল্লাশি চালিয়ে একটি দেশীয় শটগান, চার রাউন্ড কার্তুজ ও ১৪টি টেঁটা উদ্ধার করা হয়।
র্যাবের দাবি, রাসেল দীর্ঘদিন ধরে পিরোজপুর ইউনিয়নের পাঁচানী, কুরবানপুর ও শান্তিনগর এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী বাহিনীর নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন। স্থানীয় শিল্পকারখানা, আবাসন প্রকল্প ও ড্রেজিং কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি, ইট-বালু সরবরাহ, স্ক্র্যাপ ব্যবসা এবং নির্মাণকাজ নিয়ন্ত্রণে তার বাহিনী সক্রিয় ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।
এছাড়া, প্রতিপক্ষকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে প্রকাশ্যে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহড়া, গুলিবর্ষণ, হামলা, টেঁটাবিদ্ধ করা এবং বিভিন্ন সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী সংবাদ প্রকাশ করায় স্থানীয় সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায়ও তার বাহিনীর সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে।
র্যাব আরও জানায়, রাসেলের বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি, অস্ত্র এবং অন্যান্য অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ এবং ঢাকার বিভিন্ন থানায় অন্তত ১২টি মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে তার অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালানো হয়েছে।
গ্রেফতার আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সোনারগাঁ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