ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভেনেজুয়েলার তেল দখলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, কিন্তু জ্বালানি খরচ কি কমবে?


ভেনেজুয়েলার তেল দখলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, কিন্তু জ্বালানি খরচ কি কমবে?

ভেনেজুয়েলার বিশাল খনিজ তেল সম্পদের একটি বড় অংশ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র একটি ঐতিহাসিক চুক্তিতে সই করেছে। চলতি বছরের শুরুতে সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার পর, মার্কিন প্রশাসন ও দেশটির অন্তর্বর্তী সরকারের মধ্যে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে মার্কিন অর্থনীতি সচল রাখা এবং জ্বালানি বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করা। তবে মার্কিন সরকারের দাবি অনুযায়ী, বাজারে তেলের দাম দ্রুত কমবে কি না, তা নিয়ে বৈশ্বিক জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও অর্থনীতিবিদরা তীব্র সংশয় প্রকাশ করেছেন।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সম্প্রতি হোয়াইট হাউস সমর্থিত মার্কিন প্রতিষ্ঠান ‘নর্থ আমেরিকান ব্লু এনার্জি পার্টনার্স’ (NABEP)-এর সঙ্গে একটি যৌথ ভেঞ্চার গঠন করা হয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে ভেনেজুয়েলার প্রমাণিত প্রায় ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেলের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হবে, যা দেশটির মোট খনিজ তেল সম্পদের পাঁচভাগের একভাগেরও বেশি।

 

আরও পড়ুন: ডা. জুবাইদা রহমান টোকিওতে হাসপাতাল ও জাদুঘর পরিদর্শন

ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি বনাম বাজারের বাস্তব চিত্র

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনিক নেতৃত্বের দাবি, এই চুক্তি আমেরিকার তেলের রিজার্ভ দ্বিগুণেরও বেশি বাড়াবে এবং সাধারণ নাগরিকদের জন্য জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমাবে। কিন্তু বিশ্ব বাজারের তেল সূচক অন্য গল্প বলছে।

বিশ্লেষকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চুক্তি ঘোষণার পর যুক্তরাষ্ট্রের তেলের দাম কমার পরিবর্তে আরও বেড়েছে। বর্তমানে মার্কিন ডব্লিউটিআই (WTI) ক্রুড অয়েল প্রতি ব্যারেল ৯০ ডলার এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট (Brent) ক্রুড অয়েল প্রতি ব্যারেল ৯৫ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।

কেন কমছে না জ্বালানির দাম?

আরও পড়ুন: পাকিস্তানে বায়ুদূষণে মানুষের গড় আয়ু কমছে ৪ বছর

১. হরমুজ প্রণালী সংকট: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল উত্তেজনার কারণে রণকৌশলগত প্রণালী ‘হরমুজ’ বন্ধ হয়ে আছে। বিশ্বের ২০ শতাংশের বেশি তেল সরবরাহকারী এই পথ স্তব্ধ থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে (দৈনিক ১০ মিলিয়ন ব্যারেলের বেশি), ভেনেজুয়েলার তেল দিয়ে তা তাৎক্ষণিকভাবে পূরণ করা অসম্ভব।

২. ভেনেজুয়েলার ভারী ও অম্লীয় তেল: ভেনেজুয়েলা থেকে আসা তেল মূলত ‘হেভি ও সার’ (Heavy and Sour) স্বাদের ক্রুড। এটি উত্তোলন এবং শোধন করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও জটিল। মার্কিন গল্ফ কোস্টের রিফাইনারিগুলো এই তেল ব্যবহারে সক্ষম হলেও বর্তমানে তাদের সক্ষমতা শতভাগ পূর্ণ। ফলে চাইলেই দ্রুত শোধন বাড়িয়ে পাম্পে জ্বালানির দাম কমানো সম্ভব নয়।

৩. জীর্ণ অবকাঠামো: দীর্ঘদিনের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও অব্যবস্থাপনার কারণে ভেনেজুয়েলার পাইপলাইন, বিদ্যুৎ গ্রিড ও তেল অবকাঠামোগুলো চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশটির তেল উৎপাদন উল্লেখজনক হারে বাড়াতে দীর্ঘমেয়াদী সংস্কার ও শত শত কোটি ডলার নতুন বিনিয়োগ প্রয়োজন, যার জন্য কয়েক বছর সময় লেগে যেতে পারে।

মুনাফা কার ঘরে?

