ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইবি শিক্ষকের স্ত্রীর নিয়োগ বিতর্ক : ‘ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং’ কমিটি গঠন


ইবি শিক্ষকের স্ত্রীর নিয়োগ বিতর্ক : ‘ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং’ কমিটি গঠন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলামের স্ত্রী ফিরোজা নাজনিনের বিতর্কিত নিয়োগের ব্যাপারটি খতিয়ে দেখতে উপাচার্য ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছেন। বুধবার (২২ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরের মাধ্যমে একটি অফিস আদেশের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

কমিটিতে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. রোকসানা মিলিকে আহ্বায়ক এবং একাডেমিক শাখার উপ-রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) শহিদুল ইসলামকে সদস্য সচিব হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। এ ছাড়া কমিটির অন্যান্য সদস্য হিসেবে রয়েছেন থিওলজি অনুষদের ডিন ও সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. সেকান্দার আলী।

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৭৪তম সিন্ডিকেটে আইসিটি বিভাগের প্রভাষক হিসেবে ফিরোজাকে নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগটির ব্যাপারে স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় এটি কৌতূহল সৃষ্টি করে।

আরও পড়ুন: ক্রসফায়ারের বক্তব্য প্রত্যাহার করে আইজিপির জবাবদিহি নিশ্চিতের দাবি টিআইবির

ফিরোজা আইসিটি বিভাগের ২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। প্রথম বর্ষে অকৃতকার্য হয়ে পরবর্তীতে ২য় ও ৩য় বর্ষে মানোন্নয়ন দিয়ে উত্তীর্ণ হন। তিনি শিক্ষার্থী অবস্থায় দুইটি বর্ষের পরীক্ষা কমিটির সভাপতি ছিলেন তার স্বামী ড. জাহিদুল।

 

অভিযোগ রয়েছে যে, ফিরোজা প্রথম বর্ষে অকৃতকার্য হলেও ড. জাহিদুল পরীক্ষা কমিটির সভাপতি হওয়ার পর তার ফলাফল বেড়ে যায়। এছাড়া নিয়োগ বোর্ডের আগের দিন বোর্ডের বিশেষজ্ঞ সদস্যের সঙ্গে ড. জাহিদুল সাক্ষাৎ করেন। অন্যান্য প্রার্থীদের তুলনায় ফিরোজা একাডেমিক রেজাল্টে পিছিয়ে ছিলেন এবং মাস্টার্সেও তিনি নন থিসিস গ্রুপের ছাত্রী ছিলেন।

কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. রোকসানা মিলি জানিয়েছেন, তারা ফিরোজার প্রিভিয়াস রেজাল্ট ও অকৃতকার্য হওয়ার বিষয়টি যাচাই করবেন। এছাড়া, তার স্বামী অধ্যাপক ড. জাহিদুল, যিনি তার ছাত্রী থাকাকালীন পরীক্ষা কমিটির সভাপতি ছিলেন, এই বিষয়গুলি খতিয়ে দেখে একটি রিপোর্ট দেবেন।

আরও পড়ুন: ৮৫ সাব-রেজিস্ট্রারকে বদলি, নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বইপ্রেমে জাগ্রত করতে ইবিতে ‘তারুণ্য লাইব্রেরির’ ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৪ পি.এম


বইপ্রেমে জাগ্রত করতে ইবিতে ‘তারুণ্য লাইব্রেরির’ ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

জ্ঞান অর্জনের ধারক-বাহকের অন্যতম মাধ্যমগুলোর একটি— ‘বই’। বইয়ের পাতা ইতিহাস-ঐতিহ্য, ন্যায়-অন্যায়, সত্য-মিথ্যা, মূর্খতা-শুদ্ধতা ও আলো-আঁধার ফারাকের জীবন্ত সাক্ষী। যেমনটি জ্ঞান মানুষের জীবন ও পথচলার খোরাক, তেমনি বইপোকা জ্ঞানপিপাসুদের পথচলার পাথেয় হচ্ছে বই এবং লাইব্রেরি। একইসঙ্গে বইপ্রেমীরা অনেকেই পারিবারিক ও ব্যক্তিগত লাইব্রেরিও গড়ে, এটি তাদের পছন্দ।

