ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইরানের সামরিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা


ইরানের সামরিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

তিন মাস ধরে চলা যুদ্ধ শেষ করতে আলোচনা চললেও, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে হামলা-পাল্টাহামলা ঘটেছে। যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা ইরানের কয়েকটি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।

অন্যদিকে, এই হামলার জবাবে আজ সোমবার ইরানের বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে, তারা একটি মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক্সে দেওয়া এক বার্তায় জানায় যে, ইরানের উপসাগরীয় উপকূলে চালানো হামলাগুলো ছিল ইরানের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের জবাব। সেন্টকমের দাবি, আন্তর্জাতিক জলসীমার ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়া একটি মার্কিন এমকিউ-১ ড্রোন ইরান ভূপাতিত করেছিল। সেই ঘটনার প্রতিক্রিয়াতেই যুক্তরাষ্ট্র এই হামলা চালায়।

আরও পড়ুন: রাজনীতিকে সঠিক পথে পরিচালনায় সাংবাদিকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: সড়ক পরিবহণমন্ত্রীর মন্তব্য

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে যে, তাদের যুদ্ধবিমান দ্রুত অভিযান চালিয়ে ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, একটি গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশন এবং দুটি আক্রমণাত্মক ড্রোন ধ্বংস করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এসব ড্রোন ওই অঞ্চলের জলপথে চলাচলকারী জাহাজের জন্য হুমকি ছিল। সেন্টকম আরো বলেছে, চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেও তারা যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ ও সামরিক স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে থাকবে।

এদিকে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) সোমবার জানিয়েছে যে, তারা দক্ষিণ ইরানে হামলার জন্য ব্যবহৃত একটি মার্কিন বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে আঘাত হেনেছে।

তবে, কোন ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে সে বিষয়ে তারা বিস্তারিত জানায়নি।

অন্যদিকে, কুয়েতের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কুনা জানিয়েছে যে, সোমবার দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করেছে। এ সময় দেশজুড়ে সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে। কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বড় সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, তবে হামলার বিষয়ে আর কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

আরও পড়ুন: ইরান যুদ্ধের পক্ষ, হুথিদের অস্ত্রদাতারা মধ্যস্থতাকারী হতে পারে না: ইয়েমেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

এএপ্রিলের শুরুতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান মাঝেমধ্যেই একে অপরের ওপর হামলা চালিয়ে আসছে।

দীর্ঘমেয়াদি শান্তিচুক্তি নিয়ে আলোচনা চললেও, এখনো কোনো সমাধান হয়নি।

গত বৃহস্পতিবারও একই ধরনের হামলা-পাল্টাহামলার ঘটনা ঘটেছিল। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যে যুদ্ধ শুরু করেছিল, তাতে এখন পর্যন্ত হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। নিহতদের বেশির ভাগই ইরান ও লেবাননের বাসিন্দা।

এ ছাড়া, ইরান হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেওয়ায় জ্বালানির দাম বেড়েছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতেও চাপ সৃষ্টি করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন যে, এই যুদ্ধে তার প্রধান লক্ষ্য হলো ইরানকে উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ব্যবহার করে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা থেকে বিরত রাখা। তবে, ইরান বরাবরই এমন কোনো পরিকল্পনার কথা অস্বীকার করে আসছে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-ভারতের দুর্গাপূজার মধ্যে গভীর মিলের কথা বললেন ডেপুটি হাই কমিশনার

নভেম্বরে কংগ্রেস নির্বাচন সামনে রেখে ট্রাম্পের ওপর হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করা এবং যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম কমানোর চাপ বাড়ছে। কারণ মূল্যবৃদ্ধিতে অনেক ভোটার অসন্তুষ্ট। একই সময়ে, ইরানের প্রতি কোনো ধরনের ছাড় দিলে তিনি নিজের দলের কট্টর ইরানবিরোধী নেতাদের সমালোচনার মুখে পড়তে পারেন।

