ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নূর ইসলাম (২৭) নামে এক ব্যক্তি নিখোঁজ


নূর ইসলাম (২৭) নামে এক ব্যক্তি নিখোঁজ

 


হারিয়ে গেছেন নূর ইসলাম (২৭); সন্ধান চেয়ে পরিবারের আকুল আবেদন

বরিশালের ১ নং পলাশপুর এলাকার বাসিন্দা নূর ইসলাম (২৭) গত ৩ আগস্ট ২০২৬ তারিখ রাত ৮টা থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও এখন পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাননি।

আরও পড়ুন: মহাসপ্তমীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন বিএমপি কমিশনার

যদি কোনো সহৃদয় ব্যক্তি নূর ইসলামের সন্ধান পেয়ে থাকেন বা তার অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য জেনে থাকেন, তাহলে অনুগ্রহ করে নিচের নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে।

যোগাযোগ (পরিবার): ০১৯৪৬৪৬৪৪০৫

পরিবারের পক্ষ থেকে নূর ইসলামের দ্রুত সন্ধান পেতে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জের মধ্যনগরে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন এম পি কামরুজ্জামান কামরুল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই শহীদ পরিবার ও যোদ্ধাদের মর্যাদা নিশ্চিত করা সরকারের পবিত্র দায়িত্ব: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৫৪ পি.এম


জুলাই শহীদ পরিবার ও যোদ্ধাদের মর্যাদা নিশ্চিত করা সরকারের পবিত্র দায়িত্ব: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের পরিবারের রক্ষণাবেক্ষণ এবং আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও পবিত্র দায়িত্ব।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের এই সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো জুলাইতে যারা আত্মাহুতি দিয়েছে সেসব পরিবারের রক্ষণাবেক্ষণ করা। এটাই সবচেয়ে পবিত্র দায়িত্ব। যারা আহত হয়েছে, চোখের দৃষ্টি হারিয়েছে, অঙ্গ হারিয়েছে, তাদের সুস্থ করে তোলা সরকারের পবিত্র দায়িত্ব।’

আজ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত জুলাই শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, আজ মহান জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস জাতির ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা এক অবিস্মরণীয় দিন। এটি গণতন্ত্র, ন্যায় ও মানবিক মর্যাদা রক্ষায় মুক্তিকামী ছাত্র-জনতার বিজয়ের দিন। ২০২৪ সালের এই দিনে ছাত্র-জনতার সুতীব্র গণ-অভ্যুত্থানের মুখে দীর্ঘদিনের স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে। ফ্যাসিবাদী সরকার বশংবদ পালাতে বাধ্য হয়। দেশমুক্ত হয়, সূচিত হয় নতুন প্রভাত।

তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওয়াসিম, ইয়ামিন, ফারহান, নাফিজ, সজল, রাব্বি, মেরাজ, এলেম, তাইম, নাইমা, ছোট্ট শিশু রিয়া গোপ ও আহাদসহ অন্যান্য শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাদের আত্মদান ও দেশপ্রেম জাতিকে চিরকাল অনুপ্রাণিত করবে বলে উল্লেখ করেন।

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, তিনি একজন মাকে তার অন্ধ ছেলেকে নিয়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে দেখে অত্যন্ত অভিভূত হয়েছেন।

তিনি বলেন, এই যুবক গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য চোখ হারিয়েছে। যদি তারা যথাযথ মর্যাদা না পান এবং সামান্য চাওয়া-পাওয়ার জন্যও মন্ত্রীদের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হয়, তবে সেটি জাতির জন্য লজ্জার।

তিনি উপস্থিত জুলাই যোদ্ধাদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা মন খারাপ করবেন না। এই সরকারের কাছ থেকে নিশ্চয়ই সম্মান আপনারা পাবেন। আমরা সেই সম্মান আপনাদেরকে দেব। আমাদের যতটুকু সাধ্য আছে সবকিছু উজাড় করে দেব আপনাদের কল্যাণের জন্যে।’

সকলের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, এই নির্বাচিত সরকার ভুল করলে আপনারা শুধরে দেবেন।