কিন্তু তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে জ্ঞানার্জনের মাধ্যম সহজ হওয়ার অজুহাতে শিক্ষার্থীরা ধীরে ধীরে বই থেকে যোজন-যোজন দূরে সরে যাচ্ছে। ফলে মিথ্যার মায়াজালে ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে বইপ্রেমীদের সংখ্যা। একদিকে অনলাইন ও ফেসবুকমুখী শিক্ষার্থীরা অযাচিত সময় পার করছে, অন্য দিকে লাইব্রেরিতে পড়তে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের দেখা মেলা ভার। স্মার্ট যুগের শিক্ষার্থীরা ক্লাস-পরীক্ষা ছাড়া বইয়ের সাথে জুতসই সম্পর্ক রাখে না বললেই চলে।

শিক্ষার্থীদের পাঠ্যভাস গড়ে তুলতে ও বইপোকা জ্ঞানপিপাসুদের নতুন করে বইপ্রেম জাগ্রত করতে ব্যতিক্রমী নিয়মিত আয়োজন করে যাচ্ছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) স্বেচ্ছাসেবী ও অরাজনৈতিক সংগঠন ‘তারুণ্য’। শিল্প-সাহিত্য সহজলভ্যকরণের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ ভবনের সামনে সবচেয়ে বড় আমেজপূর্ণ আড্ডার কেন্দ্রস্থল বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় গত ২০১৯ সালে ২০ মার্চে ভ্রাম্যমাণ ‘তারুণ্য লাইব্রেরি’ গড়ে তুলেছিল সংগঠনটি। যদিও ‘অবারিত সম্ভাবনা নিয়ে জাগ্রত তারুণ্য’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২০০৯ সালের ২৯ জুলাই যাত্রা শুরু করে ‘তারুণ্য’।

সংগঠনটির নির্দিষ্ট নিয়মমাফিক সদস্যসহ সবার জন্য উন্মুক্ত পরিবেশে প্রতি বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ‘ভ্রাম্যমাণ তারুণ্য লাইব্রেরি’ কর্মসূচি পালন করে আসছে। যা প্রতিনিয়ত বটতলায় আলো ছড়াচ্ছে। তারুণ্যের সদস্যসহ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থী সহজে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করে ‘তারুণ্য লাইব্রেরি’ থেকে বই আদান-প্রদান করতে পারে। রয়েছে বটতলায় বসে বসে বই পড়ার যথেষ্ট সুযোগও।

বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে তারুণ্যর শক্তিকে কাজে লাগানো, তরুণদের স্বেচ্ছাসেবী মনোভাবসম্পন্ন করে গড়ে তোলা, নেতৃত্বের দক্ষতা তৈরি, সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজ, শিল্প ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ গঠনে বইপাঠ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় অংশগ্রহণ, বনায়ন, রক্তদান, শীতবস্ত্র বিতরণ ও অসহায় শিক্ষার্থীদের সহযোগিতাসহ নানাবিধ সামাজিক কাজ করে যাচ্ছে ‘তারুণ্য’।

সরেজমিনে বইপড়ুয়া শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে বই বাসায় নেওয়ার কোনো সুযোগ না থাকায় শিক্ষার্থীরা প্রায় লাইব্রেরিবিমুখ। তারুণ্য ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি থেকে সহজে বই আদান-প্রদান করতে পারে। পুরো সাপ্তাহ জুড়ে আড্ডার মধ্যে সময় কাটলেও প্রতি বুধবার শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার কথা মনে করিয়ে দেয়। আমরা চাইবো যারা বইপ্রেমী তারা যেন বই উপহারের মাধ্যমে এই ক্ষুদ্র লাইব্রেরিটা আরও বৃহৎ পরিসরে গড়ে তোলার সহযোগিতা করেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাবির নারী শিক্ষার্থীরা: ইতিহাসের আড়ালে এক সাহসী অধ্যায়। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ফারহানা আইরিন মণি জানান, জ্ঞানচর্চার প্রসার, পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের জন্য একটি উন্মুক্ত পাঠের পরিবেশ সৃষ্টি করার লক্ষ্য নিয়ে এই লাইব্রেরির যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে লাইব্রেরিটিতে প্রায় ১,৫০০টি বই রয়েছে, যেখানে বাংলা ও ইংরেজি সাহিত্য, উপন্যাস, কবিতা, ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ, ধর্ম, দর্শন, আত্মউন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ের সমৃদ্ধ সংগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত নতুন বই সংযোজনের মাধ্যমে লাইব্রেরির সংগ্রহ আরও সমৃদ্ধ করা হচ্ছে। এই উদ্যোগ তরুণদের মধ্যে সৃজনশীল চিন্তাশক্তি, মানবিক মূল্যবোধ এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। ভবিষ্যতে আরও বেশি শিক্ষার্থীদের দোরগোড়ায় বই পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ‘তারুণ্য’ একটি ‘লাইব্রেরি ভ্যান’ চালুর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

