প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর মগবাজারে আদ-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি অপারেটিভ ওয়ার্ডে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন যে, তাদের মায়ের সঙ্গে কথা বলে আমরা চেষ্টা করছি অপরাধ কোথায় হয়েছে, তা খুঁজে বের করার।
ঈদের ছুটি শেষে, সোমবার (১ জুন) সকালে সচিবালয়ে নিজ মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তিনি এই কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আদ-দীন হাসপাতালে ছয় শিশু মৃত্যুর ঘটনায় আমরা মর্মাহত। আমরা ছয়জন মায়ের সঙ্গে কথা বলছি। মায়েরা যে কারণে বিভিন্ন শহরে বাস করেন, সেই কারণে বিষয়গুলো শেষ করতে সময় লাগছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজকেও অ্যাটর্নি জেনারেলসহ আইনজীবীদের সঙ্গে মিটিং রয়েছে। দেখা হচ্ছে আইনগতভাবে কোনো অফেন্স হয়েছে কি না।’
একসঙ্গে ছয় শিশু মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন আগামী ৩ জুন জমা দিতে হবে বলেও জানান সাখাওয়াত হোসেন।
হামের প্রাদুর্ভাব কমে আসছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মৃত্যুর সংখ্যা কমে এসেছে। আমরা সবশেষ যে ভ্যাকসিন দিয়েছি তার কার্যকারিতা পেতে ১৫ থেকে ১ মাস সময় লাগছে।’
চলতি সপ্তাহের শেষে হাম নিয়ে আতঙ্ক আরও কমে আসবে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
গত শনিবার আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল অকস্মিক পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন। তবে হাসপাতালের ভেতর বিস্কু ফ্যাকটরি দেখে ক্ষোভ ঝাড়েন তিনি। এর দুদিন পর হাসপাতলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে কর্তৃপক্ষকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
গত ২৭ জুন সকালে আদ-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি অপারেটিভ ওয়ার্ডে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার কারণ ও অব্যবস্থাপনার তদন্তে উচ্চপর্যায়ের ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের দ্বারা। তবে মারা যাওয়া শিশুদের মায়ের বক্তব্য নিতে না পারায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন চার দিন পিছিয়ে ৩ জুন নির্ধারণ করা হয়। সেইসঙ্গে কমিটিতে আরও তিন সদস্যকে যুক্ত করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন