শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৩৩ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক রোবটিক্স, প্রযুক্তি ও STEM-ভিত্তিক প্রতিযোগিতা Fibonacci International Robot & STEM Olympiad (FIRSO) 2026 এবং Fibonacci ITECX College Congress-এ অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। প্রকল্প, উদ্যোক্তা ও গবেষণাভিত্তিক বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে একাধিক পদক ও পুরস্কার অর্জনের পাশাপাশি মেডেলজয়ী দলগুলো ইতালিতে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক পর্বে অংশগ্রহণের জন্য কোয়ালিফাইড হয়েছে।
FIRSO 2026 National Round-এর GreenTech Entrepreneurship ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান অর্জন করে Gold Medal জিতেছে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের দল Dynamic Project Innovators-DPI। উদ্ভাবনী প্রকল্প, প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান ও উপস্থাপনার মাধ্যমে বিচারকদের প্রশংসা অর্জন করে দলটি।
এ দলের সদস্যরা হলেন টিম লিডার তাহসান আল মাহবী, প্রেজেন্টেশন মো. মাহিয়ান ইসলাম, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ও কোডিংয়ে রুদ্র মন্ডল এবং টিম সদস্য তাহসিন খান স্বপ্নীল, রাতুল হাসান ও আমির হামজা লিমন।
এছাড়া FIRSO 2026-এর Green Entrepreneurship ক্যাটাগরিতে ‘Carbon-Negative Eco City’ প্রকল্পের জন্য The Aerovate দল অর্জন করেছে দ্বিতীয় স্থান ও Silver Medal। একই প্রতিযোগিতার SoftTech Entrepreneurship ক্যাটাগরিতে Team Marattok পেয়েছে Bronze Medal।
অন্যদিকে Fibonacci ITECX College Congress-এর Research Paper বিভাগেও সাফল্য পেয়েছে ঢাকা পলিটেকনিকের শিক্ষার্থীরা। Data Science Segment-এ Team Zulfiqar প্রথম স্থান অর্জন করেছে। দলের সদস্য হিসেবে রয়েছেন MD Sifat Hossen ও Mubtasim Fuad Tahmid। একই বিভাগে Tahasin Al Mahabi-এর নেতৃত্বাধীন Dynamic Project Innovators দলও Bronze Medal অর্জন করেছে।
জাতীয় পর্যায়ের এসব সাফল্যের মধ্য দিয়ে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা, গবেষণামুখী মানসিকতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও দলগত প্রচেষ্টার প্রতিফলন ঘটেছে। বিশেষ করে প্রকল্প ও গবেষণাভিত্তিক প্রতিযোগিতায় একাধিক দলের পুরস্কার অর্জন শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে আগ্রহের বিষয়টি সামনে এনেছে।
আন্তর্জাতিক পর্বে যাওয়ার প্রস্তুতি
জাতীয় পর্যায়ে মেডেল অর্জনের পর সংশ্লিষ্ট দলগুলো ইতালিতে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অংশগ্রহণের জন্য ভ্রমণ ও অন্যান্য ব্যয়ের একটি অংশ দলগুলোকেও বহন করতে হবে।
এ বিষয়ে Dynamic Project Innovators-DPI দলের সদস্যরা জানান, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অংশগ্রহণের সুযোগ তারা পেয়েছেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে সফরের ব্যয়ের একটি অংশ বহনের বিষয় রয়েছে। তবে বাকি অংশের জন্য দলের পক্ষ থেকেও নির্দিষ্ট অর্থের প্রয়োজন হবে। এ বিষয়ে দলের সদস্যরা শিগগিরই বসে অংশগ্রহণের ব্যয় কীভাবে ব্যবস্থাপনা করা যায়, সে বিষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা করবেন।