আরও পড়ুন: তালেবান: আফগানিস্তানে আসা বেশিরভাগ ওষুধই পাকিস্তান থেকে পাচার হওয়া

বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদে হয়তো বাজার কিছুটা স্থিতিশীল হতে পারে, তবে স্বল্পমেয়াদে সাধারণ ভোক্তা এই চুক্তির সুবিধা পাচ্ছেন না। প্রকৃতপক্ষে এই সমঝোতার ফলে সবচেয়ে বেশি লাভবান হচ্ছে মার্কিন জায়ান্ট এনার্জি কোম্পানিগুলো (যেমন: শেভরন)। এর ফলে তাদের শেয়ার সূচক ও ব্যবসায়িক নিয়ন্ত্রণ উভয়ই নতুন গতি পেয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রশিক্ষণের জন্য আলাদা রানওয়ে বা ঘাঁটি নির্মাণের পরিকল্পনা নেই: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৯ পি.এম


প্রশিক্ষণের জন্য আলাদা রানওয়ে বা ঘাঁটি নির্মাণের পরিকল্পনা নেই: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, রাজধানী ঢাকা ও অন্যান্য শহরে বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান উড্ডয়নের জন্য স্বতন্ত্র রানওয়ে বা ঘাঁটি নির্মাণের কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। তিনি উল্লেখ করেছেন, আবহাওয়া পূর্বাভাস ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে আধুনিকায়ন কার্যক্রম এবং সাইবার হামলা ও বহুমাত্রিক হুমকি মোকাবিলায় দেশীয়ভাবে ড্রোন তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে বিভিন্ন সংসদ সদস্যের লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব তথ্য প্রদান করেন। সংরক্ষিত নারী আসন-৪১-এর সংসদ সদস্য মাহফুজা হান্নানের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী দেশের সমগ্র আকাশসীমার নিরাপত্তা ও আকাশ প্রতিরক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিমান বাহিনীর দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই ঢাকা ও অন্যান্য শহরের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা প্রস্তুত রাখা জরুরি।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পৃথক বিমানঘাঁটি ও রানওয়ে নির্মাণ একটি ব্যয়বহুল ও দীর্ঘমেয়াদি বিষয়। বাংলাদেশের সীমিত ভূমি ও বিদ্যমান অবকাঠামোর সর্বোত্তম ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে, কেবল প্রশিক্ষণের জন্য পৃথক রানওয়ে নির্মাণ না করে বিদ্যমান সুবিধার যথাযথ ব্যবহারকেই সরকার অধিক বাস্তবসম্মত মনে করছে।

চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দক্ষিণ এশিয়ায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ বাড়লেও আবহাওয়া পূর্বাভাসে বাংলাদেশ পিছিয়ে রয়েছে—এমন বক্তব্য সঠিক নয়।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় ৫ থেকে ১০ দিনের আগাম পূর্বাভাসসহ ঘূর্ণিঝড়, ভারী বৃষ্টি, বজ্রপাত ও অন্যান্য দুর্যোগের সতর্কবার্তা দিয়ে আসছে। পূর্বাভাস সক্ষমতা আরও আধুনিক ও নিখুঁত করার জন্য পর্যবেক্ষণ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ, উন্নত ডেটা বিশ্লেষণ ও দক্ষ জনবল তৈরির কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

সংরক্ষিত নারী আসন-২-এর সংসদ সদস্য শিরীন সুলতানা এবং সংরক্ষিত নারী আসন-১০-এর সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির পৃথক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী প্রতিরক্ষা আধুনিকায়ন ও বেসামরিক কার্যক্রমে সশস্ত্র বাহিনীর অংশগ্রহণের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

শিরীন সুলতানের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, বহুমাত্রিক হুমকি মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনীর সাইবার নিরাপত্তা নীতিমালা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি দেশীয়ভাবে ড্রোন উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এবং সমুদ্রে নজরদারি বাড়াতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

নিলোফার চৌধুরী মনির প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অসামরিক কার্যক্রমে সশস্ত্র বাহিনীর অংশগ্রহণের স্পষ্ট নীতিমালা রয়েছে। সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচনকালীন দেশের সার্বিক নিরাপত্তায় এবং ‘In Aid to the Civil Power’ নির্দেশিকা অনুযায়ী দুর্যোগ ও ক্রান্তিকালে অসামরিক প্রশাসনকে সশস্ত্র বাহিনী সহায়তা করে থাকে।

এ ছাড়া ফৌজদারি কার্যবিধির (CrPC) ১২৯ ধারা অনুযায়ী অসামরিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীকে প্রয়োজনীয় আইনি ক্ষমতা দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অ্যাপলের নতুন সিইও টার্নাসের বেতন কত, কুকের আয় কমল কত?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৯ পি.এম


অ্যাপলের নতুন সিইও টার্নাসের বেতন কত, কুকের আয় কমল কত?

