ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মতিঝিলে ককটেল বিস্ফোরণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অফিস সহকারী আহত


মতিঝিলে ককটেল বিস্ফোরণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অফিস সহকারী আহত

রাজধানীর মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে একটি ককটেল বিস্ফোরণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অফিস সহকারী মিরাজ আহমেদ (৩৩) গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাত ৮টার দিকে এই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটে। পরে তাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয় এবং কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ভর্তি করেন।

আহত মিরাজকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন তার বন্ধু মো. সামসুল হক। তিনি জানান, মিরাজ পেশায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন সরকারি কর্মচারী (অফিস সহকারী)। তিনি বলেন, “আমরা মতিঝিলে মেট্রোরেলের নিচ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় হঠাৎ একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। এতে মিরাজ আঘাতপ্রাপ্ত হলে তাৎক্ষণিকভাবে আমরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।”

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ী হামলা মামলায় আনিসুল হক ও পলককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন

তিনি আরও উল্লেখ করেন, আহত মিরাজ টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর থানার বেড়াডাকুরি এলাকার রকিবুল ইসলামের ছেলে। বর্তমানে তিনি মতিঝিলের আরামবাগের ৬২ নম্বর বাসায় বসবাস করছেন।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে ককটেল বিস্ফোরণের ফলে আহত হয়ে মিরাজ নামের এক ব্যক্তি ঢাকা মেডিকেলে এসেছেন এবং তাকে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।

পুলিশের সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ফারাবী জানান, মতিঝিল মেট্রো স্টেশনসংলগ্ন সড়কে পড়ে থাকা একটি ছাতার ভেতরে একটি ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (IED) পাওয়া যায়।

ডিভাইসটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছিল যে, ছাতার বোতাম চাপলেই অবিলম্বে বিস্ফোরণ ঘটতে পারত।

আরও পড়ুন: মেসার্স উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকি

কে বা কারা এটি সেখানে রেখেছে এবং তাদের উদ্দেশ্য কী ছিল, তা জানার জন্য পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এখন অবধি কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে এর দায়ে অভিযুক্ত করা হয়নি বলেও জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্রীড়াঙ্গনে নতুন সূচনা, শহীদ জিয়ার কবরে জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দলের শ্রদ্ধা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৩৩ পি.এম


ক্রীড়াঙ্গনে নতুন সূচনা, শহীদ জিয়ার কবরে জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দলের শ্রদ্ধা

ক্রীড়াঙ্গনে নতুন দায়িত্ব পাওয়া সাবেক ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠকদের নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দল শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরে ফুল দিয়া শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দলের ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সংগঠনের নেতারা এবং বিভিন্ন ক্রীড়া ফেডারেশনের নতুন অ্যাডহক কমিটিতে দায়িত্ব পাওয়া সদস্যরা অংশ নেন। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর জিয়ার মাজার প্রাঙ্গণে মোনাজাতও করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মইনুল হক মইন, দপ্তর সম্পাদক মিজানুর রহমান ডন, সাধারণ সম্পাদক জাহেদ পারভেজ চৌধুরী, এবং আহ্বায়ক নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী।

সরকার পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে দেশের ২৭টি ক্রীড়া ফেডারেশনের কমিটি বাতিল করা হয়েছে এবং নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এসব নতুন কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দলের সদস্যরা সবাই সাবেক ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠক। সংগঠনের নেতাদের মতে, তাদের অভিজ্ঞতা ও অবদানের ভিত্তিতেই তাদের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দলের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক এবং ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে নেতারা বলেন, তার দিকনির্দেশনা এবং জিরো টলারেন্স নীতিকে সামনে রেখে তারা ক্রীড়াঙ্গনে কাজ করবে।

এদিকে, যদি নতুন অ্যাডহক কমিটিতে কোন অনিয়ম বা দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের ক্রীড়া পরিচালক ও জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দলের সদস্য সচিব জাহেদ পারভেজ চৌধুরী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।

আগামী তিন মাসের মধ্যে সকল ক্রীড়া ফেডারেশনের নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। সেইসাথে অপ্রয়োজনীয় বিদেশ সফরের ওপরও নজরদারি করবে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পদত্যাগের পরও সাবেক রাষ্ট্রপতিরা যেসব সুযোগ-সুবিধা পান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৩৫ পি.এম


পদত্যাগের পরও সাবেক রাষ্ট্রপতিরা যেসব সুযোগ-সুবিধা পান

রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগ করার পরেও বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতিরা আইন অনুযায়ী অবসরভাতা, চিকিৎসাসেবা, প্রটোকলসহ বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকেন।