‘তারুণ্যে’ সংগঠনটির বর্তমান সভাপতি ইমন বলেন, বর্তমানে শিক্ষার্থীদের অধিকাংশের একাডেমিক পড়াশোনার বাইরে অন্যান্য বই পড়তে যথেষ্ট অনাগ্রহ দেখা যায়। শিক্ষার্থীদের পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই উৎসবমুখর পরিবেশে প্রতি বুধবার বই প্রেমীদের আড্ডায় মেতে ওঠে বটতলার ব্যস্ততম জায়গাটি। সেখানে ওইদিন প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন পাঠক বই আদান-প্রদান করে থাকে। সদস্যদের বই পড়ায় আগ্রহ সৃষ্টি করতে প্রতিমাসে সাহিত্য আড্ডা ও বুক রিভিউ এর আয়োজন করা হয় এবং সর্বোচ্চ বুক রিভিউ-কারীকে পুরস্কৃত করা হয়। আশা করি ক্যাম্পাসের প্রতিটি শিক্ষার্থীর মাঝে লাইব্রেরিটির বইয়ের আলো পৌঁছে যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোপালগঞ্জে নারী আইনজীবীর মাথা ফাটালেন বিচারক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৬ পি.এম


গোপালগঞ্জে নারী আইনজীবীর মাথা ফাটালেন বিচারক

গোপালগঞ্জে আদালত চলাকালের সময়ে বিচারকের ছোঁড়া পেপারওয়েটের আঘাতে সাবিহা সুলতানা নামে এক শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবীর মাথা ফেটে যায় এবং তিনি গুরুতর আহত হন। বিচারকের এই অপ্রত্যাশিত আচরণে আইনজীবীদের মধ্যে গভীর ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরবেলা এই ঘটনা ঘটে যখন আদালতে বিচারক মো. সুজন মিয়া আদালত-২ এর বিচারকের দায়িত্বে ছিলেন। এছাড়া, তথ্যে জানা যায় যে, আদালত চলাকালীন সময়ে পিছনের দিকে বিচারপ্রত্যাশীরা আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করছিলেন। এ সময় বিচারক মো. সুজন মিয়া বিরক্ত হয়ে একটি কাঁচের পেপারওয়েট ছুঁড়ে মারেন। পেপারওয়েটটির আঘাতে সাবিহা সুলতানার মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। পরে তাকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দ্রুত ভর্তি করা হয়।

কিছুক্ষণ পর আইনজীবীদের মধ্যে ক্ষোভ স্পষ্ট হতে থাকে। আইনজীবীরা এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন। আহত সাবিহা সুলতানা এই ঘটনার প্রেক্ষিতে বলেন, “একজন বিচারক এমন কাজ করতে পারেন না। আমি এই ঘটনার বিচার দাবি করছি।”

এ ব্যাপারে জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জুলকদর রহমান গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে বিচারকের আচরণকে অনাকাঙ্ক্ষিত হিসেবে বর্ণনা করেন। জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও জিপি অ্যাডভোকেট এম এ আলম সেলিম আইনজীবীদের ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়ে বলেন, “একজন বিচারক এমন আচরণ করতে পারেন না। এ ঘটনার তদন্ত করে বিচারকের শাস্তির দাবি জানাই।”

