ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিআরটিএর ১০ দিনের অভিযানে ৮১৩ মামলা


বিআরটিএর ১০ দিনের অভিযানে ৮১৩ মামলা

 

ঈদযাত্রা ও ঈদের পর কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন করতে বাংলাদেশের সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করছে। এই অভিযানে, ১০ দিনের মধ্যে বিআরটিএর ৫৯টি ভ্রাম্যমাণ আদালত ৭৫৮টি অভিযান পরিচালনা করেছে।

এইসব অভিযানের ফলে ৮১৩টি মামলা হয়েছে এবং ১৬ লাখ ৬১ হাজার ২৩০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। নিয়ম অমান্য করায় আরও ছয়টি গাড়ি ডাম্পিংয়ে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

বিআরটিএ সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত ২২ মে থেকে ঈদযাত্রার শুরুতেই ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের কার্যক্রম শুরু হয়, যা ৩১ মে পর্যন্ত একটানা চলেছে। এছাড়া, ঈদ-পরবর্তী সময়ে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধের লক্ষ্যে ঢাকার সায়েদাবাদসহ বিভিন্ন বাস টার্মিনালে ভিজিলেন্স টিমের মাধ্যমে সচেতনতামূলক কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে।

যানবাহন ছাড়ানোর আগে চালকদের নির্ধারিত গতিসীমা অনুসরণ, বেপরোয়া ওভারটেকিং পরিহার এবং ট্রাফিক আইন মেনে চলার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হচ্ছে। একই সঙ্গে দূরপাল্লার যাত্রীদের সড়ক নিরাপত্তার বিভিন্ন তথ্যও অবহিত করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বিআরটিএ’র অভিযানের জোরদার হওয়ায় চালকদের একটি বড় অংশের মধ্যে সচেতনতা বাড়ছে। তবে সড়ক নিরাপদ রাখতে এই কর্মসূচি শুধুমাত্র ঈদ মৌসুমের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সারা বছরই চালানো প্রয়োজন।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ড. হাদিউজ্জামান কালের কণ্ঠকে জানান, শুধু ঈদ মৌসুমে নয়, বরং সারা বছর তদারকি ও সমন্বিত কর্মসূচি অব্যাহত রাখতে হবে। কারণ একজন গাড়িচালক হুট করে তার আচরণ পরিবর্তন করবে—এমনটা আশা করা ঠিক নয়। অভ্যাস পরিবর্তনের জন্য দীর্ঘ সময় ধরে চর্চা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

বিআরটিএ ঢাকা বিভাগের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) শফিকুজ্জামান ভূঞা কালের কণ্ঠকে জানান, ঈদযাত্রা নিরাপদ রাখতে ২০ মে থেকে বিআরটিএ’র সদর কার্যালয়ে একটি কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করা হয়েছে, যা ৬ জুন পর্যন্ত সক্রিয় থাকবে।

তিনি আরও বলেন, অতিরিক্ত গতির পাশাপাশি বিপজ্জনক ওভারটেকিং নিয়ন্ত্রণে প্রতিটি সার্কেল অফিস থেকে বাস টার্মিনাল ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে মাইকিং করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসন, পুলিশ, বিআরটিএ এবং পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতারা যৌথভাবে টার্মিনালগুলোতে সচেতনতামূলক বক্তব্য দিচ্ছেন। একই সময়ে সড়ক-মহাসড়কে মোটরসাইকেলের গতি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অভিযানও চলছে।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাসের চাপায় সিএনজি যাত্রী নিহত, আহত ৪

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
দেশে কি আইনের শাসন নেই?

হাইকোর্টের রায়কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বরিশাল কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরেশ সাগর মাঠ প্রাঙ্গণে বাণিজ্য মেলা উদ্বোধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৯ পি.এম


হাইকোর্টের রায়কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বরিশাল কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরেশ সাগর মাঠ প্রাঙ্গণে বাণিজ্য মেলা উদ্বোধন

দেশে কি আইনের শাসন নেই?
হাইকোর্টের রায়কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বরিশাল কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরেশ সাগর মাঠ প্রাঙ্গণে বাণিজ্য মেলা উদ্বোধন


নিজস্ব প্রতিবেদক । বরিশাল । ২৬ মে ২০২৬: হাইকোর্ট বিভাগের সুস্পষ্ট নিষেধাজ্ঞার পরও বরিশাল কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরেশ সাগর প্রাঙ্গণে পুনরায় বাণিজ্য মেলার কার্যক্রম চালুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা, ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। ধর্মপ্রাণ মানুষ, শিক্ষাবিদ, আইনজীবী, মানবাধিকারকর্মী ও সচেতন নাগরিকদের প্রশ্ন—দেশে কি আইনের শাসন কার্যকর আছে, নাকি আদালতের নির্দেশনাও এখন উপেক্ষিত হচ্ছে?