এসব সুবিধার বিধান রাষ্ট্রপতির অবসরভাতা, আনুতোষিক ও অন্যান্য সুবিধা আইন, ২০১৬-এ বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসছে। তিনি শারীরিক অসুস্থতা ও দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজনের কথা উল্লেখ করে পদত্যাগপত্র জমা দেন। জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন এবং ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

আইন অনুযায়ী, যারা অন্তত ছয় মাস রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন শেষে মেয়াদ পূর্ণ করে পদত্যাগ করেন, তারা এসব সুবিধার জন্য যোগ্য হন।

আইন বলছে, একজন সাবেক রাষ্ট্রপতি সর্বশেষ মূল বেতনের ৭৫ শতাংশ হারে মাসিক অবসরভাতা পাবেন। বর্তমান বেতন কাঠামো অনুসারে, তার মানে হলো মাসে ৯০ হাজার টাকা।

তবে রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে যদি তিনি অন্য কোনো সরকারি চাকরি থেকে অবসরভাতা পেয়ে থাকেন, তাহলে তিনি দুটি অবসরভাতার মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নিতে পারবেন।

সাবেক রাষ্ট্রপতিরা চাইলে মাসিক অবসরভাতার পরিবর্তে এককালীন আনুতোষিকও গ্রহণ করতে পারেন। এই ক্ষেত্রে অবসরের এক মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে হয়।

যদি কোন সাবেক রাষ্ট্রপতি অবসরভাতা গ্রহণের আগেই মারা যায়, তখন আইন অনুযায়ী তাকে আনুতোষিক গ্রহণে আগ্রহী বলে ধরা হবে। সেক্ষেত্রে তার মনোনীত ব্যক্তি অথবা উত্তরাধিকারীরা আনুতোষিক পাওয়ার অধিকারী হবে।

অবসরভাতার পাশাপাশি, সাবেক রাষ্ট্রপতিরা একজন ব্যক্তিগত সহকারী, একজন সহায়ক কর্মী এবং এ-সংক্রান্ত সরকারি ব্যয়ও পান। তাদের কাছে একজন মন্ত্রীর সমপরিমাণ সরকারি চিকিৎসাসুবিধা, কূটনৈতিক পাসপোর্ট, বাসভবনে টেলিফোন সংযোগ, নির্ধারিত বিল সুবিধা, দেশের ভেতরে ভ্রমণের সময় সার্কিট হাউজ বা রেস্ট হাউসে বিনা ভাড়ায় থাকার সুযোগ এবং সরকারি অনুষ্ঠানে ব্যবহারের জন্য সরকারি যানবাহনের সুবিধা রয়েছে।

যাইহোক, আইনে কিছু সীমাবদ্ধতা বিদ্যমান। রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব শেষে কেউ যদি এমন কোনো সরকারি পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেন, যেখানে সংযুক্ত তহবিল থেকে বেতন বা অন্যান্য সুবিধা পান, তাহলে এ আইনের আওতায় নির্ধারিত সুবিধাগুলি তার জন্য প্রযোজ্য হবে না।

এছাড়া, যদি কোন সাবেক রাষ্ট্রপতি নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে আদালতের রায়ে দণ্ডিত হন অথবা সুপ্রিম কোর্ট তাকে অসাংবিধানিক বা অবৈধভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণকারী হিসেবে ঘোষণা করে, তাহলে তিনি এসব সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকার হারাবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে গ্রেফতার, সোনারগাঁয়ে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৩৮ পি.এম


রাজধানীতে গ্রেফতার, সোনারগাঁয়ে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার

 

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী এবং একাধিক মামলার পলাতক আসামি রাসেল আহমেদকে র‌্যাব গ্রেফতার করেছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোনারগাঁয় অভিযান চালিয়ে একটি দেশীয় শটগান, চার রাউন্ড কার্তুজ, ও ১৪টি টেঁটা উদ্ধার করা হয়েছে।

র‌্যাব জানায়, বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাত প্রায় সাড়ে ১২টার দিকে র‌্যাব-১১ (সিপিএসসি) ও র‌্যাব-২-এর যৌথ অভিযানে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের পান্থপথ এলাকা থেকে রাসেল আহমেদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রাসেল সোনারগাঁ উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের কুরবানপুর গ্রামের মৃত সাফাতুল্লার ছেলে।