এ ছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আরো বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতবিরোধ রয়ে গেছে। এর মধ্যে রয়েছে ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোতে আটকে থাকা ইরানের তেল বিক্রির কয়েক হাজার কোটি ডলার ফেরত দেওয়ার দাবি। এ ছাড়া, লেবাননে ইসরায়েল ও ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর মধ্যে চলমান সংঘাতও শান্তি আলোচনার পথে বড় বাধা হয়ে রয়েছে।

রবিবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানান, হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করতে তিনি লেবাননের আরো ভেতরে সেনা অগ্রসর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। একজন মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন যে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এবং নেতানিয়াহুর সঙ্গে ইসরায়েল-লেবানন সম্পর্ক নিয়ে কূটনৈতিক আলোচনা করেছেন। তিনি ধাপে ধাপে উত্তেজনা কমিয়ে আনার জন্য একটি পরিকল্পনারও প্রস্তাব করেছেন।

আরও পড়ুন: ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে বিশেষ অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুদে বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবন তুলে ধরতে শুরু হচ্ছে জাতীয় বিজ্ঞান ও উদ্ভাবন মেলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৪২ পি.এম


খুদে বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবন তুলে ধরতে শুরু হচ্ছে জাতীয় বিজ্ঞান ও উদ্ভাবন মেলা

দেশে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, বিশ্লেষণধর্মী চিন্তা এবং সুপ্ত প্রতিভার বিকাশের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে দেশব্যাপী বিশেষ প্রতিযোগিতার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অধীনে সেকেন্ডারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের আওতায় ‘পারফরমেন্স বেজড গ্রান্টস ফর সেকেন্ডারি ইনস্টিটিউশনস’ (পিবিজিএসআই) স্কিমের মাধ্যমে এ আয়োজনটি সম্পন্ন হতে যাচ্ছে।

সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব দীপায়ন দাস শুভর সই করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষার্থীদের মুখস্থনির্ভরতা থেকে বের করে বাস্তবমুখী এবং উৎপাদনমুখী শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করার জন্যই এ আয়োজন করা হবে। ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির যে কোনো শিক্ষার্থী এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পাঁচজন শিক্ষার্থী এবং তাদের দিকনির্দেশনার জন্য দুজন শিক্ষককে নিয়ে একটি দল গঠন করতে হবে। তবে একটি প্রতিষ্ঠানের তরফ থেকে একাধিক দলও অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।

এই শোকেসিং বা মেলা তিনটি প্রধান বিভাগে অনুষ্ঠিত হবে। বিভাগগুলো হলো-স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প এবং ইনোভেশন আইডিয়া।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী ১১ জুনের মধ্যে দেশের সব উপজেলা এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও খুলনা মহানগরের আওতাধীন শিক্ষা থানাগুলোতে এ মেলার আয়োজন করতে হবে। উপজেলা বা থানার নির্ধারিত কমিটি প্রদর্শিত প্রকল্পগুলোর মধ্য থেকে শ্রেষ্ঠ একটি প্রকল্পকে বিজয়ী হিসেবে নির্বাচন করবে।

২৪ জুন জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। জেলা কমিটির মূল্যায়নের ভিত্তিতে প্রতিটি জেলা থেকে নির্বাচিত বিজয়ী দল-যার মধ্যে পাঁচজন শিক্ষার্থী এবং দুজন শিক্ষক থাকবেন-সরাসরি জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার জন্য মনোনীত হবেন।

জেলা পর্যায় থেকে নির্বাচিত বিজয়ী দলগুলোর তালিকা ও হার্ডকপি ২৬ জুনের মধ্যে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) স্বাক্ষরসহ স্ক্যান করে নির্ধারিত ই-মেইল ঠিকানা ([email protected])-এ পাঠাতে হবে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে আরও জানা গেছে, দেশের ৬৪টি জেলা ও ৪টি মহানগরী থেকে মোট ৭৫টি দল জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত পর্বে অংশগ্রহণ করবে। এসব দলের সদস্যসংখ্যা হবে মোট ৫২৫ জন। জাতীয় পর্যায়ের মূল আয়োজন আগামী জুন মাসের শেষ সপ্তাহে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে বলেও পরিকল্পনা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে নির্বাচিত বিজয়ী শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হবে। জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্য থেকে সেরা ১০টি দলকে চূড়ান্ত বিজয়ী হিসেবে নির্বাচন করা হবে এবং তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সরাসরি পুরস্কার গ্রহণ করবে।

জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণকারী সব শিক্ষার্থীর জন্য আর্থিক প্রণোদনা থাকছে। প্রতিটি শিক্ষার্থী ‘উদ্ভাবনী মেধাবী শিক্ষার্থী পুরস্কার’ হিসেবে পাঁচ হাজার টাকা করে পাবে। এই অর্থ সরাসরি তাদের ব্যাংক হিসাব নম্বরে পাঠানো হবে। পাশাপাশি প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে একটি করে সনদ প্রদান করা হবে।

অন্যদিকে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকরা ‘সুশিক্ষায় মেধাবী শিক্ষক পুরস্কার’ হিসেবে ২৫ হাজার টাকা করে পাবেন। একইসঙ্গে অনুষ্ঠানে তাদের একটি করে সনদ প্রদান করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পিরোজপুর পৌর শ্মশানে চুরি-অগ্নিসংযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৪৩ পি.এম


পিরোজপুর পৌর শ্মশানে চুরি-অগ্নিসংযোগ

পিরোজপুর পৌর শ্মশানে চুরি, মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুর এবং অগ্নিসংযোগের একটি ঘটনা ঘটেছে। রোববার (৩১ মে) রাতে, ৩টা থেকে সাড়ে ৩টার মধ্যে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয়রা সকালে বিষয়টি দেখে পুলিশকে খবর দেন। পৌর শ্মশান কমিটির সভাপতি সুনীল চক্রবর্তী জানান, ঘটনাস্থলে এসে তিনি দেখতে পান শ্মশান প্রাঙ্গণের কালী মন্দিরের শিবঠাকুরের মূর্তি ভাঙা হয়েছে। এছাড়া ভাঙা প্রতিমাটি বাইরে এনে আগুনে পুড়িয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। শ্মশানের প্রধান ফটকও ভাঙচুর করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, মন্দিরের প্রণামীর প্রায় ২ থেকে ৩ হাজার টাকা চুরি গেছে। এছাড়া সৎকারের কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন মালামালও দুর্বৃত্তরা নিয়ে গেছে। ঘটনাটি জানার পর জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, পৌর প্রশাসক মাহমুদুর রহমান মামুন এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মঞ্জুর আহমেদ সিদ্দিকী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ ঘটনায় এলাকার মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করার জন্য কাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মায়েদের সঙ্গে কথা বলছি, খুঁজে দেখছি অপরাধটা কোথায় হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৪৫ পি.এম


মায়েদের সঙ্গে কথা বলছি, খুঁজে দেখছি অপরাধটা কোথায় হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

রাজধানীর মগবাজারে আদ-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি অপারেটিভ ওয়ার্ডে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন যে, তাদের মায়ের সঙ্গে কথা বলে আমরা চেষ্টা করছি অপরাধ কোথায় হয়েছে, তা খুঁজে বের করার।

ঈদের ছুটি শেষে, সোমবার (১ জুন) সকালে সচিবালয়ে নিজ মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তিনি এই কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আদ-দীন হাসপাতালে ছয় শিশু মৃত্যুর ঘটনায় আমরা মর্মাহত। আমরা ছয়জন মায়ের সঙ্গে কথা বলছি। মায়েরা যে কারণে বিভিন্ন শহরে বাস করেন, সেই কারণে বিষয়গুলো শেষ করতে সময় লাগছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজকেও অ্যাটর্নি জেনারেলসহ আইনজীবীদের সঙ্গে মিটিং রয়েছে। দেখা হচ্ছে আইনগতভাবে কোনো অফেন্স হয়েছে কি না।’

একসঙ্গে ছয় শিশু মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন আগামী ৩ জুন জমা দিতে হবে বলেও জানান সাখাওয়াত হোসেন।