অতীত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা তো আর আওয়ামী লীগ হতে পারবো না, হতেও চাই না। আওয়ামী লীগকে দেখেন, তাদের কোনো অনুশোচনা নাই। এত অন্যায়-অবিচার, খুন, গুম, মানি লন্ডারিং, হত্যা, নির্যাতন, আয়নাঘর- এসবের জন্য তারা কোনো লজ্জাবোধ করে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘পলাতক ফ্যাসিস্ট আবার বলে যে- ডিসেম্বর মাসে দেশে এসে পদার্পণ করবেন। আমরা অপেক্ষায় আছি। আসেন, দেশে আসেন, দেখা হবে ইনশাল্লাহ রাজপথে।’

নিজের মুক্তিযুদ্ধের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘২৭ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধ করেছি। এখন ৮২ বছর বয়সে আরেকটা করবো, বাংলাদেশের জন্য, বাংলাদেশের জনগণের জন্য সুশাসন ও গণতন্ত্র চিরস্থায়ী করে যাব।’

তিনি বলেন, পৃথিবীতে অনেক রাষ্ট্র আছে, কিন্তু এমন নাগরিক খুব কম আছে যারা উদ্যত বন্দুকের সামনে আবু সাঈদের মতো দুই হাত তুলে দাঁড়াতে পারে। আমরা সেই জাতি। তাদেরকে নিয়ে আমরা গর্ববোধ করি।

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান রাষ্ট্র পুনর্গঠনের সুযোগ এনে দিয়েছে। এখন আমাদের জাতীয় লক্ষ্য হওয়া উচিত একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা যেখানে প্রতিটি নাগরিক সমান অধিকার ও মর্যাদা ভোগ করবে।’

তিনি বলেন, ‘আজ আমরা একটি নতুন যাত্রার সূচনা পর্বে দাঁড়িয়ে আছি। এই যাত্রাপথ সহজ নয়। মতের ভিন্নতা থাকবে, কিন্তু জাতীয় স্বার্থ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আমাদের ঐক্য, সংযম ও প্রজ্ঞার পরিচয় দিতে হবে।’

জনগণকে সতর্ক করে তিনি বলেন, আমাদের সজাগ থাকতে হবে, যাতে কোনো বিভাজন, কোনো বিদ্বেষ বা কোনো সংকীর্ণ স্বার্থ আমাদের জাতীয় অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে না পারে।

এসময় তিনি সবাইকে মহান জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করে ঐক্য, দেশপ্রেম, সততা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার শক্তিতে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আসুন আমরা শহিদদের রক্তে অর্জিত এই নতুন সম্ভাবনাকে একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ নির্মাণের দৃঢ় অঙ্গীকারে রূপান্তরিত করি।”

তিনি বলেন, ‘১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য। ৭১-এর জনযুদ্ধ ছিল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যুদ্ধ। একইভাবে জুলাইয়ের যুদ্ধও ছিল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য।’

বাংলাদেশের মর্যাদা রক্ষার জন্য আমরা প্রত্যেকটি নাগরিক সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি তার বক্তব্য শেষ করেন।

এর আগে তিনি জুলাই শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের প্রতিনিধিদের সম্মাননা সূচক ক্রেস্ট প্রদান করেন।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক কমিটির প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব আশরাফুল ইসলাম।

জুলাই শহিদ পরিবারের প্রতিনিধি এবং জুলাই যোদ্ধাদের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে তাদের প্রত্যাশা ও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এর আগে দুপুর ১২টায় জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও পবিত্র ধর্মগ্রন্থসমূহ থেকে পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয় এবং জুলাই শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয় এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কোনো শিক্ষার্থীর গায়ে হাত তোলেনি, হলও দখল করেনি ছাত্রদল: মিল্লাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৫৯ পি.এম


কোনো শিক্ষার্থীর গায়ে হাত তোলেনি, হলও দখল করেনি ছাত্রদল: মিল্লাদ

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রদল কোথাও কোনো শিক্ষার্থীর গায়ে হাত তোলেনি বলছে ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব মো. মিল্লাদ হোসেন। তিনি জানান, ছাত্রদল প্রশাসন কিংবা শিক্ষক-শিক্ষিকাদের হেনস্তার মতো কোনো কর্মকাণ্ডেও জড়িত হয়নি।

বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ১১টায় ঢাকা কলেজের শহীদ আ ন ম নজীব উদ্দিন খান খুররম অডিটরিয়ামে আয়োজিত ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা জানান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ফারজানা সুলতানা।