গ্রেফতার হওয়ার পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার (২৪ জুলাই) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে সোনারগাঁয়ের কুরবানপুর এলাকায় তার বাড়ির পাশের একটি গোডাউনে অভিযান চালানো হয়। সেখানে তল্লাশি চালিয়ে একটি দেশীয় শটগান, চার রাউন্ড কার্তুজ ও ১৪টি টেঁটা উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাবের দাবি, রাসেল দীর্ঘদিন ধরে পিরোজপুর ইউনিয়নের পাঁচানী, কুরবানপুর ও শান্তিনগর এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী বাহিনীর নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন। স্থানীয় শিল্পকারখানা, আবাসন প্রকল্প ও ড্রেজিং কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি, ইট-বালু সরবরাহ, স্ক্র্যাপ ব্যবসা এবং নির্মাণকাজ নিয়ন্ত্রণে তার বাহিনী সক্রিয় ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়া, প্রতিপক্ষকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে প্রকাশ্যে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহড়া, গুলিবর্ষণ, হামলা, টেঁটাবিদ্ধ করা এবং বিভিন্ন সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী সংবাদ প্রকাশ করায় স্থানীয় সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায়ও তার বাহিনীর সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে।

র‌্যাব আরও জানায়, রাসেলের বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি, অস্ত্র এবং অন্যান্য অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ এবং ঢাকার বিভিন্ন থানায় অন্তত ১২টি মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে তার অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালানো হয়েছে।

গ্রেফতার আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সোনারগাঁ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত, তীব্র হচ্ছে নদীভাঙন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪১ পি.এম


কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত, তীব্র হচ্ছে নদীভাঙন

কুড়িগ্রামের পরিস্থিতি অনুযায়ী, তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার ও ব্রহ্মপুত্র নদসহ সবকটি নদ-নদীর পানি কমলেও বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। বিগত ৪ দিন ধরে নতুন করে এসব নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছিল, কিন্তু এখন তা কমতে শুরু করেছে, ফলে বন্যা পরিস্থিতি তেমন পরিবর্তিত হয়নি। শুক্রবার দুপুরের পর থেকে তিস্তা নদীর পানি আবারও বাড়তে শুরু করেছে, তবে বর্তমানে তা বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজারহাটে তিস্তা নদীর কাউনিয়া পয়েন্টে পানি আবারও ৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে রয়েছে বিপৎসীমার ৪৪ সেন্টিমিটার নিচে। ধরলা নদীর শিমুলবাড়ি ও সেতু পয়েন্টে পানি বেড়ে বর্তমানে বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ব্রহ্মপুত্র নদের হাতিয়া, চিলমারী ও নুনখাওয়া পয়েন্টে পানি কমে যাওয়ার পরও পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। এই কারণে এসব নদ-নদীর অববাহিকার নিম্নাঞ্চলে পানি উঠে প্লাবিত অঞ্চলগুলোতে বাড়িঘরে পানি প্রবেশ করেছে, ফলে তলিয়ে গেছে নতুন নতুন ফসল।

এদিকে, তিস্তা, ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি কমা এবং বাড়ার কারণে নদীতে নদী ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। চিলমারী উপজেলার রানীগঞ্জে কাচকল এলাকায় প্রায় ৬০ মিটার বাঁধ পুনরায় ভেঙে গেছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে নদী ভাঙনের আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়াল ডাঙার রামহরি, খিতাবখা ও বুড়িরহাট বাজার, উলিপুরের হাতিয়া, দাগারকুটি, জলাঙরকুটি সহ জেলার অনেক এলাকায় প্রবল স্রোতে নদী ভাঙছে। স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড অস্থায়ী ভিত্তিতে জিওব্যাগ ফেলে প্রতিরোধের চেষ্টা করলেও তা সুফল দিচ্ছে না।

মোগলবাসা এলাকার বাসিন্দা কুদরত আলী জানান, আমরা নয়ার চর থেকে নৌকায় এ পাড়ে আসি। মোগলবাসায় নদী ভাঙন ঠেকাতে কাজ করছে, তবে নয়ারহাটে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও স্থাপনা ভাঙছে। তিনি আরও বলেন, "আমরা চাই এখানেও বোল্ডার ফেলে ভাঙন প্রতিরোধ করা হোক।" চিলমারী উপজেলার কাচকল এলাকার বাসিন্দা জলিল মিয়া বলেন, "এই কয়দিনে বাধের রাস্তায় তিনটি ভাঙন দেখা দিয়েছে। ওয়াপদা জিওব্যাগ ফেলে প্রতিরোধের চেষ্টা করলে তাতে সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। খায়া যাওয়া ফির ভাঙতে থাকে। এখন বাড়িগুলো তলে গেলে আমরা কোথায় গিয়ে দাঁড়াব?"

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানিয়েছেন, এখন নদ-নদীর পানি কমা এবং বাড়ার কারণে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। জেলার ৩৮টি স্থানে নদী ভাঙন সংঘটিত হচ্ছে। তিনি জানান, "চিলমারীর কাচকল এলাকায় জিওব্যাগ ফেলে প্রতিরোধের চেষ্টা করলেও তা আবারও ভেঙে গেছে। শুকনো মৌসুমে এসব এলাকায় স্থায়ীভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%