তারা আরও জানান, এই অর্জন শুধু নিজেদের দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের সুযোগ হিসেবে কাজে লাগাতে চান তারা। এ জন্য কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি সহযোগিতা কিংবা স্পন্সরশিপের মাধ্যমে পাশে দাঁড়ালে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের পথ আরও সহজ হবে বলে মনে করেন তারা।
ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের এ সাফল্যে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক, শিক্ষার্থী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে আনন্দ ও গর্বের সৃষ্টি হয়েছে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের পতাকা তুলে ধরার লক্ষ্যে সফল দলগুলোর পরবর্তী যাত্রার জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়া সুগার মিল পুনরায় চালু করার, আধুনিকায়ন ও বহুমুখীকরণের মাধ্যমে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের দাবি জানানো হয়েছে আখচাষি, শ্রমিক-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে। শনিবার দুপুরে আখচাষী ও চিনিকল শ্রমিকরা মিলের গেটে এক সমাবেশে এই দাবি তুলে ধরেন।
সমাবেশে আখচাষীরা ‘আখচাষী বাঁচাও, মিল বাঁচাও’ স্লোগান দেন। তারা ২০২০ সালে স্থগিত হওয়া কুষ্টিয়া সুগার মিল দ্রুত পুনরায় চালু করার দাবি জানান, যা আখচাষীদের জীবিকা ও স্থানীয় অর্থনীতিকে সচল করবে।
চাষী ও শ্রমিকদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় ধরে মিলটি বন্ধ থাকায় জেলার কৃষি ও স্থানীয় অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাদের বক্তব্য, কুষ্টিয়া সুগার মিল একসময় হাজারো আখচাষি, শ্রমিক-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের জীবিকার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিল। ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে মিলটি কুষ্টিয়া ও আশপাশের এলাকার আখচাষিদের কাছ থেকে আখ সংগ্রহ করে চিনি উৎপাদন করে আসছিল। তবে লোকসানসহ বিভিন্ন কারণে ২০২০-২১ মাড়াই মৌসুমে মিলটির কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়।
আখচাষি আব্দুল আলী অভিযোগ করেন, মিল বন্ধ থাকায় আখ বিক্রির নিশ্চয়তা কমে গেছে। এর ফলে অনেকেই আখ চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন। এই পরিস্থিতির প্রভাব কৃষক, পরিবহন, শ্রমিক ও স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যে পড়ছে এবং সমাজে বেকারত্ব বাড়ছে।
সমাবেশে স্থানীয় বিএনপি নেতারা একাত্মতা ঘোষণা করেন। প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী বলেন, "কুষ্টিয়া সুগার মিলের সঙ্গে এ অঞ্চলের হাজারো আখচাষী ও শ্রমজীবী মানুষের জীবন-জীবিকা জড়িত। দীর্ঘদিন মিলটি বন্ধ থাকায় আখচাষীরা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তাই আখচাষী ও সংশ্লিষ্টদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে মিলটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।" তিনি আরও বলেন, "শুধু পুরোনো পদ্ধতিতে মিল চালু করলেই হবে না। আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজন, উৎপাদন বহুমুখীকরণ এবং সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে লাভজনক করার উদ্যোগ নিতে হবে। এতে স্থানীয় অর্থনীতিতেও অর্থের প্রবাহ বাড়বে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
১৮ বছর পর ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’তে একসঙ্গে ফিরে এসেছেন অক্ষয় কুমার এবং সইফ আলী খান। তাঁদের কথোপকথনের সময় সইফ এবং করীনার প্রেমের বিষয়টি উত্থাপন করেন অমিতাভ বচ্চন।
‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’র সেটে হাসির পরিবেশ তৈরি করেন অক্ষয় কুমার। তিনি ‘টশন’ ছবির শুটিংয়ের সময়ের একটি মজার ঘটনা শেয়ার করেন। সেই সময় সইফ আলী খান এবং করীনা কপূরের প্রেমের শুরু হয়।
অমিতাভ বচ্চন সইফের প্রেমের গল্প প্রসঙ্গে বলেন, “আপনার বর্তমান স্ত্রী করীনাজির সঙ্গে আপনার যে প্রেমের গল্প, সেটা তো ‘টশন’ ছবির সময়ে শুরু হয়েছিল। এটা কি সত্যি?” সইফ উত্তর দেন, “হ্যাঁ স্যার, ঠিক।”
এরপর অমিতাভ মনে করিয়ে দেন যে ‘টশন’ ছবিতে অক্ষয়ও ছিলেন। সুতরাং, সইফ ও করীনার প্রেমের শুরুর সময়ের অনেক কিছুই তাঁর নজরে এসেছিল। অমিতাভ তখন অক্ষয়ের কাছে জানতে চান, তিনি কী দেখেছিলেন। এই সুযোগে সইফের সেই সময়ের কীর্তি ফাঁস করে দেন অক্ষয়। তিনি বলেন, “আমি তখন ভোর সাড়ে চারটেয় উঠতাম। করীনার ঘর ছিল আমার ঘরের পাশে। এক দিন হঠাৎ দরজা খুলল। দেখি, এই ভদ্রলোক (সইফ) বেরিয়ে আসছেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম, ‘কী করছেন?’ তিনি বললেন, ‘না, কিছু না। আমরা দু’জনে দৌড়োতে যাচ্ছি।’”
অক্ষয়ের কথায় সইফও সঙ্গে সঙ্গে সুর মেলান। তিনি নিজের পুরনো গল্পটিকে জোর দিয়ে বলেন, “হ্যাঁ! ভোরবেলা দৌড়োতে যাচ্ছিলাম।” এরপর হাসতে হাসতে অক্ষয় বলেন, “আসলে তিনি করীনাকে ঘুম থেকে তুলে দৌড়োতে যাওয়ার জন্য নিয়ে যাচ্ছিলেন।”
অক্ষয়ের এই মন্তব্যে ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’র সেটে হাসির রোল ওঠে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল ক্রিকেট দল গেম ডেভেলপমেন্ট (জিডি) ট্রফিতে তাদের প্রথম জয় অর্জন করেছে।
আজ মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ম্যাচে, অনূর্ধ্ব-২৩ দল ৯ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে পরাজিত করেছে।
সিরিজের প্রথম ম্যাচে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের কাছে পরাজয়ের পর, দ্বিতীয় ম্যাচে বৃষ্টির কারণে অনূর্ধ্ব-১৭ দলের সঙ্গে পয়েন্ট ভাগাভাগি করতে হয়েছিল অনূর্ধ্ব-২৩ দলকে।
টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ৪৯ দশমিক ৫ ওভারে ১৮৯ রানে অলআউট হয়ে যায়।
দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৬ রান করেন ইনফর্ম ওপেনার এসকে জারিফ সিয়াম, যিনি ৭১ বল খেলে পাঁচটি চার ও একটি ছক্কা মারেন।
এছাড়া, আহসান আল মুমিন ৪৫ বলে ৩৫ রান এবং মেহরাব হাসান সিজান ৩৬ বলে ৩৩ রান করেন।
বল হাতে, অনূর্ধ্ব-২৩ দলের স্বাধীন ইসলাম তিনটি উইকেট এবং মহিউদ্দিন তারেক দুটি উইকেট শিকার করেন।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে, অনূর্ধ্ব-২৩ দলকে ২১ ওভারে ১৩০ রানের দুর্দান্ত শুরু এনে দেন দুই ওপেনার আজিজুল হাকিম তামিম ও আদিল। আদিল ৭৪ বলে ৬৩ রান করে প্রথম আউট হন।
এরপর, ম্যাচের হাল ধরেন তামিম ও কালাম সিদ্দিকী আলিন। তাদের দ্বিতীয় উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ৫১ রানের জুটিতে ১১১ বল বাকি থাকতে জয় পায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল।
তামিম ৭৯ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কা মারায় অপরাজিত ৭৪ রানের ইনিংস খেলে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। অপর প্রান্তে, আলিন ৪০ বলে অপরাজিত ৩৯ রান করেন, ইনিংসে চারটি চার ও একটি ছক্কা মারেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