বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৪৮ পি.এম
আজ মাঠে নামছে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা, যাদের লক্ষ্য অস্ট্রেলিয়াকে তৃতীয়বারের মতো হোয়াইটওয়াশ করা। পাঁচ বা তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ইতোমধ্যে প্রথম দুই ওয়ানডে জিতে সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছে প্রোটিয়ারা।
দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে জিতলে অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা দেবে। পচেফস্ট্রুমে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি বাংলাদেশ সময় বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টায় শুরু হবে।
ডারবানে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ম্যাথু ব্রিটস্কির সেঞ্চুরি ও স্পিনার কেশব মহারাজের অসাধারণ বোলিংয়ের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়াকে ৬৭ রানে পরাজিত করে দক্ষিণ আফ্রিকা। দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথমে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ২৯৭ রান সংগ্রহ করে। ব্রিটস্কি ১০৬ বলে ১১২ রান করেন।
অস্ট্রেলিয়া ২৩০ রানে অলআউট হয়ে যায়। মহারাজ ২০ রানে ৪ উইকেট দখল করেন। জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা ৩২ রানে জয়লাভ করে সিরিজ জয় নিশ্চিত করে। প্রথমে ব্যাটিং করে অধিনায়ক তেম্বা বাভুমার ১০৩ ও ডেভিড মিলারের ১৪২ রানের সুবাদে ৯ উইকেটে ৩৬৫ রানের বিশাল স্কোর দাঁড় করায় প্রোটিয়ারা। অস্ট্রেলিয়া ১ বল বাকী থাকতে ৩৩৩ রানে থামে। দক্ষিণ আফ্রিকার লিজাড উইলিয়ামস ৩টি, মার্কো জানসেন-মহারাজ ও বিয়র্ন ফরচুন ২টি করে উইকেট নেন।
দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম দুই ম্যাচ জিতে অস্ট্রেলিয়াকে তৃতীয়বারের মতো হোয়াইটওয়াশ করার সুযোগ পেয়েছে। ২০১৬ সালে পাঁচ ম্যাচের এবং ২০২০ সালে তিন ম্যাচের সিরিজে অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করেছিল প্রোটিয়ারা।
অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক বাভুমা বলেন, "হোয়াইটওয়াশের সুযোগ সবসময় আসে না। তাই এবার আসা সুযোগটি কাজে লাগাতে চাই। অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশের লক্ষ্য নিয়ে আমরা মাঠে নামবো।"
অস্ট্রেলিয়া তৃতীয় ম্যাচে ব্যাট-বল হাতে সেরা পারফরমেন্স করে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়াতে চায়। দলের ব্যাটার কুপার কনোলি জানান, "প্রথম দুই ম্যাচের ব্যর্থতা ঝেড়ে ফেলে আমরা ঘুরে দাঁড়াতে চাই। তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে সেরা পারফরমেন্স দিয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়িয়ে ওয়ানডে সিরিজ শেষ করতে চাই।"
দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়া এখন পর্যন্ত ১১৫ ওয়ানডেতে মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে অস্ট্রেলিয়া ৫২ ম্যাচে এবং দক্ষিণ আফ্রিকা ৫৯ ম্যাচে জয়লাভ করেছে। ৩টি ম্যাচ টাই হয়েছে এবং ১টি পরিত্যক্ত হয়েছে।
সূত্র: বাসস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের সাবেক গতিতারকা শোয়েব আখতার ঠোঁটকাটা মন্তব্য ও স্পষ্ট সমালোচনার জন্য পরিচিত। তিনি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) বিভিন্ন সিদ্ধান্ত, দল নির্বাচন, প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং জাতীয় দলের সামগ্রিক দিকনির্দেশনা নিয়ে প্রকাশ্যে একাধিকবার সমালোচনা করেছেন। এবার পিসিবির গুরুত্বপূর্ণ কোনো দায়িত্বে শোয়েব আখতারকে দেখা যেতে পারে।