জানা গেছে, বরিশাল কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে বাণিজ্য মেলা আয়োজনের বিরুদ্ধে দায়ের করা জনস্বার্থমূলক রিটের শুনানি শেষে গত ১৮ মে হাইকোর্ট বিভাগ রুল জারি করে নির্দেশ দেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই স্থানে কোনো ধরনের বাণিজ্য মেলা আয়োজন করা যাবে না।
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আশিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রিট পিটিশন নং-৬২৫৯/২০২৬ এর শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। আদালত মেলা পরিপত্র-২০২৪ এর ধারা ৫(ছ) উল্লেখ করে পর্যবেক্ষণ দেন যে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে এ ধরনের বাণিজ্যিক আয়োজন বিধিবহির্ভূত।
রিটে উল্লেখ করা হয়, মেলার কারণে পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের খেলাধুলা ও স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অতিরিক্ত জনসমাগম, শব্দদূষণ, যানজট ও অনিরাপদ পরিবেশ শিক্ষার্থীদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে।
তবে অভিযোগ উঠেছে, আদালতের নির্দেশনার পরও পুনরায় মেলার স্টল নির্মাণ, আলোকসজ্জা, মাইকিং ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, ২৬ মে সন্ধ্যায় বরিশাল কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরেশ সাগর প্রাঙ্গণে বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন করা হয়।
এ সময় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ আহসান হাবিবের একটি ভিডিও বার্তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ কমিশনার অনুপস্থিত থাকায় তাকে মেলা উদ্বোধনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও বিভিন্ন মহলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, হাইকোর্টের সুস্পষ্ট নির্দেশনার পর কীভাবে প্রশাসনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মেলা উদ্বোধনে অংশ নিলেন।
এদিকে পরেশ সাগর প্রাঙ্গণে মেলা আয়োজন নিয়েও ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘ প্রায় ২৬ বছর ধরে এ মাঠে মরহুম মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী পবিত্র কুরআনের তাফসির মাহফিল পরিচালনা করেছেন। ফলে স্থানটি বরিশালের ধর্মীয় ইতিহাস, ইসলামী ঐতিহ্য ও লাখো মানুষের আবেগের অংশ হিসেবে পরিচিত।
স্থানীয় প্রবীণদের ভাষ্য, একসময় এই প্রাঙ্গণ কুরআনের তাফসির, ইসলামী আলোচনা ও দ্বীনি পরিবেশে মুখর থাকত। সেখানে উচ্চ শব্দ, বিনোদনমূলক আয়োজন ও বাণিজ্যিক মেলা পরিচালনা ধর্মপ্রাণ মানুষের অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে।
রিটকারী ও মানবাধিকারকর্মী মো. রনি শিকদার বলেন, “হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করা আদালত অবমাননার শামিল। আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করা সংশ্লিষ্ট সকলের সাংবিধানিক দায়িত্ব। আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে পুনরায় মেলা পরিচালনার ঘটনায় আমরা উচ্চ আদালতে আদালত অবমাননার আবেদন করবো।”
এ বিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন ডিসি সাউথ ও প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, হাইকোর্টের আদেশ তাদের কাছে পৌঁছেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মেলা কর্তৃপক্ষকে উদ্বোধন কার্যক্রম বন্ধসহ আদালতের নির্দেশনা মেনে চলতে বলা হয়েছে। যদি মেলা কর্তৃপক্ষ প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে, তাহলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে মেলা বন্ধ করে দেওয়া হবে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, “আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদ এবং “ঈড়হঃবসঢ়ঃ ড়ভ ঈড়ঁৎঃং অপঃ, ২০১৩ অনুযায়ী আদালতের আদেশ ইচ্ছাকৃতভাবে অমান্য করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে জরিমানা, কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
সচেতন নাগরিকদের দাবি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ঐতিহাসিক ধর্মীয় স্থানের মর্যাদা রক্ষায় প্রশাসনের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে আদালতের নির্দেশ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিও জানিয়েছেন তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ তুললেন মুফতি আমির হামজা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০০ পি.এম


পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ তুললেন মুফতি আমির হামজা

 

কুষ্টিয়া থেকে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশে যাওয়ার পথে সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১ জুন) বিকেলে জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ বাজার এলাকার এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় এমপি আমির হামজার শ্যালক ও দৈনিক কালবেলার জীবননগর প্রতিনিধি আবু বক্কর এবং তার গাড়িচালক সাদ্দাম হোসেন আহত হয়েছেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, হামলায় জড়িতরা হলেন হাসাদাহ বাজার এলাকার মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, তার ছেলে শাহরিয়ার ও রিমন।

আহত শ্যালক আবু বক্কর জানান, কুষ্টিয়া থেকে দুটি গাড়িতে করে তারা জীবননগরের উদ্দেশে রওনা দেন। পথে হাসাদাহ বাজার এলাকায় পৌঁছালে একটি ব্যাটারিচালিত ইজি বাইক তাদের গাড়ির সামনে চলে আসে।

কয়েকবার হর্ন দেওয়ার পরও সড়ক না ছাড়ায় চালক গাড়ি থেকে নেমে কথা বলেন এবং পরে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

তিনি অভিযোগ করেন, কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ কয়েকজন ব্যক্তি এসে তার ওপর হামলা চালায়। নিজেকে এমপি আমির হামজার শ্যালক হিসেবে পরিচয় দেওয়ার পর হামলাকারীরা আরো ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে মারধর করে। এ সময় তার বোন গাড়ি থেকে নামলে তাকেও ও এমপি আমির হামজাকে গালাগাল করা হয় বলেও তিনি দাবি করেন।

খবর পেয়ে জীবননগর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে এমপি আমির হামজা ও তার পরিবারের সদস্যরা থানায় যান।

জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান সেখ বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে এমপি সাহেবসহ তার পরিবারের সদস্যরা থানায় রয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আওয়ামী লীগকে নিয়ে কড়া মন্তব্য ড. মঈন খানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১৯ পি.এম


আওয়ামী লীগকে নিয়ে কড়া মন্তব্য ড. মঈন খানের

স্বাধীনতা যুদ্ধের দাবিদার আওয়ামী লীগ সেদিন পালিয়ে গিয়েছিল। তারা কিন্তু যুদ্ধে নামেনি। পরবর্তীতে তারা বারবার পালিয়ে গিয়েছে, সর্বশেষ ২০২৪ সালেও তারা একইভাবে পালিয়ে গিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান।

তিনি সোমবার বিকালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে পলাশ উপজেলা ও ঘোড়াশাল পৌর বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মঈন খান আরও বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান শুধু বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক নন, তিনি সম্মুখ সমারোহে মুক্তিযুদ্ধ করেছেন। সেই ইতিহাস সঠিকভাবে বাংলাদেশের মানুষ তথা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে হবে, এটা আমাদের দায়িত্ব। ২৪ পূর্ববর্তী বিগত ১৭ বছর ফ্যাসিবাদী সরকার এদেশের স্কুল কলেজের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মিথ্যা ইতিহাস শিখিয়েছে। স্কুলের ছেলে-মেয়েরা লেখাপড়া শিখবে, জ্ঞান বিজ্ঞান শিখবে, ভ্রান্ত রাজনীতি শেখার জন্য তারা স্কুলে যায় না।

মঈন খান আরও বলেন, বাংলাদেশে অর্থনীতিকে ৭২ সাল থেকে ৭৫ সালে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছিল। স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ বিগত ১৭ বছরে লুটপাট করে এদেশের অর্থ বিদেশে পাচার করে দেশের অর্থনীতিকে ভঙ্গুর করে দিয়েছে। সেই আওয়ামী লীগই ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দেশকে তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিণত করেছিল। পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান সেই ভঙ্গুর অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করে শূন‍্য ঝুড়িকে পূর্ণ ঝুড়িতে রূপান্তর করেছিলেন।

তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিজের পরিবার-পরিজনকে ফেলে রেখে মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছিলেন দেশ ও জনগণের স্বার্থে। তিনি শুধু এদেশের প্রেসিডেন্ট ছিলেন না, ছিলেন বাংলার রাখাল রাজা। তার রাজনীতি ছিলো পরিচ্ছন্ন, শৃঙ্খলার রাজনীতি ও দেশপ্রেমের রাজনীতি। আজকে আমরা যে ফুড সিকিউরিটির কথা বলি, তিনি তার জন্য আজ থেকে ৫০ বছর আগে প্রতিটি ইউনিয়নে খাদ্য গুদাম নির্মাণ করে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছিলেন।