জন টার্নাস অ্যাপলের সিইও পদে বসার পর একটি বড় অঙ্কের পারিশ্রমিক প্যাকেজ পাচ্ছেন। অপরদিকে, ১৫ বছর সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করা টিম কুক পদ ছাড়ার পর নতুন ভূমিকায় যাচ্ছেন।অ্যাপল নতুন সিইও টার্নাস এবং কুকের পারিশ্রমিকের তথ্য প্রকাশ করেছে। এই তথ্য এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।নতুন প্যাকেজ অনুযায়ী, ২০২৭ অর্থবছরে টার্নাসের লক্ষ্যমাত্রাভিত্তিক মোট পারিশ্রমিক প্রায় ৫ কোটি ৮০ লাখ ডলার হবে।ভারতীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৫৫১ কোটি রুপি। তবে এই অর্থ পুরোটা বেতন নয়, এর মধ্যে রয়েছে মূল বেতন ও শেয়ার পুরস্কার।

অ্যাপলের নতুন সিইও হিসেবে টার্নাসের বার্ষিক মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ লাখ ডলার।এছাড়া ২০২৭ অর্থবছরে তিনি প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার মূল্যের শেয়ার পুরস্কার পাবেন। এই শেয়ার পুরস্কারের ৭৫ শতাংশ কর্মদক্ষতাভিত্তিক হবে। অর্থাৎ অ্যাপলের শেয়ার পারফরম্যান্স এসঅ্যান্ডপি ৫০০-এর অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় কেমন করছে, তার ওপর এর বড় অংশ নির্ভর করবে।

বাকি ২৫ শতাংশ হবে সময়ভিত্তিক সীমিত শেয়ার ইউনিট বা । চার বছর ধরে প্রতি ছয় মাসে নির্দিষ্ট অংশ করে এসব শেয়ার দেওয়া হবে।

এছাড়া ২০২৬ অর্থবছরে সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময়ের জন্য টার্নাসকে প্রায় ২৫ লাখ ডলার মূল্যের প্রোরেটেড দেওয়া হচ্ছে।

টিম কুক সিইও পদ ছাড়লেও অ্যাপল থেকে বিদায় নিচ্ছেন না। তিনি এখন প্রতিষ্ঠানটির এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

নতুন পদে কুকের বার্ষিক মূল বেতন হবে ২০ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৪ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। সিইও থাকাকালে তার মূল বেতন ছিল ৩০ লাখ ডলার বা প্রায় ৩৬ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। অর্থাৎ মূল বেতন কমেছে প্রায় ১২ কোটি ২৮ লাখ টাকা।

এর পাশাপাশি ২০২৭ অর্থবছরে কুক পাবেন প্রায় ৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার মূল্যের শেয়ার পুরস্কার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫৫২ কোটি ৬০ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে তার লক্ষ্যমাত্রাভিত্তিক পারিশ্রমিক দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৪ কোটি ৭০ লাখ ডলার বা প্রায় ৫৭৭ কোটি ১৬ লাখ টাকা।

২০২৫ সালে সিইও হিসেবে কুকের মোট পারিশ্রমিক ছিল প্রায় ৭ কোটি ৪৩ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯১৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এর মধ্যে ছিল ৩০ লাখ ডলার বা প্রায় ৩৬ কোটি ৮৪ লাখ টাকা বেতন, ১ কোটি ২০ লাখ ডলার বা প্রায় ১৪৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকা কর্মদক্ষতাভিত্তিক নগদ পুরস্কার এবং প্রায় ৫ কোটি ৭৫ লাখ ডলার বা ৭০৬ কোটি ৭০ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার।

নতুন দায়িত্বে তার লক্ষ্যমাত্রাভিত্তিক প্যাকেজ ৪ কোটি ৭০ লাখ ডলার। অর্থাৎ ২০২৫ সালের মোট পারিশ্রমিকের তুলনায় ব্যবধান প্রায় ২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার। তবে দুই বছরের পারিশ্রমিক কাঠামো পুরোপুরি এক নয়। তাই এটিকে সরাসরি বেতন কমার হিসাব হিসেবে দেখা ঠিক হবে না।

এর মূল কারণ কুক ও টার্নাসের দায়িত্বের পরিবর্তন। টার্নাস এখন অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী হিসেবে পুরো প্রতিষ্ঠানের পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন। অন্যদিকে কুক এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান হিসেবে কৌশলগত বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

কুকের নতুন শেয়ার পুরস্কারের ৫০ শতাংশ কর্মদক্ষতাভিত্তিক এবং বাকি ৫০ শতাংশ সময়ভিত্তিক। এই শেয়ারগুলোও চার বছর ধরে ধাপে ধাপে দেওয়া হবে।

জন টার্নাসের হাতে অ্যাপলের সিইওর দায়িত্ব যাওয়া প্রতিষ্ঠানটির জন্য একটি ঐতিহাসিক পরিবর্তন। এই শতকে এটি অ্যাপলের মাত্র দ্বিতীয় সিইও পরিবর্তন।

২০১১ সালে স্টিভ জবসের কাছ থেকে সিইওর দায়িত্ব নিয়েছিলেন টিম কুক। প্রায় ১৫ বছর অ্যাপলের নেতৃত্ব দেওয়ার পর এবার তিনি নতুন ভূমিকায় গেলেন।

এদিকে নতুন সিইও হিসেবে টার্নাসের সামনে রয়েছে এআই, নতুন প্রযুক্তি এবং ভবিষ্যৎ পণ্য নিয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তাঁর নেতৃত্বে অ্যাপল কোন পথে এগোয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সারের দাবিতে কৃষকের বিক্ষোভ, প্রশাসনের উপস্থিতিতে বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৪০ পি.এম


কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সারের দাবিতে কৃষকের বিক্ষোভ, প্রশাসনের উপস্থিতিতে বিতরণ
 
 
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় সারের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে কৃষকরা। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সার বিতরণ করার আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেয় বিক্ষুব্দ কৃষক। 
 
বুধবার ( ২ সেপ্টেম্বর ) সকালে  উপজেলার  সোনাহাট বাজারে বিএডিসি অনুমোদিত সার ডিলার পয়েন্ট মেসার্স রাকিবুল ট্রেডার্সে এসে কৃষকরা জানতে পারেন আজ বুধবার সার বিতরণ করা হবে না। এতে কৃষকেরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ডিলার পয়েন্টের সামনে সোনাহাট স্থলবন্দর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকে। এতে সড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে খবর পেয়ে  উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমৃত দেবনাথ, উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল জব্বার ও ওসি আজিম উদ্দিনসহ পুলিশ ও সোনাহাট ক‍্যাম্পের বিজিবির একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন। খবর পেয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কুড়িগ্রামের উপ-পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
 
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সার বিতরণের আশ্বাস দিলে সড়কের অবরোধ তুলে নেন কৃষক। পরে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ,বিজিবি ও আনসারের উপস্থিতে সার বিতরণ শুরু করা হয়।
 
মেসার্স রাকিবুল ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী হয়রত আলী জানান, সর্ব শেষ ডিও অনুযায়ী আমি ডিএপি সার ২৩৫ বস্তা, টিএসপি ৯৫ বস্তা ও এমওপি ৯০ বস্তা উত্তোলন করি। বুধবার সার বিতরণের কথা ছিলো না। হঠাৎ শতাধিক কৃষক বিক্ষুব্দ আচরণ করলে প্রশাসনের সহায়তায় সার বিতরণ করা হয়।
 
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল জব্বার জানান, বুধবার রাকিবুল ট্রেডার্স ডিলার পয়েন্টে সার বিতরণের দিন ধার্য ছিলো না। সোনাহাট ক‍্যাম্পের মোড়ে বিসিআইসি সার ডিলার মেসার্স জনার্দন ট্রেডার্সে ৩০০ বস্তা ইউরিয়া সার বিতরণের কথা। কিন্তু কৃষক বিশৃঙ্খলা করায় প্রশাসনের উপস্থিতিতে দুটি ডিলার পয়েন্টে সার বিতরণ করা হয়েছে।
 
উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমৃত দেবনাথ জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। পরে পুলিশ, বিজিবি ও আনসার সদস্যদের উপস্থিতিতে কৃষকের মাঝে সার বিতরণ করা হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত আছে। উপজেলায় কোন সারের সংকট নাই।
 
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে মেয়াদোত্তীর্ণ ও অনুমোদনহীন ওষুধ বিক্রি, দুই ফার্মেসিকে জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৪ পি.এম


চট্টগ্রামে মেয়াদোত্তীর্ণ ও অনুমোদনহীন ওষুধ বিক্রি, দুই ফার্মেসিকে জরিমানা

চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদ এলাকায় মেয়াদোত্তীর্ণ ও অনুমোদনহীন ওষুধ বিক্রির অভিযোগে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর দুই ফার্মেসিকে জরিমানা করেছে।

বুধবার, আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় বিভিন্ন দোকানে অভিযান পরিচালনা করে এই জরিমানা আরোপ করা হয়। অভিযানের ফলস্বরূপ ইউনিক ফার্মেসিকে ১০ হাজার টাকা এবং একেএস ফার্মেসিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগের উপপরিচালক ফয়েজ উল্ল্যাহ মন্তব্য করেন, "ভোক্তার জীবন ও স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ কিংবা অননুমোদিত ও ভেজাল পণ্য কোনোভাবেই বাজারজাত করতে দেওয়া হবে না।" তিনি আরও জানান, পণ্যের মান, মেয়াদ, সঠিক লেবেলিং এবং অনুমোদনের বিষয়গুলো নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। অনিয়মের ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী জরিমানা ও অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%