বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৩৯ পি.এম
জন টার্নাস অ্যাপলের সিইও পদে বসার পর একটি বড় অঙ্কের পারিশ্রমিক প্যাকেজ পাচ্ছেন। অপরদিকে, ১৫ বছর সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করা টিম কুক পদ ছাড়ার পর নতুন ভূমিকায় যাচ্ছেন।অ্যাপল নতুন সিইও টার্নাস এবং কুকের পারিশ্রমিকের তথ্য প্রকাশ করেছে। এই তথ্য এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।নতুন প্যাকেজ অনুযায়ী, ২০২৭ অর্থবছরে টার্নাসের লক্ষ্যমাত্রাভিত্তিক মোট পারিশ্রমিক প্রায় ৫ কোটি ৮০ লাখ ডলার হবে।ভারতীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৫৫১ কোটি রুপি। তবে এই অর্থ পুরোটা বেতন নয়, এর মধ্যে রয়েছে মূল বেতন ও শেয়ার পুরস্কার।
অ্যাপলের নতুন সিইও হিসেবে টার্নাসের বার্ষিক মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ লাখ ডলার।এছাড়া ২০২৭ অর্থবছরে তিনি প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার মূল্যের শেয়ার পুরস্কার পাবেন। এই শেয়ার পুরস্কারের ৭৫ শতাংশ কর্মদক্ষতাভিত্তিক হবে। অর্থাৎ অ্যাপলের শেয়ার পারফরম্যান্স এসঅ্যান্ডপি ৫০০-এর অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় কেমন করছে, তার ওপর এর বড় অংশ নির্ভর করবে।
বাকি ২৫ শতাংশ হবে সময়ভিত্তিক সীমিত শেয়ার ইউনিট বা । চার বছর ধরে প্রতি ছয় মাসে নির্দিষ্ট অংশ করে এসব শেয়ার দেওয়া হবে।
এছাড়া ২০২৬ অর্থবছরে সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময়ের জন্য টার্নাসকে প্রায় ২৫ লাখ ডলার মূল্যের প্রোরেটেড দেওয়া হচ্ছে।
টিম কুক সিইও পদ ছাড়লেও অ্যাপল থেকে বিদায় নিচ্ছেন না। তিনি এখন প্রতিষ্ঠানটির এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
নতুন পদে কুকের বার্ষিক মূল বেতন হবে ২০ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৪ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। সিইও থাকাকালে তার মূল বেতন ছিল ৩০ লাখ ডলার বা প্রায় ৩৬ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। অর্থাৎ মূল বেতন কমেছে প্রায় ১২ কোটি ২৮ লাখ টাকা।
এর পাশাপাশি ২০২৭ অর্থবছরে কুক পাবেন প্রায় ৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার মূল্যের শেয়ার পুরস্কার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫৫২ কোটি ৬০ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে তার লক্ষ্যমাত্রাভিত্তিক পারিশ্রমিক দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৪ কোটি ৭০ লাখ ডলার বা প্রায় ৫৭৭ কোটি ১৬ লাখ টাকা।
২০২৫ সালে সিইও হিসেবে কুকের মোট পারিশ্রমিক ছিল প্রায় ৭ কোটি ৪৩ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯১৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এর মধ্যে ছিল ৩০ লাখ ডলার বা প্রায় ৩৬ কোটি ৮৪ লাখ টাকা বেতন, ১ কোটি ২০ লাখ ডলার বা প্রায় ১৪৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকা কর্মদক্ষতাভিত্তিক নগদ পুরস্কার এবং প্রায় ৫ কোটি ৭৫ লাখ ডলার বা ৭০৬ কোটি ৭০ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার।
নতুন দায়িত্বে তার লক্ষ্যমাত্রাভিত্তিক প্যাকেজ ৪ কোটি ৭০ লাখ ডলার। অর্থাৎ ২০২৫ সালের মোট পারিশ্রমিকের তুলনায় ব্যবধান প্রায় ২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার। তবে দুই বছরের পারিশ্রমিক কাঠামো পুরোপুরি এক নয়। তাই এটিকে সরাসরি বেতন কমার হিসাব হিসেবে দেখা ঠিক হবে না।
এর মূল কারণ কুক ও টার্নাসের দায়িত্বের পরিবর্তন। টার্নাস এখন অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী হিসেবে পুরো প্রতিষ্ঠানের পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন। অন্যদিকে কুক এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান হিসেবে কৌশলগত বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
কুকের নতুন শেয়ার পুরস্কারের ৫০ শতাংশ কর্মদক্ষতাভিত্তিক এবং বাকি ৫০ শতাংশ সময়ভিত্তিক। এই শেয়ারগুলোও চার বছর ধরে ধাপে ধাপে দেওয়া হবে।
জন টার্নাসের হাতে অ্যাপলের সিইওর দায়িত্ব যাওয়া প্রতিষ্ঠানটির জন্য একটি ঐতিহাসিক পরিবর্তন। এই শতকে এটি অ্যাপলের মাত্র দ্বিতীয় সিইও পরিবর্তন।
২০১১ সালে স্টিভ জবসের কাছ থেকে সিইওর দায়িত্ব নিয়েছিলেন টিম কুক। প্রায় ১৫ বছর অ্যাপলের নেতৃত্ব দেওয়ার পর এবার তিনি নতুন ভূমিকায় গেলেন।
এদিকে নতুন সিইও হিসেবে টার্নাসের সামনে রয়েছে এআই, নতুন প্রযুক্তি এবং ভবিষ্যৎ পণ্য নিয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তাঁর নেতৃত্বে অ্যাপল কোন পথে এগোয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদ এলাকায় মেয়াদোত্তীর্ণ ও অনুমোদনহীন ওষুধ বিক্রির অভিযোগে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর দুই ফার্মেসিকে জরিমানা করেছে।
বুধবার, আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় বিভিন্ন দোকানে অভিযান পরিচালনা করে এই জরিমানা আরোপ করা হয়। অভিযানের ফলস্বরূপ ইউনিক ফার্মেসিকে ১০ হাজার টাকা এবং একেএস ফার্মেসিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগের উপপরিচালক ফয়েজ উল্ল্যাহ মন্তব্য করেন, "ভোক্তার জীবন ও স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ কিংবা অননুমোদিত ও ভেজাল পণ্য কোনোভাবেই বাজারজাত করতে দেওয়া হবে না।" তিনি আরও জানান, পণ্যের মান, মেয়াদ, সঠিক লেবেলিং এবং অনুমোদনের বিষয়গুলো নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। অনিয়মের ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী জরিমানা ও অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রোগী সেজে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে অভিযান পরিচালনা করে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কর্মকর্তারা। তারা অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন, যেখানে রোগীদের সেবা প্রদানে হয়রানি, টাকার বিনিময়ে সিরিয়াল এগিয়ে দেওয়া এবং মৃত্যু সনদ প্রদানসহ বিভিন্ন অনিয়মের কথা উঠে এসেছে।
বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দুদকের একটি টিম হাসপাতালে অভিযান শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে অভিযান চালানোর পর, দুপুর ২টার দিকে টিমের সদস্যরা হাসপাতাল ত্যাগ করেন।
দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক সুরাইয়া সুলতানার নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়, যেখানে দুই সদস্য রোগী সেজে হাসপাতালের বিভিন্ন সেবা ও কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।
দুদক জানায়, সকালে তাদের টিম হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, প্যাথলজি, আল্ট্রাসনোগ্রাফি ও রান্নাঘরসহ বিভিন্ন স্থানে পরিদর্শন করে। অভিযানে পাওয়া বিষয়গুলো নিয়ে কমিশনের কাছে দ্রুত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। এরপর কমিশন থেকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান দুদক কর্মকর্তারা।
অভিযান শেষে সুরাইয়া সুলতানা বলেন, রোগীদের সেবা প্রদানে হয়রানি, টাকার বিনিময়ে সিরিয়াল এগিয়ে দেওয়ার অভিযোগসহ বিভিন্ন বিষয়ে সার্বিক অব্যবস্থাপনা নিয়ে দুদকের কাছে অভিযোগ ছিল। কমিশনের অনুমতি নিয়ে এসব অভিযোগের বিষয়ে এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে সবচেয়ে গুরুতর যে বিষয়টি উঠে এসেছে, সেটি হলো টাকার বিনিময়ে মৃত্যু সনদ দেওয়ার অভিযোগ।
তিনি আরও বলেন, দুদকের দুই সদস্য সরেজমিনে রোগী সেজে হাসপাতালে গিয়ে কিছু অনিয়ম দেখতে পেয়েছেন। এসব বিষয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং তারা যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়েও কিছু সমস্যা পাওয়া গেছে বলে জানান সুরাইয়া সুলতানা। তিনি বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রয়োজনের তুলনায় তাদের লোকবল কম। এই সমস্যার সমাধানে তারা যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
দুদকের এই কর্মকর্তা জানান, হাসপাতালের নার্সদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং খাবার নিয়ে কিছু অভিযোগও তাদের কাছে এসেছে। এসব বিষয়ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। অভিযানে পাওয়া অনিয়মগুলো হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। পাশাপাশি সার্বিক বিষয় উল্লেখ করে কমিশনের কাছে প্রতিবেদন দেওয়া হবে। প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, হঠাৎ করেই দুদক অভিযান পরিচালনা করেছে। অভিযানে পর্যবেক্ষণের বিষয়ে তারা আমাদের বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের ইলেক্ট্রোমার্ট, যা কনকা, গ্রী এবং হাইকো ব্র্যান্ডের ইলেকট্রনিক্স ও গৃহস্থালী সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত, ২০২৬ সালের চতুর্থ কমনওয়েলথ বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডসে ‘কনজিউমার ইলেকট্রনিক্স ইন্ডাস্ট্রি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ এবং ‘এক্সিলেন্স ইন কনজিউমার ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড হোম অ্যাপ্লায়েন্স ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ লাভ করে। একই সময়ে, প্রতিষ্ঠানটির ডিএমডি ও সিইও মো. নুরুল আফছার কমনওয়েলথ অঞ্চলে অসামান্য অবদানের জন্য ‘কমনওয়েলথ টপ ১০০ সিইও অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ এবং ‘কমনওয়েলথ কর্পোরেট লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ অর্জন করেন।
সম্প্রতি, যুক্তরাজ্যের লন্ডনের মিলেনিয়াম গ্লুসেস্টার হোটেলের কেনসিংটনের কনজারভেটরি রুমে এই অ্যাওয়ার্ডসের আয়োজন করা হয়। কমনওয়েলথ বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস ব্যক্তিগত এবং প্রতিষ্ঠানগত অবদানের জন্য স্বীকৃতি প্রদান করে, যা নেতৃত্ব, প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন, পেশাগত উৎকর্ষ এবং কমনওয়েলথ কমিউনিটিতে অবদানকে চিহ্নিত করে।
এই অনুষ্ঠানে কমনওয়েলথের বিভিন্ন অঞ্চলের ব্যবসায়ী নেতা, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী, পেশাজীবী, কূটনীতিক এবং অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। কেনিয়ার হাইকমিশনার, লেসোথোর হাইকমিশনার এবং লন্ডনের অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা মো. নুরুল আফছারের হাতে ক্রেস্ট ও সম্মাননা সনদ তুলে দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