ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চীন-পাকিস্তানকে মোকাবিলায় ২০০ যুদ্ধজাহাজের নৌবহর গড়তে চায় ভারত


চীন-পাকিস্তানকে মোকাবিলায় ২০০ যুদ্ধজাহাজের নৌবহর গড়তে চায় ভারত

চীনের দ্রুত সম্প্রসারিত নৌবাহিনী এবং পাকিস্তানের বহরে চীনের তৈরি অত্যাধুনিক আক্রমণাত্মক ডুবোজাহাজ যুক্ত হওয়ার প্রেক্ষাপটে,

ভারত আগামী এক দশকের মধ্যে নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজের সংখ্যা ২০০-তে উন্নীত করার উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা নিয়েছে।

এ পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে ভারত মহাসাগরকে ঘিরে নয়াদিল্লির কৌশলগত উদ্বেগ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে বলে জানিয়েছে সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রেক্ষিতে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের আহ্বান ইরানি আইনপ্রণেতার

এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে চলতি মাসে ভারতীয় নৌবাহিনীতে যুক্ত হয়েছে দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত স্টেলথ ফ্রিগেট আইএনএস মহেন্দ্রগিরি এবং ডুবোজাহাজ শিকারি যুদ্ধজাহাজ আইএনএস মালভান। ভারত এগুলোকে দেশের সক্ষমতায় নৌবহর সম্প্রসারণ এবং বিদেশি সরবরাহকারীদের ওপর নির্ভরতা কমানোর সক্ষমতার উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরছে।

আইএনএস মহেন্দ্রগিরির নকশা করেছে ভারতীয় নৌবাহিনীর ওয়ারশিপ ডিজাইন ব্যুরো। আর মাজাগন ডক শিপবিল্ডার্স প্রায় ৭৫ শতাংশ দেশীয় উপকরণ ব্যবহার করে জাহাজটি নির্মাণ করেছে। প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত শিল্পে আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের নীতির প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মহেন্দ্রগিরি নীলগিরি শ্রেণির ষষ্ঠ যুদ্ধজাহাজ। একই শ্রেণির সপ্তম জাহাজ বিন্ধ্যাগিরি আগামী কয়েক মাসের মধ্যে নৌবহরে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। পাশাপাশি ‘প্রজেক্ট-১৭ ব্রাভো’ কর্মসূচির আওতায় আরও সাত থেকে আটটি পরবর্তী প্রজন্মের যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

বর্তমানে ভারতীয় নৌবাহিনীর বহরে প্রায় ১৫০টি জাহাজ রয়েছে। এর মধ্যে আনুমানিক ১৩৫টি ফ্রিগেট, ডেস্ট্রয়ার ও ডুবোজাহাজের মতো সম্মুখসারির যুদ্ধজাহাজ। এ ছাড়া আরও প্রায় ৫০টি জাহাজ নির্মাণাধীন রয়েছে।

আরও পড়ুন: সামান্তা শারমিনের পদাবনতি: পুনর্গঠিত এনসিপিতে কার স্থান কোথায়?

ভারতীয় নৌবাহিনীর সাবেক রিয়ার অ্যাডমিরাল এবং প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক সঞ্জয় মিশ্রের মতে, বহরের বড় অংশ দেশীয়ভাবে নির্মিত হওয়ায় ২০৩৫ সালের মধ্যে ২০০ যুদ্ধজাহাজের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব। তার ভাষায়, প্রয়োজনীয় উদ্দীপনা ও বিনিয়োগ অব্যাহত থাকলে ভারত এই লক্ষ্যমাত্রাও অতিক্রম করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান কৌশলগত বাস্তবতায় ভারতের অন্তত দুটি উচ্চগতিসম্পন্ন ও স্বয়ংসম্পূর্ণ নৌবহর সব সময় প্রস্তুত রাখা প্রয়োজন। তবে এ সক্ষমতা নিশ্চিত করতে যুদ্ধজাহাজের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সহায়ক জাহাজও প্রয়োজন হবে।

লক্ষ্য পূরণে নৌবাহিনী নতুন জাহাজ অন্তর্ভুক্তির গতি বাড়িয়েছে। বর্তমানে প্রায় প্রতি ছয় সপ্তাহে একটি করে নতুন যুদ্ধজাহাজ বহরে যুক্ত করা হচ্ছে। শুধুমাত্র গত দেড় মাসেই দেশের প্রযুক্তি ও উপকরণে নির্মিত পাঁচটি জাহাজ নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

ভারতের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হলো ২০৪৭ সালের মধ্যে যন্ত্রাংশ উৎপাদনসহ জাহাজ নির্মাণ খাতে সম্পূর্ণ আত্মনির্ভরশীলতা অর্জন করা।

আরও পড়ুন: ইউরোপের তিন দেশ থেকে ফেরত পাঠানো হলো ৩৫ বাংলাদেশি

তবে এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের পথে কিছু বড় চ্যালেঞ্জও রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, বিশেষায়িত ইস্পাতসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপকরণের জন্য ভারত এখনও আমদানিনির্ভর। পাশাপাশি দুর্বল অভ্যন্তরীণ সরবরাহব্যবস্থা এবং পুরোনো জাহাজ নির্মাণ অবকাঠামোও পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গৃহকর্মে নিয়োজিত শিশুদের অধিকার সুরক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৫৩ পি.এম


গৃহকর্মে নিয়োজিত শিশুদের অধিকার সুরক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান

গৃহকাজে নিয়োজিত শিশুদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের, উন্নয়ন সংস্থার, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠানের এবং গণমাধ্যমের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিশিষ্টজনেরা। তারা বলেন, শিশুর অধিকার ও সুরক্ষার বিষয়টি সমাজিক ন্যায়বিচার ও উন্নয়নের মৌলিক প্রশ্নের সাথে সংশ্লিষ্ট।

অথচ, বিদ্যমান আইনি ও নীতিমালার দুর্বলতা এবং সেগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়িত না হওয়ার ফলে গৃহকর্মী শিশুরা মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এই ঝুঁকি মোকাবেলায় শিশু শ্রমকে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনা আবশ্যক।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘গৃহকাজে নিয়োজিত শিশুর অধিকার ও সুরক্ষায় আমাদের করণীয়’ শীর্ষক সংলাপে এ সব কথা বলেন তারা। চাইল্ড লেবার ইলিমিনেশন প্লাটফর্মের (ক্লেপ) সহযোগিতায় উন্নয়ণ সংস্থা অ্যাকশন ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট (এএসডি) আয়োজিত সংলাপে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তফাদার।

এএসডি’র নির্বাহী পরিচালক এম এ করিমের সভাপতিত্বে সংলাপে বক্তৃতা করেন শ্রম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আবদুর রহিম খান, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) বাংলাদেশের প্রতিনিধি সৈয়দা মুনিরা সুলতানা, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের উপপরিচালক এম রবিউল ইসলাম, এডুকো বাংলাদেশের চাইল্ড লেবার এলিমিনেশন কর্মসূচির ব্যবস্থাপক আফজাল কবির খান, বাংলাদেশ লেবার ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক এ কে এম আশরাফ উদ্দিন, এএসডির প্রকল্প ব্যবস্থাপক ইউকেএম ফারহানা সুলতানা এবং এএসডির কোঅর্ডিনেটর সৈয়দ শাহিনুর রহমান প্রমুখ।

সংলাপে মূল প্রবন্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. নাজমুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, বিদ্যমান শ্রম আইন, শিশু আইন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, পেনাল কোডসহ অন্যান্য বিভিন্ন আইন ও নীতিমালা গৃহকাজে নিয়োজিত শিশুদের আইনগত সুরক্ষা প্রদানে প্রয়োগ করা সম্ভব হচ্ছে না। শিশুশ্রম নিরসনে শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ কাজের তালিকায় গৃহকর্মীর কাজও অন্তর্ভুক্ত হয়নি। তাই, গৃহকর্মী সুরক্ষা ও কল্যাণ নীতির আলোকে গৃহকাজে নিয়োজিত শিশুদের অধিকার ও সুরক্ষার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে গৃহকর্মী সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

সরকার দ্রুত এ বিষয়ে উদ্যোগ নিবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আলোচনায় অংশ নিয়ে সচিব মো. আব্দুর রহমান তফাদার বলেন, গৃহকর্মীদের সুরক্ষায় সরকার ইতোমধ্যে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। গৃহকর্মী কল্যাণ ও সুরক্ষায় মনিটরিং কমিটি গঠনের কাজ চলছে। এই সেক্টরে কর্মরত সকল সরকারি-বেসরকারি সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এর জন্য সবার সচেতনতা একান্ত প্রয়োজন।

জনগণ সচেতন হলেই আমাদের উদ্যোগ সফল হবে। সংলাপের মাধ্যমে গৃহকাজে নিয়োজিত শিশুদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য কার্যকর সুপারিশ প্রণয়ন এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে এম এ করিম বলেন, শিশুরা তাদের আনন্দের শৈশব হারিয়ে ফেলছে, কাজের মধ্যে যুক্ত হয়ে। গৃহকর্মীর কাজকে এখনও শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ কাজের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ২০০৭ সালের পর গৃহকাজে নিয়োজিত শিশুদের তালিকা হালনাগাদ করা হয়নি। আমাদের প্রতিশ্রুতি ছিল ২০২৫ সালের মধ্যে শিশুশ্রম নির্মূল করা হবে। কিন্তু আমরা তা পারেনি। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও ঘোষিত অঙ্গীকার বাস্তবায়নে দেশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশু গৃহকর্মীর অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে লাগসই আইন প্রণয়নের জন্য বর্তমান সরকারের প্রতি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমবোঝাই ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৫৪ পি.এম


আমবোঝাই ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

সিরাজগঞ্জে আমবোঝাই ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে আব্দুস সবুর (৩৭) নামে এক আম ব্যবসায়ীর মৃত্যু ঘটেছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ভোরে নাটোর-বনপাড়া মহাসড়কের নাইমুড়ি এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত আব্দুস সবুর টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর উপজেলার তেবাড়িয়া গ্রামের রাফেজ আলীর ছেলে।

হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ওসি ইসমাইল হোসেন জানান, চাপাইনবাবগঞ্জ থেকে টাঙ্গাইলের দিকে আসা আমবোঝাই ট্রাকটি ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের খাদে পড়ে যায়। তখন আমের ঝুড়ির নিচে চাপা পড়ে আব্দুস সবুর ঘটনাস্থলেই মারা যান। চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেলেও ট্রাকটিকে আটক করে থানায় রাখা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ট্রাকে থাকা আমগুলো নিহতের সাথে থাকা অপর দুই ব্যবসায়ী নিয়ে গেছেন। এ ঘটনাটি নিয়ে মামলা করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনগণের ওপর ক্ষমতা দেখানো ব্যক্তিরা দলের শত্রু: তথ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৫৭ পি.এম


জনগণের ওপর ক্ষমতা দেখানো ব্যক্তিরা দলের শত্রু: তথ্যমন্ত্রী

জনগণের ওপর যারা ক্ষমতা প্রদর্শন করবেন, তারা সরকারের ও সরকারের দলের শত্রু বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এম জহির উদ্দিন স্বপন এমপি। তিনি জানান, অপরাধ করার সাথে সাথে দলের নেতাকর্মীদের আইনের আওতায় আনতে হবে; দলের পরিচয়ে কেউ যেন রক্ষা না পায়।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার নলচিড়া ইউনিয়নের কুতুবপুর স্বনির্ভর খালের পাশে উপজেলা কৃষক দল কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী এম জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘মাটির ওপরে দাঁড়িয়ে একমাত্র জনগণই ক্ষমতা দেখাতে পারে। আমাদের দেশের এত ক্ষমতার মালিক শেখ হাসিনার শেষ পর্যন্ত বিড়ালের মতো পালিয়ে যেতে হয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী যে অল্পবয়স্ক তরুণ ছাত্রদের তেলাপোকার সঙ্গে তুলনা করেছিলেন, সেই তেলাপোকাদের কারণে শেষ পর্যন্ত তাকে আত্মসমর্পণ করতে হয়েছে; তাদের দাবি মানতে বাধ্য হয়েছে।’

তিনি রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের সতর্ক করে বলেছেন, ‘যখন-তখন জনগণকে ছোট করা, তেলাপোকা বা ছাড়পোকা মনে করা; এইসব ঔদ্ধত্য যেসব রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা দেখায় তারা দলের শত্রু, জনগণের শত্রু। এটা আমি অতীতেও সাবধান করেছি, বর্তমানেও সাবধান করে দিচ্ছি।’

দলের নেতাকর্মীদের শৃঙ্খলার বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী এম জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ‘ধানের শীষের হাতে বা শহীদ জিয়া পরিবারের হাতে যখন শাসন ক্ষমতার দায়িত্ব আসে, তখন সেই ক্ষমতার কোনো অপপ্রয়োগ সর্বোচ্চ মহলে হয় না। কিন্তু নিচের পর্যায়ে কেউ ভুলভ্রান্তি করলে সেই দায়িত্ব শেষ পর্যন্ত দলের ঘাড়ে যায়। তাই বিভ্রান্তিকর নেতাকর্মীদের ব্যাপারে আমাদের সজাগ থাকতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের দল একটা বড় পরিবার, আমাদের অনেক ধরনের নেতাকর্মী ও অঙ্গ সংগঠন আছে। আমরা সবাই মিলে ধান চাষ করি, আবার কাটার মৌসুমে সবাই মিলে ধান কাটি। কিন্তু পরিবারের কিছু সদস্য ধান চাষ বা কাটার সময় থাকে না, তারা তখন ফুটবল খেলে। এদের চিনতে হবে। তারা যাতে কোনো অপকর্মের সঙ্গে যুক্ত না হয়, সেদিকে দূরবীনের মতো চোখ রাখতে হবে।’

উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বরিশাল জেলা উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব মিজানুর রহমান খান মুকুল। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব, সাবেক আহ্বায়ক আলহাজ আবুল হোসেন মিয়া, সদস্য সচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু, জেলা বিএনপির সদস্য রফিকুল ইসলাম কাজল, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মো. জাকির হোসেন শরীফ, ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব শরীফ শফিকুর রহমান স্বপন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুজ্জামান খোকন এবং কৃষক দলের জেলা উত্তরের সদস্য সচিব ভিপি মো. সেলিম হোসেন প্রমুখ।

একইদিন তথ্যমন্ত্রী গৌরনদীতে পরিবেশ সংরক্ষণ, সবুজায়ন এবং শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে পৃথক তিনটি কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। বেলা ১১টায় গৌরনদী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে উপজেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের যৌথ আয়োজনে তিন দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার উদ্বোধন করেন তিনি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, ‘সবুজ বাংলাদেশ গড়তে প্রত্যেক নাগরিকের অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও তার পরিচর্যার দায়িত্ব নিতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদেরও পরিবেশ রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী স্কুল ক্যাম্পাসে একটি গাছ লাগান এবং শিক্ষার্থীদের হাতে চারা তুলে দেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. ইব্রাহীম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বন সংরক্ষক (কোস্টাল সার্কেল, বরিশাল) ড. মোল্লা রেজাউল করিম। আগামী ৩০ জুলাই পর্যন্ত এ মেলা চলবে।

পরে দুপুর ১২টায় উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি)-২০২৬ এর অর্থায়নে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী ও বৃক্ষের চারা বিতরণ করেন তথ্যমন্ত্রী। একই অনুষ্ঠানে মন্ত্রী ‘নতুন কুঁড়ি’ কর্মসূচিতে জেলা পর্যায়ে অংশগ্রহণকারী কৃতি শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট প্রদান করেন।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, ‘একটি সুস্থ, মেধাবী ও দেশপ্রেমিক প্রজন্ম গড়ে তুলতে শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা এবং বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। বর্তমান প্রজন্মকে প্রযুক্তি শিক্ষার পাশাপাশি মাঠমুখী হতে হবে। প্রতিটি শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি করে গাছ লাগিয়ে তার পরিচর্যার দায়িত্ব নিতে হবে।’

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইব্রাহীমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মেহেদী হাসান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সেকেন্দার শেখ, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. পলাশ সরকার, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা বিভাষ কুমার দাস ও বন সংরক্ষক ড. মোল্লা রেজাউল করিম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বে বাংলাদেশি কৃষিপণ্যের বাজার সম্প্রসারণ সরকারের অন্যতম লক্ষ্য: কৃষিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৫৭ পি.এম


বিশ্বে বাংলাদেশি কৃষিপণ্যের বাজার সম্প্রসারণ সরকারের অন্যতম লক্ষ্য: কৃষিমন্ত্রী

কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো বাংলাদেশি কৃষিপণ্যের বাজার বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সম্প্রসারণ করা। দেশে কৃষিপণ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করার পাশাপাশি রফতানি সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য সরকার কাজে নিয়োজিত রয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে গাজীপুরে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট পরিদর্শন শেষে তিনি এ মন্তব্য করেছেন।

মন্ত্রী আরও জানান, দেশের বর্তমান সার পরিস্থিতি ভালো। সারের কোনো ঘাটতি নেই এবং পর্যাপ্ত সার মজুত রয়েছে। কিন্তু একটি মহল কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাজারে অস্থিতিশীলতা আনতে চেষ্টা চালাচ্ছে, এ বিষয়ে সরকার কঠোর নজরদারি করছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

এই পরিদর্শন শেষে কৃষির সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেছেন মন্ত্রী। সভায় কৃষি গবেষণা, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং রফতানিযোগ্য কৃষিপণ্যের গুণগত মান উন্নত করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এ সময় গাজীপুর-২ আসনের এমপি এম. মঞ্জুরুল করিম রনি, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. রফিকুল ইসলাম, কৃষি বিজ্ঞানী, শিক্ষক এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) এর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%