পিসিবির চেয়ারম্যান মহসিন নকভি ইংল্যান্ড সফরে পাকিস্তানের ভরাডুবির পর দেশের ক্রিকেট কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছেন। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম পিটিআইয়ের বরাত দিয়ে জানা গেছে, সম্ভাব্য পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে শোয়েব আখতারকে গুরুত্বপূর্ণ কোনো দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে বোর্ড। তবে তাকে ঠিক কোন পদে দায়িত্ব দেওয়া হবে, তা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসলামাবাদে বসবাসকারী শোয়েব গত সপ্তাহে মহসিন নকভির সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেছেন। বৈঠকে পাকিস্তান ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ এবং জাতীয় দলগুলোর জন্য বোর্ডের পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে নকভির সঙ্গে শোয়েবের সম্পর্ক উন্নত হয়েছে বলে জানা গেছে। বিশেষ করে শোয়েবের বড় ভাইয়ের মৃত্যুর পর নকভি তার সঙ্গে যোগাযোগ করে পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। বিষয়টি সাবেক এই পেসারকে প্রভাবিত করেছে বলে পিসিবির ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে।
সূত্রটির ভাষ্য, ‘কয়েক সপ্তাহ আগে শোয়েবের বড় ভাই মারা যাওয়ার পর মহসিন নকভি তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যোগাযোগ করেছিলেন এবং তার পাশে ছিলেন। বিষয়টি শোয়েবকে অনেকটাই মুগ্ধ করেছে। কারণ, অতীতে তিনি গণমাধ্যমে পিসিবি ও পাকিস্তান ক্রিকেটের কঠোর সমালোচনা করেছেন।’
এরপর থেকেই পাকিস্তান ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুজনের মধ্যে বিস্তৃত আলোচনা শুরু হয়। নকভি তার পরিকল্পনার কথা শোয়েবকে জানান। একই সঙ্গে তাকে ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমি ও জাতীয় দলের অনুশীলন ক্যাম্প পরিদর্শনের আমন্ত্রণও দেওয়া হয়েছে।
তবে শোয়েবের সম্ভাব্য ভূমিকা শুধু আনুষ্ঠানিক বা পরামর্শক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নাও থাকতে পারে। পাকিস্তান ক্রিকেট কীভাবে পুনর্গঠন করা যায়, সে বিষয়ে নিজের কিছু পরিকল্পনা ও শর্তও নকভির কাছে তুলে ধরেছেন সাবেক এই তারকা পেসার।
পিসিবির ওই সূত্রের ভাষায়, ‘শোয়েব বড় একটি দায়িত্ব পাওয়ার পথে আছেন। তবে চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠকে তার নিজের কিছু ধারণা ও শর্ত ছিল। তার বিশ্বাস, সেগুলো বাস্তবায়ন করা গেলে পাকিস্তান ক্রিকেটকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।’
ইংল্যান্ড সফরে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে হেরেছে পাকিস্তান। ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট সিরিজে এবারই প্রথম ধবলধোলাইয়ের শিকার হয়েছে দলটি। এমন ফলের পর ক্রিকেটারদের পাশাপাশি পাকিস্তানের ক্রিকেট কাঠামো নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
এ পরিস্থিতিতে শুধু জাতীয় পুরুষ দলেই নয়, পিসিবির ক্রিকেটীয় পরিকল্পনা ও ‘থিংক ট্যাংক’-এও পরিবর্তনের কথা ভাবা হচ্ছে। ফিল্ডিং কোচ শেন ম্যাকডারমট ও বোলিং কোচ অ্যাশলে নফকের বিদায়ের পর কোচিং ও পরামর্শক পদগুলো নিয়েও নতুন করে ভাবছে বোর্ড।
পাশাপাশি পাকিস্তান নারী দলের জন্য দীর্ঘমেয়াদি স্থায়ী প্রধান কোচ নিয়োগের পরিকল্পনাও রয়েছে। জাতীয় পুরুষ দল, নারী দল, শাহিনস ও জুনিয়র দলের ফলাফলে উন্নতি চান নকভি।
পিসিবির সূত্র জানিয়েছে, ‘বোর্ড ভবিষ্যতের জন্য কিছু পরিকল্পনা করছে। শিগগিরই ক্রিকেট থিংক ট্যাংকে কিছু পরিবর্তন আসবে। চেয়ারম্যান স্পষ্ট করে দিয়েছেন, জাতীয় পুরুষ দল, নারী দল, শাহিনস ও জুনিয়র দল—সব পর্যায়েই তিনি আরও ভালো ফল চান।’
পিসিবিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হলে শোয়েব আখতারের জন্য এটি হবে বড় ধরনের পরিবর্তন। এতদিন সিস্টেমের বাইরে থেকে পাকিস্তান ক্রিকেটের দল নির্বাচন, জবাবদিহি ও ক্রিকেট সংস্কৃতি নিয়ে সরব ছিলেন তিনি। এবার সেই সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ার ভেতরেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে সাবেক এই তারকা পেসারের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লক্ষ্মীপুরে কিশোর অপরাধ দমনের উদ্দেশ্যে পুলিশের দ্বিতীয় দিনের অভিযানে ১৮২ জনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, আটককৃতদের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টার