অপরদিকে, অভিযুক্ত বিচারক মো. সুজন মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা হলে তিনি ফোন ধরেননি এবং হোয়ার্টস অ্যাপেও কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আবাসন খাতের উন্নয়ন হবে পরিকল্পিত ও দুর্নীতিমুক্ত: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ পি.এম


আবাসন খাতের উন্নয়ন হবে পরিকল্পিত ও দুর্নীতিমুক্ত: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আবাসন শিল্পকে দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, সরকার এমন একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলছে, যেখানে আবাসন খাতের উন্নয়ন পরিকল্পিত, টেকসই এবং দুর্নীতিমুক্ত হবে।

বুধবার (২২ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এই কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, আবাসন খাতে যেন কেউ কোনো ধরনের অনিয়ম করতে না পারে, সে লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং প্রয়োজনীয় আরও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তার সাথে নগরায়ণ শুধু ঢাকাকেন্দ্রিক না রেখে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও ছড়িয়ে দেওয়ার তাগিদও দেন তিনি। পাশাপাশি তিনি কৃষিজমি রক্ষা করে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।

বৈঠকে রিহ্যাব প্রতিনিধিদল ফ্ল্যাট ও জমির নিবন্ধন ফি যৌক্তিক পর্যায়ে কমানোর দাবি জানায়। তারা আরও আবাসন খাতসংক্রান্ত সেবা পুরোপুরি ডিজিটাল করার পাশাপাশি সীমিত জমির সঠিক ব্যবহারে ফ্লোর এরিয়া রেশিও (ফার) বৃদ্ধি এবং উল্লম্ব নগরায়ণের প্রস্তাব উপস্থাপন করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পোশাক শিল্পের বিকাশে প্রতিবন্ধকতা দ্রুত দূর করার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ পি.এম


পোশাক শিল্পের বিকাশে প্রতিবন্ধকতা দ্রুত দূর করার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

দেশের পোশাক শিল্পের বিকাশের পথের বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতাগুলো দ্রুত দূর করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ বুধবার বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে তিনি এ নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু এ তথ্য জানিয়েছেন।

হাসান শিপলু জানান, প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিজিএমইএ’র প্রতিনিধিরা তাদের শিল্পের জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন। সমস্যাগুলোর সমাধানে তারা স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কয়েকটি দাবি ও প্রস্তাবনাও উপস্থাপন করেন।

তিনি জানান, এ সময় প্রধানমন্ত্রী ব্যবসায়ী নেতাদের বক্তব্য অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে নির্দেশনা দেন।

ছবি : পিএমও

বিজিএমইএ’র প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন সংগঠনটির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের সমস্যাগুলো সমাধানে সরকার ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। এগুলো দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যা, তাই সবকিছু সমাধানে কিছুটা সময় লাগবে। তবে পোশাক শিল্পের যেসব সমস্যা এখনই সমাধান করা সম্ভব, সেগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করতে বিজিএমইএ’র সহযোগিতা কামনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পোশাক শিল্পের বিকাশে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন করা গেলে দেশের অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে এবং দেশ সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে। এ লক্ষ্যেই আমাদের সরকার এ শিল্পের টেকসই উন্নয়নে কাজ করছে।’

তিনি আরও বলেন, একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকার ব্যবসা-বাণিজ্যবান্ধব বাজেট প্রণয়ন করেছে।

উপ-প্রেস সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রী বিজিএমইএ’র প্রতিনিধি দলকে বলেন, ‘এই শিল্পের বিকাশে যা যা করা দরকার, সরকার তা করবে। জনগণের সমস্যা এবং আপনাদের সমস্যার সমাধান করতেই এ সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। আমরা সে লক্ষ্যেই কাজ করছি।’

বৈঠক শেষে বিজিএমইএ’র পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে একটি ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।

বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, শ্রম উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন এবং বিএনপির বিশেষ সম্পাদক বেলায়েত হোসেনসহ বিজিএমইএ’র অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%