হামের প্রাদুর্ভাব কমে আসছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মৃত্যুর সংখ্যা কমে এসেছে। আমরা সবশেষ যে ভ্যাকসিন দিয়েছি তার কার্যকারিতা পেতে ১৫ থেকে ১ মাস সময় লাগছে।’

চলতি সপ্তাহের শেষে হাম নিয়ে আতঙ্ক আরও কমে আসবে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

গত শনিবার আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল অকস্মিক পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন। তবে হাসপাতালের ভেতর বিস্কু ফ্যাকটরি দেখে ক্ষোভ ঝাড়েন তিনি। এর দুদিন পর হাসপাতলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে কর্তৃপক্ষকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

গত ২৭ জুন সকালে আদ-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি অপারেটিভ ওয়ার্ডে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার কারণ ও অব্যবস্থাপনার তদন্তে উচ্চপর্যায়ের ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের দ্বারা। তবে মারা যাওয়া শিশুদের মায়ের বক্তব্য নিতে না পারায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন চার দিন পিছিয়ে ৩ জুন নির্ধারণ করা হয়। সেইসঙ্গে কমিটিতে আরও তিন সদস্যকে যুক্ত করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুন থেকে কার্যকর হতে পারে বিদ্যুতের নতুন মূল্যহার, যে হারে বাড়তে পারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৪৬ পি.এম


জুন থেকে কার্যকর হতে পারে বিদ্যুতের নতুন মূল্যহার, যে হারে বাড়তে পারে

ঈদুল আজহার পরে দেশের বিদ্যুৎ গ্রাহকদের জন্য বাড়তি খরচের চাপ আসতে চলেছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) শিগগিরই বিদ্যুতের নতুন খুচরা মূল্য ঘোষণা করতে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো থেকে জানা যাচ্ছে, গড়ে ২০ শতাংশ পর্যন্ত দাম বেড়ে যেতে পারে, এবং নতুন এই ট্যারিফ জুন মাস থেকেই কার্যকর হবে।

তবে কিছুটা স্বস্তির খবর রয়েছে। নিম্ন আয়ের গ্রাহকদের জন্য নির্ধারিত 'লাইফ লাইন' ক্যাটাগরিতে আপাতত কোনো পরিবর্তন আনা হবে না। শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীরা আগের মতোই বর্তমান সুবিধা বজায় রাখবেন।

বিইআরসির একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ঈদের ছুটির আগেই মূল্য সমন্বয়ের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। এখন কেবল আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা বাকি রয়েছে। জুন মাস থেকেই নতুন মূল্যহার কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরও জানা গেছে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে করা চুক্তির অংশ হিসেবে বিদ্যুতের দাম সমন্বয়ের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে দুই মাস আগে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটি প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ১ টাকা থেকে ১ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করেছে। পাশাপাশি নিয়ম অনুযায়ী বিইআরসির মাধ্যমে মূল্য নির্ধারণের পরামর্শও দেয়া হয়েছে।

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে বিইআরসি গত ২০ ও ২১ এপ্রিল দুই দিনব্যাপী গণশুনানি আয়োজন করে। সেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পিডিবি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছে।

তবে বিইআরসির কারিগরি কমিটি সুপারিশ করেছে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানো যেতে পারে। কমিশন শেষ পর্যন্ত এই সুপারিশ গ্রহণ করতে পারে বলেও জানা গেছে।

বিইআরসির এক কমিশনার নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, সব পক্ষের মতামত বিবেচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তবে ইউনিটপ্রতি মূল্যবৃদ্ধি ১ টাকার কম হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

তিনি জানান, ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের জন্য তুলনামূলক কম হারে দাম বাড়ানো হবে। এরপর ২০০ থেকে ৪০০ ইউনিট এবং ৪০০ থেকে ৬০০ ইউনিট ব্যবহারকারীদের জন্য ধাপে ধাপে মূল্য বৃদ্ধি করা হবে। সবচেয়ে বেশি মূল্যবৃদ্ধির চাপ পড়বে ৬০০ ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী গ্রাহকদের ওপর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%