مিল্লাদ হোসেন এই সময় বলেন, আমরা আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কোথাও কোনো শিক্ষার্থীকে গায়ে হাত তোলেনি। হল দখল, প্রশাসনকে হেনস্তা অথবা শিক্ষকদের হেনস্তা কিংবা কোনো অপকর্মের সাথে আমাদের কোনো খবর নেই।

তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিল শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, কিন্তু এতে শিক্ষকদেরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। আন্দোলনের সময় শিক্ষকদের অভিভাবক সুলভ ভূমিকা, দোয়া এবং সাহস শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করেছে।

তিনি আরও বলেন, অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিভিন্ন ছাত্রনেতা, যাঁরা উল্লেখ করেছেন যে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চায়, যেখানে অতীতে বিভিন্ন সন্ত্রাসী ছাত্রসংগঠনের নামে সংঘটিত সহিংস কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি আর হবে না।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবেও ছিলেন ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক একেএম ইলিয়াস। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ হলের তত্ত্বাবধায়ক অধ্যাপক মো. আনোয়ার মাহমুদ এবং ঢাকা কলেজ শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. আক্তারুজ্জামান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলাপাড়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ১২জন জুলাই যোদ্ধাকে সংবর্ধনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:০১ পি.এম


কলাপাড়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ১২জন জুলাই যোদ্ধাকে সংবর্ধনা

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থান দিবসে ১২ জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের অডিটোরিয়ামে এই সংবর্ধনার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এর আগে সকালে বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে পৌর শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়ে ফুল দিয়ে জুলাই শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ইউএনও মো. আরিফুজ্জামান।

পরে কলাপাড়া উপজেলা, পৌর বিএনপি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন।

কলাপাড়া ইউএনও মো. আরিফুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী-৪, কলাপাড়া আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এবিএম মোশাররফ হোসেন এমপি।

এছাড়া অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসীন সাদেক, কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ূন সিকদার, সাধারন সম্পাদক এ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান চুন্নু এবং কৃষি কর্মকর্তা মো. আরাফাত হোসেন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মোকছেদুল আলম প্রমূখ।

এছাড়া বাদ জোহর মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা সহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুপুরে হাসপাতাল ও এতিমখানায় বিশেষ প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। বিকেল সাড়ে তিনটায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জুলাই দিবসের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। শহীদ পরিবার ও আহতদের সংবর্ধনা দেয়া হয়।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সুবিধাপূর্ণ সময়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিষয়ে রচনা ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতার আয়োজন এবং মঙ্গল সুখ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও হেলিপ্যাড মাঠে প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে দিবসটি পালনের তথ্য উপজেলা প্রশাসন জানায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে জিয়ানগরে জামায়াতের মিছিল ও সমাবেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জিয়ানগর (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:০২ পি.এম


জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে জিয়ানগরে জামায়াতের মিছিল ও সমাবেশ

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে পিরোজপুরের জিয়ানগরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উপজেলা শাখার উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার বিকালে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে শুরু হয়ে বর্ণাঢ্য মিছিলটি প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে চাড়াখালী ব্রিজ এলাকায় এসে শেষ হয়। সেখানে অনুষ্ঠিত সমাবেশে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত নেতাকর্মী ও সমর্থকরা অংশ নেন।

উপজেলা জামায়াত ইসলামীর সেক্রেটারি তৌহিদুর রহমান রাতুলের সঞ্চালনায় এবং উপজেলা আমির মাওলানা আলী হোসেনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির হাবিবুর রহমান, উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি কে এম রাহাতুল ইসলাম প্রমুখ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইন্দুরকানী সদর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী আমির মাওলানা খায়রুল বাশার, সাবেক আমির মাওলানা আবু হানিফ, পত্তাশী ইউনিয়ন জামায়াতের আমির হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ ফয়সালসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের জামায়াতে ইসলামী এবং বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

সমাবেশে বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। বক্তারা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দেশের গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। শহীদদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন, গণহত্যার বিচার, এবং গণঅভ্যুত্থানের ঘোষিত লক্ষ্য বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি।

বক্তারা জুলাই ঘোষণাপত্র বাস্তবায়নের জোর দাবি জানান। এর সাথে তারা বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রেখে লোডশেডিংজনিত জনভোগান্তি দূর করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বানও জানান।

সমাবেশে জানানো হয়, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে এবং দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। কর্মসূচিতে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মী এবং বিপুলসংখ্যক সমর্থক অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%