পলাশ উপজেলা মাল্টিপারপাস অডিটোরিয়ামে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সাত্তারের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দীন ভুঁইয়া মিল্টন, ঘোড়াশাল পৌর বিএনপির সভাপতি আলম মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, পলাশ উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আল আমিন ভূইয়া, পলাশ উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক নাজমুল হোসেন সোহেল প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘বিশ্বকাপ মিস করব ভেবেছিলাম’–আবেগঘন স্বীকারোক্তি ইয়ামালের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২১ পি.এম


‘বিশ্বকাপ মিস করব ভেবেছিলাম’–আবেগঘন স্বীকারোক্তি ইয়ামালের

আসন্ন বিশ্বকাপকেও চোখের আড়াল করতে হবে না এমন ফুটবলারদের তালিকায় শুরুর দিকে অগ্রাধিকার পাবে লামিনে ইয়ামালের নাম। বার্সেলোনার এই তরুণ ফুটবলারকে কেন্দ্র করেই দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন দেখছে স্পেন। কিন্তু ক্লাবের হয়ে খেলতে গিয়ে হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির শিকার হয়ে বর্তমানে মাঠের বাইরে রয়েছেন ১৮ বছর বয়সী উইঙ্গার। পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া সত্ত্বেও স্পেন তাকে স্কোয়াডে রেখেছে, তবে তাঁর মনে ছিল এক সময় বিশ্বকাপ মিস করার আশঙ্কা। এমনকি সে সময় তিনি চিন্তিত ছিলেন, কীভাবে তিনি সময়মতো ভালো হয়ে উঠবেন।

তবে আশা করা হচ্ছে, তিনি আগামী ১১ জুন উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্বকাপের আগে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবেন। বার্সেলোনার হয়ে গত ২২ এপ্রিল স্প্যানিশ লিগের ম্যাচে স্পটকিকে গোল করার সময় তিনি বাম হ্যামস্ট্রিংয়ে আঘাত পান।

স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে ইয়ামাল জানালেন, 'আমি আগে কখনও এমন হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির মুখোমুখি হইনি, তাই আমি মনে ধারণা করছিলাম এটি তেমন কিছু নয়। তবে আমার উদ্বেগ ছিল, এটি গুরুতর হতে পারে বা আবার ফিরে আসতে পারে, এবং আমি বিশ্বকাপ মিস করব।'

মাত্র ১৮ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড সেল্টা ভিগোর বিরুদ্ধে ম্যাচের প্রথমার্ধে পেনাল্টি থেকে গোল করার পরই চোট পান। গোল করার পরে তিনি বেঞ্চের দিকে বুঝাতে চাইলেন যে তিনি আঘাত পেয়েছেন এবং তারপর মাঠে পড়লেন।

তিনি বলেন, 'আমি সেই মুহূর্তটি মনে করতে পারি যখন আমি ইনজুরিতে পড়ি। আমি মনে মনে প্রার্থনা করছিলাম যেন এটা গুরুতর না হয়, হয়তো শুধু ক্র্যাম্প বা কিছু সামান্য, যেহেতু বিশ্বকাপ খুবই ঘনিষ্ঠ।'

স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে জানান, ইয়ামালকে বিশ্বকাপের দলে রাখা হয়েছে এবং তিনি আশা করছেন, এই ১৮ বছর বয়সী উইঙ্গার প্রথম বা দ্বিতীয় ম্যাচেই খেলতে পারবেন।

স্পেন জাতীয় দল তাদের প্রথম ম্যাচ খেলবে ১৫ জুন কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে আটলান্টায়। এরপর ২১ জুন সৌদি আরবের বিরুদ্ধে এবং ২৬ জুন মেক্সিকোর গুয়াদালাহারায় উরুগুয়ের মুখোমুখি হবে।

ইয়ামাল স্পেনের দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। স্পেন ২০১০ সালে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জিতেছে।

তিনি আরও বলেন, 'অবশেষে সেই মুহূর্ত এসে গেছে। ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ শেষ হওয়ার পর থেকে আমরা এই দিনের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। আমরা ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন হিসেবে টুর্নামেন্টে যাচ্ছি এবং সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।'

স্পেন গত শনিবার (৩০ মে) মাদ্রিদে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু করেছে। পরদিন প্রায় ২০০০ সমর্থক দলের প্রথম অনুশীলন সেশন দেখতে উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%