দিকে লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত জেলার ৬টি থানায় অভিযান পরিচালনা করে ১৮২ জনকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে সদর থানায় ৬০ জন, চন্দ্রগঞ্জে ২১ জন, রায়পুরে ২৪ জন, রামগঞ্জে ২৪ জন, রামগতিতে ১৩ জন, কমলনগরে ১৭ জন এবং ডিবি ২৩ জনকে আটক করা হয়েছে। কিশোর অপরাধ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে উত্ত্যক্ত করা, মাদক ও মারামারিসহ বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী জানিয়েছেন, কিশোর গ্যাং ও অপরাধ দমনের জন্য এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি অভিভাবকদের সন্তানদের বিষয়ে সতর্ক ও সচেতন থাকার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না। জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেছেন, সরকার শক্তিশালী রয়েছে এবং সরকারকে দুর্বল ভাবার সুযোগ নেই।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে ওলামা দলকে নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করার পর তিনি এই মন্তব্য করেন।
চিফ হুইপ আরও জানান, আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নের জন্য যা কিছু প্রয়োজন, তা করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, যে দেশে হাদির খুনির আশ্রয় দেওয়া হয়েছে, তারা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দুর্বল করার চেষ্টা করছে।
সংবিধান সংশোধনের প্রসঙ্গে নূরুল ইসলাম মনি বলেন, সংশোধনের জন্য সকল পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
তিনি বলেন, খতিব ও পুরোহিতদের জন্য সরকার ভাতার ব্যবস্থা করেছে। বিএনপি তাদের মূল্যবোধকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য যা প্রয়োজন, তা করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মঙ্গলবার আর্জেন্টিনার সুপ্রিম কোর্ট প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইয়ের নেওয়া পদক্ষেপকে সমর্থন করে বিদেশিদের জমি কেনার ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি বিনিয়োগ আকর্ষণের উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে, তবে এর বিরুদ্ধে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। শ্রমিক সংগঠন এবং পরিবেশবাদীরা এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করছে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
২০২৩ সালে ক্ষমতায় আসার পরপরই মিলেই বিদেশিদের জমি মালিকানার ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেন। এর আগে, দেশের মোট জমির সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বিদেশিদের মালিকানা অনুমোদিত ছিল।
বিরোধী রাজনৈতিক দল এবং পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে। গ্রীষ্মকালজুড়ে তারা বিক্ষোভও করেছে। এই বিক্ষোভে ‘দেশ বিক্রির জন্য নয়’ লেখা ব্যানার বহন করা হয়েছে।
সাংবিধানিক আইনজীবী আন্দ্রেস গিল দোমিঙ্গেস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে মন্তব্য করেছেন, মঙ্গলবারের আদালতের সিদ্ধান্তের ফলে যেকোনো বিদেশি ব্যক্তি, কোম্পানি বা রাষ্ট্র নিজেদের পছন্দমতো যেকোনো গ্রামীণ জমি কিনতে সক্ষম হবে। এমনকি সীমান্তবর্তী এলাকায় জমি কেনার ক্ষেত্রে কোনো বিধিনিষেধ থাকবে না।
২০২৫ সালে বুয়েনস আইরেস বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য গবেষকদের প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, আর্জেন্টিনার মোট ভূখণ্ডের প্রায় ৫ শতাংশ বর্তমানে বিদেশিদের মালিকানাধীন। এই পরিমাণ জমির আয়তন ইংল্যান্ডের সমান।
তবে গবেষকরা উল্লেখ করেছেন যে, দেশের কিছু অঞ্চলে বিদেশি মালিকানাধীন জমির পরিমাণ ইতোমধ্যে ১৫ শতাংশের সীমা অতিক্রম করেছে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় পানি এবং খনিজ সম্পদের প্রাচুর্য অথবা কৌশলগত পরিবহন সুবিধা রয়েছে, সেসব অঞ্চলে বিদেশি মালিকানার হার বেশি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