১০:০৯ এম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন আয়োজনের বিষয় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রথম বৈঠক করেছে। যদিও তফসিল চূড়ান্ত হয়নি, বৈঠকে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন সক্রিয় ছাত্রসংগঠনের সঙ্গে আলোচনা, এবং আবাসিক হলগুলোর বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রতিবেদন সংগ্রহের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকটি বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকেল ৩টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দুই উপ-উপাচার্য, প্রক্টর এবং বিভিন্ন আবাসিক হলের প্রভোস্টরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষ হওয়ার পর উপাচার্য জানান, ডাকসু নির্বাচন কীভাবে আয়োজন করা হবে, নির্বাচনের জন্য কী কী প্রস্তুতি প্রয়োজন এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজন কারা-এসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন সক্রিয় ছাত্রসংগঠনের সঙ্গে বৈঠক করার পাশাপাশি শৃঙ্খলা পরিষদের সঙ্গেও আলোচনা করা হবে।
আরও পড়ুন: এসএসসিতে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের কলেজে ভর্তির সুযোগের দাবি
তিনি আরো জানান, প্রতিটি আবাসিক হলের পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রশাসনকে প্রতিবেদন দিতে প্রভোস্টদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। প্রভোস্টরা নিজ নিজ হলে সভা করবেন এবং সেখানকার পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রশাসনকে অবহিত করবেন। পাশাপাশি বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের সঙ্গে পর্যায়ক্রমে বৈঠক করবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
তফসিল ঘোষণার বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে উপাচার্য জানান, বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং নির্বাচনের তফসিল এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি।
ডাকসুর সংবিধানের ৬(গ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্বাচিত পদাধিকারীরা ৩৬৫ দিন দায়িত্ব পালন করবেন। নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হলে নির্বাচিত পদাধিকারীরা সর্বোচ্চ আরও ৯০ দিন অথবা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া পর্যন্ত, যেটি আগে ঘটে- দায়িত্বে থাকতে পারবেন। এরপর ডাকসু স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিলুপ্ত হবে।
বর্তমান ডাকসু কমিটি গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। সে অনুযায়ী, তাদের এক বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার সময় ঘনিয়ে এসেছে। যদি নির্বাচন তফসিল চূড়ান্ত না হয়, তবে সংবিধানের বিধান অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত বর্তমান কমিটির মেয়াদ বাড়তে পারে।
আরও পড়ুন: রিজভী: আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির সংশ্লিষ্টতার কোনো প্রমাণ নেই
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন